রবিবার, ১ অক্টোবর, ২০১৭

Kafir-e-ishq hoon main banda-e-islam nahin
But parasti ke siwa aur mujhe kaam nahin

Ishq mein poojta hoon qibla-o- kaaba apna
Ek pal dil ko mere uske bin aaraam nahin


Bulhawas paanw na rakhiyo kabhi is raah ke beech
Koocha-e-ishq hai ye raguzar-e-aam nahin

Haye re haye chali jaati hai yun fasl-e-bahaar
Kya karoon bas nahin apna wo sanam ram nahin

Aar kya hai tujhe duniya ki malaamat se ‘Niyaz’
Aashiqon mein tuu akelaa hi to badnaam nahin 

~ Hazrat Qibla Shah Niyaz Beniyaz R.A.

সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

পীর পূজা করে যদি কাফের হতে হয়
তো সেই কাফেরী সনদ দিয়ে দাও আমারে..।

পীর পূজা করে যদি কাফের ফতুয়া না পাই
তো কেমন পূজারী আমি সংসারে..।

পীর পূজা করে যদি কাফের হতে হয়
তো সে কাফের সনদ দিয়ে দাও আমারে..।

গুরু প্রেমে কাফের ফতুয়া না পাই
পীর পূজারি হব কী করে...।

পীর পূজা যদি হয় হোক শেরেকী
যেনে নাও আমি পীর পূজারি
এ শেরেকী জিন্দেগী ভর
এ শেরেকী বন্দেগী আমার
এ শেরেকী ধর্ম শুধু নয়
বাসনা যে মোর চরতরে..।

গুরু বিনা কোনো ইবাদতের
নেই প্রয়োজন এই জীবনেতে
পরোয়া করিনা দোযখের ভয়
গুরু যদি মোর থাকে সাথে
তুচ্ছ বেহেশত থাক থাক পরে থাক
চাই না ওখানে ভুলেও যেতে
আাহা আমি চাই আমার গুরুর কদম।।
তার গোলাম হতে চাই চিরতরে..।

সুরা মুজাম্মিলে স্বয়ং খোদা কয়
ফাত্তাখেজু ওয়াকিলা দেখ রয়

মান হাকিমের কাছে যেতে চাও
শক্ত হাতে উকিল ধরে লাও

এবং আরো কাহাফ সূরায়
বলে বদনসিবি তারা এ ধরায়
ওলীয়াম মুর্শিদ যে নাহি পায়
বৃথা সাধন ভোজন সংসারে..।

পাথর সুরকী বালু দিয়ে যে কাবা গড়া
বৃথা নয় কি তারে সেজদা করা
পাথরের কি এতই শক্তি
চুমা দিলেই তারে পাবে মুক্তি।।

কাবায় খলিলে যদি খোদা পেত
রসুল হেরা গুহায় না যেত।।

নাকি হেরা গুহা কাবার উর্ধ্বে নিশ্চয়
নইলে গুহায় গেলেন কেন কাবা ছেরে..।

খালাকা আদম আলা সুরাতিহি
আরো দেখনা ফি তুহে মিররূহি
আমাকে পেতে হলে উসিলা ধর
কুরান পাকে তাই বলেন এলাহি
মুমিনের কালব আমার আরশ
মুৃমিনের দিল কাবায় হুজুরে
তাই জেন্ত দিল কাবাকে সেজদা করি
সেজদা করি আমি নত শিরে।।

যারপীর নাই তার পীর হল শয়তান
খাজায় খাজেগান কালামে ফরমান
ওসিলা ছাড়া যদি খোদা না পাওয়া যায়
যদি হাজার ইবাদতে খোদা না সাড়া দেয়
তবে খোদার উর্ধ্বে গুরু
রতনে তাই কয়।।
গুরু তোমার পুজারী বানাও আমারে..।

রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

Philosophical Essence
Know thyself that is the most celebrated philosophical essence of human race. Man, whose comprehension has expanded from the minuscule atomic world to the collossum deatils of the galactic bodies and who has exerted great influence upon nature through the mastering of engineering is now facing the more important question of how much had we really learnt about our own self or how much self-control we could exert upon ourselves. In answering this we come close to Sufism which is an applied philosophy in the way to realize and communicate with the core driving force of our very existence.
Man is made by God in the style of all the other living things making him a slave to his own instinct and tendency. However, he has not also been spared with the potential of overcoming this trend and tendency. He has been blessed with the power to win the incompliable hurdles of our nature. More often than not, we are misled by the tricky six senses playing within us. We have inside us the unbreakable link between fear and inertia. Sufism holds in our hand and takes us away free from the fruitless burden of these senses, namely, sex, pride and fear. It then allows us to settle down with the pure soul living dormant deep down in our heart.
God exists in every soul that he has laid down to roam upon the earth. Man can attain the humane fullfilment by awakening the omnipotent Master in himself through focusing upon and purifying one?s soul. Because Creator is only the other name of that absolute soul.
As goes in the Hadith-e-Kudsi: I was always there hiding from your eyes, I desired to express myself and I created All and expressed myself. Creator expresses himself through his Creation. We can find him in the non-living things in the qualitative form and in human beings as the living soul. He who has been successful in waking up that dormant soul is considered an `Olee? i.e. a friend of God. What he says and what does becomes the saying and the doing of God. He is the possesor of all his attributes. We are advised merely to follow him. Because He is the one who has been truly blessed.
To ensure this self-purification and self-awakening we need an effective Guru or Murshid or Peer and attain self-knowledge, self-purification and self-satisfaction through sitting for a Moraqaba or Meditation under his able guidance. The Prophet himself set an example before us by doing the same for fifteen years at the Cave of Hera.
Sufism is an effective philsophy. It leads us to a peaceful and pragmatic life on this very dusty earth.

শনিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭



 সর্বধর্মের উদ্দেশ্য একটাই
    ~~~~~~~~~~~~~~~
ধর্ম বলতে যা বোঝায়: সেই বিখ্যাত ধর্মগুলোর উদ্দেশ্য একটিই, দ্বিতীয় কোন উদ্দেশ্য নাই। সেই একমাত্র উদ্দেশ্যটি যদি জানা না থাকে তাহলে ধর্মের সাগরের পাড়কূল পাওয়া যায় না। বিচিত্র রংঢং আর শৈলীর অবগুণ্ঠনে ধর্মের আসল বিষয়টি ঢেকে যায়।
     
ধর্মের সেই একমাত্র বিষয়টি হলো: আল্লাহ্কে পাওয়া, খোদাকে পাওয়া, গডকে পাওয়া, নারায়ণকে পাওয়া, জিহোবাকে পাওয়া, পরমকে পাওয়া। এই আল্লাহ্কে পাওয়ার বিষয়টি কী করে জানব? কী করে বুঝতে পারব? এই একমাত্র বিষয়টি বুঝতে হলে, জানতে হলে আপন দেহের মধ্যেই পাইতে হবে। দেহের বাহিরে যারা আল্লাহ্ পাবার আশা করে তারা আল্লাহ্ কখনও পাই না এবং পাবার বিধানটিও রাখা হয় নি। এই আপন দেহটি মিমের জিকির, সব রহস্যের পাত্র। লা'মোকামে প্রবেশ করার বোরাক হলো এই দেহটি এবং সব রকম রহস্যের
ভান্ডটিও এই দেহটি। এই দেহটির ভিতরে  হৃদয়টি আছে, সেই হৃদয়ের মাঝে নফ্স আছে তথা আমি আছি এবং আমার সঙ্গে খান্নাসরূপী শয়তানটিও আছে। এই খান্নাসরূপী শয়তানকে নিয়ন্ত্রণে আনা, তথা তাড়িয়ে দেওয়া, তথা মুসলমান বানিয়ে ফেলাটাই হলো ধর্মের একমাত্র সাধনা।
       
এই সাধনায়  যারা কামিয়াব হতে পেরেছেন তারাই আল্লাহর পরিচয়টি জানতে পেরেছেন। তাই কোরান বলছে, "তুমি একা হয়ে আমাকে ডাক, ডাকের জবাব সঙ্গে সঙ্গে পাবে।" আরবিতে বলা হয় 'উদুনি আস্তা জেবলাকুম'। একমাত্র মূল বিষয়টি একদম সোজাসুজি বলা হয়েছে সুরা মোমিনের ষাট নম্বর আয়াতে।
     
এই খান্নাসরূপী শয়তানটিকে আপন নফস হতে তাড়িয়ে দেওয়ার কৌশলটি অনেক রকম। মূল বিষয় একটি কিন্তু প্রয়োগ পদ্ধতি অনেক রকম। যখন একজন সাধক খান্নাসরূপী শয়তানটিকে তাড়িয়ে দিতে পারে তখন সে সাধক বহু ভাষায়, বহু ছন্দে, বহু শৈলীতে বলে ফেলেন, আমিই আমার পীর, আমিই আমার মুরিদ। কেউ বলে ফেলেন এক বিনে দ্বিতীয় নাই, কেউ বলেন এই এক-কে খন্ডন করা যায় না। সাধক যখন খান্নাসরূপী শয়তানটিকে তাড়িয়ে দিয়ে কামিয়াব হতে পারেন তখনই বলে ফেলেন- আনাল হক, লাইসা ফি জুব্বাতি সেওয়া আল্লাহ তায়ালা, আনা সোবাহানি মা আজামুশশানি, সোহ্হম সোহমি, মদং ব্রহ্মা, আনাহু হু'আল আনা, মুই তুই- তুই মুই ইত্যাদি অনেক রকম ভাষায়।

নিবেদক-
 কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল    ইবনে হেলাল গোলামে শাহ্ জালাল নূরী আল সুরেশ্বরী।

রবিবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৭

প্রাণ ও পরম এর রহস্য
                    ...................................
প্রাণ এবং পরম এক নয়। প্রাণ-পরমের প্রশ্নে সবাই ভুল করে। দার্শনিকরা তো আরও ভুল করে। ভাষার শব্দের গাঁথুনির অভাবে স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ ভুল করেছেন। দেবতাদের রাজা মহাদেবও ভুল করেছেন। আসলে এই ভুলটি ভুল নয়। ভাষার অভাবে বাধ্য হয়ে তাঁরা ভুল করেছেন। তাঁরা জেনেশুনে ভুল করতে বাধ্য হয়েছেন। কোথায় প্রাণ আর কোথায় পরম। আর সাধারণ পীর-ফকিরেরা, ওলি- দরবেশেরা ভুল করে কিন্তু বিগার কমে না। বিগার মানে ঠাঁট-বাঁট অহঙ্কার। কিচ্ছু জানে না অথচ পীর হয়ে বসে আছেন। ভিতরে কোন মালই নেই কিন্তু পরে আছেন সুন্নতি লেবাস। এই রকম সুন্নতি লেবাস মহানবি পরেছেন কি-না সন্দেহ! ইহা কি তথাকথিত সুন্নত, না আসল সুন্নত? তাহা আমার জানা নাই। প্রাণ আর পরমের পার্থক্যটি করে গেছেন পৃথিবীর বুকে একমাত্র মহানবি আবুল কাসেম হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)। মহানবি বলে গেছেন, প্রাণের নাম নফ্স আর পরমের নাম রুহ। এই নফ্স আর রুহের পার্থক্যটি মোল্লারা বোঝেন না। মোল্লারা কিছুই জানে না তাই খুব বেশি বকবক করে। আর সাধারণ মানুষেরা মাথায় গরু-মহিষের মগজ থাকাতে সোবহানাল্লাহ্ বলে চিৎকার করে। সাধারণ মানুষ বানরের চেয়ে একটু উঁচায়। সাধারণ মানুষকে বোঝালেও কী, আর না বোঝালেই কী। সাধারণ মানুষের নাকে গোলাপ ফুল ধরলে জিহ্বা বের করে খেতে চায়। কোন মোল্লার মুখে শুনলাম না এই হাদিসটি- "এক ঘন্টা জ্ঞান অর্জন সত্তর বছরের ইবাদতের চেয়ে উত্তম"। তাহলে এই জ্ঞান কোথা হতে অর্জন করবো? জ্ঞান অর্জন করতে হলে পাঠাগার,স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি হতে জ্ঞান অর্জন করা যায়। এই জ্ঞান অনুসরণ- অনুকরণ করার জ্ঞান। কারণ জ্ঞান দুই প্রকার- একটি হলো: অনুসরণ-অনুকরণ করার জ্ঞান, অপরটি হলো সৃষ্টি করার তথা সৃজনিশক্তির অধিকারী হওয়া। অনুসরণ-অনুকরণ এর জ্ঞান অর্জন করতে হলে বড় বড় ডিগ্রী নিতে হয়। এই ডিগ্রীগুলি এক একটি বড় সাইনবোর্ড। আর যারা সৃষ্টি করে তাঁদের কাঁধের উপর সাইনবোর্ড থাকে না, তারা সবার জন্য। সবার জন্য যে জ্ঞান তার নামই সুফিবাদ। সুতরাং সুফিবাদ ধর্মকে অনুসরণ করে কিন্তু অনুকরণ করে না। কুকুর লেজ নাড়ায় কিন্তু লেজ কখনও কুকুরকে নাড়াতে পারে না। সৃষ্টি করার জ্ঞান স্কুল কলেজ হতে পাওয়া যায় না। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, লালন, পান্জু শাহ্, দুদ্দু শাহ্, মনমোহন,  দ্বিজদাস, জগদিশ এরা সৃষ্টি করার প্রতিভা নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছেন। এরা সবসময় ডালভাতের হালে থাকেন। মোহমুক্ত হয়ে যে জীবনটি দাঁড়িয়ে থাকে সেই জীবনটিকে গালভাতের হাল বলা হয়। ইবাদত, বন্দেগি, পূজা, প্রার্থনা করতে হয় মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা, কালিশায়। এক ঘন্টা জ্ঞান অর্জন করা সত্তর বছর (বেরিয়া) ইবাদতের চেয়ে উত্তম। তাহলে সাধারণ মানুষদের অনুরোধ করছি, একটু চিন্তা করুন, গবেষনা করুন সত্তর বছরে কত ঘন্টা হয়? আটষট্টি হাজার চারশ ঘন্টায় সত্তর বছর হয়। তাহলে ফলটি কি দাঁড়াল? একটি ইবাদত খানা, একটি পূজা করার মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা, কালিশা, গুরু দোয়ারা বহু নামে পরিচিত স্থানগুলো হইতে আটষট্টি হাজার চারশ গুন পবিত্র- যে ঘরে সৃজনিজ্ঞান অর্জন করা হয়। অনুসরণ-অনুকরণ এই জ্ঞান দিতে পারে না। এই জ্ঞান দিতে পারে কেবলমাত্র প্রেম, ভালবাসা, মোহাব্বাত, ইষ্ক, উলফাৎ, হব্বুন। তাই সুফিবাদের ধর্মই হলো প্রেম। সুতরাং যেখানে প্রেম নাই, সেখানে সুফিবাদ নাই। কতগুলো কথা শেখা প্রেম নয়। চোখের জল, কান্না, চিৎকার, নৃত্য করা এগুলো প্রেমের কিছুটা লক্ষণ। এই লক্ষণগুলো যাদের মধ্যে নাই তারা কাষ্ঠ ধর্মের অনুসারী। তাই সমগ্র পৃথিবীকে শান্তি দিতে পারে প্রেম নামক ধর্মের বাহন সুফিবাদ। সুফিবাদই প্রথম, সুফিবাদই শেষ, সুফিবাদই বেচ্যাইন সৃষ্টি করে। তাই সুফিবাদ যারা করে থাকে তারা জবাই করা মুরগির মতো ছটফট করে। সুফিরা বলে, ওরাইতো আনন্দে আছে, ওরাইতো আরামে আছে- যারা জীবনেও আরাম পাই নাই। তাইতো মওলানা জালাল উদ্দিন রুমি বলে গেছেন, "উস দিওয়ানা দিওয়ানা না শোধ"- তথা যে পাগল হয় নাই সেই তো আসল পাগল। হযরত জিগার মুরাদাবাদি বলে গেছেন, "ঐ মানুষটি হুশের মধ্যে আছে, যার কোন হুশ নাই"। সুতরাং হে মানুষ, তুমি যদি সত্য সাগরে অবগাহন করতে চাও তাহলে সাহসের সাথে সুফিবাদকে গ্রহণ করো।

সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,  জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজে মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বা-হুসনে এহে্তেমামাত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে- নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।
(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৫ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।
"কালান্দার ড. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল"
বে-ঈমান হোমিও হল।
নিউ- এলিফ্যান্ট রোড, ১০৮
 ঢাকা-১২০৫
(শনিবার বাদে দুপুর ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা)

জিগার মুরাদাবাদীর কালাম


 " হ্যায় রাতে ইশক নেহি স্যাক জুনু দোষ নেহি
এহি দেওয়ানা চ্যালে আও মুঝে হুশ নেহি "

বাংলায় অনুবাদ :-
প্রেমের উত্তাল ঢেউগুলো যার হৃদয়ের মাঝে আচড়ে পড়ে না তাকেও কোন দোষ দিতে যেও না। আবরণীর আবরণ ফেলে দিয়ে আমার কাছে চলে আসো কারন আমিতো বৈষয়িক চাওয়া পাওয়া হতে বেহুঁশ হয়ে আছি।
                                             
"রিনদো মুঝকো সামাঝতে হে উনহে হোঁশ নেহি
ম্যায় কাদা শ্বাস হু ম্যায় কাদা পার হোঁশ নেহি "

বাংলায় অনুবাদ :-
  কেবলমাত্র মুনি ঋষিরাই আমাকে বুঝতে পেরেছে যে আমার কোন দোষ নাই। তথা মোহ মায়া হতে আমি মুক্ত সম্পুর্ন মুক্ত। আমার নিশ্বাস-প্রশ্বাস ঐ মাতাল খানায় ওখানেই পদযুগল রাখার পর কখন যে আমি বেঁহুশ হয়ে গেলাম তা আমি নিজেই বুঝতে পারলাম না।
                                           
"ক্যাহ গ্যায়ি কানমে আকার তেরে দেওয়ান কি হাওয়া
       সাহেবে হোঁশ ওহি হ্যায় কে যিসে হোঁশ নেহি।"

বাংলায় অনুবাদঃ-
 যে সরাব ঢেলে দেয় সেই সাকি আমার কানে কানে বলে গেল প্রেম ভরা আখিতে প্রেমের শাড়ীর আঁচলের মৃদু দুলিয়ে ঐ তো প্রেমের বাদশাহ, হুঁশের মহারাজা হুঁশের নৃপতি যার মধ্যে কোন হুঁশ নাই।
                             

"কাভি উলফাৎ ভ্যারি আখো সে পিয়াযা এক যাম
আজ তাক হোঁশ নেহি হোঁশ নেহি হোঁশ নেহি।"

বাংলায় অনুবাদঃ-
কবে কোনদিন ভালবাসার চোখে এক পেয়ালা সরাব আমাকে পান করিয়েছিলে। সেই দিবসটির কথা আমি ভুলে গেছি। কেবলমাত্র এটুকুই বুঝতে পারলাম সেইদিন হতে আজ অবধি আমার হুশ নাই, হুশ নাই, হুশ নাই।
                                 
"ম্যাহ যে তাসরির কো স্যব হ্যায় মাগার ইনরাক কাঁহা
   জিন্দেগী খুদহি ইবাদাত হ্যায় মাগার হোঁশ নেহি।"

বাংলায় অনুবাদঃ-
  সবার কাছে তো প্রেয়সীর ছবি খানা আছে। কিন্তু ঐ প্রেয়সীর প্রতি নেই কোন ধ্যান, নেই কোন তাসাব্বুর, নেই কোন বর্জক, নেই কোন নিরিখ। তুমি কি জান? তোমার ঐ প্রেয়সীকে যদি হৃদয়ে স্হান দিতে পারতে তাহলে তোমার জীবনটাই ইবাদতে পরিনত হতো। কারন তোমার আর কোন হুশ থাকতো না। মোহ-মায়ার আবরনটি আর তোমাকে ঢেকে দিতে পারত না।
                             

   "মিলকে যিস দিন সে গ্যায়া হ্যায় কোয়ি একবার জিগার
মুঝকো ইয়ে কাহমে হ্যায় ক্যাসে পিয়াকা হোঁশ নেহি। "

বাংলা অনুবাদ:
   সহসা যেদিন সাকির প্রেমে পড়ে গেলাম সে দিন হতে এটুকুই বুঝতে পারিনি কেমন করে কি ভাবে জিগার ধরা দিতে থাকে  যে আমার হুশ নাই, হুশ নাই।


 বাংলায় অনুবাদঃ  
 ডা: বাবা জাহাঙ্গীর বা-ঈমান আল সুরেশ্বরী

বাবা জাহাঙ্গীর বা-ঈমান আল সুরেশ্বরী লিখিত বই গুলো পাবেন....
                                             সুফিবাদ  প্রকাশনালয়                        
                                              প্রযত্নে:বে-ঈমান হোমিও হল
                                  ১০৮ নিউ এলিফ্যান্ট রোড(২য় তলা) ঢাকা-১২০৫।
                                           মোবাইল ঃ০১৯১১৫৯৭৭৮০

সোমবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৭

কী হাকছে ফারিশতাউনে ইকবাল কী গমমাজী
কোন অধিকারে ফেরেশতারা ইকবালের অতীতের ভুলগুলোর হিসাব লিখবে..?
গুশতাখ হ্যায় করতা হ্যায় ফিতরাত কী হিমা বান্দী
ভুলগুলোর মাঝে আমি তো আজন্ম বন্দি হয়েই আছি..
খাকী হ্যায় মগার ইশকে আন্দাজ হ্যায় আফলাকী
যদিও মাটির মানুষ আমি, কিন্তু প্রেম উঁচু আকাশের অধিবাসী করেছে..
রুমী হ্যায় না শামী হ্যায় কাশী না সামারকান্দী
আমি রুমিও নই,শামিও নই, কাশিও নই আর সামারকান্দিও নই..
সিখলাই ফারিশতাউকো আদম কী তরফ ইছনে
ফেরেশতাদের কে শিখিয়ে দিলেন খোদা আদমের মর্যাদা সম্পর্কে..
আদম কো শিখাতা হ্যায় আদাবে খোদাওয়ান্দী
তারপর আদম কে শিখিয়ে দিলেন কেমন করে খোদার নৈকট্য পাওয়া যায়
হাকিমী নে মুসলমানী খুদী কী
কালীমি রামজে পিনহানী খুদী কী
খোদা তোমার রহস্যময় পোশাকের ভেতরেই তোমার আমিটির ভেতর লুকিয়ে আছেন।
তুঝে গুর ফখরে শাহী কা বাতাদো?
তুমি তোমার বুজর্গির অহঙ্কারের বিষয়টি আমায় বলবে..?
গরীবি নিগেবানী খুদী কী
অথচ তুমি গরিব আমিটির মাঝেই তোমাকে দেখতে চেষ্টা কর
দায়ারে ইশক মে আপনা মাকাম প্যায়দা কর।।
জাগ্রত রুহের অধিকারী (প্রেমমন্দির,কামেল গুরু)প্রেমে আপন ঘরটিকে নুরময় করে তোল।।

তোমার আমিটার প্রতি যদি দৃষ্টি না থাকে তো কিছুই রইলো না
না তু জমি কে লিয়ে হ্যায় না আসমাকে লিয়ে
তোমাকে এই পৃথিবীর তরে নহে আর ঐ আকাশের তরেও নহে
জাহাঁ হ্যায় তেরে লিয়ে তু নেহী জাহাঁকে লিয়ে
পৃথিবীটা তোমারই জন্য তুমি পৃথিবীর জন্য নহে
সেতারোঁ সে আগে জাহাঁ আওর ভী হ্যায়
তারকা-রাজ্যের উর্ধ্বে আরও সৃষ্টিজগত রহিয়াছে
আভী ইশক কী ইনতেহা আউর ভী হ্যায়
জেনে রাখ প্রেমের পরীক্ষা তাহারও উর্ধ্বে অবস্থান করে
ইয়ে হিকমতে মালাকুতী ইয়ে ইলমে লাহুতী
ইহা ফেরেশতা রাজ্যের রহস্যময় হিকমত,ইহা নাই রাজ্যের জ্ঞান
হারাম কে দরদকা দারমা নেহী তো কুচ ভী নাহী
হৃদয়ের অনুভূতি না থাকলে তো আর কিছুই অবশিষ্ট থাকে না
ইয়ে জিকরে মীম সাবী ইয়ে বোরাক  বে সারুর
ইহা মিমেরই স্মরণ একমাত্র প্রশংসা ইহাই দ্রুতগামী বোরাক
তেরী খুদী কে নিগেবা নেহী তো কুচ ভী নেহী
তোমার আমিটার প্রতি যদি দৃষ্টি না থাকে তো কিছুই রইলো না
খিরাদ মে ক্যাহ দিয়া লা ইলাহা কো কিয়া হাসিল
সকাল-সন্ধ্যায় তুমি তোমার নবযুগের সূচনা কর
দিলো নিগাহ মুসলমা নেহী তো কুচ ভী নেহী
যদি খোদা ইচ্ছা করেন তো তিনি তোমার সুন্দর আমিত্বের বিনাশ করতে পারেন

নয়া জামানা লায়ে ফিতরত ছে নাজ বেখুদকো
 সখুকে লালা হো গুলসে কালাম প্যায়দা কর।
উঠা না সীসা জারা ম্যায় ফরেন দেখে গা।
ছাপালে পাকছে মিনা ওয়া জাম প্যায়দা কর
তুমি তোমার জুব্বার ভেতরে রাখা পানপাত্রটিকে যদি পবিত্র করতে পার
তেরা তারিকা আমিরী নেহী ফকিরী হ্যায়
 তোমার পথ তো আমিরি নহে,বরং ফকিরিই তোমার জন্য প্রযোজ্য
খুদী না বেচে গরিবী মে নাম প্যায়দা কর
তোমার স্বকীয়তাটিকে বিক্রি না করে বরং গরিবির খাতায় নাম লিখে নাও

দায়ারে ইশক মে আপন মাকাম প্যায়দা কর।।