রবিবার, ২ এপ্রিল, ২০১৭

অবাক করা জ্ঞান

★ইয়া মালো ধৌলতে দুনিয়া ইয়ে রিস্তা আতে ব্যন
খোদানে ব্যহেমু-গোমা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ
ইয়ে আগার চে বুত হে যাওয়া-আপকি আস্তিনোনে 
মুঝে হে হুকমে আদা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ★
                                             "আল্লামা ইকবাল"

হাজা ফি হাবিবুল্লাহ , মাতা ফি হুবুল্লাহ , শাহেনশাহে ওলি , আফতাবে ওলি, সুলতানুল হিন্দ, হিন্দাল ওলি, আতায়ে রসূল, ইয়া শেখ সৈয়দ মাওলানা মঈনুদ্দিন হাসান সাঞ্জারী আল হাসানি ওয়াল হোসাইনি আওলাদে ইমাম আলী রেজা, তাঁর মকতুবাতে খাজা নামক বইতে তিনি তাঁর প্রধান খলিফা হজরত কুতুবউদ্দিন বকতিয়ার কাকীকে এই বলে উপদেশ দিচ্ছেন --- ( বলে রাখছি কোরানে বর্ণিত পঁচিশজন নবি মিলেও খাজা বাবার বার ভাগের এক ভাগ মুসলমানও বানাতে পারেন নি)  -‘ যে ব্যক্তি আল্লাহ আল্লাহ জিকির করছে, জেনে রাখো , সে আল্লাহকে পায় নি এবং ইহাও জেনে রাখো যে , যে ব্যক্তি আল্লাহকে পেয়েছেন তিনি আর কখনোই আল্লাহ আল্লাহ জিকির করবেন না। ইহা কেমন কথা বলে তুমি আমায় প্রশ্ন করতে পারো এবং যদি প্রশ্ন করো তবে তার উত্তর হলো যে, তোমার কোনো প্রিয়জনকে দূরে দেখতে পেলে ডাক দেবে, কিন্তু যখন সে তোমার অতি নিকটে তখন আর ডাক দেবার প্রশ্নই আসতে পারে না। অর্থাৎ যখন তুমি আল্লাহর পরিচয় প্রত্যক্ষরূপে পেয়ে যাবে তখন তোমার জন্য আর এবাদত নেই বললেই চলে ।  তখন তুমি এবাদতের বহু উর্ধ্বে এবং এবাদতের আনুষ্ঠানিকতা এখানেই শেষ। যদিও তোমার মধ্যে আল্লাহ প্রাপ্তির পর এবাদত করতে কেউ দেখে, সেই এবাদত তোমার নিজের জন্য নয়, উহা তোমার মুরিদানের শিক্ষা দেবার জন্য । হুজুর পাক (আ.) এবাদতের অনেক উর্ধ্বে । অথচ, তাকেঁ এবাদত করতে দেখা যেত, তার মানে এই অর্থ নয় যে , সেই এবাদত তাঁর নিজের জন্য, বরং সেই এবাদত তাঁর অনুসারী সাহাবাদের শিক্ষার জন্য। শিক্ষক যদি ছাত্রের বিদ্যার ওপরে না হয় , তাহলে ছাত্রকে শিক্ষক কি শিক্ষা দেবেন? শিশুকে ক,খ,গ, পড়াতে গেলে শিক্ষকের সেই অক্ষর উচ্চারণ করতে হবে বার বার । এই বার বার ক,খ,গ উচ্চারণের মাধ্যমে শিশু অক্ষরজ্ঞান পাবে , কিন্তু শিক্ষক এর অনেক ঊর্ধ্বে, যদিও তিনি ঐ অক্ষরগুলো শিশুর সঙ্গে বার বার উচ্চারণ করছেন । একজনের শিক্ষা হচ্ছে অপরজনে শিক্ষা দিচ্ছেন। খাজা গরিব নেওয়াজ তাঁর মুকতুবাতে খাজা বইতে আর একটি সুন্দর উপদেশ দিয়েছেন। তিনি বলছেন যে ,তুমি যদি অনেক পয়সা খরচ করে দামি পোলাও-কোরমা পাকিয়ে দশমাসের শিশুকে খেতে দাও তবে সেই শিশুর জন্য সেই দামি খাদ্যই হবে বিষতুল্য , যদিও উহা তোমার নিকট উপাদেয় খাদ্য বলে বিবেচিত হবে । পক্ষান্তরে দশমাসের শিশুর জন্য যে দুধের শিশি তা যদি তোমার বন্ধুদের এনে দাও তবে উহা হবে তাদের জন্য অপমানজনক একপ্রকার ঠাট্টা-তামাশা। কারণ, তোমার বন্ধুরা দুধের শিশিতে ঠোঁট লাগানোর বয়স অনেক আগেই ফেলে এসেছেন । তাই যারা দুধের শিশিতুল্য জ্ঞানের উপযোগী , তাদেরকে পোলাও-কোরমার মতো অতি উচুস্তরের জ্ঞান দিও না। কারণ, তা সবার জন্য সমান প্রযোজ্য নয় এবং সবাইকে সমানভাবে বিতরণ করাও সমীচীন নয় ।
খাজা গরিব নেওয়াজ অতি উঁচু পর্যায়ের ওলি । তিনি এমন কথাও বলেছেন যা ওলিদের অবাক করে । যেমন একস্থানে তিনি বললেন যে,‘(হজরত) ঈসার(নবির) সানিই আমি তথা আমিই দ্বিতীয় ঈসা । কারণ , তাঁর কাছে যে রুহুল কুদ্দুস সেই একই রুহুল কুদ্দুস আমার কাছেও ।’ ফারসি ভাষায় তাঁর এই অপূর্ব কথা আমরা দেখতে পাই যেমন- দাম বা দাম রুহুল কুদ্দুস আন্দার মঈনে মি দামাদ-মান নামিদানাম মাগার মান ঈসায়ে সানি শুদাম।

বাংলাদেশ তো দুরের কথা সমগ্র পৃথিবীতে যার জোড়া নাই সেই পীর চেরাগে জান শরীফ, শরাবে শাহেনশাহে্ আজিজি ডাঃ বাবা জাহাঈীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ্ জালাল নূরী আল সুরেশ্বরী।


সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজ মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বাহুসনে এহে্তেমামত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম,বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার,গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল,গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার ,ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা,সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=263969737365735&id=100012581327902

বি:দ্র: ডা:বাবা জাহাঙ্গীর বা-ঈমান আল সুরেশ্বরী রচিত বইসমুহ পাইকারি মূল্যে নিম্নোক্ত ঠিকানায় পাওয়া যাচ্ছে........। 

         ঠিকানা:
                  সুফিবাদ প্রকাশনালয়
              প্রযত্নে:বে-ঈমান হোমিও হল
   ১০৮ নিউ এলিফ্যান্ট রোড(২য় তলা) ঢাকা-১২০৫
               মোবাইল ঃ০১৯১১৫৯৭৭৮০

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন