মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৭

শয়তানের পরিচয়_____


মেজাজী বা রুপক শয়তানের পরিচয় ও ব্যাখা আগেই দেওয়া হয়েছে। এখন আমরা হাকিকী শয়তান তথা আসল শয়তানের পরিচয় ও ব্যাখা সামান্য দিতে চাই। হাকিকী শয়তান তথা আসল শয়তান, পবিত্র কোরান অনুসারে, চার প্রকারঃ ইবলিশ, শয়তান, মরদুদ এবং খান্নাস। এই চার প্রকার শয়তানকে আল্লাহ্‌পাক মাত্র দুইটি স্থানে থাকবার অনুমতি দিয়েছেন। এই দুইটি স্থান ছাড়া শয়তানকে আর কোথাও থাকবার অনুমতি দেওয়া হয়নি। যে দুইটি নির্দিষ্ট স্থানে এই চারটি শয়তানকে থাকবার অনুমতি দেওয়া হয়েছে সেই স্থান দুইটির নাম হলঃ জিনের অন্তর আর মানুষের অন্তর। জিনের অন্তর আর মানুষের অন্তর ছাড়া এক পা-ও বাহিরে যাবার ক্ষমতা শয়তানের নাই। সুতরাং জিনের অন্তর এবং মানুষের অন্তর ছাড়া এই চারটি শয়তানের আর কোন বিন্দু মাত্র স্থান নাই।

আকাশ হতে শয়তানেরা যে আগুনের গোলা নিক্ষেপ করে থাকে তথা ফেলতে থাকে, উহা পৃথিবীর আকাশ নহে, বরং প্রতিটি মানুষের মনের আকাশ। এই মনের আকাশ হতেই শয়তান মানুষকে বিভ্রান্ত করার তরে, দিশেহারা করার তরে, বিপথে নেওয়ার তরে, অনবরত আগুনের গোলা নিক্ষেপ করতে থাকে। চরম সত্যে মানুষের মনের আকাশে শয়তান যে আগুনের গোলা নিক্ষেপ করে, ইহাই শয়তানের ডিউটি। মানুষ দুনিয়াই চায়, না আল্লাহ্‌কে চায়, এই পরীক্ষা করার জন্যই এহেন আগুনের গোলা নিক্ষেপের কথাটি আসে। যদি পরীক্ষা করার কথাটি না থাকত তাহলে মনের আকাশে আগুনের গোলা নিক্ষেপ করার প্রশ্নই উঠতো না। সুতরাং শয়তান বাহিরে থাকে না, থাকবার বিধান নাই। দুধ আর মাখন যেভাবে দুধের সাথে জড়িয়ে থাকে, এবং দুধের ভেতর যে মাখন আছে ইহা বুঝবার উপায় থাকে না, সে রকম মানুষের অন্তরে যে শয়তান অবস্থান করছে ইহাও বুঝবার উপায় থাকে না। সুতরাং প্রতিটি মানুষ মনে করে সে একা, কিন্তু আসলে সে মোটেও একা নয়। যেহেতু প্রতিটি মানুষের সাথে শয়তানকে পরীক্ষা করার জন্য দেওয়া হয়েছে সেই হেতু মানুষ দুইজন, অনেকটা একের ভেতর দুইয়ের মত। কিন্তু ইহাও সত্য নয়। কারণ জীবাত্মার সাথে খান্নাস রুপী শয়তান পাশাপাশি অবস্থান করছে, সে রকমভাবে আরেকজন অবস্থান করছে। সেই আরেকজনের নাম হল তথা পরমাত্মা তথা স্বয়ং আল্লাহ্‌। তাই প্রতিটি মানুষের শাহা রগের নিকটেই আল্লাহ্‌ আছেন বলে ঘোষণাটি দেখতে পাই। অন্য কোন জীব-জানোয়ারের শাহা রগের নিকটে আল্লাহর অবস্থানটির কথা কোরানে পাইনা। এখানে একটি কথা বলে রাখা ভাল যে, যেহেতু জীন নিয়ে আমাদের কোন কাজ কারবার নাই, তাই আমরা ইচ্ছা করে জীন বিষয়টিকে বাদ দিলাম, যদিও জীন এবং মানুষকেই আল্লাহ্‌র ইবাদত করার কথাটি বলা হয়েছে। সমস্ত সৃষ্টিরাজ্য আল্লাহ্‌র ইবাদতে ডুবে আছে, তাই ইবাদত করার আদেশ দেবার প্রশ্নই আসে না। যেহেতু মানুষ এবং জীনকে সীমিত স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি দেওয়া হয়েছে, সেহেতু ইবাদত করার আদেশটি প্রযোজ্য।

যখন শয়তান অহংকার করে তখন শয়তানের রুপটির নাম হল ইবলিশ। ‘বালাসা’ শব্দটির অর্থ হল অহংকার। ইহা হিব্রু ভাষা, আরবি ভাষা নয়। বালাসা তথা অহংকার শব্দটি বিশেষ্য তথা নাউন, ইবলিশ তথা অহংকারী শব্দটি বিশেষণ তথা এডজেকটিভ। সুতরাং শয়তানের আদিরুপ ইবলিশ তথা অহংকারী। কারণ, আদমকে সেজদা দেবার হুকুমটি সরাসরি অমান্য করার দরুন সে অহংকারী হয়ে গেল, তথা ইবলিশ হয়ে গেল। তাই ইবলিশই হল শয়তানের প্রথম এবং আদিরুপ।

মানুষ জীবন ধারণের প্রশ্নে যখন বিভিন্ন প্রকার লোভ-লালসার খপ্পরে পড়ে যায় এবং জীবন ধারণের প্রশ্নে বৈষয়িক বিষয়ের ঘাত প্রতিঘাতের আঘাতে প্রতিনিয়ত জর্জরিত হতে থাকে, সেই আঘাত খাওয়া অবস্থানটির নাম শয়তান। তাই পবিত্র কোরানের যেকোন সুরা পাঠ করার আগে আমাদের বলতে হয় যে, পাথরের আঘাত খাওয়া শয়তান হতে আশ্রয় চাই। হাজীরা যে শয়তানকে পাথর ছুড়ে মারে সেই মেজাজী বা রুপক বিষয় হতেই হাকিকি বা আসল বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেউ বুঝতে পারে, কেউ পারেনা। বোঝাটাও তক্‌দির, না বোঝাটাও তক্‌দির। সুতরাং চরম পর্যায়ে, আল্লাহ্‌র সৃষ্টির মাঝে বিন্দুমাত্র ভুলের অবকাশ নাই। ইহাই পবিত্র কোরানের পবিত্র সুরা মুলকে বলা হয়েছে। কেউ বোঝেন, কেউ বোঝেন না। বোঝাটাও তক্‌দির, না বোঝাটাও তক্‌দির। তক্‌দিরের বলয় হতে আল্লাহ্‌র বিশেষ রহমত ছাড়া বেরিয়ে আসা অসম্ভব। জিন এবং মানুষের অন্তর ছাড়া অন্য কোথাও শয়তানের অবস্থানটির কথা যদি অন্য কোথাও আছে বলে কেউ লিখে তো ধরে নিতে হবে যে, সে ইসলামের বিন্দু-বিসর্গও জানে না, কেবল হাউকাউ করে বড় বড় কথার ফুলঝুরি ছড়ায়ে, আরবী ব্যাকরণের তেলেসমাতি দেখিয়ে সরল মানুষগুলোকে লিখনীর মাধ্যমে বিভ্রান্ত ও দিশেহারা করে তুলেছে।

যে মানুষটি কেবলমাত্র দুনিয়াই চায় এবং যার দুনিয়া চাওয়া ছাড়া আর কোন চাওয়াই থাকেনা, তাকে মরদুদ বলা হয়। মরদুদের স্থান হাবিয়া দোজখ। হাবিয়া দোজখের তলা থাকে না। যে মানুষটির দুনিয়া চাওয়ার সীমা থাকে না সেই মানুষটিকে তলা ছাড়া হাবিয়া দোজখে যেতে হয়। এই মরদুদ শব্দটি কোরানে কয়েকবার পাওয়া যায়।

যে শয়তান সর্ব বিষয়ে সর্ব ঘটনায় পিছু পিছু কুমন্ত্রণা দিতে থাকে তার নাম খান্নাস। শয়তানের এই খান্নাস রুপটি ভয়ংকার এবং বিপদজনক। তাই খান্নাসের কুমন্ত্রণা হতে পবিত্র কোরান মুক্তি চাইবার উপদেশ দিয়েছেন। অবাক লাগে যে, শয়তানের এই খান্নাস রুপটি এত ভয়ঙ্কর অথচ সমগ্র কোরানে মাত্র একবার উল্লেখ করা হয়েছে। কাউসার শব্দটি এবং আহাদ শব্দটি সমগ্র কোরানে মাত্র একবার উল্লেখ করা হয়েছে, তেমনি খান্নাস শব্দটিও একবার উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ এই তিনটি শব্দের মাঝে গোপন রহস্য লুকিয়ে আছে। এই তিনটি শব্দের অর্থ ব্যাকরণ দিয়ে মোটামুটি ধারণা জন্মাতে পারে, কিন্তু গভীর রহস্য অনুধাবণ করতে হলে হৃদয় দিয়ে গবেষণা করতে হয়।

সুতরাং পরিশেষে আবার একই পুরোনো কথাটি বলতে চাই যে, জিন এবং মানুষের অন্তর ছাড়া শয়তানের থাকার আর একটি স্থানও নাই। এই খান্নাস রুপী শয়তানটি, যাহা প্রতিটি মানুষের অন্তরে অবস্থান করছে, উহাকে তাড়িয়ে দেবার বহু প্রকার উপদেশের আরেক নাম কোরান। যত প্রকার মোরাকাবা, মোশাহেদা, ধ্যানসাধনা, এবাদত-বন্দেগী, কান্না ও বিলাপ, নফ্‌সকে ইচ্ছা করে নানা প্রকার কষ্ট প্রদান করা, সবই এই খান্নাস রুপী শয়তানকে তাড়িয়ে দেবার একমাত্র উদ্দেশ্য। আর দ্বিতীয় কোন উদ্দেশ্য নাই আর থাকার কোন বিধান রাখা হয় নাই। তাই পবিত্র কোরানের সুরা মোমিনের ষাট নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, হে মানুষ, তুমি একা হও এবং একা হয়ে আল্লাহ্‌কে ডাক দাও, তাহলে ডাকের জবাব সঙ্গে সঙ্গে পাবে। আরবী ভাষায় দুইজন ডাক দিলে বলা হয় উদ্‌উনা, আর একজনে ডাক দিলে হয় উদ্‌উনি। কোরান উদ্‌উনি তথা একা শব্দটি ব্যবহার করেছে। উদ্‌উনা তথা দুইজন থাকলে ডাকের জবাব পাওয়া যাবেনা। আমি এবং খান্নাস রুপী শয়তান মিলে দুইজন। কারণ, খান্নাস রুপী শয়তান বাহিরে থাকেনা, বরং আমার অন্তরেই অবস্থান করছে। সুতরাং আমরা দুইজন। এই দুইজন থাকলে আল্লাহ্‌ ডাকের জবাব দেননা। এই দুইজনের অবস্থানটিকেই উদ্‌উনা বলা হয়। খান্নাস রুপী শয়তানকে তাড়াও এবং তাড়াতে পারলে তুমি একা হবে এবং একা হলে ডাকের জবাব সঙ্গে সঙ্গে পাবে। ইমামুল আউলিয়া বায়েজিদ বোস্তামি (রাঃ) জাবরুত মোকামের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘রব্‌ (আল্লাহ্‌), আমি তোমার প্রতি সন্তুষ্ট। রব্‌ বললেন, ‘বায়েজিদ তুমি মিথ্যুক’। কেননা যদি তুমি সত্যিই সন্তুষ্ট থাকতে তাহলে সন্তুষ্ট থাকার কথাটি বলতে না। বায়েজিদ লজ্জায় মাথা নত করে পুনরায় কঠোর ধ্যান সাধনায় মগ্ন রইলেন। এভাবে দুই বৎসর ধ্যান সাধনায় মগ্ন থাকার পর বায়েজিদ একদিন বলে ফেললেন, ‘আমিই ভাসমান সত্ত্বা, সব শান আমারই’।(আনা সুবহানি মাআজামু শানি)। লা মোকামে প্রবেশ করতে পারলেই এমন কথা বলা যায়। সুতরাং নাসুত, মালাকুত ও জাবরুত মোকামে সাধককে পীরের ধ্যানটি করতেই হবে এবং কোন রহস্যজনক ব্যাপার দেখতে পেলে আপন পীরের রুপেই দেখা যায়। কিন্তু সাধক যখন লা মোকামে প্রবেশ করেন তখন দেখতে পান, আপন পীর ডান দিক দিয়ে চলে গেছেন এবং বাম দিক দিয়ে খান্নাস রুপী শয়তানটি ভেগে গেছে। তখনি সাধক নিজের মধ্যে দেখতে পান যে, তাঁর পীরও তিনি, তাঁর মুরিদও তিনি। এখানেই তৌহিদ। সুতরাং পীর ধরাও শেরেক, কিন্তু ইহাই শেষ শেরেক। সুতরাং আপন পীরের অবস্থানটি জাবরুত মোকাম পর্যন্ত। লাহুত মোকামে পীর আর থাকেনা। সুতরাং লাহুত মোকামে সাধক যখন প্রবেশ করেন তখন দেখতে পান যে, আপন পীরের আধ্যাত্মিক মূল্য আর এক টাকাও নয়। সুতরাং আপম পীরের অবস্থানটি তিনটি মোকাম পর্যন্ত। লাহুত মোকামে প্রবেশ করলেই পীর আর থাকেন না এবং পীরের দাম আর এক টাকাও নহে। এই কথা গুলো উচু স্তরের নীতিনির্ধারণের কথা। তাই অনেকের ভুল বোঝার সম্ভবনাটি থেকে যায়। এখানে পীর ধরাটা মূখ্য বিষয় নহে, মূখ্য বিষয়টি হল আল্লাহ্‌র তৌহিদ সাগরে অবগাহন করা।
-মারেফতের বানী
-- চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর আল সুরেশ্বরী।

রবিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৭


কিছু মহামূল্যবান বানী


প্রেম একটি সিগারেট আগুনে আলিঙ্গন উপসংহারে ছাই।  

         ------ বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।


দুনিয়ার একটি স্থানে মানুষ হেরে গিয়ে সবচাইতে বেশি আনন্দ পায়, আর সেই স্থানটির নাম হলো নিজের সন্তানের কাছে হেরে যাওয়া।  

         ------ বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।


দুনিয়ার সবচাইতে বেদনাদায়ক ঘটনাটি হলো, আপন সন্তানের লাশ কাঁধে বহন করা।      

         ------ বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর


তুমি শিখাও আমি চুপ করে থাকি, অথবা আমি শিখাই তুমি চুপ করে থাকো।      

        ------- বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।


সিংহ কে খরগোশ আক্রমন করে না, এই লিখনির উপর বিরূপ মন্তব্য করার সময় তুমিও বাঘ হয়ে যাও।    

        ------- বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।


রাজা হলেই রাণীই পাবে,  আর ভূত হলে পেত্নীই পছন্দ করবে।  

        ------ বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।


ভালোবাসার বকুনীও আনন্দ দেয়, আর চাটুকারের প্রশংসা চমকিয়ে দেয়।     

       ------ বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।


মাথা উঁচু করে দাঁড়াও, আর আমি অতুলনীয় জ্ঞানের ভারে নিচু হয়ে আছি- যে জ্ঞান দেওয়াল তৈরী করে না বরং দেওয়াল ভেঙ্গে দেয়। 

       ------ বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।


 মানুষ লাঠির ভয়ে আত্মহত্যা করে না, আত্মহত্যা করে, শরম -লজ্জার প্রচন্ড অভিমানে ।

      ------বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

রবিবার, ২ এপ্রিল, ২০১৭

প্রেম.....

★ইয়া মালো ধৌলতে দুনিয়া ইয়ে রিস্তা আতে ব্যন
খোদানে ব্যহেমু-গোমা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ
ইয়ে আগার চে বুত হে যাওয়া-আপকি আস্তিনোনে 
মুঝে হে হুকমে আদা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ★
                                        "আল্লামা ইকবাল
হোমিওপ্যাথিক ঔষধের নবম শক্তিতে ঔষধের কোনো অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া যায় না । তা হলে এক হাজার শক্তিতে কী থাকতে পারে? অথবা একলক্ষ কিংবা দশলক্ষ শক্তিতে? ঔষধের কোনোই অস্তিত্ব নেই, কিন্তু অস্তিত্বহীন ঔষধ রোগের মূলে গিয়ে আঘাত করছে। ঔষধ নেই অথচ শক্তি আছে- এ কেমন কথা?
এক ফোঁটা ধাতুর(সিমেন) মধ্যে কোটি কোটি শুক্রকীট (স্পারমাটোজা) হতে একটি কীটের ক্রমবিকাশের পূর্ণাঙ্গ রূপটি হলো মানুষ। আরও একটু তলিয়ে দেখি, দেখি এই ধাতু কোথা হতে এলা? শ্বেত (এ্যালবুমিন) ও লৌহকণিকার (হিমোগ্লোবিন) মিশ্রিত রূপ রক্ত হতে ধাতুর জন্ম । রক্ত কোথা হতে এলো? খাদ্যদ্রব্য হতে রক্তের জন্ম । খাদ্যদ্রব্য কোথা হতে এল ? মাটি, পানি, আলো এবং বাতাস হতে খাদ্যদ্রব্যের জন্ম। মাটি, পানি, আলো এবং বাতাস কোথা হতে এলো?
এভাবে পর পর চিন্তা করলে , আসল মূল কোথায়, এর উত্তর খুঁজতে গেলেই নিজেকে চেনার উপদেশ দেওয়া হয়েছে। কারণ, নিজেকে চিনতে পারলেই আল্লাহকে চেনা হয়ে যায় বলে ইসলাম ঘোষণা করেছে এবং ইহাই ইসলামের একমাত্র উপদেশ । দ্বিতীয় কোনো উপদেশ ইসলাম দেয়নি। আল্লাহ এক কিন্তু তাঁর গুণাবলি অনেক । অনেক গুণাবলির মধ্যে সবচাইতে প্রিয় গুণটি তাঁর কী? ইচ্ছা তাঁর সবচাইতে প্রিয় গুণ । সব গুণগুলোই ‘ইচ্ছা’ নামক গুণের অধীন। ‘ইচ্ছা’ হলো সকল গুণের নেতা বা সরদার । কিন্তু এই শীর্ষস্থানীয় ‘ইচ্ছা’ গুণটিও একদম বেকার হয়ে পড়ে কখন, কোথায় এবং কার কাছে? তিনটি প্রশ্নের একটি ছোট্ট উত্তর হলো প্রেমের তথা ইশকের কাছে ‘ইচ্ছা’ বেকার হয়ে পড়ে। প্রেমের তথা ইশকের আগুন যখন প্রেমিকের তথা আশেকের মনে দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে, , ‘ইচ্ছা’র দৃঢ় বাঁধনও তাকে থামিয়ে দিতে পারে না। মৃত্যুর যাতনাও প্রেমের কাছে তুচ্ছ । আইন-কানুন, রীতি-নীতি, আচার-অনুষ্ঠান, ছোট-বড়, রাজা-প্রজা, কোনো কিছুই প্রেমকে বেঁধে রাখতে পারে না । যেন একটি জ্বলন্ত আগুনের টুকরো । কে এগিয়ে যাবে নীতির আঁচলে প্রেমকে বেঁধে রাখতে ? সব কিছু জ্বালিয়ে পুড়িয়ে একাকার করে দেয় এই প্রেম। তাই তো জেনে-শুনেই সত্যদ্রষ্টা আদম খেয়েছিলেন নিষিদ্ধ গাছের ফল। জেনে-শুনেই আজাজিল ওরফে  শয়তান গলায় নিয়েছেন কলঙ্কের মালা ।

বাংলাদেশ তো দুরের কথা সমগ্র পৃথিবীতে যার জোড়া নাই সেই পীর চেরাগে জান শরীফ, শরাবে শাহেনশাহে্ আজিজি ডাঃ বাবা জাহাঈীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ্ জালাল নূরী আল সুরেশ্বরী।


সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজ মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বাহুসনে এহে্তেমামত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম,বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার,গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল,গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার ,ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা,সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=264285437334165&id=100012581327902
https://youtu.be/qIDupxPLNyQ

বি:দ্র: ডা:বাবা জাহাঙ্গীর বা-ঈমান আল সুরেশ্বরী রচিত বইসমুহ পাইকারি মূল্যে নিম্নোক্ত ঠিকানায় পাওয়া যাচ্ছে........। 

                 ঠিকানা:
                  সুফিবাদ প্রকাশনালয়
              প্রযত্নে:বে-ঈমান হোমিও হল
   ১০৮ নিউ এলিফ্যান্ট রোড(২য় তলা) ঢাকা-১২০৫
               মোবাইল ঃ০১৯১১৫৯৭৭৮০


 দরবারঃ
ফকিরনি দরবার শরীফ
চুনকুটিয়া চৌধুরী পাড়া,দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ,ঢাকা
মোবাইলঃ০১৭১৭৬৩৬৩৫৩
অবাক করা জ্ঞান

★ইয়া মালো ধৌলতে দুনিয়া ইয়ে রিস্তা আতে ব্যন
খোদানে ব্যহেমু-গোমা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ
ইয়ে আগার চে বুত হে যাওয়া-আপকি আস্তিনোনে 
মুঝে হে হুকমে আদা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ★
                                             "আল্লামা ইকবাল"

হাজা ফি হাবিবুল্লাহ , মাতা ফি হুবুল্লাহ , শাহেনশাহে ওলি , আফতাবে ওলি, সুলতানুল হিন্দ, হিন্দাল ওলি, আতায়ে রসূল, ইয়া শেখ সৈয়দ মাওলানা মঈনুদ্দিন হাসান সাঞ্জারী আল হাসানি ওয়াল হোসাইনি আওলাদে ইমাম আলী রেজা, তাঁর মকতুবাতে খাজা নামক বইতে তিনি তাঁর প্রধান খলিফা হজরত কুতুবউদ্দিন বকতিয়ার কাকীকে এই বলে উপদেশ দিচ্ছেন --- ( বলে রাখছি কোরানে বর্ণিত পঁচিশজন নবি মিলেও খাজা বাবার বার ভাগের এক ভাগ মুসলমানও বানাতে পারেন নি)  -‘ যে ব্যক্তি আল্লাহ আল্লাহ জিকির করছে, জেনে রাখো , সে আল্লাহকে পায় নি এবং ইহাও জেনে রাখো যে , যে ব্যক্তি আল্লাহকে পেয়েছেন তিনি আর কখনোই আল্লাহ আল্লাহ জিকির করবেন না। ইহা কেমন কথা বলে তুমি আমায় প্রশ্ন করতে পারো এবং যদি প্রশ্ন করো তবে তার উত্তর হলো যে, তোমার কোনো প্রিয়জনকে দূরে দেখতে পেলে ডাক দেবে, কিন্তু যখন সে তোমার অতি নিকটে তখন আর ডাক দেবার প্রশ্নই আসতে পারে না। অর্থাৎ যখন তুমি আল্লাহর পরিচয় প্রত্যক্ষরূপে পেয়ে যাবে তখন তোমার জন্য আর এবাদত নেই বললেই চলে ।  তখন তুমি এবাদতের বহু উর্ধ্বে এবং এবাদতের আনুষ্ঠানিকতা এখানেই শেষ। যদিও তোমার মধ্যে আল্লাহ প্রাপ্তির পর এবাদত করতে কেউ দেখে, সেই এবাদত তোমার নিজের জন্য নয়, উহা তোমার মুরিদানের শিক্ষা দেবার জন্য । হুজুর পাক (আ.) এবাদতের অনেক উর্ধ্বে । অথচ, তাকেঁ এবাদত করতে দেখা যেত, তার মানে এই অর্থ নয় যে , সেই এবাদত তাঁর নিজের জন্য, বরং সেই এবাদত তাঁর অনুসারী সাহাবাদের শিক্ষার জন্য। শিক্ষক যদি ছাত্রের বিদ্যার ওপরে না হয় , তাহলে ছাত্রকে শিক্ষক কি শিক্ষা দেবেন? শিশুকে ক,খ,গ, পড়াতে গেলে শিক্ষকের সেই অক্ষর উচ্চারণ করতে হবে বার বার । এই বার বার ক,খ,গ উচ্চারণের মাধ্যমে শিশু অক্ষরজ্ঞান পাবে , কিন্তু শিক্ষক এর অনেক ঊর্ধ্বে, যদিও তিনি ঐ অক্ষরগুলো শিশুর সঙ্গে বার বার উচ্চারণ করছেন । একজনের শিক্ষা হচ্ছে অপরজনে শিক্ষা দিচ্ছেন। খাজা গরিব নেওয়াজ তাঁর মুকতুবাতে খাজা বইতে আর একটি সুন্দর উপদেশ দিয়েছেন। তিনি বলছেন যে ,তুমি যদি অনেক পয়সা খরচ করে দামি পোলাও-কোরমা পাকিয়ে দশমাসের শিশুকে খেতে দাও তবে সেই শিশুর জন্য সেই দামি খাদ্যই হবে বিষতুল্য , যদিও উহা তোমার নিকট উপাদেয় খাদ্য বলে বিবেচিত হবে । পক্ষান্তরে দশমাসের শিশুর জন্য যে দুধের শিশি তা যদি তোমার বন্ধুদের এনে দাও তবে উহা হবে তাদের জন্য অপমানজনক একপ্রকার ঠাট্টা-তামাশা। কারণ, তোমার বন্ধুরা দুধের শিশিতে ঠোঁট লাগানোর বয়স অনেক আগেই ফেলে এসেছেন । তাই যারা দুধের শিশিতুল্য জ্ঞানের উপযোগী , তাদেরকে পোলাও-কোরমার মতো অতি উচুস্তরের জ্ঞান দিও না। কারণ, তা সবার জন্য সমান প্রযোজ্য নয় এবং সবাইকে সমানভাবে বিতরণ করাও সমীচীন নয় ।
খাজা গরিব নেওয়াজ অতি উঁচু পর্যায়ের ওলি । তিনি এমন কথাও বলেছেন যা ওলিদের অবাক করে । যেমন একস্থানে তিনি বললেন যে,‘(হজরত) ঈসার(নবির) সানিই আমি তথা আমিই দ্বিতীয় ঈসা । কারণ , তাঁর কাছে যে রুহুল কুদ্দুস সেই একই রুহুল কুদ্দুস আমার কাছেও ।’ ফারসি ভাষায় তাঁর এই অপূর্ব কথা আমরা দেখতে পাই যেমন- দাম বা দাম রুহুল কুদ্দুস আন্দার মঈনে মি দামাদ-মান নামিদানাম মাগার মান ঈসায়ে সানি শুদাম।

বাংলাদেশ তো দুরের কথা সমগ্র পৃথিবীতে যার জোড়া নাই সেই পীর চেরাগে জান শরীফ, শরাবে শাহেনশাহে্ আজিজি ডাঃ বাবা জাহাঈীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ্ জালাল নূরী আল সুরেশ্বরী।


সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজ মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বাহুসনে এহে্তেমামত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম,বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার,গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল,গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার ,ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা,সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=263969737365735&id=100012581327902

বি:দ্র: ডা:বাবা জাহাঙ্গীর বা-ঈমান আল সুরেশ্বরী রচিত বইসমুহ পাইকারি মূল্যে নিম্নোক্ত ঠিকানায় পাওয়া যাচ্ছে........। 

         ঠিকানা:
                  সুফিবাদ প্রকাশনালয়
              প্রযত্নে:বে-ঈমান হোমিও হল
   ১০৮ নিউ এলিফ্যান্ট রোড(২য় তলা) ঢাকা-১২০৫
               মোবাইল ঃ০১৯১১৫৯৭৭৮০

শনিবার, ১ এপ্রিল, ২০১৭


ইবলিসের ভেদ 

সেই ইবলিস এখন কোথায় আছে? প্রশ্নটি অতি মারাত্নক এবং বুঝবার জন্য গভীর চিন্তাসাপেক্ষ। ইবলিস বাহিরে নেই। ইবলিস আমাদের মতো মানুষের ভেতরই আপন মূর্তিতে বিরাজমান। মানুষ ছাড়া ইবলিসের নিজস্ব কোনো আকার নেই। মানুষ ছাড়া ইবলিস সম্পূর্ণ আকারবিহীন তথা নিরাকার। তাই মানুষ যেমন আল্লাহর রহস্য তেমনি ইবলিসের রহস্যও এই মানুষ। তাই ইবলিসের যত আকাম-কুকাম সব মানুষের আকৃতির মধ্যেই প্রকাশ পায় এবং এই মানুষ দিয়েই ইবলিসের যত আকাম-কুকাম করানো হয়। মানুষের দেহ এবং রক্তে ইবলিস এমন নিখুঁতভাবে মিশে যায় যে তাকে আর ধরবার উপায়ই থাকে না। তখন সে মানুষের আকৃতিতে ইবলিস। চিনে নিতে বড় কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় যে, সে কি মানুষরূপী আদম না মানুষরূপী ইবলিস। সুতরাং এই মানুষরূপী ইবলিস কখনোই চায় না মানুষরূপী আদমকে সেজদা করতে তথা আনুগত্য গ্রহণ করতে, কিন্তু আল্লাহ পাক ঘোষণা করছেন যে, আদমের মাধ্যম ছাড়া আল্লাহকে পাওয়া যাবে না, তথা ফানা ফিশ শায়েখ না হয়ে, তথা আপন পীরের মাধ্যে ফানা না হয়ে ফানা ফিল্লাতে যাওয়া যাবে না, তথা আল্লাহতে ফানা হতে পারবে না। তাই খাজা বাবা বলেছেন যে, যার পীর নেই শয়তান হলো তার পীর। কারণ শয়তান পীরকে তথা আদমকে সেজদা তথা আনুগত্য গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে যেমন আমাদেরই মধ্যে যারা নররূপী শয়তান তারা পীরেকে তথা আদমকে সেজদা না দিয়ে তথা আনুগত্য গ্রহণ না করে সোজাসুজি আল্লাহকে পেতে চায় এবং এই চাওয়া যে ইবলিসের চাওয়ার সঙ্গে হুবহু মিল তথা সাদৃশ্য রয়েছে জ্ঞানী জনেরা সহজেই বুঝতে পারেন এবং ইহাও বুঝতে পারেন যে মানুষ ছাড়া শয়তানকে পাওয়া যায় না তথা মানুষ ছাড়া শয়তান হয়ে পড়ে সম্পূর্ণ নিরাকার ।
হুজুর পাক(আ.) একবার সাহাবাদেরকে বলেছিলেন যে, প্রত্যেক মানুষের সঙ্গেই একটি করে শয়তান দেওয়া হয়েছে। এই কথা শুনে একজন সাহাবা হুজুর পাককে (আ)প্রশ্ন করেছিলেন যে, তা হলে কি আপানার সঙ্গেও একটি শয়তান? হুজুর পাক(আ) বলেছিলেন যে, হ্যাঁ তার সঙ্গেও একটি শয়তান দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই শয়তানকে মুসলমান বানিয়ে ফেলেছেন ।

চেরাগে জান শরীফ শরাবে শাহেনশাহে্ আজিজি বেমিসাল বারগাহে কালান্দার ডাঃ বাবা জাহাঈীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ্ জালাল নূরী আল সুরেশ্বরী। 

বাংলাদেশ তো দুরের কথা সমগ্র পৃথিবীতে যার জোড়া নাই সেই পীর চেরাগে জান শরীফ, শরাবে শাহেনশাহে্ আজিজি ডাঃ বাবা জাহাঈীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ্ জালাল নূরী আল সুরেশ্বরী।
সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজ মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বাহুসনে এহে্তেমামত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।


বি:দ্র: ডা:বাবা জাহাঙ্গীর বা-ঈমান আল সুরেশ্বরী রচিত বইসমুহ পাইকারি মূল্যে নিম্নোক্ত ঠিকানায় পাওয়া যাচ্ছে........। 

         ঠিকানা:
                  সুফিবাদ প্রকাশনালয়
              প্রযত্নে:বে-ঈমান হোমিও হল
   ১০৮ নিউ এলিফ্যান্ট রোড(২য় তলা) ঢাকা-১২০৫
               মোবাইল ঃ০১৯১১৫৯৭৭৮০