রবিবার, ১ অক্টোবর, ২০১৭

Kafir-e-ishq hoon main banda-e-islam nahin
But parasti ke siwa aur mujhe kaam nahin

Ishq mein poojta hoon qibla-o- kaaba apna
Ek pal dil ko mere uske bin aaraam nahin


Bulhawas paanw na rakhiyo kabhi is raah ke beech
Koocha-e-ishq hai ye raguzar-e-aam nahin

Haye re haye chali jaati hai yun fasl-e-bahaar
Kya karoon bas nahin apna wo sanam ram nahin

Aar kya hai tujhe duniya ki malaamat se ‘Niyaz’
Aashiqon mein tuu akelaa hi to badnaam nahin 

~ Hazrat Qibla Shah Niyaz Beniyaz R.A.

সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

পীর পূজা করে যদি কাফের হতে হয়
তো সেই কাফেরী সনদ দিয়ে দাও আমারে..।

পীর পূজা করে যদি কাফের ফতুয়া না পাই
তো কেমন পূজারী আমি সংসারে..।

পীর পূজা করে যদি কাফের হতে হয়
তো সে কাফের সনদ দিয়ে দাও আমারে..।

গুরু প্রেমে কাফের ফতুয়া না পাই
পীর পূজারি হব কী করে...।

পীর পূজা যদি হয় হোক শেরেকী
যেনে নাও আমি পীর পূজারি
এ শেরেকী জিন্দেগী ভর
এ শেরেকী বন্দেগী আমার
এ শেরেকী ধর্ম শুধু নয়
বাসনা যে মোর চরতরে..।

গুরু বিনা কোনো ইবাদতের
নেই প্রয়োজন এই জীবনেতে
পরোয়া করিনা দোযখের ভয়
গুরু যদি মোর থাকে সাথে
তুচ্ছ বেহেশত থাক থাক পরে থাক
চাই না ওখানে ভুলেও যেতে
আাহা আমি চাই আমার গুরুর কদম।।
তার গোলাম হতে চাই চিরতরে..।

সুরা মুজাম্মিলে স্বয়ং খোদা কয়
ফাত্তাখেজু ওয়াকিলা দেখ রয়

মান হাকিমের কাছে যেতে চাও
শক্ত হাতে উকিল ধরে লাও

এবং আরো কাহাফ সূরায়
বলে বদনসিবি তারা এ ধরায়
ওলীয়াম মুর্শিদ যে নাহি পায়
বৃথা সাধন ভোজন সংসারে..।

পাথর সুরকী বালু দিয়ে যে কাবা গড়া
বৃথা নয় কি তারে সেজদা করা
পাথরের কি এতই শক্তি
চুমা দিলেই তারে পাবে মুক্তি।।

কাবায় খলিলে যদি খোদা পেত
রসুল হেরা গুহায় না যেত।।

নাকি হেরা গুহা কাবার উর্ধ্বে নিশ্চয়
নইলে গুহায় গেলেন কেন কাবা ছেরে..।

খালাকা আদম আলা সুরাতিহি
আরো দেখনা ফি তুহে মিররূহি
আমাকে পেতে হলে উসিলা ধর
কুরান পাকে তাই বলেন এলাহি
মুমিনের কালব আমার আরশ
মুৃমিনের দিল কাবায় হুজুরে
তাই জেন্ত দিল কাবাকে সেজদা করি
সেজদা করি আমি নত শিরে।।

যারপীর নাই তার পীর হল শয়তান
খাজায় খাজেগান কালামে ফরমান
ওসিলা ছাড়া যদি খোদা না পাওয়া যায়
যদি হাজার ইবাদতে খোদা না সাড়া দেয়
তবে খোদার উর্ধ্বে গুরু
রতনে তাই কয়।।
গুরু তোমার পুজারী বানাও আমারে..।

রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

Philosophical Essence
Know thyself that is the most celebrated philosophical essence of human race. Man, whose comprehension has expanded from the minuscule atomic world to the collossum deatils of the galactic bodies and who has exerted great influence upon nature through the mastering of engineering is now facing the more important question of how much had we really learnt about our own self or how much self-control we could exert upon ourselves. In answering this we come close to Sufism which is an applied philosophy in the way to realize and communicate with the core driving force of our very existence.
Man is made by God in the style of all the other living things making him a slave to his own instinct and tendency. However, he has not also been spared with the potential of overcoming this trend and tendency. He has been blessed with the power to win the incompliable hurdles of our nature. More often than not, we are misled by the tricky six senses playing within us. We have inside us the unbreakable link between fear and inertia. Sufism holds in our hand and takes us away free from the fruitless burden of these senses, namely, sex, pride and fear. It then allows us to settle down with the pure soul living dormant deep down in our heart.
God exists in every soul that he has laid down to roam upon the earth. Man can attain the humane fullfilment by awakening the omnipotent Master in himself through focusing upon and purifying one?s soul. Because Creator is only the other name of that absolute soul.
As goes in the Hadith-e-Kudsi: I was always there hiding from your eyes, I desired to express myself and I created All and expressed myself. Creator expresses himself through his Creation. We can find him in the non-living things in the qualitative form and in human beings as the living soul. He who has been successful in waking up that dormant soul is considered an `Olee? i.e. a friend of God. What he says and what does becomes the saying and the doing of God. He is the possesor of all his attributes. We are advised merely to follow him. Because He is the one who has been truly blessed.
To ensure this self-purification and self-awakening we need an effective Guru or Murshid or Peer and attain self-knowledge, self-purification and self-satisfaction through sitting for a Moraqaba or Meditation under his able guidance. The Prophet himself set an example before us by doing the same for fifteen years at the Cave of Hera.
Sufism is an effective philsophy. It leads us to a peaceful and pragmatic life on this very dusty earth.

শনিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭



 সর্বধর্মের উদ্দেশ্য একটাই
    ~~~~~~~~~~~~~~~
ধর্ম বলতে যা বোঝায়: সেই বিখ্যাত ধর্মগুলোর উদ্দেশ্য একটিই, দ্বিতীয় কোন উদ্দেশ্য নাই। সেই একমাত্র উদ্দেশ্যটি যদি জানা না থাকে তাহলে ধর্মের সাগরের পাড়কূল পাওয়া যায় না। বিচিত্র রংঢং আর শৈলীর অবগুণ্ঠনে ধর্মের আসল বিষয়টি ঢেকে যায়।
     
ধর্মের সেই একমাত্র বিষয়টি হলো: আল্লাহ্কে পাওয়া, খোদাকে পাওয়া, গডকে পাওয়া, নারায়ণকে পাওয়া, জিহোবাকে পাওয়া, পরমকে পাওয়া। এই আল্লাহ্কে পাওয়ার বিষয়টি কী করে জানব? কী করে বুঝতে পারব? এই একমাত্র বিষয়টি বুঝতে হলে, জানতে হলে আপন দেহের মধ্যেই পাইতে হবে। দেহের বাহিরে যারা আল্লাহ্ পাবার আশা করে তারা আল্লাহ্ কখনও পাই না এবং পাবার বিধানটিও রাখা হয় নি। এই আপন দেহটি মিমের জিকির, সব রহস্যের পাত্র। লা'মোকামে প্রবেশ করার বোরাক হলো এই দেহটি এবং সব রকম রহস্যের
ভান্ডটিও এই দেহটি। এই দেহটির ভিতরে  হৃদয়টি আছে, সেই হৃদয়ের মাঝে নফ্স আছে তথা আমি আছি এবং আমার সঙ্গে খান্নাসরূপী শয়তানটিও আছে। এই খান্নাসরূপী শয়তানকে নিয়ন্ত্রণে আনা, তথা তাড়িয়ে দেওয়া, তথা মুসলমান বানিয়ে ফেলাটাই হলো ধর্মের একমাত্র সাধনা।
       
এই সাধনায়  যারা কামিয়াব হতে পেরেছেন তারাই আল্লাহর পরিচয়টি জানতে পেরেছেন। তাই কোরান বলছে, "তুমি একা হয়ে আমাকে ডাক, ডাকের জবাব সঙ্গে সঙ্গে পাবে।" আরবিতে বলা হয় 'উদুনি আস্তা জেবলাকুম'। একমাত্র মূল বিষয়টি একদম সোজাসুজি বলা হয়েছে সুরা মোমিনের ষাট নম্বর আয়াতে।
     
এই খান্নাসরূপী শয়তানটিকে আপন নফস হতে তাড়িয়ে দেওয়ার কৌশলটি অনেক রকম। মূল বিষয় একটি কিন্তু প্রয়োগ পদ্ধতি অনেক রকম। যখন একজন সাধক খান্নাসরূপী শয়তানটিকে তাড়িয়ে দিতে পারে তখন সে সাধক বহু ভাষায়, বহু ছন্দে, বহু শৈলীতে বলে ফেলেন, আমিই আমার পীর, আমিই আমার মুরিদ। কেউ বলে ফেলেন এক বিনে দ্বিতীয় নাই, কেউ বলেন এই এক-কে খন্ডন করা যায় না। সাধক যখন খান্নাসরূপী শয়তানটিকে তাড়িয়ে দিয়ে কামিয়াব হতে পারেন তখনই বলে ফেলেন- আনাল হক, লাইসা ফি জুব্বাতি সেওয়া আল্লাহ তায়ালা, আনা সোবাহানি মা আজামুশশানি, সোহ্হম সোহমি, মদং ব্রহ্মা, আনাহু হু'আল আনা, মুই তুই- তুই মুই ইত্যাদি অনেক রকম ভাষায়।

নিবেদক-
 কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল    ইবনে হেলাল গোলামে শাহ্ জালাল নূরী আল সুরেশ্বরী।

রবিবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৭

প্রাণ ও পরম এর রহস্য
                    ...................................
প্রাণ এবং পরম এক নয়। প্রাণ-পরমের প্রশ্নে সবাই ভুল করে। দার্শনিকরা তো আরও ভুল করে। ভাষার শব্দের গাঁথুনির অভাবে স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ ভুল করেছেন। দেবতাদের রাজা মহাদেবও ভুল করেছেন। আসলে এই ভুলটি ভুল নয়। ভাষার অভাবে বাধ্য হয়ে তাঁরা ভুল করেছেন। তাঁরা জেনেশুনে ভুল করতে বাধ্য হয়েছেন। কোথায় প্রাণ আর কোথায় পরম। আর সাধারণ পীর-ফকিরেরা, ওলি- দরবেশেরা ভুল করে কিন্তু বিগার কমে না। বিগার মানে ঠাঁট-বাঁট অহঙ্কার। কিচ্ছু জানে না অথচ পীর হয়ে বসে আছেন। ভিতরে কোন মালই নেই কিন্তু পরে আছেন সুন্নতি লেবাস। এই রকম সুন্নতি লেবাস মহানবি পরেছেন কি-না সন্দেহ! ইহা কি তথাকথিত সুন্নত, না আসল সুন্নত? তাহা আমার জানা নাই। প্রাণ আর পরমের পার্থক্যটি করে গেছেন পৃথিবীর বুকে একমাত্র মহানবি আবুল কাসেম হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)। মহানবি বলে গেছেন, প্রাণের নাম নফ্স আর পরমের নাম রুহ। এই নফ্স আর রুহের পার্থক্যটি মোল্লারা বোঝেন না। মোল্লারা কিছুই জানে না তাই খুব বেশি বকবক করে। আর সাধারণ মানুষেরা মাথায় গরু-মহিষের মগজ থাকাতে সোবহানাল্লাহ্ বলে চিৎকার করে। সাধারণ মানুষ বানরের চেয়ে একটু উঁচায়। সাধারণ মানুষকে বোঝালেও কী, আর না বোঝালেই কী। সাধারণ মানুষের নাকে গোলাপ ফুল ধরলে জিহ্বা বের করে খেতে চায়। কোন মোল্লার মুখে শুনলাম না এই হাদিসটি- "এক ঘন্টা জ্ঞান অর্জন সত্তর বছরের ইবাদতের চেয়ে উত্তম"। তাহলে এই জ্ঞান কোথা হতে অর্জন করবো? জ্ঞান অর্জন করতে হলে পাঠাগার,স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি হতে জ্ঞান অর্জন করা যায়। এই জ্ঞান অনুসরণ- অনুকরণ করার জ্ঞান। কারণ জ্ঞান দুই প্রকার- একটি হলো: অনুসরণ-অনুকরণ করার জ্ঞান, অপরটি হলো সৃষ্টি করার তথা সৃজনিশক্তির অধিকারী হওয়া। অনুসরণ-অনুকরণ এর জ্ঞান অর্জন করতে হলে বড় বড় ডিগ্রী নিতে হয়। এই ডিগ্রীগুলি এক একটি বড় সাইনবোর্ড। আর যারা সৃষ্টি করে তাঁদের কাঁধের উপর সাইনবোর্ড থাকে না, তারা সবার জন্য। সবার জন্য যে জ্ঞান তার নামই সুফিবাদ। সুতরাং সুফিবাদ ধর্মকে অনুসরণ করে কিন্তু অনুকরণ করে না। কুকুর লেজ নাড়ায় কিন্তু লেজ কখনও কুকুরকে নাড়াতে পারে না। সৃষ্টি করার জ্ঞান স্কুল কলেজ হতে পাওয়া যায় না। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, লালন, পান্জু শাহ্, দুদ্দু শাহ্, মনমোহন,  দ্বিজদাস, জগদিশ এরা সৃষ্টি করার প্রতিভা নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছেন। এরা সবসময় ডালভাতের হালে থাকেন। মোহমুক্ত হয়ে যে জীবনটি দাঁড়িয়ে থাকে সেই জীবনটিকে গালভাতের হাল বলা হয়। ইবাদত, বন্দেগি, পূজা, প্রার্থনা করতে হয় মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা, কালিশায়। এক ঘন্টা জ্ঞান অর্জন করা সত্তর বছর (বেরিয়া) ইবাদতের চেয়ে উত্তম। তাহলে সাধারণ মানুষদের অনুরোধ করছি, একটু চিন্তা করুন, গবেষনা করুন সত্তর বছরে কত ঘন্টা হয়? আটষট্টি হাজার চারশ ঘন্টায় সত্তর বছর হয়। তাহলে ফলটি কি দাঁড়াল? একটি ইবাদত খানা, একটি পূজা করার মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা, কালিশা, গুরু দোয়ারা বহু নামে পরিচিত স্থানগুলো হইতে আটষট্টি হাজার চারশ গুন পবিত্র- যে ঘরে সৃজনিজ্ঞান অর্জন করা হয়। অনুসরণ-অনুকরণ এই জ্ঞান দিতে পারে না। এই জ্ঞান দিতে পারে কেবলমাত্র প্রেম, ভালবাসা, মোহাব্বাত, ইষ্ক, উলফাৎ, হব্বুন। তাই সুফিবাদের ধর্মই হলো প্রেম। সুতরাং যেখানে প্রেম নাই, সেখানে সুফিবাদ নাই। কতগুলো কথা শেখা প্রেম নয়। চোখের জল, কান্না, চিৎকার, নৃত্য করা এগুলো প্রেমের কিছুটা লক্ষণ। এই লক্ষণগুলো যাদের মধ্যে নাই তারা কাষ্ঠ ধর্মের অনুসারী। তাই সমগ্র পৃথিবীকে শান্তি দিতে পারে প্রেম নামক ধর্মের বাহন সুফিবাদ। সুফিবাদই প্রথম, সুফিবাদই শেষ, সুফিবাদই বেচ্যাইন সৃষ্টি করে। তাই সুফিবাদ যারা করে থাকে তারা জবাই করা মুরগির মতো ছটফট করে। সুফিরা বলে, ওরাইতো আনন্দে আছে, ওরাইতো আরামে আছে- যারা জীবনেও আরাম পাই নাই। তাইতো মওলানা জালাল উদ্দিন রুমি বলে গেছেন, "উস দিওয়ানা দিওয়ানা না শোধ"- তথা যে পাগল হয় নাই সেই তো আসল পাগল। হযরত জিগার মুরাদাবাদি বলে গেছেন, "ঐ মানুষটি হুশের মধ্যে আছে, যার কোন হুশ নাই"। সুতরাং হে মানুষ, তুমি যদি সত্য সাগরে অবগাহন করতে চাও তাহলে সাহসের সাথে সুফিবাদকে গ্রহণ করো।

সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,  জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজে মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বা-হুসনে এহে্তেমামাত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে- নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।
(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৫ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।
"কালান্দার ড. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল"
বে-ঈমান হোমিও হল।
নিউ- এলিফ্যান্ট রোড, ১০৮
 ঢাকা-১২০৫
(শনিবার বাদে দুপুর ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা)

জিগার মুরাদাবাদীর কালাম


 " হ্যায় রাতে ইশক নেহি স্যাক জুনু দোষ নেহি
এহি দেওয়ানা চ্যালে আও মুঝে হুশ নেহি "

বাংলায় অনুবাদ :-
প্রেমের উত্তাল ঢেউগুলো যার হৃদয়ের মাঝে আচড়ে পড়ে না তাকেও কোন দোষ দিতে যেও না। আবরণীর আবরণ ফেলে দিয়ে আমার কাছে চলে আসো কারন আমিতো বৈষয়িক চাওয়া পাওয়া হতে বেহুঁশ হয়ে আছি।
                                             
"রিনদো মুঝকো সামাঝতে হে উনহে হোঁশ নেহি
ম্যায় কাদা শ্বাস হু ম্যায় কাদা পার হোঁশ নেহি "

বাংলায় অনুবাদ :-
  কেবলমাত্র মুনি ঋষিরাই আমাকে বুঝতে পেরেছে যে আমার কোন দোষ নাই। তথা মোহ মায়া হতে আমি মুক্ত সম্পুর্ন মুক্ত। আমার নিশ্বাস-প্রশ্বাস ঐ মাতাল খানায় ওখানেই পদযুগল রাখার পর কখন যে আমি বেঁহুশ হয়ে গেলাম তা আমি নিজেই বুঝতে পারলাম না।
                                           
"ক্যাহ গ্যায়ি কানমে আকার তেরে দেওয়ান কি হাওয়া
       সাহেবে হোঁশ ওহি হ্যায় কে যিসে হোঁশ নেহি।"

বাংলায় অনুবাদঃ-
 যে সরাব ঢেলে দেয় সেই সাকি আমার কানে কানে বলে গেল প্রেম ভরা আখিতে প্রেমের শাড়ীর আঁচলের মৃদু দুলিয়ে ঐ তো প্রেমের বাদশাহ, হুঁশের মহারাজা হুঁশের নৃপতি যার মধ্যে কোন হুঁশ নাই।
                             

"কাভি উলফাৎ ভ্যারি আখো সে পিয়াযা এক যাম
আজ তাক হোঁশ নেহি হোঁশ নেহি হোঁশ নেহি।"

বাংলায় অনুবাদঃ-
কবে কোনদিন ভালবাসার চোখে এক পেয়ালা সরাব আমাকে পান করিয়েছিলে। সেই দিবসটির কথা আমি ভুলে গেছি। কেবলমাত্র এটুকুই বুঝতে পারলাম সেইদিন হতে আজ অবধি আমার হুশ নাই, হুশ নাই, হুশ নাই।
                                 
"ম্যাহ যে তাসরির কো স্যব হ্যায় মাগার ইনরাক কাঁহা
   জিন্দেগী খুদহি ইবাদাত হ্যায় মাগার হোঁশ নেহি।"

বাংলায় অনুবাদঃ-
  সবার কাছে তো প্রেয়সীর ছবি খানা আছে। কিন্তু ঐ প্রেয়সীর প্রতি নেই কোন ধ্যান, নেই কোন তাসাব্বুর, নেই কোন বর্জক, নেই কোন নিরিখ। তুমি কি জান? তোমার ঐ প্রেয়সীকে যদি হৃদয়ে স্হান দিতে পারতে তাহলে তোমার জীবনটাই ইবাদতে পরিনত হতো। কারন তোমার আর কোন হুশ থাকতো না। মোহ-মায়ার আবরনটি আর তোমাকে ঢেকে দিতে পারত না।
                             

   "মিলকে যিস দিন সে গ্যায়া হ্যায় কোয়ি একবার জিগার
মুঝকো ইয়ে কাহমে হ্যায় ক্যাসে পিয়াকা হোঁশ নেহি। "

বাংলা অনুবাদ:
   সহসা যেদিন সাকির প্রেমে পড়ে গেলাম সে দিন হতে এটুকুই বুঝতে পারিনি কেমন করে কি ভাবে জিগার ধরা দিতে থাকে  যে আমার হুশ নাই, হুশ নাই।


 বাংলায় অনুবাদঃ  
 ডা: বাবা জাহাঙ্গীর বা-ঈমান আল সুরেশ্বরী

বাবা জাহাঙ্গীর বা-ঈমান আল সুরেশ্বরী লিখিত বই গুলো পাবেন....
                                             সুফিবাদ  প্রকাশনালয়                        
                                              প্রযত্নে:বে-ঈমান হোমিও হল
                                  ১০৮ নিউ এলিফ্যান্ট রোড(২য় তলা) ঢাকা-১২০৫।
                                           মোবাইল ঃ০১৯১১৫৯৭৭৮০

সোমবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৭

কী হাকছে ফারিশতাউনে ইকবাল কী গমমাজী
কোন অধিকারে ফেরেশতারা ইকবালের অতীতের ভুলগুলোর হিসাব লিখবে..?
গুশতাখ হ্যায় করতা হ্যায় ফিতরাত কী হিমা বান্দী
ভুলগুলোর মাঝে আমি তো আজন্ম বন্দি হয়েই আছি..
খাকী হ্যায় মগার ইশকে আন্দাজ হ্যায় আফলাকী
যদিও মাটির মানুষ আমি, কিন্তু প্রেম উঁচু আকাশের অধিবাসী করেছে..
রুমী হ্যায় না শামী হ্যায় কাশী না সামারকান্দী
আমি রুমিও নই,শামিও নই, কাশিও নই আর সামারকান্দিও নই..
সিখলাই ফারিশতাউকো আদম কী তরফ ইছনে
ফেরেশতাদের কে শিখিয়ে দিলেন খোদা আদমের মর্যাদা সম্পর্কে..
আদম কো শিখাতা হ্যায় আদাবে খোদাওয়ান্দী
তারপর আদম কে শিখিয়ে দিলেন কেমন করে খোদার নৈকট্য পাওয়া যায়
হাকিমী নে মুসলমানী খুদী কী
কালীমি রামজে পিনহানী খুদী কী
খোদা তোমার রহস্যময় পোশাকের ভেতরেই তোমার আমিটির ভেতর লুকিয়ে আছেন।
তুঝে গুর ফখরে শাহী কা বাতাদো?
তুমি তোমার বুজর্গির অহঙ্কারের বিষয়টি আমায় বলবে..?
গরীবি নিগেবানী খুদী কী
অথচ তুমি গরিব আমিটির মাঝেই তোমাকে দেখতে চেষ্টা কর
দায়ারে ইশক মে আপনা মাকাম প্যায়দা কর।।
জাগ্রত রুহের অধিকারী (প্রেমমন্দির,কামেল গুরু)প্রেমে আপন ঘরটিকে নুরময় করে তোল।।

তোমার আমিটার প্রতি যদি দৃষ্টি না থাকে তো কিছুই রইলো না
না তু জমি কে লিয়ে হ্যায় না আসমাকে লিয়ে
তোমাকে এই পৃথিবীর তরে নহে আর ঐ আকাশের তরেও নহে
জাহাঁ হ্যায় তেরে লিয়ে তু নেহী জাহাঁকে লিয়ে
পৃথিবীটা তোমারই জন্য তুমি পৃথিবীর জন্য নহে
সেতারোঁ সে আগে জাহাঁ আওর ভী হ্যায়
তারকা-রাজ্যের উর্ধ্বে আরও সৃষ্টিজগত রহিয়াছে
আভী ইশক কী ইনতেহা আউর ভী হ্যায়
জেনে রাখ প্রেমের পরীক্ষা তাহারও উর্ধ্বে অবস্থান করে
ইয়ে হিকমতে মালাকুতী ইয়ে ইলমে লাহুতী
ইহা ফেরেশতা রাজ্যের রহস্যময় হিকমত,ইহা নাই রাজ্যের জ্ঞান
হারাম কে দরদকা দারমা নেহী তো কুচ ভী নাহী
হৃদয়ের অনুভূতি না থাকলে তো আর কিছুই অবশিষ্ট থাকে না
ইয়ে জিকরে মীম সাবী ইয়ে বোরাক  বে সারুর
ইহা মিমেরই স্মরণ একমাত্র প্রশংসা ইহাই দ্রুতগামী বোরাক
তেরী খুদী কে নিগেবা নেহী তো কুচ ভী নেহী
তোমার আমিটার প্রতি যদি দৃষ্টি না থাকে তো কিছুই রইলো না
খিরাদ মে ক্যাহ দিয়া লা ইলাহা কো কিয়া হাসিল
সকাল-সন্ধ্যায় তুমি তোমার নবযুগের সূচনা কর
দিলো নিগাহ মুসলমা নেহী তো কুচ ভী নেহী
যদি খোদা ইচ্ছা করেন তো তিনি তোমার সুন্দর আমিত্বের বিনাশ করতে পারেন

নয়া জামানা লায়ে ফিতরত ছে নাজ বেখুদকো
 সখুকে লালা হো গুলসে কালাম প্যায়দা কর।
উঠা না সীসা জারা ম্যায় ফরেন দেখে গা।
ছাপালে পাকছে মিনা ওয়া জাম প্যায়দা কর
তুমি তোমার জুব্বার ভেতরে রাখা পানপাত্রটিকে যদি পবিত্র করতে পার
তেরা তারিকা আমিরী নেহী ফকিরী হ্যায়
 তোমার পথ তো আমিরি নহে,বরং ফকিরিই তোমার জন্য প্রযোজ্য
খুদী না বেচে গরিবী মে নাম প্যায়দা কর
তোমার স্বকীয়তাটিকে বিক্রি না করে বরং গরিবির খাতায় নাম লিখে নাও

দায়ারে ইশক মে আপন মাকাম প্যায়দা কর।।

শুক্রবার, ১১ আগস্ট, ২০১৭

 আমাদের পীর বাবা কালান্দার জাহাঈীর এর অবাক করা বাণী- ৪

একই হাত ভালবাসায় কেঁপে ওঠে, আবার ঐ একই হাত খুন করতেও কেঁপে ওঠে না।
                  ~হজরত কাতিল সাফায়ি

ঐ মানুষটাই সবচাইতে আরামে আছে , যে মানুষটি কখনই আরাম পায় নাই।
~খাজা গরিবে নেওয়াজ

আমিই ওলি, আমিই আলি , আমিই নবী, মাওলানাও আমি, বীরপুরুষও আমি এবং মন্দিরের পূজারিটিও আমি । এক বিনে যে দুই নাই। দুই দেখাটাও দৃষ্টিবিভ্রম মাত্র।
                      ~হযরত শেখ ফরিদউদ্দিন গঞ্জেশকর।

আমার নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে রুহুল আমিন যায় ও আসে, আমি কিছুই জানি না। কেবল জানি আমিই দ্বিতীয়  যিশুখ্রিস্ট। (ইহা সবারই জানা থাকার কথা যে ২৫ জন নবী মিলেও তিনি যতটা করেছেন তার ১২ ভাগের এক ভাগও মুসলমান বানাতে পারেন নাই -সেই খাজা বাবা গরিবে নেওয়াজ।)

আমার দেহের মধ্যে যে আমি আছি, ইহাই তো ঈশ্বরের অবস্থান করার সর্বশ্রেষ্ঠ প্রমাণ। ঈশ্বর আমার মধ্যে, আমি ঈশ্বরের মধ্যে। প্রমাণ দেবার আর কোনো প্রয়োজন নেই। আমি যে আমার মধ্যে আছি, এই যুক্তি খণ্ডালেও আমি আছি, না খণ্ডালেও আমি আছি।
                         ------------------  দার্শনিক রেনে ডেকার্তা
                                     


ওহাবী মতবাদের গুরুঠাকুর ইমাম তাইমিয়া আর আব্দুল ওহাব নজদী কোরানের ব্যাখ্যার প্রশ্নে এবং মাওলা আলীর কথা এবং নবী মূসা এবং অলী খিজিরের তিনটি ঘটনার প্রশ্নে কে কি জবাব দেবেন? এজন্যই  আপনাদে অনুসারীরা  এ যুগে " দিস ইজ সূফীজম" নামে বই লিখে গাউছুল আজম বড় পীড় সাহেব, ইবনুল আরাবী, ইমাম গাজ্জালী এবং আহমদ রেফাইর বিরুদ্ধে জঘন্য এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন যাতে অশ্লীল ভাষার প্রশ্নে পর্নো ভাষাটিকেও হার মানিয়েছেন। জঘন্য ভাষায় সর্বজনমান্য ইমাম গাজ্জালীর "এহিয়ায়ে উলুম " এবং ইবনুল আরাবীর "ফতুহাতে মক্কী " কে গঠনমূলক সমালোচনা না করে গালিগালাজ করেছেন। ইমাম জাওজীর রচিত " তাবিসে ইবলিস " বইটিকে সামনে রেখে বড় পীর সাহেবকে সবচেয়ে বেশী বকাবাজি করেছেন। কিন্তুু আপনারা অবশ্যই জানেন যে, এই "তাবিসে ইবলিস" বইটি লিখার পর পরই ইমাম জাওজী তওবা করে বড় পীর সাহেবের মুরিদ হয়েছিলেন। কিন্তুু আপনারা পাঠক ভাইদেরকে ফাঁকি দেবার জন্য মুরিদ হবার কথাটি জেনে শুনে ছাপিয়ে গেলেন। তা না
হলে আপনাদের লিখনির গোমর ফাঁক হয়ে যায়। এতই নিম্নমানের অশ্লীল এবং অপাঠ্য যে, পাল্টা "দিস ইজ দি অরিজিন অফ ওহাবিজম " লিখতে চেয়েছিলাম কিন্তুু বিকৃত মস্তিস্কের ফসল যারা তৈরী করতে পারে তাদেরকে হাজারো বার বুঝালেও যেমনকার তেমনটিই থেকে যাবেন। ইহুদিরা যাকে দ্বিতীয় মুসার সম্মান দিতেও লজ্জা পান না। সেই বারো শতকের দার্শনিক মায়ামোনিডিসের কথাগুলো হুবাহু আপনাদের লিখা ও দর্শনে ফুঁটে উঠে। মায়ামোনিডিসের কথাগুলোকে যদি সম্বল করে ওহাবী মতবাদ প্রচার করেন, তাহলে বলার কি থাকতে পারে? কেবল কিছু সহজ সরল মানুষগুলোকে বিভ্রান্তির চিকন জালে আটকিয়ে আপনাদের অনুসারী বানাতে পারবেন। যেমন মার্কস আর লেলিন বস্তুবাদের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ধর্মকে নেশার আফিম বলে লেলিয়ে দিয়েছিল তাদের চেলা চামুন্ডাদের! কিন্তু আজ?কত রং ঢং এর যুক্তি, তর্ক নামক নৃত্য দেখিয়ে কত মানুষকে কাছে টেনে নিয়েছিলো। আর আজ? দ্বান্দ্বিক দর্শন হতে আধ্যাত্মবাদকে কাঁচি দিয়ে কেটে লেজ কাটা দ্বান্দ্বিক দর্শনের মারাত্মক যাদু দেখে অনেকেই মুক্তির মূলমন্ত্র বলে মনে করেছিল। আর আজ? বস্তুবাদের মুক্তি এখন নিকোলাই, চসেস্কু আর এলেনা চসেস্কুর ফায়ারিং স্কোয়াডে পড়ে থাকা লাশ। আর লেনিনের সগর্বে দাঁড়ানো মূর্তি মাটিতে বিলীন।গুরু মারা বিদ্যা আবিস্কার করে গুরু হেগেলকে বুড়ো আঙ্গুল দেখাতে গিয়ে নাস্তিক্যবাদের পরিণতিটা কি হয়েছিল। আর আজ? কোরানেই একটু খুঁজে দেখুন, দেখতে পাবেন কোরানের আমানত পাহাড় পর্বত, সাগর কেউই নিতে
চায়নি। যদি কোরানের আমানত নিত তাহলে পাহাড় পর্বত তুলার মত ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে যেত এবং সাগর শুকিয়ে যেত। তাহলে এই কোরান বলতে আল্লাহ কি বুঝাতে চেয়েছেন? বুকে হাত রেখে বলুন তো, কোরানের এই কথাগুলোর কি উত্তর দেবেন? আপনারা উল্টা পাল্টা সব বিষয়েরই উত্তর দিতে পূূর্ব হতেই উস্তাদ। নিরপেক্ষতা মানে কখনোই সত্যেকে অস্বীকার করা বুঝায় না। আল্লাহ মহানিরপেক্ষ, কিন্তুু সত্যের পক্ষে এবং মিথ্যার বিরুদ্ধে। যারা আল্লাহ নাই বলেন এবং তাই বিশ্বাস করেন তাদেরকে তো আল্লাহ রেজেক হতে  বঞ্চিত করেন না। মিথ্যার বিরুদ্ধে আল্লাহর অবস্থান থাকার পরও নাস্তিকদের তো রেজেক একদিনের তরেও
বন্ধ করেন না। কোরানের প্রথম অবস্থায় এবং অনেক বছর কোরানের জের,জবর,পেশ, ছোট মদ এবং বড় মদ কিছুই ছিল না। হাজ্জাজ বিন ইউসুফ - এর সময় তিনিই প্রথম এগুলোর প্রচলন করেন। অথচ অবাক হই যখন সদরউদ্দিন আহমদ চিশতীর মত ইসলাম গবেষকও হাজ্জাজের দেওয়া সুন্নতটিকে লুফে নিলেন। এর বেশী কিছু লিখতে চাই না। কারণ যে যেভাবে বুঝেন সেভাবেই লিখেন। পরে অবশ্য শাহ সুফি সদরউদ্দিন আহমদ  চিশতীকে বুঝিয়ে দিতে পেরেছিলাম যে, এই জের, জবর, পেশ, ছোট মদ ও বড় মদগুলো ইসলামের হিটলার হাজ্জাজ বিন ইউসুফ দিয়ে গেছেন। কিন্তুু এই বিরাট ভূলটি সংশোধন করার সময় তিনি পান নাই। কারণ তিন মাসের মধ্যেই তিনি ইন্তেকাল করেন। তাই এই ভূলটি তার ভক্তদের মাঝে রয়েই গেল। চিশতী সাহেব ১৯৯২ সালের ২৬ শে ডিসেম্বর হতে আর একটিও মুরিদ করেন নাই। অতি উৎসাহী ভক্তরা উনার ছবির সামনে দাঁড়িয়ে মুরিদ করার নব বিধানটি আবিস্কার করেন। গ্রাহামবেল টেলিফোন আবিস্কার করেন। তাঁর প্রিয়তমা স্ত্রীর নাম ছিলো হ্যালো। প্রিয়তমা স্ত্রীকে প্রথম ফোনটি করে বলেছিলেন, হ্যালো হাউ আর ইউ? আজ চিশতী সাহেব ঐ গ্রাহামবেলের মতো ছোট মদ, বড় ছোট আবিস্কার করে তার ভক্তদেরকে জানিয়ে দিলেন। এতো বড় মারাত্মক ভূলটি আজও তার মুরিদরা বহন করে চলছে। ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমাকে কেঁদে কেঁদে বলতে হচ্ছে যে, ইসলামের এতো বড় গবেষক সদরউদ্দিন চিশতী যিনি আমারই আপন চাচা এবং আমিই উনার প্রথম মুরিদ ছিলাম, আজ হতে ৬১ বছর আগে। সেই আপন চাচা সদরউদ্দিন আহমদ চিশতী এত বড় ভয়ঙ্কর ভূলটি করবেন, চিন্তাও করি নাই। চিশতী সাহেব হাজ্জাজ বিন ইউসুফকে আল্লাহ বানিয়ে ফেলেছেন। কারণ কোরানের কথা আল্লাহর কথা। অথচ এই হাজ্জাজ বিন ইউসুফকে ইসলামের সেই বিশেষ যুগের আধুনিক হিটলার বলে অনেকেই মন্তব্য করে থাকেন।

@ নাই নাই প্রতিটি লিখা পড়লেই আপনিই বুঝতে পারবেন পৃথিবীতে তাঁর জোড়া নাই।
  -------  শাহ্ সুফি সৈয়দ ময়েজউদ্দিন আল সুরেশ্বরী

সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজে মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বা-হুসনে এহে্তেমামাত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে- নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।
(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৫ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।

"কালান্দার ড. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল"
বে-ঈমান হোমিও হল।
নিউ- এলিফ্যান্ট রোড, ১০৮
 ঢাকা-১২০৫

বুধবার, ৯ আগস্ট, ২০১৭

কী হাকছে ফারিশতাউনে ইকবাল কী গমমাজী।
গুশতাখ হ্যায় করতা হ্যায় ফিতরাত কী হিমা বান্দী।
খাকী হ্যায় মগার ইশকে আন্দাজ হ্যায় আফলাকী।
রুমী হ্যায় না শামী হ্যায় কাশী না সামারকান্দী।
সিখলাই ফারিশতাউকো আদম কী তরফ ইছনে।
আদম কো শিখাতা হ্যায় আদাবে খোদাওয়ান্দী।
হাকিমী নে মুসলমানী খুদী কী।
কালীমি রামজে পিনহানী খুদী কী।
তুঝে গুর ফখরে শাহী কা বাতাদো।
গরীবি নিগেবানী খুদী কী।
দায়ারে ইশক মে আপনা মাকাম প্যায়দা কর।।


কোন অধিকারে ফেরেশতারা ইকবালের অতীতের ভুলগুলোর হিসাব লিখবে..?
ভুলগুলোর মাঝে আমি তো আজন্ম বন্দি হয়েই আছি।
যদিও মাটির মানুষ আমি, কিন্তু প্রেম উঁচু আকাশের অধিবাসী করেছে..
আমি রুমিও নই,শামিও নই, কাশিও নই আর সামারকান্দিও নই।
ফেরেশতাদের কে শিখিয়ে দিলেন খোদা আদমের মর্যাদা সম্পর্কে।
তারপর আদম কে শিখিয়ে দিলেন কেমন করে খোদার নৈকট্য পাওয়া যায়।
খোদা তোমার রহস্যময় পোশাকের ভেতরেই তোমার আমিটির ভেতর লুকিয়ে আছেন।
তুমি তোমার বুজর্গির অহঙ্কারের বিষয়টি আমায় বলবে..?
অথচ তুমি গরিব আমিটির মাঝেই তোমাকে দেখতে চেষ্টা কর।
জাগ্রত রুহের অধিকারী (প্রেমমন্দির,কামেল গুরু)প্রেমে আপন ঘরটিকে নুরময় করে তোল।


না তু জমি কে লিয়ে হ্যায় না আসমাকে লিয়ে।
জাহাঁ হ্যায় তেরে লিয়ে তু নেহী জাহাঁকে লিয়ে।
সেতারোঁ সে আগে জাহাঁ আওর ভী হ্যায়।
আভী ইশক কী ইনতেহা আউর ভী হ্যায়  ইয়ে হিকমতে মালাকুতী ইয়ে ইলমে লাহুতী।
হারাম কে দরদকা দারমা নেহী তো কুচ ভী নাহী।
ইয়ে জিকরে মীম সাবী ইয়ে বোরাক  বে সারুর।
তেরী খুদী কে নিগেবা নেহী তো কুচ ভী নেহী।
খিরাদ মে ক্যাহ দিয়া লা ইলাহা কো কিয়া হাসিল দিলো নিগাহ মুসলমা নেহী তো কুচ ভী নেহী।
নয়া জামানা লায়ে ফিতরত ছে নাজ বেখুদকো সখুকে লালা হো গুলসে কালাম প্যায়দা কর।
উঠা না সীসা জারা ম্যায় ফরেন দেখে গা।
ছাপালে পাকছে মিনা ওয়া জাম প্যায়দা কর তেরা তারিকা আমিরী নেহী ফকিরী হ্যায় খুদী না বেচে গরিবী মে নাম প্যায়দা কর।
দায়ারে ইশক মে আপন মাকাম প্যায়দা কর।।


তোমাকে এই পৃথিবীর তরে নহে আর ঐ আকাশের তরেও নহে।
পৃথিবীটা তোমারই জন্য তুমি পৃথিবীর জন্য নহে।
তারকা-রাজ্যের উর্ধ্বে আরও সৃষ্টিজগত রহিয়াছে।
জেনে রাখ প্রেমের পরীক্ষা তাহারও উর্ধ্বে অবস্থান করে।
ইহা ফেরেশতা রাজ্যের রহস্যময় হিকমত,ইহা নাই রাজ্যের জ্ঞান।
হৃদয়ের অনুভূতি না থাকলে তো আর কিছুই অবশিষ্ট থাকে না।
ইহা মিমেরই স্মরণ একমাত্র প্রশংসা ইহাই দ্রুতগামী বোরাক।
তোমার আমিটার প্রতি যদি দৃষ্টি না থাকে তো কিছুই রইলো না।
সকাল-সন্ধ্যায় তুমি তোমার নবযুগের সূচনা কর।
যদি খোদা ইচ্ছা করেন তো তিনি তোমার সুন্দর আমিত্বের বিনাশ করতে পারেন।
যদি তুমি তোমার আমিত্বের পরদাটুকু একটুখানি উঠাইতে পার তা হলে সঙ্গে সঙ্গে দেখতে পাবে।
তাহা হইলে তুমি তোমার বিদগ্ধ দাসত্বে থাকিয়াও ফুলের মাঝে কালাম (বাণী) সৃষ্টি করতে পার।(অধম লিখক এই বাক্যটি বুঝতে না পেরে অনুমানে লিখলাম,সুতরাং ভুল থাকাটাই স্বাভাবিক)।
তুমি তোমার জুব্বার ভেতরে রাখা পানপাত্রটিকে যদি পবিত্র করতে পার।
তোমার পথ তো আমিরি নহে,বরং ফকিরিই তোমার জন্য প্রযোজ্য।
তোমার স্বকীয়তাটিকে বিক্রি না করে বরং গরিবির খাতায় নাম লিখে নাও।

সোমবার, ৩১ জুলাই, ২০১৭


ডাঃবাবা জাহাঙ্গীর বা-ঈমান আল সুরেশ্বরী এর শানে..

       জাহাঙ্গীর বাবার তরজমাতে....
      শিল্পী :পরশ দেওয়ান

ডা:বাবা জাহাঙ্গীর বা-ঈমান আল সুরেশ্বরী রচিত বইসমুহ পাইকারি মূল্যে নিম্নোক্ত ঠিকানায় পাওয়া যাচ্ছে........। 

              ঠিকানা:
                  সুফিবাদ প্রকাশনালয়
              প্রযত্নে:বে-ঈমান হোমিও হল
   ১০৮ নিউ এলিফ্যান্ট রোড(২য় তলা) ঢাকা-১২০৫
               মোবাইল ঃ০১৯১১৫৯৭৭৮০

Follow us on youtube:
https://youtu.be/qIDupxPLNyQ

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই, ২০১৭

আমাদের পীর বাবা কালান্দার জাহাঈীর এর অবাক করা বাণী- ৩


যেখানেই ক্ষমতা সেখানই মোহ লুকিয়ে থাকে ঐ ক্ষমতার পূজারীকেই প্রশ্নের সম্মূখীন হতে হয়।    
                                                 বারট্রান্ড রাসেল
জেন রাখ ভাষাটি কিছু্ই নয় ! কেবল মাত্র ভাবের বাহণ এই ভাবের বাহনটি কঠিন শব্দে বেধে রেখো না তাহলে জনতা বুঝত পারবে না । ভাবটি তোমার কাছে ফেরত আসবে।
                                            জওহরলাল নেহারু
 দুনিয়ার একটি স্থানে মানুষ হেরে গিয়ে সবচাইতে বেশি আনন্দ পায়, আর সেই স্থানটির নাম হলো নিজের সন্তানের কাছে হেরে যাওয়া।
                -                  ----- বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

আল্লাহ মানা খুবই সহজ পীর মানা ঠিক ততটুকু কঠিন
                                                       --------বশরে হাফি।


আল্লাহ্ কোরানের সূরা লোকমান আর সূরা ইয়াসিনে বলেছেন যে, এই কোরানের  ব্যাখ্যা তথা তফসীর শেষ করা যাবে না। উদাহারণ দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন। পৃথিবীর যত পানি আছে সবগুলো যদি কালি হয় এবং গাছগুলো যদি কলম হয়, তবু কালি শেষ হয়ে যাবে কিন্তু ব্যাখ্যা তথা তফসীর লিখা শেষ হবে না। এ যে খুবই সাংঘাতিক কথা! তাহলে আমরা যে কোরানের ব্যাখ্যা লিখে শেষ করে ফেলি! কেউ কম কেউ বেশী ব্যাখ্যা লিখি কিন্তু এই ঘোষনার সামনে তো কোন তুলনা করাই চলে না। তাহলে এর আসল রহস্য কি? দুনিয়ার এত বই কাগজ লিখা হয়ে গেছে মানুষের তৈরি কালি দিয়ে এবং আরো লিখা হবে তবু তো কালির সামান্য অংশটিও শেষ হয়নি। তাহলে এর জবাবটা কি? আমি হয়তো চল্লিশের উপর কোরানের তফসীর পড়েছি। কিন্তু এই বিষয়টিতে আমার মন মত জবাব অথবা ব্যাখ্যা পাইনি। আমাদের তফসীরগুলো একটি স্থানে এসে থেমে যায়। সবাই কম বেশী ব্যাখ্যা লিখে শেষ করি। পৃথিবীতে যতগুলো দেশ আছে সব দেশের সব রকম বইপত্র কালি দিয়ে ছাপা হচ্ছে প্রতিদিন এবং কতদিন পর এই কালি শেষ হয়ে যাবে তা বলতে পারবো না। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই কালির পরিমান কতটুকু? পৃথিবীর তিনভাগ পানি আর একভাগ মাটি অথচ এই বিশাল পরিমাণ পানি যদি কালি হয় তবু কোরানের ব্যাখ্যা লিখে শেষ করা যাবে না। প্রতিটি মানুষের চোখে মুখে অবাক হবার ছাপটি ফুঁটে উঠবে এবং মুখে কিছু না বলে বোবা মনটির মেনে নিতে বড়ই কষ্ট হবে। তাহলে কোরানের হাকীকত কি? কোরান কি কেবল কালির কিছু নির্দিষ্ট অক্ষর অার কাগজের মধ্যে সীমাবদ্ধ? কোরান কি পশুর চামড়া, খেজুর পাতা, পাথর আর হাড়ের মধ্যে লিখে রাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ?  কেন মওলা আলী হজরত উসমানকে বলেছিলেন, "আপনার লিখিত কোরান বোবা আর আমি জীবন্ত কোরান।" এই নূরী কোরানের বিষয়টি বিস্তারিত এবং অপূর্ব ব্যাখ্যা দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন বাবা জান শরীফ শাহ সুরেশ্বরী তাঁর রচিত "সেররে হক জামেনূর " বইতে। নূরী কোরান কি, তা জানতে হলে বইটি পড়া অবশ্য কর্তব্য বলে মনে করি। কেন মওলা আলি বলেছেন যে, তিনি সেই আল্লাহর ইবাদত করেননি যে আল্লাহ্কে দেখা যায় না।

@ নাই নাই প্রতিটি লিখা পড়লেই আপনিই বুঝতে পারবেন পৃথিবীতে তার জোড়া নাই।
  -------  শাহ্ সুফি সৈয়দ ময়েজউদ্দিন আল সুরেশ্বরী

সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজে মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বা-হুসনে এহে্তেমামাত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে- নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।

(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৫ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।



"কালান্দার ড. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল"
বে-ঈমান হোমিও হল।
নিউ- এলিফ্যান্ট রোড, ১০৮
 ঢাকা-১২০৫
আমাদের পীর বাবা কালান্দার জাহাঈীর এর অবাক করা বাণী....১

সবচাইতে বড় শত্রুটি তোমারই ভেতর আছে, তোমাকে এগিয়ে যেতে হবে এই মহাশত্রুটিকে ধারণ করে।
                       -- সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ দার্শনিক "নিটসে"

"তুমি বিনয়ের শেষ সিড়িতে দাঁড়িয়ে যাও,দেখতে পাবে তুমি সম্মানের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত "
                 বাংলােদেশের সবচাইতে জালালি পীর বাবা শাহ্ পরান।

     বিশ্ববিখ্যাত দার্শনিক সোরেন কেয়ারকিগার্ড বলেছেন, "যে মানুষটি সব প্রশ্নের উত্তর একটু চিন্তা না করেই, সামান্য ভাবনা না ভেবেই গড় গড় করে উত্তর দিতে পারে, সে একজন বিপদজনক মানুষ, সেই মানুষটি হতে যত দূরে পারো সরে থাকতে চেষ্টা করো ।"

 "মানুষ লাঠির ভয়ে আত্মহত্যা করে না, আত্মহত্যা করে, শরম -লজ্জার প্রচন্ড অভিমানে ।"
                                        - কালান্দার জাহাঈীর..



গবেষণার ধর্মই হল সব কিছু খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখা। এই রকম দেখাটি যারা বারণ করে তারা পেছনে পড়ে থাকে। বস্তুবিজ্ঞানের সবগুলো শাখা প্রশাখায় যেভাবে গবেষণা চলছে তাতে প্রতিদিন নতুন নতুন বিষয়গুলো ধরা পড়ছে। উদ্ভিদ হতে জীববিজ্ঞানের বিস্ময়কর উন্নতি হয়েছে এবং আরো কত কি যে হবে তার হিসাব নেই। সব বিষয়ের উপর গবেষণা করার কথাটি কোরান বহুবার বলেছে। আমরা যদি গবেষণা করতে চাই এই বলে যে, আল্লাহ বলতে কি বুঝায়? যে আল্লাহর নামটি দুই ইঞ্চি ঠোঁটে উচ্চারণ করি তিনি কেমন? যতগুলো সুন্দর নাম আছে সবই আল্লাহর নাম। গাছ একটি নাম। আসলে গাছ বলতে দেখতে পাই যে, কতগুলো গুনের সমষ্টির একটি নাম। গুণ গুলো একটা একটা করে আলাদা করলেই একটি নামের সঙ্গে সেই বিশেষ গুণটিকে জড়িয়ে দিতে হয়। কারণ গুণগুলো আলাদা করলেই অন্য নাম ধারণ করে।তাই অন্য নামটির সঙ্গে সমস্ত গুণের সমষ্টির একক নামটি প্রতিটি গুণের কথা বলতে গেলে নিতে হয়। যেমন গাছের শিকড়, গাছের কান্ড, গাছের শাখা-প্রশাখা, গাছের পাতা, গাছের ফুল, গাছের ফল ইত্যাদি। সবগুলো সুন্দর নাম একত্র করলে যে একটি নাম হয় তার নাম গাছ। শিকড় একটি অংশ কান্ড একটি অংশ,শাখা - প্রশাখা একটি অংশ, পাতা একটি অংশ, ফুল ও ফল দুটো অংশ। সবগুলো অংশ একসাথে মিলাতে গেলেই  নাম হয় গাছ। রহমান, রহিম, জাব্বার, হাফিজ, হান্নান এরকম যতগুলো গুণ আছে সবই এক আল্লাহর খন্ডিত গুণের অংশ। সবগুলো খন্ডিত গুণের অংশ একত্র করলেই নামটি হয় আল্লাহ। তাই আল্লাহ নামটিকে ইসমে আজম বলা হয়। তাই আল্লাহ বলার সাথে সবগুলো খন্ডিত গুণের একত্র হওয়াটিকে বুঝনো হয়। কোরান বলছে যে, পূ্র্ব ও পশ্চিম যেদিকেই তাকাও না কেন, কেবলমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কিছুই দেখতে পাওয়া যাবে না। অথচ অন্য সবকিছুই দেখতে পাই কিন্তু আল্লাহকেই দেখি না। কেবলমাত্র আল্লাহকেই কখন দেখা যাবে সেই কথাটিও বলে দেওয়া হয়েছে। উকিল ধরতে বলা হয়েছে। এই উকিল বলতে কোরান  কি বোঝাতে চেয়েছে? সেই উকিল হবার যোগ্যতা যিনি অর্জন করতে পেরেছেন, তিনি আল্লাহ ছাড়া কিছুই দেখেন না। এইরূপ উকিল ধরেই একমাত্র আল্লাহ ছাড়া যে আর কিছুই নেই তা বুঝতে পারা যায়। এজন্যই আয়াতের শেষ অংশে উকিল ধরতে বলা হয়েছে। আবার কোরান অন্যত্র বলেছে যে (আইনামা তুয়াল্লু ফাসাম্মা ওয়াজহুল্লাহ)      "যেদিকেই তাকাও না কেন, আল্লাহর চেহারা ছাড়া কিছুই দেখা যায় না।" আবার ওয়াহেদ এবং আহাদ এক বিষয় নয়। ওয়াহেদ হল এক আর আহাদ হল অখন্ড অদ্বিতীয় সত্তা। আহাদের ঘোষণাটি দিতে বলেছে, ওয়াহেদের নয়। আবার লা মওজুদা ইল্লাল্লাহ "নাই কোন অস্তিত্ত আল্লাহ ছাড়া।" বড় সাংঘাতিক কথা! আল্লাহ ছাড়া কোন অস্তিত্ত নাই। তাহলে অস্তিত্ত বলতে কি বুঝায়? বস্তুর বিজ্ঞান অস্তিত্ত বলতে কি ব্যাখ্যা দিয়েছে? আর অস্তিত্ত নেই বলতেই বা বিজ্ঞান কি ব্যাখ্যা দিয়েছে? বিজ্ঞান বিষয় হতে জানার অনুরোধ করলাম। কারণ নাই বলে কিছু নেই। তাহলে নাস্তিক্যবাদ (নিহিলিজম) বলাটাই একদম ভূয়া, একটা আত্নবিরোধের সুক্ষতম প্রতারণা। কারণ নাস্তিক্যবাদ মনে বাস করতে পারে, যদিও নাস্তিক্যবাদের অস্তিত্ত এবং প্রমান নেই। নাস্তিক্যবাদ ধোঁকা দেবার মেকী স্টাইল, কৃত্রিম আস্ফালন, শূন্য তর্জন গর্জন করা। নাস্তিক্যবাদ হল শূন্য যোগ শূন্য সমান শূন্য।

সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজে মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বা-হুসনে এহে্তেমামাত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে- নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।

(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৫ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।

"কালান্দার ড. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল"
বে-ঈমান হোমিও হল।
নিউ- এলিফ্যান্ট রোড, ১০৮
 ঢাকা-১২০৫


                          দরবারঃ
               ফকিরনি দরবার শরীফ
চুনকুটিয়া চৌধুরী পাড়া,দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা।
            মোবাইল ঃ০১৭১৭৬৩৬৩৫৩

বুধবার, ২৬ জুলাই, ২০১৭


 আমাদের পীর বাবা কালান্দার জাহাঈীর এর অবাক করা বাণী- ২

ব্যর্থতাই এনে দেয় বিজয়ের স্তম্ভ
                              ----------- উইলষ্টন চারচিল
বিপদ জানে না হিটলার তার চাইতেও বড় বিপদ
                                  ----------- এডলফ হিটলার

যিশু খ্রিস্ট বলেছেন, যে ব্যক্তি বলে আমি আল্লাহকে মানি কিন্তু যিশুকে মানি না সে একজন মিথ্যুক । তাকে তুমি ভুলেও অনুসরণ করতে যেও না।
---------বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর ।

যদি একটি মিথ্যাকে সতের বার সত্য বলে বলা হয় , তা হলে ইহা সত্যের মতো বেজে উঠবে।
                                         ------------- ডক্টর গোয়েবলস।

তারপরেও যিনি নিজেকে সগীরে আজম তথা সবচাইতে ছোট পীর বলে ঘোষণা করেন, তিনি কি সত্যিই ছোট? আপনার বিবেকের আদালতে কী রায় দিবেন?
                         ------------- বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

খান্নাসমুক্ত আমির মাঝেই পাবে আমিকে, ঐ আমিটাই দূষিত আমি নয়। নির্ভেজাল আমির মাঝে কেবলই রুহরূপী আল্লাহ পরিপূর্ণরূপে জাগ্রত হয়ে উঠে।
                           ---------মাওলানা জালাল উদ্দিন রূমি।

তুমি নিজেকে শূন্যের কোঠায় নিয়ে যেতে চেষ্টা কর, যদি শূন্য হয়ে যেতে পার সমালোচনা ঠাঁই পাবে না । কেবলমাত্র ঠাঁই পাবে নীরবতা অথবা প্রশংসা।
                                                    --------ব্রুন বাউর।

তুমি  দেখতে পাওনা? ধন-সম্পদে ডুবে থেকে কত অহংকারের পচা বচন শুনায় । মরে যাবার পর সেই অহংকারীর জন্য একটি কুকুরও কাঁদে না।
                            --------বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

জানিয়া রেখ, চোরও লাশের কাপড় চুরি করে। কিন্তু মাজারের গিলাপ কখনই চুরি করে না।
                                  ~বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

চোরও চোরকে ঘৃণা করে, যে চোর গরু চুরি করে।                                      - বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

রূপসী নারীকে দেখে যে বলে ভালোবাসি, জেনে রাখ সেটা কখনই ভালোবাসা না, দৈহিক চাহিদা মাত্র।
                                ~বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

প্রেমের যত বড় বেদনা তোমার সামনে আসুক, উহ্ শব্দটি করো না । কারণ তোমাকে দেখলেই বুঝতে পারবে, প্রেমের যাতনায় তুমি বরবাদ হয়ে গেছ।
                                              ~হযরত সারমাস্ত।


বস্তুবিজ্ঞান আর আধ্যাত্মবিজ্ঞান যে দু'টো সম্পূর্ণ  আলাদা বিষয় এটা বুঝতে না পেরে মানুষ গোলকধাঁধাঁয় পড়ে যায়। দু'টোকে এক করে ফেললেই আত্মবিরোধের রোগে ভুগতে হয়। সমাধান খুঁজে না পেয়ে ধর্ম বিষয়টিকে অতিরিক্ত (এডিশনাল) বিষয় মনে করে। বস্তুবিজ্ঞান জগত বিষয়ের উপরে গবেষণার ফল। আর আত্মার বিজ্ঞান আত্মাকে জানার গবেষণা এবং আত্মপরিচয় জানাটাই হল গবেষণার (সাধনা) ফল। আত্মপরিচয় জানতে পারলে আল্লাহকে তথা পরিচয়কারীর রবকে জানা হয়ে যায়। যদি
রূপকভাষায় বলতে চাই তাহলে আমার ভিতরের পরমাত্মাটি (রূহ) - ই সে বিশ্বরবের উদ্ভাসিত রূপ। তাই বলা হয়েছে  যে, আল্লাহ প্রতিটি মানুষের শাহারগের অতি নিকটেই আছেন। আরো একটু রূপক ভাষায় বলতে গেলে বিন্দুজলের সিন্ধুর বিশাল জলে মিশে একাকার হয়ে যাওয়া। নফস তথা (জীবাত্মা ) বাহনের ভূমিকা পালন করে। বাহন (নফস) আর বাহককে (রূহ) এক করে ফেলি বলে ভ্রান্তির জটিলতা দেখা দেয়। যদিও দু'টোরই আকার নেই। দু'টোই শহুত তথা নিরাকার। বাহক (রূহ) 'আনাল হক' এবং 'সোহহম সোহমি' বললে মনে হয় বাহন (নফস) বলছে। কারণ বাহন (নফস)  ছাড়া বাহকের (রূহ) পরিচয় পাওয়া যায় না। বাহনকে (নফস) তাই বাহকের (রূহ) সিংহাসন বলা হয়। বাহন (নফস) তখন বাহকের (রূহ) গোলামে পরিনত হয়। তাই বাহনের (নফস) যখন আর নিজের বলে কিছুই থাকে না তখন বাহক (রূহ) প্রকাশিত হয় এবং তখনই সম্পূর্ন থাকার কথাটি বাহন (নফস) বলে। বাহক(রূহ) তখন বলে যে, বাহন(নফস) যা বলে, করে দেখে এবং চলে তা বাহকের (রূহ) কর্ম।এই বাহনের (নফস) মেরুদণ্ড থাকে না। বাহনের মেরুদণ্ড থাকা পর্যন্ত বাহক আসবে না, ধরা দেবে না। কিন্তুু বস্তুবিজ্ঞানেরও সাধনা করতে হয়। গবেষণার সাধানায় ডুবে থাকতে হয়। কিন্তুু স্বকীয়তা থাকে, আমি আমি থাকে মেরুদণ্ডটি শক্তই থাকে। সুতরাং বস্তুবিজ্ঞানী ও আত্মারবিজ্ঞানীর পরিচয় ও কর্ম এক নয়। পরিস্কার বোঝা যায় যে,উভয়ের অবস্থান দুটি ভিন্ন মেরুতে। উভয়ের ফলটিই কিনে নিতে হয়। একটি মুদ্রা দিয়ে কিনতে হয় এবং অপরটি প্রেম দিয়ে কিনতে হয়। তাই মুদ্রা (টাকা)  দিয়ে প্রেম কেনা যায় না এবং প্রেম দিয়ে মুদ্রা কেনা যায় না। কেনা যায় বলে ধমক দিলে বলতে হয় যে, অভিনয় কেনা যায়, কৃত্রিম হীরা কেনা যায়, ইমিটেশন কেনা যায়। এতে আসলের একটা তৃপ্তি অবশ্যই আশা করা যায়। নেগেটিভের মাঝে পজেটিভের একটি গন্ধতো আশা করা যায়। এজন্যই একের দর্শনে আসল এবং নকলের দুটোর রূপই ফুঁটে উঠে। পার্থক্য করতে না পারলে অনেক রকম মতামত দেখা যায়। এতো মতামতের যুক্তি ও প্যাঁচমারা কথার মালা থেকে যে কোনটা বেছে নিতে হবে এই সিদ্বান্ত নিতে কষ্ট হয়। তাই তকদিরের উপর যে নির্ভর করতে হয় একথাটি কি ভূল? সুতরাং বিজ্ঞানী এবং ওলীর মাঝে যে পার্থক্য সেটা ধরা পড়ারই কথা।


"মে নেনে কে হামুবুত
 মি গুফত আনালহক
দার সুরাতে মনসুর
 মনসুর না বুদা
কে বারদার বারামাৎ"

অনুবাদ: না, না কখনই না, আমিই বলেছি আনাল হক, মনসুর বলে নাই। মনসুরের সুরতে আমিই বলেছি।                                                  
                ------------   মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমী।
সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজে মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বা-হুসনে এহে্তেমামাত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে- নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।

(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৫ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।

"কালান্দার ড. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল"
বে-ঈমান হোমিও হল।
নিউ- এলিফ্যান্ট রোড, ১০৮
 ঢাকা-১২০৫

মঙ্গলবার, ১১ জুলাই, ২০১৭

ইসলামে জাকাত বিষয়ের আলোচনা ১

এবার আমরা কোরান-হাদিসে উল্লেখিত জাকাত বিষয়টির উপর সংক্ষেপে আলোকপাত করবো। সাধারণ মুসলমান নামে যারা সমাজের বুকে পরিচিত তাদের কথা তো বাদই দিলাম। কিন্তু যারা ইসলামকে নিয়ে রীতিমতো গবেষণা করেন তারাও জাকাত বলতে যে আড়াই টাকা মোটেই নয় এবং আড়াই টাকাকে কোরান-হাদিসের কোথাও জাকাত বলে নি সেটাও বড়ই দুঃখজনকভাবে আমাদের কাছে একেবারেই অপরিচিত হয়ে রইল– যেন মহাকালের গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়া মুক্তোর আর সন্ধানই কেউ ক্ষ্যাপার পরশমণি খোঁজার মতো খুঁজেও পেল না। যারা ‘ধনী-গরিব আল্লাহ বানায়’ বলে আল্লাহর উপর সমস্ত দোষ চাপিয়ে দিয়ে নিরপরাধ সেজে তথাকথিত সভ্যতা অনুশীলন আমাদের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ান– তারাই দায়ী ? এ রকম তথাকথিত সভ্যতার বাতাস সেবন করে যারা একবোঝা ডিগ্রির নরমুণ্ড গলায় পরে শিক্ষিত ও  গবেষক বলে সমাজে পরিচিত, তাদের কাছে আসল বিষয়টি উদ্ধার করতে যাওয়া অনেক ক্ষেত্রে অরণ্যে রোদনের সামিল। বরং আসল বিষয়টাকে তারা এমনভাবে কবর-চাপা দিয়ে ফেলেছে যে, আসলটা  মাথা উঁচু করে যদি কখনও উঁকি-ঝুকি মারতে চায় তখনই ভূত দেখে মারপিটের মতো ‘নকল-নকল’ বলে চেঁচিয়ে সমাজকে আরও বিভ্রান্তির অতল তলে তলিয়ে দেয়।
শতকরা আড়াই টাকাকে কোরান-হাদিস কোথাও জাকাত না বলে ‘সাদকা’ বলেছে। যেখানেই সম্পদের উপর করদানের প্রশ্ন , সেখানেই কোরান-হাদিসে 'সাদকা' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। অনুবাদকারীদের মধ্যে এই শব্দ–পরিবর্তন বিশেষভাবে  লক্ষ্য করার বিষয়। কোরান শরিফ ঘোষণা করেছে যে, হজরত লুত, হজরত ইব্রাহিম এবং প্রত্যেক নবিই জাকাত দিয়েছেন। এখন প্রশ্ন হলো, হজরত লুতের জন্ম আজ থেকে বহু বছর আগে। অন্যান্য নবিরা তো আরও বহু পুরাতন। ইতিহাসই বলেছে, মাত্র কয়েক হাজার বছর আগে পণ্যবিনিময় প্রথা তথা বারটার সিসটেম তথা এক্সচেইঞ্জ অব কমোডিটি ছিল এবং এই প্রচলন বেশ কিছুদিন মানবসমাজের বুকে পরিচিত ছিল। কিন্তু পণ্যবিনিময় প্রথার আগের ইতিহাসে আমরা দেখি আদিম সাম্যবাদ। এই আদিম সাম্যবাদ কয়েক হাজার বছর আগেই ছিল । এখন বিরাটা প্রশ্নটি হলো, যখন পয়সারও প্রচলন ছিল না এবং পণ্যবিনিময় প্রথাও ছিল না তখন কোরান-এ বর্ণিত নবিরা কোন জাকাত দিয়েছেন, যদি জাকাতের অর্থ একান্তই মাল ও শতকরা আড়াইভাগ অথবা টাকা বলে প্রচার করা হলো? এতে কি আত্মবিরোধী কথার সমাবেশ হয় না? তবে কি শ্রদ্ধেয় আলেম ভাইয়েরা সোনার পাথরের বাটি এখানে খুঁজে পাচ্ছেন না? তবে যে সমস্ত তেলেসমাতি গবেষকরা 'ডক্টরেট' মুণ্ড গলায় ঝুলাবার লোভে সিক্ত, তার হাতিটাকে নদীতে টেনে হেঁচড়িয়ে ফেলে দিয়ে , নদীর রচনায় গবু দার্শনিকদের মতো ভাবগম্ভীর পরিবেশ সৃষ্টি করে পাণ্ডিত্যের বমি উদগীরণ করে। এই বমির গন্ধে সমাজের সহজ, সরল, কাঁচা গলা মোমের মতো মানুষগুলোকে এমনিভাবে আক্রান্ত করে ফেলে যে, এরা আর সহজে কোনো প্রতিষেধক ঔষধ পায় না। আর যদি একান্ত ঔষধ মেলেই, তবে সেই ঔষধে প্রাণ বাঁচলেও , মরলে জাহান্নামে যেতে হবে বলে তেলেসমাতি গবেষকেরা ভয় দেখিয়ে ফেলেছেন। মরে যাও তাতে কোনো দোষ নেই , কিন্তু এই জাতীয় ঔষধ খেয়ে বাঁচাও মহাপাপ বলে আশা দিয়েছেন তেলেসমাতি গবেষকবৃন্দ।

        চেরাগে জান শরীফ   
 ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী                                
"কালান্দার ড. বাবা জাহাঙ্গী ইকবাল"
বে-ঈমান হোমিও হল।
নিউ এলিফ্যান্ট রোড ১০৮ . ঢাকা-১২০৫।
ইসলামে জাকাত বিষয়ের আলোচনা ২

আমার দেহের মধ্যে যে আমি আছি ইহাই তো ঈশ্বরের অবস্থান করার সর্বশ্রেষ্ঠ প্রমাণ। ঈশ্বর আমার মধ্যে, আমি ঈশ্বরের মধ্যে। প্রমাণ দেবার আর কোনো প্রয়োজন নেই। আমি যে আমার মধ্যে আছি, এই যুক্তি খণ্ডালেও আমি আছি, না খণ্ডালেও আমি আছি।
~দার্শনিক রেনে ডেকার্তে

আমিই তো আমারই খুনি ,আবার আমিইতো আমারই শাস্তি।
~ডস্টয়ভস্কি

ধার করে আনা হীরার নেকলেসটি চুরি হয়ে গেলে মরণ যাতনার বিব্রতকর পরিবেশ তৈরি হয় ।
~সমারসেট মম

এই একই মানুষ কখনও অবাক করা পবিত্র, আবার কিছুদিন পর অবাক করা পাপী।
~লিও টলস্টয়

একটি মানুষের জন্য কতোটুকু মাটির প্রয়োজন হয়? উপদেশটা বললেন : মাত্র সাড়ে তিন হাত ।
~লিও টলস্টয়

 প্রতারণায় ধন-সম্পদের প্রাচুর্যতা আসতে পারে, আবার এটাই মৃত্যুর উপসংহার। ~দার্শনিক ফ্রেডারিক নিটশে

রুচির মৃত্যু একবারই হয়। যৌবনের উচ্ছ্বাস ইতিতে মরণ।
~বলাই চাঁদ মুখোপাধ্যায়। (বনফুল)

জন্মের দাগগুলো মরণেও মুছে যায় না। বানানো দাগগুলো বৃষ্টিতেই মুছে যায়। ~হজরত আরজু শাহারানপুরী

আমার চাওয়া-পাওয়াটি কী ছিল? আমি তা নিজেই জানতে পারলাম না। এমনকি মরনের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত।
~হযরত সাকীব

তুমি বিদ্বান হতে পার, তুমি জ্ঞানী হতে পার, তুমি ধন-সম্পদের মালিক হতে পার। কিন্তু সভ্য হতে তিন প্রজন্ম লাগে।
                                          --------------অলডাস হাক্সলী

তুমি নিজেকে শূন্যের কোঠায় নিয়ে যেতে চেষ্টা কর, যদি শূণ্য হয়ে যেতে পার সমালোচনা ঠাঁই পাবে না । কেবলমাত্র ঠাঁই পাবে নীরবতা অথবা প্রশংসা।
                                                    --------ব্রুন বাওর।

তুমি  দেখতে পাও না ধন-সম্পদে ডুবে থেকে কত অহংকারের পচা বচন শুনায় । মরে যাবার পর সেই অহংকারীর জন্য একটি কুকুরও কাঁদে না।
                            --------বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

জানিয়া রেখ, চোরও লাশের কাপড় চুরি করে। কিন্তু মাজারের গিলাপ কখনই চুরি করে না।          
                                -------বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

চোরও চোরকে ঘৃণা করে, যে চোর গরু চুরি করে।                            ----------     বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

রূপসী নারীকে দেখে যে বলে ভালোবাসি, জেনে রাখ সেটা কখনই ভালোবাসা না, দৈহিক চাহিদা মাত্র।
-                                 ------বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

প্রেমের যত বড় বেদনা তোমার সামনে আসুক, উহ্ শব্দটি করো না । কারণ তোমাকে দেখলেই বুঝতে পারবে, প্রেমের যাতনায় তুমি বরবাদ হয়ে গেছ।
                                         -----------হযরত সারমাস্ত।

পৃথিবীটা শান্তিতে ভরে থাক, তাই বার বার শন্তির আহ্বান করছি। জানি শান্তি একটি সোনার হরিণ। সুতরাং আমার এই প্রত্যাশা কোনদিন পূরণ হবার নয়।         "  
"বারট্রেন্ড রাসেল’’

চলচিত্র একটি প্রতারণার প্রদর্শন। আমরা বোকা নই কিন্তু চলচিত্র দেখে আমরা বোকা হয়ে যাই ।
"বারট্রেন্ড রাসেল’’

পৃথিবীকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি সম্ভবত এই সর্বপ্রথম কোরনকে ভিত্তি করে  বিস্ময়কর  রূহ ও নফস যে বিস্তারিত ব্যাখ্যাটি আমাদের পীর বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর দিয়ে গিয়েছেন এই ব্যাখ্যাটি পড়ে নিরেপেক্ষ পাঠকেরা অকপটে বলবেন যে উচ্ছাস মহব্বতে বলছিনা বরং বলছি কঠিন বাস্তবকে সামনে রেখে আমাদের পীর বাবা কালান্দারের বাংলাদেশ তো দূরের কথা সমগ্র পৃথিবীতে জুরি নাই। আমরা এই নফস ও রূহের বিষটির ব্যাখ্যা সর্বসাধারনের সামনে তুলে ধরলাম আশা করি আমাদের এই কথাটা মেনে নেবেন
দার্শনিক ইমানুয়েল কান্ট, রেনে দে কার্ত, দার্শনিক ডেবিড হিউম, দার্শনিক স্পেনসার, দার্শনিক হেগেল, দার্শনিক ব্রুন বাউর, দার্শনিক সরেনর্কেয়াকিগার্ড, দার্শনিক আথার শপেনহাওয়ার, দার্শনিক স্পিউনজার  এরাই আমাদের পীর বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীরের সামনে গুরু আর শিষ্যের মতো, এবং মুসলামান দার্শনিক ইমাম গাজ্জালি , ইবনুল আরাবী, আহমেদ রেফায়ির মতো অনেক মুসলাম দার্শনিক এই বিষয়ে লিখে যান নাই
শাহ সূফি সৈয়দ তারিক আল সুরেশ্বরী

তারপরের প্রশ্নটি হলো, প্রত্যেক নবিই যদি জাকাত দিয়ে থাকেন এবং জাকাতের অর্থ যদি মাল ও আড়াই টাকা হয়, তবে প্রথম মানব হজরত আদম (আঃ) কাকে জাকাত দিলেন? বিবেককে আর ফাঁকি না দিয়ে এই প্রশ্নটির উত্তর দিবেন কি? কোরান বলছে, "আল্লাজিনাহুম লিজ্ জাকাতে ফায়েলুন" –অর্থাৎ ‘তারা (বিশ্বাসীরা ) সদা-সর্বদা জাকাতের জন্য কর্মতৎপর থাকে।’ যদি জাকাত বলতে টাকার অথবা মালের ট্যাক্স বোঝায় তা হলে যে জাকাত দিচ্ছে তার আর সব সময় জাকাত নামক ট্যাক্স দেবার মধ্যে ডুবে থাকার প্রশ্নই আসে না । তা হলে সে অথবা তার পক্ষ হয়ে কেউ বাৎসরিক আয়ের হিশাবটা কিছু সময়ের মধ্যে করেই চুকিয়ে দেওয়া যায় এবং বছরের বাকি সময়টা নানা  বিষয়ের উপর সহজে মনোযোগ দিতে পারবে। সদা-সর্বদা জাকাতের জন্য কর্মতৎপরতায়  নিমজ্জিত থাকার প্রশ্নই তা হলে এখানে উঠতে পারছে না। । বিশ্বাসী হবার যে সংজ্ঞা কোরান দিয়েছেন তার মধ্যে এটিও একটি প্রধান শর্ত যে , বিশ্বাসী জাকাত দেবার জন্য সব সময় নিজেকে নিমজ্জিত রাখে।  যদি জাকাত বলতে ট্যাক্স বোঝায়  তা হলে ধরে নিলাম, একটি গরিব মানুষের সেই গুণটির সম্পূর্ণ অভাব আছে এবং যেহেতু জাকাত প্রদান করাটা বিশ্বাসী বলে গণ্য হবার জন্য একটি অন্যতম প্রধান শর্ত সেই হেতু সে বিশ্বাসী হবার শর্ত হতে কি বঞ্চিত হয়ে পড়ছে না? যদি জাকাত বলতে ‘গরিবের জন্য খাজনা’ বলে ধরে নেই তা হলে কোরান এ একই কথাকে বার বার বলার মঝে কি অবৈজ্ঞানিকতার অথবা গড়মিলের পরিচয় মেলে না? 'সালাত' তথা নামাজ সকলের জন্য অবশ্য পালনীয়, অথচ ‘জাকাত’ –কে বলা হয় শুধুমাত্র কিছু সংখ্যক লোকের জন্য। তাই নয় কি? তা হলে কেমন করে এই দুটো শব্দ বিজ্ঞানসম্মতভাবে সকলের জন্য বার বার আদেশ এবং সতর্ক থাকার জন্য একই সঙ্গে বসানো হলো, যদি একটি আদেশ শুধু কতকের জন্য হয়ে থাকে এবং অন্যটি সকলের তরে? এরকম অবৈজ্ঞানিক শব্দচয়ন কোরান-এর কোথাও নেই । আর যদি একান্তই ‘গরিবের জন্য খাজনা’ কে কোরান-এর জাকাত বলে ধরে নেই তা হলে সমগ্র কোরান-এর ভাবধারা ও দর্শনের মাঝে আত্মবিরোধী ভাবের সমাবেশ দেখা যায়, কিন্তু কোরান-এর কোথাও আত্মবিরোধী একটি উক্তিও নেই। বুঝবার ভুলের জন্যই আত্মবিরোধের জন্ম হয়। আত্মবিরোধ মনের মধ্যে অবস্থান করে, আক্ষরিক কোরান-এর পাতায় নয় । মনের এই আত্মবীরোধের ফলেই আমরা এক ইসলামকে তেহাত্তরটি ভাগ করে ফেলেছি। সবাচাইতে দুঃখ লাগে মনে তখনই, যখন দেখতে পাই এমন একজন অনুবাদকারী পেলাম না যিনি অকপটে অনুবাদ গ্রন্থে অতন্ত্য একটিবারও যদি লিখেতো,যে, ইহার অর্থ বুঝতে পারলাম না। কী জঘন্য হামবড়া ঠেটা মেনোবৃত্তি! বস্তুবিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিষ্কার আমাদের কুসংস্কতার অন্ধকার , অনুমানে ঢিল ছোঁড়া ঠেঁটামি আর ভণ্ডামির মাথায় প্রচণ্ড আঘাত হেনে এক সার্বজনীন চিরন্তন জ্ঞানরাজ্যে নিয়ে চলেছে জোর করে , অথচ বুঝতেই পাারছি না বস্তবিজ্ঞানের শক্তি কত প্রবল, কত অজেয় এবং এই বস্তুবিজ্ঞানই একদিন থলির লুকানো বিড়ালটি বের করে ছাড়বে এবং পৃথিবীর মানুষগুলোকে সব কিছু পরিষ্কার বুঝিয়ে দেবে- কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা।

সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজ মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বাহুসনে এহে্তেমামত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।
(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৫ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।
"কালান্দার ড. বাবা জাহাঙ্গী ইকবাল"
বে-ঈমান হোমিও হল।
নিউ এলিফ্যান্ট রোড ১০৮ . ঢাকা-১২০৫।

রবিবার, ৯ জুলাই, ২০১৭

‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম’

“আল্লাহর নৈকট্যে পৌঁছতে মানুষের ভিতরকে একা
করতে হয়”



মানুষ “একা” নয়। মানুষের অভ্যান্তরে
তিনটি সত্ত্বার বসবাস। (১) রূহ/প্রাণ; যা আল্লাহর নুর/আল্লাহর হুকুম,

(২)
নফস/মন/আমিত্ব, এবং (৩) খান্নাস নামক শয়তান। কিন্তু মানুষ আল্লাহকে বুঝতে, জানতে এবং
আল্লাহর নৈকট্য চাইলে তাকে অবশ্যই “একা” হতে হবে অর্থ্যাৎ, মানুষকে অভ্যান্তরের সত্ত্বা
নফস/মনকে এবং খান্নাস শয়তানকে দমন করে আল্লাহর হুকুম রূহের গোলাম বানিয়ে সমগ্র দেহকে
শুধুমাত্র রূহের অধীন করে একা একক সত্ত্বায় পরিণত করতে হবে। তবেই আল্লাহকে ডাকলে, আল্লাহ
সেই সাড়ার প্রতিত্তোর দিবেন।

@@@@@ {আর রূহ
আল্লাহর হুকুম; যা আল্লাহর আজ্ঞাবাহী; যার মৃত্যু নেই। আল্লাহর হুকুমে মানুষের দেহকে
ছেড়ে দেয় আবার আল্লাহর হুকুমেই দেহতে ফিরে আসবে পুনঃউত্থান দিবসে, আর বসবাস করে আলমে
আরওয়হে(রূহের জগত)-এ সকল রূহ একত্রে। }

@@@@@ {নফস বা মনের মৃত্যু
আছে। রূহ মানুষের দেহকে ছেড়ে যাওয়ার সাথে সাথেই নফসের মৃত্যু ঘটে। অথবা মানুষ জীবিত
অবস্থায় আল্লাহর হুকুম রূহের প্রতি নফস/মনের আত্মসমর্পণের দ্বারা রূহতে বিলীন হয়ে মিশে
যেতে পারলেও নফস/মনের মৃত্যু ঘটে। একেই মৃত্যুর আগে মৃত্যু বলা হয়।}

@@@@@ {নফস/মনের মৃত্য হলে বা নফস/মন রূহতে বিলীন হলে মানুষের দেহের অভ্যান্তরের
খান্নাস শয়তানেরও মৃত্যু ঘটে।}



আল্লাহ
পাক কুরআনে বলছেন,

“তোমাদের পালনকর্তা
বলেন, তোমরা একা হয়ে আমাকে ডাক, আমি সাড়া দেব। যারা আমার এবাদতে অহংকার করে তারা সত্বরই জাহান্নামে দাখিল হবে লাঞ্ছিত হয়ে”।[সুরা ৪০ মু’মিন: আয়াত ৬০]।

“অতএব,
তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদের স্মরণ রাখবো এবং আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর; অকৃতজ্ঞ হয়ো না।[সুরা ২ বাকারা:আয়াত ১৫২]।

“আর
যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সব কিছুতে বিশ্বাস স্থাপন করে তারা তাদের পালনকর্তার কাছে
সিদ্দীক ও শহীদ বলে বিবেচিত। তাদের জন্যে রয়েছে পুরস্কার ও নুর”।[সুরা হাদীদ ৫৭: আয়াত ১৯]।

`অবশ্যই আল্লাহর
জিকির বা স্মরণ হলো
সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ জানেন তোমরা যা কর’।[সুরা আনকাবুত ২৯: আয়াত ৪৫]। কোন মানুষের জন্য এমন হওয়ার নয় যে, আল্লাহ তার সাথে সরাসরি দেখা দিয়ে কথা বলবেন। কিন্তু ওহীর মাধ্যমে অথবা পর্দার অন্তরাল থেকে অথবা তিনি কোন দূত প্রেরণ করবেন, অতঃপর আল্লাহ যা চান, সে
তা তাঁর অনুমতিক্রমে পৌঁছে দেবে। নিশ্চয় তিনি সর্বোচ্চ প্রজ্ঞাময়”।[সুরা ৪২ শূরা: আয়াত ৫১]।

“আমার
ইবাদাত করার জন্যই আমি মানব ও জিন জাতি সৃষ্টি
করেছি”[সূরা ৫১ আয যারিয়াত : আয়াত ৫৬]।

“যারা আমি আল্লাহর পথে সাধনায় আত্মনিয়োগ করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে আমার পথে
পরিচালিত করব। নিশ্চয় আল্লাহ সৎকর্মপরায়ণদের সাথে আছেন”।[সুরা ২৯ আনকাবুত: আয়াত ৬৯]।

“হে মানুষ,
তোমাকে তোমরা পালনকর্তা আল্লাহ পর্যন্ত পৌঁছতে কষ্ট স্বীকার করতে হবে, অতঃপর তার সাক্ষাৎ ঘটবে”।[সুরা ৮৪ ইনশিকাক: আয়াত ৬]।

“নিশ্চয়ই যারা তোমার পরওয়ারদিগার আল্লাহর সান্নিধ্যে রয়েছেন, তারা তাঁর বন্দেগীর ব্যাপারে অহঙ্কার করেন না এবং স্মরণ
করেন তাঁর পবিত্র সত্তাকে; আর তাঁকেই সেজদা করেন”।[সুরা ৭ আরাফ: আয়াত ২০৬]।



(*) আল্লাহ মানুষের মধ্যে মানুষের সাথেই আছেনঃ-



“এবং জেনে
রাখ যে, আল্লাহতালা মানুষ ও তার কলব
বা অন্তরের মাঝখানে অবস্থান করেন এবং আল্লাহতালার নিকটই তোমাদেরকে একত্রিত করা হবে।”[সুরা ৮ আনফাল: আয়াত ২৪]।

‘আমি মানুষ সৃষ্টি করেছি এবং তার মন নিভৃতে যে কুচিন্তা করে, সে সম্বন্ধেও
আমি অবগত আছি। আমি তার গ্রীবাস্থিত শাহী ধমনী থেকেও অধিক নিকটবর্তী’।[সুরা ৫০ ক্বাফ:
আয়াত: ১৬]।

‘জেনে রাখো, আল্লাহতালা সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে রয়েছেন’।[সুরা ৪১ হা-মীম আস্ সাজদাহ্, আয়াত: ৫৪]।

 ‘পূর্ব ও পশ্চিম আল্লারই। তোমরা
যেদিকেই মুখ ফেরাও, সেদিকেই আল্লাহ বিরাজমান। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বব্যাপী, সর্বজ্ঞ’।[সুরা ২ বাকারা:
আয়াত ১১৫]।



(১) রূহ/প্রাণ; যা আল্লাহর নুর/আল্লাহর হুকুমঃ-



“তারা আপনাকে
‘রূহ’ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলে দিনঃ ‘রূহ’ আমার পালনকর্তার আদেশ বা হুকুম। এ
বিষয়ে তোমাদেরকে সামান্য জ্ঞানই দান করা হয়েছে”।[সুরা
১৭ ইসরা বা বনী-ইসরাঈল: আয়াত ৮৫]।

“আল্লাহ মানুষের
রূহ হরণ করেন তার মৃত্যুর সময়, আর যে মরে
না, তার নিদ্রাকালে। অতঃপর যার মৃত্যু অবধারিত করেন, তার রূহ ছাড়েন না এবং অন্যান্যদের
ছেড়ে দেন এক নির্দিষ্ট সময়ের
জন্যে। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে”।[সুরা ৩৯ যুমার : আয়াত ৪২]।



(২) নফস/মন/আমিত্বঃ-



…الْمَوْتِ
ذَائِقَةُ نَفْسٍ كُلُّ প্রত্যেক নফস বা মনকে মৃত্যুর স্বাদ
আস্বাদন করতে হবে। আমি তোমাদেরকে মন্দ ও ভাল দ্বারা পরীক্ষা করে থাকি এবং আমারই কাছে
তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে। [ সুরা আম্বিয়া
২১: আয়াত ৩৫ ]।

…الْمَوْتِ
ذَائِقَةُ نَفْسٍ كُلُّ প্রত্যেক নফস বা মনকে মৃত্যুর স্বাদ
আস্বাদন করতে হবে। আর তোমরা কিয়ামতের দিন পরিপূর্ণ

বদলা
প্রাপ্ত হবে। তারপর যাকে দোযখ থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, তার
কার্যসিদ্ধি ঘটবে। আর পার্থিব জীবন ধোঁকা ছাড়া অন্য কোন সম্পদ নয়। [ সুরা ইমরান ৩: আয়াত ১৮৫ ]।

 “আর যখন মূসা তার সম্প্রদায়কে বলল, হে আমার সম্প্রদায়,
তোমরা তোমাদেরই ক্ষতিসাধন করেছ এই গোবৎস নির্মাণ করে। কাজেই এখন তওবা কর স্বীয় স্রষ্টার
প্রতি এবং নিজ নিজ প্রাণ(মন/আমিত্ব) বিসর্জন দাও{স্রষ্টার প্রতি নফস/মনের আত্মসমর্পণের
দ্বারা রূহতে বিলীন হলে মনের মৃত্যু ঘটে}। এটাই তোমাদের জন্য কল্যাণকর তোমাদের স্রষ্টার
নিকট। তারপর তোমাদের প্রতি লক্ষ্য করা হল। নিঃসন্দেহে তিনিই ক্ষমাকারী, অত্যন্ত মেহেরবান”।[সুরা বাকারা ২: আয়াত ৫৪ ]।



(৩) খান্নাস নামক শয়তানঃ-



“বলুন, আমি
আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার, “মানুষের অধিপতির, “মানুষের মা'বুদের” “তার
অনিষ্ট থেকে, যে খান্নাছ শয়তান
কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে,
“যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে” “জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে”।[
সুরা ১১৪ নাস:আয়াত ১-৬
]।

“যে ব্যক্তি দয়াময় আল্লাহর স্মরণ থেকে চোখ ফিরিয়ে নেয়, আমি(আল্লাহ) তার জন্যে এক শয়তান নিয়োজিত করে দেই, অতঃপর সে-ই হয় তার সঙ্গী”। [সুরা
৪৩ যূখরুফ: আয়াত ৩৬]।
সত্য চাই সাইনবোর্ড নয়।

সারাটি  জীবন আপন পীরকে বাবা বাবা বলে ডাকলেন অথচ পেলেন না কিছুই।  এই বাবা বলে ডেকে কোনো লাভ নেই। এখানে পীর বড় নয়, সত্য পাওয়াটাই বড়। তাই একটি পর একটি পীর বদলিয়ে ফেলুন।

               ------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।

নকশেবন্দি- মুজাদ্দেদি তরিকা, চিশতিয়া-কাদেরিয়া তরিকা, আবু - উলাই তরিকা, কালান্দারিয়া তরিকার শান গেয়েই গেলেন , শান না গাইলেও কিছু আসে যায় না। প্রশ্ন হলো? আপনি তো তিন নম্বর ছাগলের বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে শুধু লাফালাফিই করেই গেলেন।
                ------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।

 আমার পীর বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীরের সঙ্গে অন্য পীরের তুলনা করাই যায় না। কারণ, কোরানে ২১ বার রুহ বিষয়ে বলা হয়েছে, এবং এই ২১ বারই একবচনে বলা হয়েছে রুহের বহুবচন নাই । রুহ ফুৎকার করা হয়– নফস নয় । এই বিষয়ে অবাক করা ব্যাখ্যাটি সমগ্র পৃথিবীতে আমার বাবাই দিয়ে গেছেন। কথাটি শুনতে ভাল লাগবে না, কিন্তু আসলে ইহা একটি তিক্ত সত্য কথা।  আমার পীর বাবার পঁচিশটি বই কোরানের পনের পারার অনুবাদ কিছুটা ব্যাখ্যা এবং আট জি.বি তেষট্টি ঘন্টার মেমোরিকার্ডটি শুনলে আপনি বুঝতে পারবেন আমার কথার সত্যতাটি।
                -------শাহ সূফি ময়েজউদ্দিন আল সুরেশ্বরী।

যারা অজানা কিছু জানতে আগ্রহী
তাদেরকে বলছি, সবাইকে নয়।

তোমার পীর যত বড় পীরই হোক না কেন
যদি তুমি তার থেকে সত্য না পাও তবে
ফেলে দাও তাকে। কারণ পীর এখানে মুখ্য
বিষয় নয়, মুখ্য বিষয় হলো সত্য পাওয়া।
সত্য হলো আল্লাহর রহস্য লোকের কিছু জানা।
সুরেশ্বরীর শান কত বড় রে, ভান্ডারীর শান
কত বড় রে, খাজা বাবার শান কত বড় রে,
শান বললেও আছে, না বললেও আছে, তুমি
কি ঘোড়ার ডিমটা পাইলা। তুমিতো বকরির
তিন নম্বর বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে পীরের
বাড়িতে গিয়ে শুধু লাফালাফিই করে গেলা।

আসো বসো মুরিদ হও, ধ্যান-সাধনা কর, যদি
আল্লাহর রহস্যলোকের কিছুই না পাও
আমাকে ফেলে চলে যাও। এখানে পীর বড়
নয় এখানে সত্য বড়। সারা জীবন বাবা
বাবা ডাকবা পাইবা না ঘোড়ার ডিমও
সেই বাবা ডাইকা কোন লাভ নাই।
              --------কালান্দার ডাঃ বাবা  জাহাঙ্গীর ইকবাল

আমার চাওয়া-পাওয়াটি কী ছিল? আমি তা নিজেই জানতে পারলাম না। এমনকি মরনের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত।
~হযরত সাকীব

যে পীর মুরিদের ধন-সম্পদের দিকে তাকায় বলে দাও সে দুনিয়াদার মরদুদ (মরদুদ শয়তান)
               --------কালান্দার ডাঃ বাবা  জাহাঙ্গীর ইকবাল

আমার দেহের মধ্যে যে আমি আছি ইহাই তো ঈশ্বরের অবস্থান করার সর্বশ্রেষ্ঠ প্রমাণ। ঈশ্বর আমার মধ্যে, আমি ঈশ্বরের মধ্যে। প্রমাণ দেবার আর কোনো প্রয়োজন নেই। আমি যে আমার মধ্যে আছি, এই যুক্তি খণ্ডালেও আমি আছি, না খণ্ডালেও আমি আছি।
~দার্শনিক রেনে ডেকার্তে

আমিই তো আমারই খুনি ,আবার আমিইতো আমারই শাস্তি।
~ডস্টয়ভস্কি

বহুল প্রচলিত একটি কথা আমাদেরকে বুঝে নিতে হবে। তবে বুঝে নেবার মত তকদির যদি থাকে তবেই বুঝতে পারা যাবে। আর সেই কথাটি হলো: বিশ্বাস ভক্তির ধোঁয়াটুকু যদি দেখতে না পাই তবে সত্যের আগুন যে আছে তাহা কেমন করে ধারণা করতে পারবো? ধারণার জন্ম তখনই হয় যখন ধারণার সামান্য কিছু দেখতে পাওয়া যায়। যেমন- ধোঁয়া দেখলে আমরা সেই ধারণাটি পোষন করি যে, এখানে আগুন আছে । কারণ ধোঁয়ার সঙ্গে আগুনের একটা সুন্দর মিল পাই বলে আমরা ধারণা করি। তবে যারা কোন কিছুই না দেখে অন্ধবিশ্বাস করে তাদেরকেও আন্তরিক সম্মান করি। তবে অন্ধবিশ্বাসের ভিতরে অনেক সময় ছোট ছোট গর্ত লুকিয়ে থাকে। আমি কালান্দার জাহাঙ্গীর কাহাকেও ছোট বড় করার উদ্দেশ্যে লিখি নাই অথবা বিত্ত-বৈভবের মোহে এই কথাগুলো বলি নাই। আরো বলছি আমি যদি পাইকারী ভাবে মুরিদ করতাম তাহলে অনেক মুরিদ করতে পারতাম । বরং উল্টা আমি অন্য স্থানে মুরিদ হবার পরামর্শ দিয়ে থাকি । আমি কেবলমাত্র যারা সত্য সাগরে অবগাহন করতে চায় , যারা সত্যের পিপাসায় ছটফট করে কেবলমাত্র তাদেরকেই বলছি, কিন্তু তাদের সংখ্যা খুব বেশি হয় না। আমি বলতে চাই, পীরও মুর্শিদ হলো রেহনুমা, তথা সত্য পথের প্রদর্শক। মোজাদ্দেদে আলফেসানী বলেছেন, "পীরে তাসত আওয়াল মাবুদ তাসত।" স্থর ভেদে যারা সত্যের সন্ধানী তাদের প্রথম মাবুদটি হলো পীর তথা গুরু। “গু” মানে অন্ধকার আর “রু” হলো আলো। যিনি অন্ধকার হতে আলোর পথ দেখাবেন তিনি তোমার প্রথম মাবুদ, তিনি তোমার পীর। এখানে খেয়াল করুন প্রথম মাবুদ বলা হয়েছে, শেষ মাবুদ বলা হয় নাই । তাহলে শেষ মাবুদ বলতে কি বুঝায়? যেখানে দুই থাকে সেখানে শেষ মাবুদ থাকে না। তৌহিদে কেবলমাত্র একই থাকে দুই থাকলে তৌহিদ থাকে না। তাই আমরা ইমামুল আউলিয়া বায়েজিদ বোস্তামিকে বলতে শুনি যে, তিনি যখন জাবরুত মোকামের শেষ সীমানায় "সিদরাতুল মুনতাহায়" এসে অবস্থান করলেন, তখন তিনি বললেন, "হে আমার রব, আমি তোমার প্রতি সন্তুষ্ট।" রব বলিলেন, "সত্যিই যদি তুমি সন্তুষ্ট হইতে তাহলে তোমার মুখে অন্যরকম কথা শুনতাম।" বায়েজিদ আনুমানিক দেড় বছর কঠোর ধ্যান–সাধনায় নিমগ্ন রইলেন। এই নিমগ্ন থাকা অবস্থায় বলে ফেললেন, "আনা সোবাহানি মা আজামুশানি" -তথা আমিই সোবাহানি সব শান আমারই (রেয়ন্ড এ্যানিকলসন, জে আর আরবেরি, ই বি ব্রাউন হতে সংগৃহীত) । তাই হাফেজ সিরাজীর মুখে শুনতে পাই যখন আমি আমার ভেতর হতে খান্নাসরূপী শয়তানটিকে সম্পূর্ণরূপে তাড়িয়ে দিতে পারলাম তখন আমার পীর মুর্শিদ বাবা নজম উদ্দীন কোবরাকে আর দেখতে পেলাম না । দেখতে পেলাম আমার পীরও আমি আমার মুরিদও আমি । কারণ তৌহিদে দুই থাকে না। দুই যে পর্যন্ত অবস্থান করে ততক্ষন পর্যন্ত অণু পরিমাণ  হলেও শেরেকে অবস্থান করে। তাই পীর ধরাটাও অতি অণুপরিমান দুই এর অবস্থানে, উহাই  শেষ শেরেক ।এই অণুপরিমান শেষ শেরেকটি হতে মুক্ত হতে পারলেই তৌহিদ । এই তৌহিদের অনেক রকম ভাষা থাকে । যেমন- আনাল হক , লাইসা ফি জুব্বাতি ছেওয়া আল্লাহতায়ালা, মাতলায়ে আনোয়ারে যাতে সোবাহানি সুদাম, আনাহু- হু আল আনা, সোহম-সোহমি, মদং ব্রহ্মা, তুই মুই- মুই তুই আরো অনেক । খেয়াল করে দেখুনতো এখানে আর দুই নাই তাই এখানেই তৌহিদ । তা না হলে শেরেক করছিনা বরং শেরেকের পুকুরে ডুবে আছি । তাই আমি বারবার আহ্বান জানিয়েছি এই বলে যে, সারাটি জীবন বাবা বাবা বলে ভালবাসার পরম শ্রদ্ধাটি জানিয়ে গেলে অথচ কিছুই পেলে না, তাই   পীর বদলিয়ে ফেলেন। এখানে পীর মূখ্য নয়। মূখ্য হলো সত্যকে বুকে ধারণ করা। আমার এই কথাগুলোত যারা একমত হবেন না তাদেরও কোন দোষ নাই। কারণ যারা ইহা গ্রহণ করবে ইহাও তাদের তকদির, আর যারা করবে না ইহাও তাদের তকদির। এই তকদিরটি বদলে দিতে পারেন একমাত্র জুলজালাল হুল ইকরাম আল্লা- জাল্লা-শানহু। তাই মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমি বলেছেন, আল্লাহর কথা আল্লাহ বলেছেন, (মে নেনে কে হামু বুত, মি গুফত আনালহক দ্বার সুরাতে মুনসুর , মনসুর না বুদা কে বারাদার বারামাত) মুনসুর হাল্লাজ বলেন নাই  । তাই আবারও পরম শদ্ধেয় এবং পরম স্নেহের বাবাজানদেরকে বলছি আসো বসো মুরিদ হও আবার বলছি আসুন বসুন এবং মুরিদ হোন এবং মাত্র ৪টি মাস আমার কথামত আমারি বানানো ২৫ বিঘা জমির উপরে ধ্যান-সাধনার স্কুলটিতে ধ্যান-সাধনাটি করুন। এই ধ্যান -সাধনা করার পর কামেল হবেন না সত্যি কিন্তু সত্যের কিছুটা নিদর্শন না পেলে আমাকে ফেলে দিয়ে আরেকজনকে পীররূপে গ্রহণ করুন যাকে দিয়ে সত্যের কিছুটা পাবেন। কারণ সাইনবোর্ড বিমোহিত করে আর সত্য বলতে শেখায় “আনাল হক”।

সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজ মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বাহুসনে এহে্তেমামত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।
(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৩ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।
নফ্স ও রূহের পার্থক্য -১

সারাটি  জীবন আপন পীরকে বাবা বাবা বলে ডাকলেন অথচ পেলেন না কিছুই।  এই বাবা বলে ডেকে কোনো লাভ নেই। এখানে পীর বড় নয়, সত্য পাওয়াটাই বড়। তাই একটি পর একটি পীর বদলিয়ে ফেলুন।

               ------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।

নকশেবন্দি- মুজাদ্দেদি তরিকা, চিশতিয়া-কাদেরিয়া তরিকা, আবু - উলাই তরিকা, কালান্দারিয়া তরিকার শান গেয়েই গেলেন , শান না গাইলেও কিছু আসে যায় না। প্রশ্ন হলো? আপনি তো তিন নম্বর ছাগলের বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে শুধু লাফালাফিই করেই গেলেন।
                ------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।

 আমার পীর বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীরের সঙ্গে অন্য পীরের তুলনা করাই যায় না। কারণ, কোরানে ২১ বার রুহ বিষয়ে বলা হয়েছে, এবং এই ২১ বারই একবচনে বলা হয়েছে রুহের বহুবচন নাই । রুহ ফুৎকার করা হয়– নফস নয় । এই বিষয়ে অবাক করা ব্যাখ্যাটি সমগ্র পৃথিবীতে আমার বাবাই দিয়ে গেছেন। কথাটি শুনতে ভাল লাগবে না, কিন্তু আসলে ইহা একটি তিক্ত সত্য কথা।  আমার পীর বাবার পঁচিশটি বই কোরানের পনের পারার অনুবাদ কিছুটা ব্যাখ্যা এবং আট জি.বি তেষট্টি ঘন্টার মেমোরিকার্ডটি শুনলে আপনি বুঝতে পারবেন আমার কথার সত্যতাটি।
                -------শাহ সূফি ময়েজউদ্দিন আল সুরেশ্বরী।

যারা অজানা কিছু জানতে আগ্রহী
তাদেরকে বলছি, সবাইকে নয়।

তোমার পীর যত বড় পীরই হোক না কেন
যদি তুমি তার থেকে সত্য না পাও তবে
ফেলে দাও তাকে। কারণ পীর এখানে মুখ্য
বিষয় নয়, মুখ্য বিষয় হলো সত্য পাওয়া।
সত্য হলো আল্লাহর রহস্য লোকের কিছু জানা।
সুরেশ্বরীর শান কত বড় রে, ভান্ডারীর শান
কত বড় রে, খাজা বাবার শান কত বড় রে,
শান বললেও আছে, না বললেও আছে, তুমি
কি ঘোড়ার ডিমটা পাইলা। তুমিতো বকরির
তিন নম্বর বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে পীরের
বাড়িতে গিয়ে শুধু লাফালাফিই করে গেলা।

আসো বসো মুরিদ হও, ধ্যান-সাধনা কর, যদি
আল্লাহর রহস্যলোকের কিছুই না পাও
আমাকে ফেলে চলে যাও। এখানে পীর বড়
নয় এখানে সত্য বড়। সারা জীবন বাবা
বাবা ডাকবা পাইবা না ঘোড়ার ডিমও
সেই বাবা ডাইকা কোন লাভ নাই।
              --------কালান্দার ডাঃ বাবা  জাহাঙ্গীর ইকবাল

যদি একটি মিথ্যাকে সতের বার সত্য বলে বলা হয় , তা হলে ইহা সত্যের মতো বেজে উঠবে।
                                         ------------- ডক্টর গোয়েবলস।

তারপরেও যিনি নিজেকে সগীরে আজম তথা সবচাইতে ছোট পীর বলে ঘোষণা করেন, তিনি কি সত্যিই ছোট? আপনার বিবেকের আদালতে কী রায় দিবেন?
                         ------------- বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

নফ্স ও রুহের সূক্ষ্ম পার্থক্যটি সর্বপ্রথম খুব ভালে করে বুঝে নিতে হবে। এই বিষয়টি এতই নাজুক এবং এতই সূক্ষ্ম  ও নিখুঁত যে ইহার আদ্যাপান্ত ভালো করে বুঝে নিতে না পারলে নফ্স এবং রুহের লাবড়া পাকানো হয়ে যায় এবং এই লাবড়াই সাঙ্ঘর্ষিকরূপে প্রতি পদে ধরা দেয়। সামান্য একটু চিন্তা করলেই দেখা যায় যে, ‘কুললু রুহিন জায়কাতুল মাউত’ –তথা, প্রত্যেক রুহ মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে - এমন একটি আয়াতও কোরানের কোথাও নাই ; আছে, কুললুও নাফসুন জায়েকাতুল মউত’ - তথা,  প্রত্যেক নফ্স ‍মুত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। । যেহেতু মৃত্যুর স্বাদ নফসকেই গ্রহণ করে নিতে হবে সেই হেতু নফ্সের ভালো-মন্দের জন্য মাগফেরাত কামনা করা যায়; অথচ রুহের যেহেতু মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করার প্রশ্নই উর্ঠে না সেই হেতু রুহের মাগফেরাত চাওয়াটি বিরাট একটি সাঙ্ঘর্ষিক বিষয়। এই বিষয়টিরই বিশদ ব্যাখ্যার জন্য কোরান-এ যতবার রুহ বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে ততবার ইহার হুবহু অনুবাদ ও সামান্য ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়েছে। পাঠকেরা বিষয়টি মনোযোগ সহকারে পড়লেই পরিষ্কার বুঝতে পারবেন।

সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজ মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বাহুসনে এহে্তেমামত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।
(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৩ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।
নফ্স ও রূহের পার্থক্য - ২

সারাটি  জীবন আপন পীরকে বাবা বাবা বলে ডাকলেন অথচ পেলেন না কিছুই।  এই বাবা বলে ডেকে কোনো লাভ নেই। এখানে পীর বড় নয়, সত্য পাওয়াটাই বড়। তাই একটি পর একটি পীর বদলিয়ে ফেলুন।

               ------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।

নকশেবন্দি- মুজাদ্দেদি তরিকা, চিশতিয়া-কাদেরিয়া তরিকা, আবু - উলাই তরিকা, কালান্দারিয়া তরিকার শান গেয়েই গেলেন , শান না গাইলেও কিছু আসে যায় না। প্রশ্ন হলো? আপনি তো তিন নম্বর ছাগলের বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে শুধু লাফালাফিই করেই গেলেন।
                ------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।

 আমার পীর বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীরের সঙ্গে অন্য পীরের তুলনা করাই যায় না। কারণ, কোরানে ২১ বার রুহ বিষয়ে বলা হয়েছে, এবং এই ২১ বারই একবচনে বলা হয়েছে রুহের বহুবচন নাই । রুহ ফুৎকার করা হয়– নফস নয় । এই বিষয়ে অবাক করা ব্যাখ্যাটি সমগ্র পৃথিবীতে আমার বাবাই দিয়ে গেছেন। কথাটি শুনতে ভাল লাগবে না, কিন্তু আসলে ইহা একটি তিক্ত সত্য কথা।  আমার পীর বাবার পঁচিশটি বই কোরানের পনের পারার অনুবাদ কিছুটা ব্যাখ্যা এবং আট জি.বি তেষট্টি ঘন্টার মেমোরিকার্ডটি শুনলে আপনি বুঝতে পারবেন আমার কথার সত্যতাটি।
                -------শাহ সূফি ময়েজউদ্দিন আল সুরেশ্বরী।

যারা অজানা কিছু জানতে আগ্রহী
তাদেরকে বলছি, সবাইকে নয়।

তোমার পীর যত বড় পীরই হোক না কেন
যদি তুমি তার থেকে সত্য না পাও তবে
ফেলে দাও তাকে। কারণ পীর এখানে মুখ্য
বিষয় নয়, মুখ্য বিষয় হলো সত্য পাওয়া।
সত্য হলো আল্লাহর রহস্য লোকের কিছু জানা।
সুরেশ্বরীর শান কত বড় রে, ভান্ডারীর শান
কত বড় রে, খাজা বাবার শান কত বড় রে,
শান বললেও আছে, না বললেও আছে, তুমি
কি ঘোড়ার ডিমটা পাইলা। তুমিতো বকরির
তিন নম্বর বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে পীরের
বাড়িতে গিয়ে শুধু লাফালাফিই করে গেলা।

আসো বসো মুরিদ হও, ধ্যান-সাধনা কর, যদি
আল্লাহর রহস্যলোকের কিছুই না পাও
আমাকে ফেলে চলে যাও। এখানে পীর বড়
নয় এখানে সত্য বড়। সারা জীবন বাবা
বাবা ডাকবা পাইবা না ঘোড়ার ডিমও
সেই বাবা ডাইকা কোন লাভ নাই।
              --------কালান্দার ডাঃ বাবা  জাহাঙ্গীর ইকবাল

উচ্চ দর্শনের বইয়ে যা থাকে তার চাইতে বেশি জ্ঞান তোমার দেহেই রয়েছে।
----------- ফ্রেডারিক নিটশে

আসো আমরা সৎ হই, যা তোমাকে হত্যা করেনা তা আসলে তোমাকে পঙ্গু বানিয়ে রাখে ।
 ---------- ফ্রেডারিক নিটশে।

যে পীর মুরিদের ধন-সম্পদের দিকে তাকায় বলে দাও সে দুনিয়াদার মরদুদ (মরদুদ শয়তান)
    --------কালান্দার ডাঃ বাবা  জাহাঙ্গীর ইকবাল

নফ্স শব্দটি দিয়ে প্রাণকেই বোঝানো হয়েছে। যদিও হিন্দুশাস্ত্রে নফ্সকে আত্মাই বলা হয়েছে তবে জীবের  আত্মা বলা হয়েছে। । এই নফ্স তথা প্রাণ কেবলমাত্র জিন এবং মানুষের মধ্যেই দেওয়া হয় নি, বরং স্থলচর, জলচর, সর্বপ্রকার অতি ক্ষুদ্র হতে অতি বড় জীব - - সবারই নফ্স আছে তথা প্রাণ আছে। আরেকটু প্রশ্ন থেকে যায় যে, বৃক্ষ হতে তরুলতারও প্রাণ আছে। এবং যে কঠিন ছোট -ছোট পাথরগুলো আস্তে -আস্তে প্রকাণ্ড পাথরে পরিণত হয় উহাতে কি প্রাণ আছে? নাকি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনা-আপনি বেড়ে চলে ? এই প্রশ্নটির উত্তর জীববিজ্ঞানীরাই ভালো দিতে পারবেন। তবে আল্লাহর সমগ্র সৃষ্টিরাজ্যের মাঝে যাদেরকে নফ্স তথা প্রাণ দেওয়া হয়েছে তারা সবাই তৌহিদে বাস করে - একমাত্র জিন এবং মানুষ ছাড়া । কারণ, জিন এবং মানুষকে সীমিত স্বাধীন ইচ্ছাশক্তিটি দান করা হয়েছে। তথা ভালো-মন্দ বিচার-বিবেচনা করার সীমিত স্বাধীন
ক্ষমতাটি আল্লাহ্ কর্তৃক দান করা হয়েছে।

সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজ মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বাহুসনে এহে্তেমামত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।
(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৩ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।
নফ্স ও রুহের পার্থক্য - ৩

সারাটি  জীবন আপন পীরকে বাবা বাবা বলে ডাকলেন অথচ পেলেন না কিছুই।  এই বাবা বলে ডেকে কোনো লাভ নেই। এখানে পীর বড় নয়, সত্য পাওয়াটাই বড়। তাই একটি পর একটি পীর বদলিয়ে ফেলুন।

               ------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।

নকশেবন্দি- মুজাদ্দেদি তরিকা, চিশতিয়া-কাদেরিয়া তরিকা, আবু - উলাই তরিকা, কালান্দারিয়া তরিকার শান গেয়েই গেলেন , শান না গাইলেও কিছু আসে যায় না। প্রশ্ন হলো? আপনি তো তিন নম্বর ছাগলের বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে শুধু লাফালাফিই করেই গেলেন।
                ------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।

 আমার পীর বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীরের সঙ্গে অন্য পীরের তুলনা করাই যায় না। কারণ, কোরানে ২১ বার রুহ বিষয়ে বলা হয়েছে, এবং এই ২১ বারই একবচনে বলা হয়েছে রুহের বহুবচন নাই । রুহ ফুৎকার করা হয়– নফস নয় । এই বিষয়ে অবাক করা ব্যাখ্যাটি সমগ্র পৃথিবীতে আমার বাবাই দিয়ে গেছেন। কথাটি শুনতে ভাল লাগবে না, কিন্তু আসলে ইহা একটি তিক্ত সত্য কথা।  আমার পীর বাবার পঁচিশটি বই কোরানের পনের পারার অনুবাদ কিছুটা ব্যাখ্যা এবং আট জি.বি তেষট্টি ঘন্টার মেমোরিকার্ডটি শুনলে আপনি বুঝতে পারবেন আমার কথার সত্যতাটি।
                -------শাহ সূফি ময়েজউদ্দিন আল সুরেশ্বরী।

যারা অজানা কিছু জানতে আগ্রহী
তাদেরকে বলছি, সবাইকে নয়।

তোমার পীর যত বড় পীরই হোক না কেন
যদি তুমি তার থেকে সত্য না পাও তবে
ফেলে দাও তাকে। কারণ পীর এখানে মুখ্য
বিষয় নয়, মুখ্য বিষয় হলো সত্য পাওয়া।
সত্য হলো আল্লাহর রহস্য লোকের কিছু জানা।
সুরেশ্বরীর শান কত বড় রে, ভান্ডারীর শান
কত বড় রে, খাজা বাবার শান কত বড় রে,
শান বললেও আছে, না বললেও আছে, তুমি
কি ঘোড়ার ডিমটা পাইলা। তুমিতো বকরির
তিন নম্বর বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে পীরের
বাড়িতে গিয়ে শুধু লাফালাফিই করে গেলা।

আসো বসো মুরিদ হও, ধ্যান-সাধনা কর, যদি
আল্লাহর রহস্যলোকের কিছুই না পাও
আমাকে ফেলে চলে যাও। এখানে পীর বড়
নয় এখানে সত্য বড়। সারা জীবন বাবা
বাবা ডাকবা পাইবা না ঘোড়ার ডিমও
সেই বাবা ডাইকা কোন লাভ নাই।
              --------কালান্দার ডাঃ বাবা  জাহাঙ্গীর ইকবাল

আমার চাওয়া-পাওয়াটি কী ছিল? আমি তা নিজেই জানতে পারলাম না। এমনকি মরনের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত।
~হযরত সাকীব

যে পীর মুরিদের ধন-সম্পদের দিকে তাকায় বলে দাও সে দুনিয়াদার মরদুদ (মরদুদ শয়তান)
    --------কালান্দার ডাঃ বাবা  জাহাঙ্গীর ইকবাল

আমাদের জানা মতে আর কোন জীবকেই এই রকম সীমিত স্বাধীন ইচ্ছাশক্তিটি দেওয়া হয় নাই। স্থলচর এবং জলচর যত প্রকার অসংখ্য ছোট এবং বড় প্রাণী আছে তাদের কারও শাহারগের তথা জীবন-রগের নিকটে আল্লাহর অবস্থান করার কথাটি কোরান-এ পাওয়া যায় না, এমনকি আল্লাহর তাঁর সমগ্র সৃষ্টিজগতের জড় পদার্থের সঙ্গে অবস্থান করার কথাটিও পাওয়া যায় না। অঙ্কের হিসাবের চেয়েও অনেক বেশি হিসাব করে আল্লাহ্ কোরান-এর প্রতিটি শব্দ চয়ন করেছেন। কিন্তু আমাদের বুঝবার সূক্ষ্ম দুর্বলতাটিকে প্রকাশ না করে গোঁজামিলের আশ্রয় নেই এবং নিতে হয়। যেমন রুহ শব্দটির পরিভাষা ইংরেজিতে পাওয়া যায় না। তাই না বুঝে ‘স্পিরিট’ শব্দটি ব্যবহার করি। রুহের প্রতিশব্দ যদিও আমরা পাই না তবে হিন্দুশাস্ত্রে এই রুহ শব্দটিকে পরমাত্মা বলে অভিহিত করা হয়েছে। এখানে পরম অর্থটি হলো আল্লাহ এবং আল্লাহর আত্মা বলে বোঝানো হয়েছে । অবশ্য কোরান–এ রুহ বলা হয়েছে “কুলুর রুহ মিন্ আমরি রাব্বি”– অর্থাৎ," রুহ আমার রবেরই আদেশ হইতে আগত।"

জীবের জীবন আছে তথা প্রাণ আছে তথা নফ্স আছে – তাহলে এই জীবন, এই প্রাণ এবং এই নফ্সকে কেমন করে আত্মা বলে ঘোষণা করি? সূক্ষ্ম দৃষ্টিতে ইহাও একটি সাংঘর্ষিক বিষয় হয়ে দাঁড়ায় , তবে বুঝতে এবং বোঝাতে কোনো উপায় থাকে না বলেই এই সাংঘর্ষিক বিষয়টি তুলে ধরতে হয়। কেউ জেনে-শুনে তুলে ধরেন, আবার কেউ না–জেনে তুলে ধরেন। বিষয়টি ভুল হলেও দোষ দেওয়া যায় না। কারণ জ্ঞানের অভাবেই এ–রকমটি হয় বলে মনে করি। জীবের প্রাণ আছে, কিন্তু কোনো আত্মা নাই- এই কথাটি কেমন করে সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরব? আসলে হাকিকতে কোনো জীবেরই আত্মা নাই-একমাত্র জিন এবং মানুষের শাহারগের তথা জীবন-রগের নিকটে অতীব সূক্ষ্মরূপে অবস্থান করে, যাহা টের  পাবার কোনো উপায় থাকে না সেই পর্যন্ত, যে-পর্যন্ত না একজন মানুষ একটানা কয়েক বছর কামেল গুরু অথবা কামেল গুরুর খেলাফতপ্রাপ্ত কোনো খলিফার নির্দেশে নির্জন স্থানে একাকী ধ্যান-সাধনায় মগ্ন থাকে। কারণ, রুহ বিষয়টি কথার দ্বারা বোঝানো যায় না। তবে অতি সামান্য একটি ধারণার ছায়া দেওয়া যায়। কোরান-এর এই ছোট্ট আয়াতটির দিকে একটিু বিশেষভাবে লক্ষ্য করে দেখুন যে, “কুলুর নাফ্সি মিন আমরি রাববি’ বলা হয়নি। কেন বলা হয়নি? কারণ, আল্লাহর কোনো নফ্স নাই। নফ্স যাদের আছে তাদের অবশ্যই একটিবার মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু যেহেতু ‍রুহ রবেরই আদেশ বলা হয়েছে সেইহেতু রুহ জন্ম-মৃত্যুর বৃত্তে তথা বলয়ে অবস্থান করে না।

সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজ মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বাহুসনে এহে্তেমামত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।
(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৩ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।

পাগল হয়ে যাব, এত উচ্চমানের লিখা মাথায় আঁটে না। নফস ও রূহের পার্থক্য বিষয়ের উপর লিখতে গিয়ে বাবা জাহাঙ্গীর তাঁর কোরানুল মাজিদের ৬৩ নং পৃষ্ঠায় নিম্নোক্ত লিখাটির অবতারণা করেছেন। "Religious view of World Theology" ক্লাসে আমার ম্যাডামকে ( কোন এক কারণে তাঁর নামটি উল্লেখ করা হল না) এ লেখাটা দেখিয়েছিলাম আর বলেছিলাম আমাকে বুঝিয়ে দিন, প্রত্যুত্তরে কিছুক্ষণ ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থেকে বললেন, "সারাজীবন ভাত খাওয়ার জন্য বিদ্যার্জন করে গেছি, কিন্তু, এ লেখাটা সক্রেটিস শ্রেণির লোকের লেখা যিনি নিজেকে চিনেছেন, এটা রেনে দেকার্তের মতো দার্শনিকদের দর্শন থেকে আরো উচ্চতম দর্শনের লেখা, এটা ডেভিড হিউম আর কান্টদের থেকে অারো অনেক উপরের লেখা, এখানে সমস্ত সন্দেহের অবসান ঘটেছে, এখানে মিলনের প্রশ্নে পুরোটাই Eternal Entity, এখানে দেহধারী মানুষটা নি:সন্দেহে পরমসত্ত্বার প্রতিমূর্তি, যদি তোমার সাথে তাঁর সাক্ষাত হয় তো আমার সালাম পৌঁছে দিও।
আসলে উলঙ্গ সত্য কথাটি বলতে গেলে বলতে হয় যে, রুহুল অামিন হলেন মহানবির অাপন অাধ্যাত্মিক প্রতিচ্ছবি। ইহা জগৎময় ব্যক্তও হতে পারে, আবার যেকোন মূর্তি ধারণও করতে পারে। ইহা স্থান-কালের (টাইম এন্ড স্পেস) সব রকম মানুষের আদি ও আসল রূপ। এইরূপের মাঝে প্রত্যাবর্তন করাই মানবজীবনের পরম এবং চরম স্বার্থকতা। অাল্লাহর নিকট মানুষের প্রত্যাবর্তন করার তথা ফিরে আসার অর্থটিও ইহাই।
উপরের কমেন্টটি  ভক্ত Aaga Bagalane (আগা বাগালাণী) র কমেন্ট।