‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম’
“আল্লাহর নৈকট্যে পৌঁছতে মানুষের ভিতরকে একা
করতে হয়”
মানুষ “একা” নয়। মানুষের অভ্যান্তরে
তিনটি সত্ত্বার বসবাস। (১) রূহ/প্রাণ; যা আল্লাহর নুর/আল্লাহর হুকুম,
(২)
নফস/মন/আমিত্ব, এবং (৩) খান্নাস নামক শয়তান। কিন্তু মানুষ আল্লাহকে বুঝতে, জানতে এবং
আল্লাহর নৈকট্য চাইলে তাকে অবশ্যই “একা” হতে হবে অর্থ্যাৎ, মানুষকে অভ্যান্তরের সত্ত্বা
নফস/মনকে এবং খান্নাস শয়তানকে দমন করে আল্লাহর হুকুম রূহের গোলাম বানিয়ে সমগ্র দেহকে
শুধুমাত্র রূহের অধীন করে একা একক সত্ত্বায় পরিণত করতে হবে। তবেই আল্লাহকে ডাকলে, আল্লাহ
সেই সাড়ার প্রতিত্তোর দিবেন।
@@@@@ {আর রূহ
আল্লাহর হুকুম; যা আল্লাহর আজ্ঞাবাহী; যার মৃত্যু নেই। আল্লাহর হুকুমে মানুষের দেহকে
ছেড়ে দেয় আবার আল্লাহর হুকুমেই দেহতে ফিরে আসবে পুনঃউত্থান দিবসে, আর বসবাস করে আলমে
আরওয়হে(রূহের জগত)-এ সকল রূহ একত্রে। }
@@@@@ {নফস বা মনের মৃত্যু
আছে। রূহ মানুষের দেহকে ছেড়ে যাওয়ার সাথে সাথেই নফসের মৃত্যু ঘটে। অথবা মানুষ জীবিত
অবস্থায় আল্লাহর হুকুম রূহের প্রতি নফস/মনের আত্মসমর্পণের দ্বারা রূহতে বিলীন হয়ে মিশে
যেতে পারলেও নফস/মনের মৃত্যু ঘটে। একেই মৃত্যুর আগে মৃত্যু বলা হয়।}
@@@@@ {নফস/মনের মৃত্য হলে বা নফস/মন রূহতে বিলীন হলে মানুষের দেহের অভ্যান্তরের
খান্নাস শয়তানেরও মৃত্যু ঘটে।}
আল্লাহ
পাক কুরআনে বলছেন,
“তোমাদের পালনকর্তা
বলেন, তোমরা একা হয়ে আমাকে ডাক, আমি সাড়া দেব। যারা আমার এবাদতে অহংকার করে তারা সত্বরই জাহান্নামে দাখিল হবে লাঞ্ছিত হয়ে”।[সুরা ৪০ মু’মিন: আয়াত ৬০]।
“অতএব,
তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদের স্মরণ রাখবো এবং আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর; অকৃতজ্ঞ হয়ো না।[সুরা ২ বাকারা:আয়াত ১৫২]।
“আর
যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সব কিছুতে বিশ্বাস স্থাপন করে তারা তাদের পালনকর্তার কাছে
সিদ্দীক ও শহীদ বলে বিবেচিত। তাদের জন্যে রয়েছে পুরস্কার ও নুর”।[সুরা হাদীদ ৫৭: আয়াত ১৯]।
`অবশ্যই আল্লাহর
জিকির বা স্মরণ হলো
সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ জানেন তোমরা যা কর’।[সুরা আনকাবুত ২৯: আয়াত ৪৫]। কোন মানুষের জন্য এমন হওয়ার নয় যে, আল্লাহ তার সাথে সরাসরি দেখা দিয়ে কথা বলবেন। কিন্তু ওহীর মাধ্যমে অথবা পর্দার অন্তরাল থেকে অথবা তিনি কোন দূত প্রেরণ করবেন, অতঃপর আল্লাহ যা চান, সে
তা তাঁর অনুমতিক্রমে পৌঁছে দেবে। নিশ্চয় তিনি সর্বোচ্চ প্রজ্ঞাময়”।[সুরা ৪২ শূরা: আয়াত ৫১]।
“আমার
ইবাদাত করার জন্যই আমি মানব ও জিন জাতি সৃষ্টি
করেছি”[সূরা ৫১ আয যারিয়াত : আয়াত ৫৬]।
“যারা আমি আল্লাহর পথে সাধনায় আত্মনিয়োগ করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে আমার পথে
পরিচালিত করব। নিশ্চয় আল্লাহ সৎকর্মপরায়ণদের সাথে আছেন”।[সুরা ২৯ আনকাবুত: আয়াত ৬৯]।
“হে মানুষ,
তোমাকে তোমরা পালনকর্তা আল্লাহ পর্যন্ত পৌঁছতে কষ্ট স্বীকার করতে হবে, অতঃপর তার সাক্ষাৎ ঘটবে”।[সুরা ৮৪ ইনশিকাক: আয়াত ৬]।
“নিশ্চয়ই যারা তোমার পরওয়ারদিগার আল্লাহর সান্নিধ্যে রয়েছেন, তারা তাঁর বন্দেগীর ব্যাপারে অহঙ্কার করেন না এবং স্মরণ
করেন তাঁর পবিত্র সত্তাকে; আর তাঁকেই সেজদা করেন”।[সুরা ৭ আরাফ: আয়াত ২০৬]।
(*) আল্লাহ মানুষের মধ্যে মানুষের সাথেই আছেনঃ-
“এবং জেনে
রাখ যে, আল্লাহতালা মানুষ ও তার কলব
বা অন্তরের মাঝখানে অবস্থান করেন এবং আল্লাহতালার নিকটই তোমাদেরকে একত্রিত করা হবে।”[সুরা ৮ আনফাল: আয়াত ২৪]।
‘আমি মানুষ সৃষ্টি করেছি এবং তার মন নিভৃতে যে কুচিন্তা করে, সে সম্বন্ধেও
আমি অবগত আছি। আমি তার গ্রীবাস্থিত শাহী ধমনী থেকেও অধিক নিকটবর্তী’।[সুরা ৫০ ক্বাফ:
আয়াত: ১৬]।
‘জেনে রাখো, আল্লাহতালা সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে রয়েছেন’।[সুরা ৪১ হা-মীম আস্ সাজদাহ্, আয়াত: ৫৪]।
‘পূর্ব ও পশ্চিম আল্লারই। তোমরা
যেদিকেই মুখ ফেরাও, সেদিকেই আল্লাহ বিরাজমান। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বব্যাপী, সর্বজ্ঞ’।[সুরা ২ বাকারা:
আয়াত ১১৫]।
(১) রূহ/প্রাণ; যা আল্লাহর নুর/আল্লাহর হুকুমঃ-
“তারা আপনাকে
‘রূহ’ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলে দিনঃ ‘রূহ’ আমার পালনকর্তার আদেশ বা হুকুম। এ
বিষয়ে তোমাদেরকে সামান্য জ্ঞানই দান করা হয়েছে”।[সুরা
১৭ ইসরা বা বনী-ইসরাঈল: আয়াত ৮৫]।
“আল্লাহ মানুষের
রূহ হরণ করেন তার মৃত্যুর সময়, আর যে মরে
না, তার নিদ্রাকালে। অতঃপর যার মৃত্যু অবধারিত করেন, তার রূহ ছাড়েন না এবং অন্যান্যদের
ছেড়ে দেন এক নির্দিষ্ট সময়ের
জন্যে। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে”।[সুরা ৩৯ যুমার : আয়াত ৪২]।
(২) নফস/মন/আমিত্বঃ-
…الْمَوْتِ
ذَائِقَةُ نَفْسٍ كُلُّ প্রত্যেক নফস বা মনকে মৃত্যুর স্বাদ
আস্বাদন করতে হবে। আমি তোমাদেরকে মন্দ ও ভাল দ্বারা পরীক্ষা করে থাকি এবং আমারই কাছে
তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে। [ সুরা আম্বিয়া
২১: আয়াত ৩৫ ]।
…الْمَوْتِ
ذَائِقَةُ نَفْسٍ كُلُّ প্রত্যেক নফস বা মনকে মৃত্যুর স্বাদ
আস্বাদন করতে হবে। আর তোমরা কিয়ামতের দিন পরিপূর্ণ
বদলা
প্রাপ্ত হবে। তারপর যাকে দোযখ থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, তার
কার্যসিদ্ধি ঘটবে। আর পার্থিব জীবন ধোঁকা ছাড়া অন্য কোন সম্পদ নয়। [ সুরা ইমরান ৩: আয়াত ১৮৫ ]।
“আর যখন মূসা তার সম্প্রদায়কে বলল, হে আমার সম্প্রদায়,
তোমরা তোমাদেরই ক্ষতিসাধন করেছ এই গোবৎস নির্মাণ করে। কাজেই এখন তওবা কর স্বীয় স্রষ্টার
প্রতি এবং নিজ নিজ প্রাণ(মন/আমিত্ব) বিসর্জন দাও{স্রষ্টার প্রতি নফস/মনের আত্মসমর্পণের
দ্বারা রূহতে বিলীন হলে মনের মৃত্যু ঘটে}। এটাই তোমাদের জন্য কল্যাণকর তোমাদের স্রষ্টার
নিকট। তারপর তোমাদের প্রতি লক্ষ্য করা হল। নিঃসন্দেহে তিনিই ক্ষমাকারী, অত্যন্ত মেহেরবান”।[সুরা বাকারা ২: আয়াত ৫৪ ]।
(৩) খান্নাস নামক শয়তানঃ-
“বলুন, আমি
আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার, “মানুষের অধিপতির, “মানুষের মা'বুদের” “তার
অনিষ্ট থেকে, যে খান্নাছ শয়তান
কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে,
“যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে” “জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে”।[
সুরা ১১৪ নাস:আয়াত ১-৬
]।
“যে ব্যক্তি দয়াময় আল্লাহর স্মরণ থেকে চোখ ফিরিয়ে নেয়, আমি(আল্লাহ) তার জন্যে এক শয়তান নিয়োজিত করে দেই, অতঃপর সে-ই হয় তার সঙ্গী”। [সুরা
৪৩ যূখরুফ: আয়াত ৩৬]।
“আল্লাহর নৈকট্যে পৌঁছতে মানুষের ভিতরকে একা
করতে হয়”
মানুষ “একা” নয়। মানুষের অভ্যান্তরে
তিনটি সত্ত্বার বসবাস। (১) রূহ/প্রাণ; যা আল্লাহর নুর/আল্লাহর হুকুম,
(২)
নফস/মন/আমিত্ব, এবং (৩) খান্নাস নামক শয়তান। কিন্তু মানুষ আল্লাহকে বুঝতে, জানতে এবং
আল্লাহর নৈকট্য চাইলে তাকে অবশ্যই “একা” হতে হবে অর্থ্যাৎ, মানুষকে অভ্যান্তরের সত্ত্বা
নফস/মনকে এবং খান্নাস শয়তানকে দমন করে আল্লাহর হুকুম রূহের গোলাম বানিয়ে সমগ্র দেহকে
শুধুমাত্র রূহের অধীন করে একা একক সত্ত্বায় পরিণত করতে হবে। তবেই আল্লাহকে ডাকলে, আল্লাহ
সেই সাড়ার প্রতিত্তোর দিবেন।
@@@@@ {আর রূহ
আল্লাহর হুকুম; যা আল্লাহর আজ্ঞাবাহী; যার মৃত্যু নেই। আল্লাহর হুকুমে মানুষের দেহকে
ছেড়ে দেয় আবার আল্লাহর হুকুমেই দেহতে ফিরে আসবে পুনঃউত্থান দিবসে, আর বসবাস করে আলমে
আরওয়হে(রূহের জগত)-এ সকল রূহ একত্রে। }
@@@@@ {নফস বা মনের মৃত্যু
আছে। রূহ মানুষের দেহকে ছেড়ে যাওয়ার সাথে সাথেই নফসের মৃত্যু ঘটে। অথবা মানুষ জীবিত
অবস্থায় আল্লাহর হুকুম রূহের প্রতি নফস/মনের আত্মসমর্পণের দ্বারা রূহতে বিলীন হয়ে মিশে
যেতে পারলেও নফস/মনের মৃত্যু ঘটে। একেই মৃত্যুর আগে মৃত্যু বলা হয়।}
@@@@@ {নফস/মনের মৃত্য হলে বা নফস/মন রূহতে বিলীন হলে মানুষের দেহের অভ্যান্তরের
খান্নাস শয়তানেরও মৃত্যু ঘটে।}
আল্লাহ
পাক কুরআনে বলছেন,
“তোমাদের পালনকর্তা
বলেন, তোমরা একা হয়ে আমাকে ডাক, আমি সাড়া দেব। যারা আমার এবাদতে অহংকার করে তারা সত্বরই জাহান্নামে দাখিল হবে লাঞ্ছিত হয়ে”।[সুরা ৪০ মু’মিন: আয়াত ৬০]।
“অতএব,
তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদের স্মরণ রাখবো এবং আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর; অকৃতজ্ঞ হয়ো না।[সুরা ২ বাকারা:আয়াত ১৫২]।
“আর
যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সব কিছুতে বিশ্বাস স্থাপন করে তারা তাদের পালনকর্তার কাছে
সিদ্দীক ও শহীদ বলে বিবেচিত। তাদের জন্যে রয়েছে পুরস্কার ও নুর”।[সুরা হাদীদ ৫৭: আয়াত ১৯]।
`অবশ্যই আল্লাহর
জিকির বা স্মরণ হলো
সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ জানেন তোমরা যা কর’।[সুরা আনকাবুত ২৯: আয়াত ৪৫]। কোন মানুষের জন্য এমন হওয়ার নয় যে, আল্লাহ তার সাথে সরাসরি দেখা দিয়ে কথা বলবেন। কিন্তু ওহীর মাধ্যমে অথবা পর্দার অন্তরাল থেকে অথবা তিনি কোন দূত প্রেরণ করবেন, অতঃপর আল্লাহ যা চান, সে
তা তাঁর অনুমতিক্রমে পৌঁছে দেবে। নিশ্চয় তিনি সর্বোচ্চ প্রজ্ঞাময়”।[সুরা ৪২ শূরা: আয়াত ৫১]।
“আমার
ইবাদাত করার জন্যই আমি মানব ও জিন জাতি সৃষ্টি
করেছি”[সূরা ৫১ আয যারিয়াত : আয়াত ৫৬]।
“যারা আমি আল্লাহর পথে সাধনায় আত্মনিয়োগ করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে আমার পথে
পরিচালিত করব। নিশ্চয় আল্লাহ সৎকর্মপরায়ণদের সাথে আছেন”।[সুরা ২৯ আনকাবুত: আয়াত ৬৯]।
“হে মানুষ,
তোমাকে তোমরা পালনকর্তা আল্লাহ পর্যন্ত পৌঁছতে কষ্ট স্বীকার করতে হবে, অতঃপর তার সাক্ষাৎ ঘটবে”।[সুরা ৮৪ ইনশিকাক: আয়াত ৬]।
“নিশ্চয়ই যারা তোমার পরওয়ারদিগার আল্লাহর সান্নিধ্যে রয়েছেন, তারা তাঁর বন্দেগীর ব্যাপারে অহঙ্কার করেন না এবং স্মরণ
করেন তাঁর পবিত্র সত্তাকে; আর তাঁকেই সেজদা করেন”।[সুরা ৭ আরাফ: আয়াত ২০৬]।
(*) আল্লাহ মানুষের মধ্যে মানুষের সাথেই আছেনঃ-
“এবং জেনে
রাখ যে, আল্লাহতালা মানুষ ও তার কলব
বা অন্তরের মাঝখানে অবস্থান করেন এবং আল্লাহতালার নিকটই তোমাদেরকে একত্রিত করা হবে।”[সুরা ৮ আনফাল: আয়াত ২৪]।
‘আমি মানুষ সৃষ্টি করেছি এবং তার মন নিভৃতে যে কুচিন্তা করে, সে সম্বন্ধেও
আমি অবগত আছি। আমি তার গ্রীবাস্থিত শাহী ধমনী থেকেও অধিক নিকটবর্তী’।[সুরা ৫০ ক্বাফ:
আয়াত: ১৬]।
‘জেনে রাখো, আল্লাহতালা সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে রয়েছেন’।[সুরা ৪১ হা-মীম আস্ সাজদাহ্, আয়াত: ৫৪]।
‘পূর্ব ও পশ্চিম আল্লারই। তোমরা
যেদিকেই মুখ ফেরাও, সেদিকেই আল্লাহ বিরাজমান। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বব্যাপী, সর্বজ্ঞ’।[সুরা ২ বাকারা:
আয়াত ১১৫]।
(১) রূহ/প্রাণ; যা আল্লাহর নুর/আল্লাহর হুকুমঃ-
“তারা আপনাকে
‘রূহ’ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলে দিনঃ ‘রূহ’ আমার পালনকর্তার আদেশ বা হুকুম। এ
বিষয়ে তোমাদেরকে সামান্য জ্ঞানই দান করা হয়েছে”।[সুরা
১৭ ইসরা বা বনী-ইসরাঈল: আয়াত ৮৫]।
“আল্লাহ মানুষের
রূহ হরণ করেন তার মৃত্যুর সময়, আর যে মরে
না, তার নিদ্রাকালে। অতঃপর যার মৃত্যু অবধারিত করেন, তার রূহ ছাড়েন না এবং অন্যান্যদের
ছেড়ে দেন এক নির্দিষ্ট সময়ের
জন্যে। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে”।[সুরা ৩৯ যুমার : আয়াত ৪২]।
(২) নফস/মন/আমিত্বঃ-
…الْمَوْتِ
ذَائِقَةُ نَفْسٍ كُلُّ প্রত্যেক নফস বা মনকে মৃত্যুর স্বাদ
আস্বাদন করতে হবে। আমি তোমাদেরকে মন্দ ও ভাল দ্বারা পরীক্ষা করে থাকি এবং আমারই কাছে
তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে। [ সুরা আম্বিয়া
২১: আয়াত ৩৫ ]।
…الْمَوْتِ
ذَائِقَةُ نَفْسٍ كُلُّ প্রত্যেক নফস বা মনকে মৃত্যুর স্বাদ
আস্বাদন করতে হবে। আর তোমরা কিয়ামতের দিন পরিপূর্ণ
বদলা
প্রাপ্ত হবে। তারপর যাকে দোযখ থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, তার
কার্যসিদ্ধি ঘটবে। আর পার্থিব জীবন ধোঁকা ছাড়া অন্য কোন সম্পদ নয়। [ সুরা ইমরান ৩: আয়াত ১৮৫ ]।
“আর যখন মূসা তার সম্প্রদায়কে বলল, হে আমার সম্প্রদায়,
তোমরা তোমাদেরই ক্ষতিসাধন করেছ এই গোবৎস নির্মাণ করে। কাজেই এখন তওবা কর স্বীয় স্রষ্টার
প্রতি এবং নিজ নিজ প্রাণ(মন/আমিত্ব) বিসর্জন দাও{স্রষ্টার প্রতি নফস/মনের আত্মসমর্পণের
দ্বারা রূহতে বিলীন হলে মনের মৃত্যু ঘটে}। এটাই তোমাদের জন্য কল্যাণকর তোমাদের স্রষ্টার
নিকট। তারপর তোমাদের প্রতি লক্ষ্য করা হল। নিঃসন্দেহে তিনিই ক্ষমাকারী, অত্যন্ত মেহেরবান”।[সুরা বাকারা ২: আয়াত ৫৪ ]।
(৩) খান্নাস নামক শয়তানঃ-
“বলুন, আমি
আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার, “মানুষের অধিপতির, “মানুষের মা'বুদের” “তার
অনিষ্ট থেকে, যে খান্নাছ শয়তান
কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে,
“যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে” “জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে”।[
সুরা ১১৪ নাস:আয়াত ১-৬
]।
“যে ব্যক্তি দয়াময় আল্লাহর স্মরণ থেকে চোখ ফিরিয়ে নেয়, আমি(আল্লাহ) তার জন্যে এক শয়তান নিয়োজিত করে দেই, অতঃপর সে-ই হয় তার সঙ্গী”। [সুরা
৪৩ যূখরুফ: আয়াত ৩৬]।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন