ইসলামে জাকাত বিষয়ের আলোচনা ২
আমার দেহের মধ্যে যে আমি আছি ইহাই তো ঈশ্বরের অবস্থান করার সর্বশ্রেষ্ঠ প্রমাণ। ঈশ্বর আমার মধ্যে, আমি ঈশ্বরের মধ্যে। প্রমাণ দেবার আর কোনো প্রয়োজন নেই। আমি যে আমার মধ্যে আছি, এই যুক্তি খণ্ডালেও আমি আছি, না খণ্ডালেও আমি আছি।
~দার্শনিক রেনে ডেকার্তে
আমিই তো আমারই খুনি ,আবার আমিইতো আমারই শাস্তি।
~ডস্টয়ভস্কি
ধার করে আনা হীরার নেকলেসটি চুরি হয়ে গেলে মরণ যাতনার বিব্রতকর পরিবেশ তৈরি হয় ।
~সমারসেট মম
এই একই মানুষ কখনও অবাক করা পবিত্র, আবার কিছুদিন পর অবাক করা পাপী।
~লিও টলস্টয়
একটি মানুষের জন্য কতোটুকু মাটির প্রয়োজন হয়? উপদেশটা বললেন : মাত্র সাড়ে তিন হাত ।
~লিও টলস্টয়
প্রতারণায় ধন-সম্পদের প্রাচুর্যতা আসতে পারে, আবার এটাই মৃত্যুর উপসংহার। ~দার্শনিক ফ্রেডারিক নিটশে
রুচির মৃত্যু একবারই হয়। যৌবনের উচ্ছ্বাস ইতিতে মরণ।
~বলাই চাঁদ মুখোপাধ্যায়। (বনফুল)
জন্মের দাগগুলো মরণেও মুছে যায় না। বানানো দাগগুলো বৃষ্টিতেই মুছে যায়। ~হজরত আরজু শাহারানপুরী
আমার চাওয়া-পাওয়াটি কী ছিল? আমি তা নিজেই জানতে পারলাম না। এমনকি মরনের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত।
~হযরত সাকীব
তুমি বিদ্বান হতে পার, তুমি জ্ঞানী হতে পার, তুমি ধন-সম্পদের মালিক হতে পার। কিন্তু সভ্য হতে তিন প্রজন্ম লাগে।
--------------অলডাস হাক্সলী
তুমি নিজেকে শূন্যের কোঠায় নিয়ে যেতে চেষ্টা কর, যদি শূণ্য হয়ে যেতে পার সমালোচনা ঠাঁই পাবে না । কেবলমাত্র ঠাঁই পাবে নীরবতা অথবা প্রশংসা।
--------ব্রুন বাওর।
তুমি দেখতে পাও না ধন-সম্পদে ডুবে থেকে কত অহংকারের পচা বচন শুনায় । মরে যাবার পর সেই অহংকারীর জন্য একটি কুকুরও কাঁদে না।
--------বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।
জানিয়া রেখ, চোরও লাশের কাপড় চুরি করে। কিন্তু মাজারের গিলাপ কখনই চুরি করে না।
-------বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।
চোরও চোরকে ঘৃণা করে, যে চোর গরু চুরি করে। ---------- বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।
রূপসী নারীকে দেখে যে বলে ভালোবাসি, জেনে রাখ সেটা কখনই ভালোবাসা না, দৈহিক চাহিদা মাত্র।
- ------বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।
প্রেমের যত বড় বেদনা তোমার সামনে আসুক, উহ্ শব্দটি করো না । কারণ তোমাকে দেখলেই বুঝতে পারবে, প্রেমের যাতনায় তুমি বরবাদ হয়ে গেছ।
-----------হযরত সারমাস্ত।
পৃথিবীটা শান্তিতে ভরে থাক, তাই বার বার শন্তির আহ্বান করছি। জানি শান্তি একটি সোনার হরিণ। সুতরাং আমার এই প্রত্যাশা কোনদিন পূরণ হবার নয়। "
"বারট্রেন্ড রাসেল’’
চলচিত্র একটি প্রতারণার প্রদর্শন। আমরা বোকা নই কিন্তু চলচিত্র দেখে আমরা বোকা হয়ে যাই ।
"বারট্রেন্ড রাসেল’’
পৃথিবীকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি সম্ভবত এই সর্বপ্রথম কোরনকে ভিত্তি করে বিস্ময়কর রূহ ও নফস যে বিস্তারিত ব্যাখ্যাটি আমাদের পীর বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর দিয়ে গিয়েছেন এই ব্যাখ্যাটি পড়ে নিরেপেক্ষ পাঠকেরা অকপটে বলবেন যে উচ্ছাস মহব্বতে বলছিনা বরং বলছি কঠিন বাস্তবকে সামনে রেখে আমাদের পীর বাবা কালান্দারের বাংলাদেশ তো দূরের কথা সমগ্র পৃথিবীতে জুরি নাই। আমরা এই নফস ও রূহের বিষটির ব্যাখ্যা সর্বসাধারনের সামনে তুলে ধরলাম আশা করি আমাদের এই কথাটা মেনে নেবেন
দার্শনিক ইমানুয়েল কান্ট, রেনে দে কার্ত, দার্শনিক ডেবিড হিউম, দার্শনিক স্পেনসার, দার্শনিক হেগেল, দার্শনিক ব্রুন বাউর, দার্শনিক সরেনর্কেয়াকিগার্ড, দার্শনিক আথার শপেনহাওয়ার, দার্শনিক স্পিউনজার এরাই আমাদের পীর বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীরের সামনে গুরু আর শিষ্যের মতো, এবং মুসলামান দার্শনিক ইমাম গাজ্জালি , ইবনুল আরাবী, আহমেদ রেফায়ির মতো অনেক মুসলাম দার্শনিক এই বিষয়ে লিখে যান নাই
শাহ সূফি সৈয়দ তারিক আল সুরেশ্বরী
তারপরের প্রশ্নটি হলো, প্রত্যেক নবিই যদি জাকাত দিয়ে থাকেন এবং জাকাতের অর্থ যদি মাল ও আড়াই টাকা হয়, তবে প্রথম মানব হজরত আদম (আঃ) কাকে জাকাত দিলেন? বিবেককে আর ফাঁকি না দিয়ে এই প্রশ্নটির উত্তর দিবেন কি? কোরান বলছে, "আল্লাজিনাহুম লিজ্ জাকাতে ফায়েলুন" –অর্থাৎ ‘তারা (বিশ্বাসীরা ) সদা-সর্বদা জাকাতের জন্য কর্মতৎপর থাকে।’ যদি জাকাত বলতে টাকার অথবা মালের ট্যাক্স বোঝায় তা হলে যে জাকাত দিচ্ছে তার আর সব সময় জাকাত নামক ট্যাক্স দেবার মধ্যে ডুবে থাকার প্রশ্নই আসে না । তা হলে সে অথবা তার পক্ষ হয়ে কেউ বাৎসরিক আয়ের হিশাবটা কিছু সময়ের মধ্যে করেই চুকিয়ে দেওয়া যায় এবং বছরের বাকি সময়টা নানা বিষয়ের উপর সহজে মনোযোগ দিতে পারবে। সদা-সর্বদা জাকাতের জন্য কর্মতৎপরতায় নিমজ্জিত থাকার প্রশ্নই তা হলে এখানে উঠতে পারছে না। । বিশ্বাসী হবার যে সংজ্ঞা কোরান দিয়েছেন তার মধ্যে এটিও একটি প্রধান শর্ত যে , বিশ্বাসী জাকাত দেবার জন্য সব সময় নিজেকে নিমজ্জিত রাখে। যদি জাকাত বলতে ট্যাক্স বোঝায় তা হলে ধরে নিলাম, একটি গরিব মানুষের সেই গুণটির সম্পূর্ণ অভাব আছে এবং যেহেতু জাকাত প্রদান করাটা বিশ্বাসী বলে গণ্য হবার জন্য একটি অন্যতম প্রধান শর্ত সেই হেতু সে বিশ্বাসী হবার শর্ত হতে কি বঞ্চিত হয়ে পড়ছে না? যদি জাকাত বলতে ‘গরিবের জন্য খাজনা’ বলে ধরে নেই তা হলে কোরান এ একই কথাকে বার বার বলার মঝে কি অবৈজ্ঞানিকতার অথবা গড়মিলের পরিচয় মেলে না? 'সালাত' তথা নামাজ সকলের জন্য অবশ্য পালনীয়, অথচ ‘জাকাত’ –কে বলা হয় শুধুমাত্র কিছু সংখ্যক লোকের জন্য। তাই নয় কি? তা হলে কেমন করে এই দুটো শব্দ বিজ্ঞানসম্মতভাবে সকলের জন্য বার বার আদেশ এবং সতর্ক থাকার জন্য একই সঙ্গে বসানো হলো, যদি একটি আদেশ শুধু কতকের জন্য হয়ে থাকে এবং অন্যটি সকলের তরে? এরকম অবৈজ্ঞানিক শব্দচয়ন কোরান-এর কোথাও নেই । আর যদি একান্তই ‘গরিবের জন্য খাজনা’ কে কোরান-এর জাকাত বলে ধরে নেই তা হলে সমগ্র কোরান-এর ভাবধারা ও দর্শনের মাঝে আত্মবিরোধী ভাবের সমাবেশ দেখা যায়, কিন্তু কোরান-এর কোথাও আত্মবিরোধী একটি উক্তিও নেই। বুঝবার ভুলের জন্যই আত্মবিরোধের জন্ম হয়। আত্মবিরোধ মনের মধ্যে অবস্থান করে, আক্ষরিক কোরান-এর পাতায় নয় । মনের এই আত্মবীরোধের ফলেই আমরা এক ইসলামকে তেহাত্তরটি ভাগ করে ফেলেছি। সবাচাইতে দুঃখ লাগে মনে তখনই, যখন দেখতে পাই এমন একজন অনুবাদকারী পেলাম না যিনি অকপটে অনুবাদ গ্রন্থে অতন্ত্য একটিবারও যদি লিখেতো,যে, ইহার অর্থ বুঝতে পারলাম না। কী জঘন্য হামবড়া ঠেটা মেনোবৃত্তি! বস্তুবিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিষ্কার আমাদের কুসংস্কতার অন্ধকার , অনুমানে ঢিল ছোঁড়া ঠেঁটামি আর ভণ্ডামির মাথায় প্রচণ্ড আঘাত হেনে এক সার্বজনীন চিরন্তন জ্ঞানরাজ্যে নিয়ে চলেছে জোর করে , অথচ বুঝতেই পাারছি না বস্তবিজ্ঞানের শক্তি কত প্রবল, কত অজেয় এবং এই বস্তুবিজ্ঞানই একদিন থলির লুকানো বিড়ালটি বের করে ছাড়বে এবং পৃথিবীর মানুষগুলোকে সব কিছু পরিষ্কার বুঝিয়ে দেবে- কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা।
সগীরে আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজ মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বাহুসনে এহে্তেমামত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী আল সুরেশ্বরী।
(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৫ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।
"কালান্দার ড. বাবা জাহাঙ্গী ইকবাল"
বে-ঈমান হোমিও হল।
নিউ এলিফ্যান্ট রোড ১০৮ . ঢাকা-১২০৫।
আমার দেহের মধ্যে যে আমি আছি ইহাই তো ঈশ্বরের অবস্থান করার সর্বশ্রেষ্ঠ প্রমাণ। ঈশ্বর আমার মধ্যে, আমি ঈশ্বরের মধ্যে। প্রমাণ দেবার আর কোনো প্রয়োজন নেই। আমি যে আমার মধ্যে আছি, এই যুক্তি খণ্ডালেও আমি আছি, না খণ্ডালেও আমি আছি।
~দার্শনিক রেনে ডেকার্তে
আমিই তো আমারই খুনি ,আবার আমিইতো আমারই শাস্তি।
~ডস্টয়ভস্কি
ধার করে আনা হীরার নেকলেসটি চুরি হয়ে গেলে মরণ যাতনার বিব্রতকর পরিবেশ তৈরি হয় ।
~সমারসেট মম
এই একই মানুষ কখনও অবাক করা পবিত্র, আবার কিছুদিন পর অবাক করা পাপী।
~লিও টলস্টয়
একটি মানুষের জন্য কতোটুকু মাটির প্রয়োজন হয়? উপদেশটা বললেন : মাত্র সাড়ে তিন হাত ।
~লিও টলস্টয়
প্রতারণায় ধন-সম্পদের প্রাচুর্যতা আসতে পারে, আবার এটাই মৃত্যুর উপসংহার। ~দার্শনিক ফ্রেডারিক নিটশে
রুচির মৃত্যু একবারই হয়। যৌবনের উচ্ছ্বাস ইতিতে মরণ।
~বলাই চাঁদ মুখোপাধ্যায়। (বনফুল)
জন্মের দাগগুলো মরণেও মুছে যায় না। বানানো দাগগুলো বৃষ্টিতেই মুছে যায়। ~হজরত আরজু শাহারানপুরী
আমার চাওয়া-পাওয়াটি কী ছিল? আমি তা নিজেই জানতে পারলাম না। এমনকি মরনের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত।
~হযরত সাকীব
তুমি বিদ্বান হতে পার, তুমি জ্ঞানী হতে পার, তুমি ধন-সম্পদের মালিক হতে পার। কিন্তু সভ্য হতে তিন প্রজন্ম লাগে।
--------------অলডাস হাক্সলী
তুমি নিজেকে শূন্যের কোঠায় নিয়ে যেতে চেষ্টা কর, যদি শূণ্য হয়ে যেতে পার সমালোচনা ঠাঁই পাবে না । কেবলমাত্র ঠাঁই পাবে নীরবতা অথবা প্রশংসা।
--------ব্রুন বাওর।
তুমি দেখতে পাও না ধন-সম্পদে ডুবে থেকে কত অহংকারের পচা বচন শুনায় । মরে যাবার পর সেই অহংকারীর জন্য একটি কুকুরও কাঁদে না।
--------বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।
জানিয়া রেখ, চোরও লাশের কাপড় চুরি করে। কিন্তু মাজারের গিলাপ কখনই চুরি করে না।
-------বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।
চোরও চোরকে ঘৃণা করে, যে চোর গরু চুরি করে। ---------- বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।
রূপসী নারীকে দেখে যে বলে ভালোবাসি, জেনে রাখ সেটা কখনই ভালোবাসা না, দৈহিক চাহিদা মাত্র।
- ------বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।
প্রেমের যত বড় বেদনা তোমার সামনে আসুক, উহ্ শব্দটি করো না । কারণ তোমাকে দেখলেই বুঝতে পারবে, প্রেমের যাতনায় তুমি বরবাদ হয়ে গেছ।
-----------হযরত সারমাস্ত।
পৃথিবীটা শান্তিতে ভরে থাক, তাই বার বার শন্তির আহ্বান করছি। জানি শান্তি একটি সোনার হরিণ। সুতরাং আমার এই প্রত্যাশা কোনদিন পূরণ হবার নয়। "
"বারট্রেন্ড রাসেল’’
চলচিত্র একটি প্রতারণার প্রদর্শন। আমরা বোকা নই কিন্তু চলচিত্র দেখে আমরা বোকা হয়ে যাই ।
"বারট্রেন্ড রাসেল’’
পৃথিবীকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি সম্ভবত এই সর্বপ্রথম কোরনকে ভিত্তি করে বিস্ময়কর রূহ ও নফস যে বিস্তারিত ব্যাখ্যাটি আমাদের পীর বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর দিয়ে গিয়েছেন এই ব্যাখ্যাটি পড়ে নিরেপেক্ষ পাঠকেরা অকপটে বলবেন যে উচ্ছাস মহব্বতে বলছিনা বরং বলছি কঠিন বাস্তবকে সামনে রেখে আমাদের পীর বাবা কালান্দারের বাংলাদেশ তো দূরের কথা সমগ্র পৃথিবীতে জুরি নাই। আমরা এই নফস ও রূহের বিষটির ব্যাখ্যা সর্বসাধারনের সামনে তুলে ধরলাম আশা করি আমাদের এই কথাটা মেনে নেবেন
দার্শনিক ইমানুয়েল কান্ট, রেনে দে কার্ত, দার্শনিক ডেবিড হিউম, দার্শনিক স্পেনসার, দার্শনিক হেগেল, দার্শনিক ব্রুন বাউর, দার্শনিক সরেনর্কেয়াকিগার্ড, দার্শনিক আথার শপেনহাওয়ার, দার্শনিক স্পিউনজার এরাই আমাদের পীর বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীরের সামনে গুরু আর শিষ্যের মতো, এবং মুসলামান দার্শনিক ইমাম গাজ্জালি , ইবনুল আরাবী, আহমেদ রেফায়ির মতো অনেক মুসলাম দার্শনিক এই বিষয়ে লিখে যান নাই
শাহ সূফি সৈয়দ তারিক আল সুরেশ্বরী
তারপরের প্রশ্নটি হলো, প্রত্যেক নবিই যদি জাকাত দিয়ে থাকেন এবং জাকাতের অর্থ যদি মাল ও আড়াই টাকা হয়, তবে প্রথম মানব হজরত আদম (আঃ) কাকে জাকাত দিলেন? বিবেককে আর ফাঁকি না দিয়ে এই প্রশ্নটির উত্তর দিবেন কি? কোরান বলছে, "আল্লাজিনাহুম লিজ্ জাকাতে ফায়েলুন" –অর্থাৎ ‘তারা (বিশ্বাসীরা ) সদা-সর্বদা জাকাতের জন্য কর্মতৎপর থাকে।’ যদি জাকাত বলতে টাকার অথবা মালের ট্যাক্স বোঝায় তা হলে যে জাকাত দিচ্ছে তার আর সব সময় জাকাত নামক ট্যাক্স দেবার মধ্যে ডুবে থাকার প্রশ্নই আসে না । তা হলে সে অথবা তার পক্ষ হয়ে কেউ বাৎসরিক আয়ের হিশাবটা কিছু সময়ের মধ্যে করেই চুকিয়ে দেওয়া যায় এবং বছরের বাকি সময়টা নানা বিষয়ের উপর সহজে মনোযোগ দিতে পারবে। সদা-সর্বদা জাকাতের জন্য কর্মতৎপরতায় নিমজ্জিত থাকার প্রশ্নই তা হলে এখানে উঠতে পারছে না। । বিশ্বাসী হবার যে সংজ্ঞা কোরান দিয়েছেন তার মধ্যে এটিও একটি প্রধান শর্ত যে , বিশ্বাসী জাকাত দেবার জন্য সব সময় নিজেকে নিমজ্জিত রাখে। যদি জাকাত বলতে ট্যাক্স বোঝায় তা হলে ধরে নিলাম, একটি গরিব মানুষের সেই গুণটির সম্পূর্ণ অভাব আছে এবং যেহেতু জাকাত প্রদান করাটা বিশ্বাসী বলে গণ্য হবার জন্য একটি অন্যতম প্রধান শর্ত সেই হেতু সে বিশ্বাসী হবার শর্ত হতে কি বঞ্চিত হয়ে পড়ছে না? যদি জাকাত বলতে ‘গরিবের জন্য খাজনা’ বলে ধরে নেই তা হলে কোরান এ একই কথাকে বার বার বলার মঝে কি অবৈজ্ঞানিকতার অথবা গড়মিলের পরিচয় মেলে না? 'সালাত' তথা নামাজ সকলের জন্য অবশ্য পালনীয়, অথচ ‘জাকাত’ –কে বলা হয় শুধুমাত্র কিছু সংখ্যক লোকের জন্য। তাই নয় কি? তা হলে কেমন করে এই দুটো শব্দ বিজ্ঞানসম্মতভাবে সকলের জন্য বার বার আদেশ এবং সতর্ক থাকার জন্য একই সঙ্গে বসানো হলো, যদি একটি আদেশ শুধু কতকের জন্য হয়ে থাকে এবং অন্যটি সকলের তরে? এরকম অবৈজ্ঞানিক শব্দচয়ন কোরান-এর কোথাও নেই । আর যদি একান্তই ‘গরিবের জন্য খাজনা’ কে কোরান-এর জাকাত বলে ধরে নেই তা হলে সমগ্র কোরান-এর ভাবধারা ও দর্শনের মাঝে আত্মবিরোধী ভাবের সমাবেশ দেখা যায়, কিন্তু কোরান-এর কোথাও আত্মবিরোধী একটি উক্তিও নেই। বুঝবার ভুলের জন্যই আত্মবিরোধের জন্ম হয়। আত্মবিরোধ মনের মধ্যে অবস্থান করে, আক্ষরিক কোরান-এর পাতায় নয় । মনের এই আত্মবীরোধের ফলেই আমরা এক ইসলামকে তেহাত্তরটি ভাগ করে ফেলেছি। সবাচাইতে দুঃখ লাগে মনে তখনই, যখন দেখতে পাই এমন একজন অনুবাদকারী পেলাম না যিনি অকপটে অনুবাদ গ্রন্থে অতন্ত্য একটিবারও যদি লিখেতো,যে, ইহার অর্থ বুঝতে পারলাম না। কী জঘন্য হামবড়া ঠেটা মেনোবৃত্তি! বস্তুবিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিষ্কার আমাদের কুসংস্কতার অন্ধকার , অনুমানে ঢিল ছোঁড়া ঠেঁটামি আর ভণ্ডামির মাথায় প্রচণ্ড আঘাত হেনে এক সার্বজনীন চিরন্তন জ্ঞানরাজ্যে নিয়ে চলেছে জোর করে , অথচ বুঝতেই পাারছি না বস্তবিজ্ঞানের শক্তি কত প্রবল, কত অজেয় এবং এই বস্তুবিজ্ঞানই একদিন থলির লুকানো বিড়ালটি বের করে ছাড়বে এবং পৃথিবীর মানুষগুলোকে সব কিছু পরিষ্কার বুঝিয়ে দেবে- কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা।
সগীরে আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজ মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বাহুসনে এহে্তেমামত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী আল সুরেশ্বরী।
(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৫ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।
"কালান্দার ড. বাবা জাহাঙ্গী ইকবাল"
বে-ঈমান হোমিও হল।
নিউ এলিফ্যান্ট রোড ১০৮ . ঢাকা-১২০৫।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন