বুধবার, ২৬ জুলাই, ২০১৭


 আমাদের পীর বাবা কালান্দার জাহাঈীর এর অবাক করা বাণী- ২

ব্যর্থতাই এনে দেয় বিজয়ের স্তম্ভ
                              ----------- উইলষ্টন চারচিল
বিপদ জানে না হিটলার তার চাইতেও বড় বিপদ
                                  ----------- এডলফ হিটলার

যিশু খ্রিস্ট বলেছেন, যে ব্যক্তি বলে আমি আল্লাহকে মানি কিন্তু যিশুকে মানি না সে একজন মিথ্যুক । তাকে তুমি ভুলেও অনুসরণ করতে যেও না।
---------বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর ।

যদি একটি মিথ্যাকে সতের বার সত্য বলে বলা হয় , তা হলে ইহা সত্যের মতো বেজে উঠবে।
                                         ------------- ডক্টর গোয়েবলস।

তারপরেও যিনি নিজেকে সগীরে আজম তথা সবচাইতে ছোট পীর বলে ঘোষণা করেন, তিনি কি সত্যিই ছোট? আপনার বিবেকের আদালতে কী রায় দিবেন?
                         ------------- বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

খান্নাসমুক্ত আমির মাঝেই পাবে আমিকে, ঐ আমিটাই দূষিত আমি নয়। নির্ভেজাল আমির মাঝে কেবলই রুহরূপী আল্লাহ পরিপূর্ণরূপে জাগ্রত হয়ে উঠে।
                           ---------মাওলানা জালাল উদ্দিন রূমি।

তুমি নিজেকে শূন্যের কোঠায় নিয়ে যেতে চেষ্টা কর, যদি শূন্য হয়ে যেতে পার সমালোচনা ঠাঁই পাবে না । কেবলমাত্র ঠাঁই পাবে নীরবতা অথবা প্রশংসা।
                                                    --------ব্রুন বাউর।

তুমি  দেখতে পাওনা? ধন-সম্পদে ডুবে থেকে কত অহংকারের পচা বচন শুনায় । মরে যাবার পর সেই অহংকারীর জন্য একটি কুকুরও কাঁদে না।
                            --------বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

জানিয়া রেখ, চোরও লাশের কাপড় চুরি করে। কিন্তু মাজারের গিলাপ কখনই চুরি করে না।
                                  ~বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

চোরও চোরকে ঘৃণা করে, যে চোর গরু চুরি করে।                                      - বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

রূপসী নারীকে দেখে যে বলে ভালোবাসি, জেনে রাখ সেটা কখনই ভালোবাসা না, দৈহিক চাহিদা মাত্র।
                                ~বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

প্রেমের যত বড় বেদনা তোমার সামনে আসুক, উহ্ শব্দটি করো না । কারণ তোমাকে দেখলেই বুঝতে পারবে, প্রেমের যাতনায় তুমি বরবাদ হয়ে গেছ।
                                              ~হযরত সারমাস্ত।


বস্তুবিজ্ঞান আর আধ্যাত্মবিজ্ঞান যে দু'টো সম্পূর্ণ  আলাদা বিষয় এটা বুঝতে না পেরে মানুষ গোলকধাঁধাঁয় পড়ে যায়। দু'টোকে এক করে ফেললেই আত্মবিরোধের রোগে ভুগতে হয়। সমাধান খুঁজে না পেয়ে ধর্ম বিষয়টিকে অতিরিক্ত (এডিশনাল) বিষয় মনে করে। বস্তুবিজ্ঞান জগত বিষয়ের উপরে গবেষণার ফল। আর আত্মার বিজ্ঞান আত্মাকে জানার গবেষণা এবং আত্মপরিচয় জানাটাই হল গবেষণার (সাধনা) ফল। আত্মপরিচয় জানতে পারলে আল্লাহকে তথা পরিচয়কারীর রবকে জানা হয়ে যায়। যদি
রূপকভাষায় বলতে চাই তাহলে আমার ভিতরের পরমাত্মাটি (রূহ) - ই সে বিশ্বরবের উদ্ভাসিত রূপ। তাই বলা হয়েছে  যে, আল্লাহ প্রতিটি মানুষের শাহারগের অতি নিকটেই আছেন। আরো একটু রূপক ভাষায় বলতে গেলে বিন্দুজলের সিন্ধুর বিশাল জলে মিশে একাকার হয়ে যাওয়া। নফস তথা (জীবাত্মা ) বাহনের ভূমিকা পালন করে। বাহন (নফস) আর বাহককে (রূহ) এক করে ফেলি বলে ভ্রান্তির জটিলতা দেখা দেয়। যদিও দু'টোরই আকার নেই। দু'টোই শহুত তথা নিরাকার। বাহক (রূহ) 'আনাল হক' এবং 'সোহহম সোহমি' বললে মনে হয় বাহন (নফস) বলছে। কারণ বাহন (নফস)  ছাড়া বাহকের (রূহ) পরিচয় পাওয়া যায় না। বাহনকে (নফস) তাই বাহকের (রূহ) সিংহাসন বলা হয়। বাহন (নফস) তখন বাহকের (রূহ) গোলামে পরিনত হয়। তাই বাহনের (নফস) যখন আর নিজের বলে কিছুই থাকে না তখন বাহক (রূহ) প্রকাশিত হয় এবং তখনই সম্পূর্ন থাকার কথাটি বাহন (নফস) বলে। বাহক(রূহ) তখন বলে যে, বাহন(নফস) যা বলে, করে দেখে এবং চলে তা বাহকের (রূহ) কর্ম।এই বাহনের (নফস) মেরুদণ্ড থাকে না। বাহনের মেরুদণ্ড থাকা পর্যন্ত বাহক আসবে না, ধরা দেবে না। কিন্তুু বস্তুবিজ্ঞানেরও সাধনা করতে হয়। গবেষণার সাধানায় ডুবে থাকতে হয়। কিন্তুু স্বকীয়তা থাকে, আমি আমি থাকে মেরুদণ্ডটি শক্তই থাকে। সুতরাং বস্তুবিজ্ঞানী ও আত্মারবিজ্ঞানীর পরিচয় ও কর্ম এক নয়। পরিস্কার বোঝা যায় যে,উভয়ের অবস্থান দুটি ভিন্ন মেরুতে। উভয়ের ফলটিই কিনে নিতে হয়। একটি মুদ্রা দিয়ে কিনতে হয় এবং অপরটি প্রেম দিয়ে কিনতে হয়। তাই মুদ্রা (টাকা)  দিয়ে প্রেম কেনা যায় না এবং প্রেম দিয়ে মুদ্রা কেনা যায় না। কেনা যায় বলে ধমক দিলে বলতে হয় যে, অভিনয় কেনা যায়, কৃত্রিম হীরা কেনা যায়, ইমিটেশন কেনা যায়। এতে আসলের একটা তৃপ্তি অবশ্যই আশা করা যায়। নেগেটিভের মাঝে পজেটিভের একটি গন্ধতো আশা করা যায়। এজন্যই একের দর্শনে আসল এবং নকলের দুটোর রূপই ফুঁটে উঠে। পার্থক্য করতে না পারলে অনেক রকম মতামত দেখা যায়। এতো মতামতের যুক্তি ও প্যাঁচমারা কথার মালা থেকে যে কোনটা বেছে নিতে হবে এই সিদ্বান্ত নিতে কষ্ট হয়। তাই তকদিরের উপর যে নির্ভর করতে হয় একথাটি কি ভূল? সুতরাং বিজ্ঞানী এবং ওলীর মাঝে যে পার্থক্য সেটা ধরা পড়ারই কথা।


"মে নেনে কে হামুবুত
 মি গুফত আনালহক
দার সুরাতে মনসুর
 মনসুর না বুদা
কে বারদার বারামাৎ"

অনুবাদ: না, না কখনই না, আমিই বলেছি আনাল হক, মনসুর বলে নাই। মনসুরের সুরতে আমিই বলেছি।                                                  
                ------------   মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমী।
সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজে মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বা-হুসনে এহে্তেমামাত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে- নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।

(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৫ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।

"কালান্দার ড. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল"
বে-ঈমান হোমিও হল।
নিউ- এলিফ্যান্ট রোড, ১০৮
 ঢাকা-১২০৫

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন