আমাদের পীর বাবা কালান্দার জাহাঈীর এর অবাক করা বাণী- ৩
যেখানেই ক্ষমতা সেখানই মোহ লুকিয়ে থাকে ঐ ক্ষমতার পূজারীকেই প্রশ্নের সম্মূখীন হতে হয়।
বারট্রান্ড রাসেল
জেন রাখ ভাষাটি কিছু্ই নয় ! কেবল মাত্র ভাবের বাহণ এই ভাবের বাহনটি কঠিন শব্দে বেধে রেখো না তাহলে জনতা বুঝত পারবে না । ভাবটি তোমার কাছে ফেরত আসবে।
জওহরলাল নেহারু
দুনিয়ার একটি স্থানে মানুষ হেরে গিয়ে সবচাইতে বেশি আনন্দ পায়, আর সেই স্থানটির নাম হলো নিজের সন্তানের কাছে হেরে যাওয়া।
- ----- বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।
আল্লাহ মানা খুবই সহজ পীর মানা ঠিক ততটুকু কঠিন
--------বশরে হাফি।
আল্লাহ্ কোরানের সূরা লোকমান আর সূরা ইয়াসিনে বলেছেন যে, এই কোরানের ব্যাখ্যা তথা তফসীর শেষ করা যাবে না। উদাহারণ দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন। পৃথিবীর যত পানি আছে সবগুলো যদি কালি হয় এবং গাছগুলো যদি কলম হয়, তবু কালি শেষ হয়ে যাবে কিন্তু ব্যাখ্যা তথা তফসীর লিখা শেষ হবে না। এ যে খুবই সাংঘাতিক কথা! তাহলে আমরা যে কোরানের ব্যাখ্যা লিখে শেষ করে ফেলি! কেউ কম কেউ বেশী ব্যাখ্যা লিখি কিন্তু এই ঘোষনার সামনে তো কোন তুলনা করাই চলে না। তাহলে এর আসল রহস্য কি? দুনিয়ার এত বই কাগজ লিখা হয়ে গেছে মানুষের তৈরি কালি দিয়ে এবং আরো লিখা হবে তবু তো কালির সামান্য অংশটিও শেষ হয়নি। তাহলে এর জবাবটা কি? আমি হয়তো চল্লিশের উপর কোরানের তফসীর পড়েছি। কিন্তু এই বিষয়টিতে আমার মন মত জবাব অথবা ব্যাখ্যা পাইনি। আমাদের তফসীরগুলো একটি স্থানে এসে থেমে যায়। সবাই কম বেশী ব্যাখ্যা লিখে শেষ করি। পৃথিবীতে যতগুলো দেশ আছে সব দেশের সব রকম বইপত্র কালি দিয়ে ছাপা হচ্ছে প্রতিদিন এবং কতদিন পর এই কালি শেষ হয়ে যাবে তা বলতে পারবো না। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই কালির পরিমান কতটুকু? পৃথিবীর তিনভাগ পানি আর একভাগ মাটি অথচ এই বিশাল পরিমাণ পানি যদি কালি হয় তবু কোরানের ব্যাখ্যা লিখে শেষ করা যাবে না। প্রতিটি মানুষের চোখে মুখে অবাক হবার ছাপটি ফুঁটে উঠবে এবং মুখে কিছু না বলে বোবা মনটির মেনে নিতে বড়ই কষ্ট হবে। তাহলে কোরানের হাকীকত কি? কোরান কি কেবল কালির কিছু নির্দিষ্ট অক্ষর অার কাগজের মধ্যে সীমাবদ্ধ? কোরান কি পশুর চামড়া, খেজুর পাতা, পাথর আর হাড়ের মধ্যে লিখে রাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ? কেন মওলা আলী হজরত উসমানকে বলেছিলেন, "আপনার লিখিত কোরান বোবা আর আমি জীবন্ত কোরান।" এই নূরী কোরানের বিষয়টি বিস্তারিত এবং অপূর্ব ব্যাখ্যা দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন বাবা জান শরীফ শাহ সুরেশ্বরী তাঁর রচিত "সেররে হক জামেনূর " বইতে। নূরী কোরান কি, তা জানতে হলে বইটি পড়া অবশ্য কর্তব্য বলে মনে করি। কেন মওলা আলি বলেছেন যে, তিনি সেই আল্লাহর ইবাদত করেননি যে আল্লাহ্কে দেখা যায় না।
@ নাই নাই প্রতিটি লিখা পড়লেই আপনিই বুঝতে পারবেন পৃথিবীতে তার জোড়া নাই।
------- শাহ্ সুফি সৈয়দ ময়েজউদ্দিন আল সুরেশ্বরী
সগীরে আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজে মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বা-হুসনে এহে্তেমামাত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে- নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী আল সুরেশ্বরী।
(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৫ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।
"কালান্দার ড. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল"
বে-ঈমান হোমিও হল।
নিউ- এলিফ্যান্ট রোড, ১০৮
ঢাকা-১২০৫
যেখানেই ক্ষমতা সেখানই মোহ লুকিয়ে থাকে ঐ ক্ষমতার পূজারীকেই প্রশ্নের সম্মূখীন হতে হয়।
বারট্রান্ড রাসেল
জেন রাখ ভাষাটি কিছু্ই নয় ! কেবল মাত্র ভাবের বাহণ এই ভাবের বাহনটি কঠিন শব্দে বেধে রেখো না তাহলে জনতা বুঝত পারবে না । ভাবটি তোমার কাছে ফেরত আসবে।
জওহরলাল নেহারু
দুনিয়ার একটি স্থানে মানুষ হেরে গিয়ে সবচাইতে বেশি আনন্দ পায়, আর সেই স্থানটির নাম হলো নিজের সন্তানের কাছে হেরে যাওয়া।
- ----- বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।
আল্লাহ মানা খুবই সহজ পীর মানা ঠিক ততটুকু কঠিন
--------বশরে হাফি।
আল্লাহ্ কোরানের সূরা লোকমান আর সূরা ইয়াসিনে বলেছেন যে, এই কোরানের ব্যাখ্যা তথা তফসীর শেষ করা যাবে না। উদাহারণ দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন। পৃথিবীর যত পানি আছে সবগুলো যদি কালি হয় এবং গাছগুলো যদি কলম হয়, তবু কালি শেষ হয়ে যাবে কিন্তু ব্যাখ্যা তথা তফসীর লিখা শেষ হবে না। এ যে খুবই সাংঘাতিক কথা! তাহলে আমরা যে কোরানের ব্যাখ্যা লিখে শেষ করে ফেলি! কেউ কম কেউ বেশী ব্যাখ্যা লিখি কিন্তু এই ঘোষনার সামনে তো কোন তুলনা করাই চলে না। তাহলে এর আসল রহস্য কি? দুনিয়ার এত বই কাগজ লিখা হয়ে গেছে মানুষের তৈরি কালি দিয়ে এবং আরো লিখা হবে তবু তো কালির সামান্য অংশটিও শেষ হয়নি। তাহলে এর জবাবটা কি? আমি হয়তো চল্লিশের উপর কোরানের তফসীর পড়েছি। কিন্তু এই বিষয়টিতে আমার মন মত জবাব অথবা ব্যাখ্যা পাইনি। আমাদের তফসীরগুলো একটি স্থানে এসে থেমে যায়। সবাই কম বেশী ব্যাখ্যা লিখে শেষ করি। পৃথিবীতে যতগুলো দেশ আছে সব দেশের সব রকম বইপত্র কালি দিয়ে ছাপা হচ্ছে প্রতিদিন এবং কতদিন পর এই কালি শেষ হয়ে যাবে তা বলতে পারবো না। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই কালির পরিমান কতটুকু? পৃথিবীর তিনভাগ পানি আর একভাগ মাটি অথচ এই বিশাল পরিমাণ পানি যদি কালি হয় তবু কোরানের ব্যাখ্যা লিখে শেষ করা যাবে না। প্রতিটি মানুষের চোখে মুখে অবাক হবার ছাপটি ফুঁটে উঠবে এবং মুখে কিছু না বলে বোবা মনটির মেনে নিতে বড়ই কষ্ট হবে। তাহলে কোরানের হাকীকত কি? কোরান কি কেবল কালির কিছু নির্দিষ্ট অক্ষর অার কাগজের মধ্যে সীমাবদ্ধ? কোরান কি পশুর চামড়া, খেজুর পাতা, পাথর আর হাড়ের মধ্যে লিখে রাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ? কেন মওলা আলী হজরত উসমানকে বলেছিলেন, "আপনার লিখিত কোরান বোবা আর আমি জীবন্ত কোরান।" এই নূরী কোরানের বিষয়টি বিস্তারিত এবং অপূর্ব ব্যাখ্যা দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন বাবা জান শরীফ শাহ সুরেশ্বরী তাঁর রচিত "সেররে হক জামেনূর " বইতে। নূরী কোরান কি, তা জানতে হলে বইটি পড়া অবশ্য কর্তব্য বলে মনে করি। কেন মওলা আলি বলেছেন যে, তিনি সেই আল্লাহর ইবাদত করেননি যে আল্লাহ্কে দেখা যায় না।
@ নাই নাই প্রতিটি লিখা পড়লেই আপনিই বুঝতে পারবেন পৃথিবীতে তার জোড়া নাই।
------- শাহ্ সুফি সৈয়দ ময়েজউদ্দিন আল সুরেশ্বরী
সগীরে আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজে মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বা-হুসনে এহে্তেমামাত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে- নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী আল সুরেশ্বরী।
(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৫ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।
"কালান্দার ড. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল"
বে-ঈমান হোমিও হল।
নিউ- এলিফ্যান্ট রোড, ১০৮
ঢাকা-১২০৫

amar soto jonomer punner fol hisabe ami ei juge manob sorir niye duniay achi karon ei juge baba jahangir kebla kabar kholifa baba bedom owarsi bortoman
উত্তরমুছুন