নফ্স ও রুহের পার্থক্য - ৫
সারাটি জীবন আপন পীরকে বাবা বাবা বলে ডাকলেন অথচ পেলেন না কিছুই। এই বাবা বলে ডেকে কোনো লাভ নেই। এখানে পীর বড় নয়, সত্য পাওয়াটাই বড়। তাই একটি পর একটি পীর বদলিয়ে ফেলুন।
------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।
নকশেবন্দি- মুজাদ্দেদি তরিকা, চিশতিয়া-কাদেরিয়া তরিকা, আবু - উলাই তরিকা, কালান্দারিয়া তরিকার শান গেয়েই গেলেন , শান না গাইলেও কিছু আসে যায় না। প্রশ্ন হলো? আপনি তো তিন নম্বর ছাগলের বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে শুধু লাফালাফিই করেই গেলেন।
------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।
আমার পীর বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীরের সঙ্গে অন্য পীরের তুলনা করাই যায় না। কারণ, কোরানে ২১ বার রুহ বিষয়ে বলা হয়েছে, এবং এই ২১ বারই একবচনে বলা হয়েছে রুহের বহুবচন নাই । রুহ ফুৎকার করা হয়– নফস নয় । এই বিষয়ে অবাক করা ব্যাখ্যাটি সমগ্র পৃথিবীতে আমার বাবাই দিয়ে গেছেন। কথাটি শুনতে ভাল লাগবে না, কিন্তু আসলে ইহা একটি তিক্ত সত্য কথা। আমার পীর বাবার পঁচিশটি বই কোরানের পনের পারার অনুবাদ কিছুটা ব্যাখ্যা এবং আট জি.বি তেষট্টি ঘন্টার মেমোরিকার্ডটি শুনলে আপনি বুঝতে পারবেন আমার কথার সত্যতাটি।
-------শাহ সূফি ময়েজউদ্দিন আল সুরেশ্বরী।
যারা অজানা কিছু জানতে আগ্রহী
তাদেরকে বলছি, সবাইকে নয়।
তোমার পীর যত বড় পীরই হোক না কেন
যদি তুমি তার থেকে সত্য না পাও তবে
ফেলে দাও তাকে। কারণ পীর এখানে মুখ্য
বিষয় নয়, মুখ্য বিষয় হলো সত্য পাওয়া।
সত্য হলো আল্লাহর রহস্য লোকের কিছু জানা।
সুরেশ্বরীর শান কত বড় রে, ভান্ডারীর শান
কত বড় রে, খাজা বাবার শান কত বড় রে,
শান বললেও আছে, না বললেও আছে, তুমি
কি ঘোড়ার ডিমটা পাইলা। তুমিতো বকরির
তিন নম্বর বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে পীরের
বাড়িতে গিয়ে শুধু লাফালাফিই করে গেলা।
আসো বসো মুরিদ হও, ধ্যান-সাধনা কর, যদি
আল্লাহর রহস্যলোকের কিছুই না পাও
আমাকে ফেলে চলে যাও। এখানে পীর বড়
নয় এখানে সত্য বড়। সারা জীবন বাবা
বাবা ডাকবা পাইবা না ঘোড়ার ডিমও
সেই বাবা ডাইকা কোন লাভ নাই।
--------কালান্দার ডাঃ বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল
যদি একটি মিথ্যাকে সতের বার সত্য বলে বলা হয় , তা হলে ইহা সত্যের মতো বেজে উঠবে।
------------- ডক্টর গোয়েবলস।
যে পীর মুরিদের ধন-সম্পদের দিকে তাকায় বলে দাও সে দুনিয়াদার মরদুদ (মরদুদ শয়তান)
--------কালান্দার ডাঃ বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল
এই ফেরেশতাগণ এবং রুহ যে-রাতে আল্লাহর অনুমতিতে অবতরণ করে সেই রাতটিকে বেজোড় এবং শক্তিশালী রাত্রি বলে আখ্যায়িত করা হয়। হাকিকতের সঙ্গে মেজাজি কথাগুলোর কী অপূর্ব মিলন ঘটানো হয়েছে কোরানুল হাকিম-এ । এখানে একটু লক্ষ্য করে দেখুন তো যে ফেরেশতাগণ এবং নফ্স নাজেল করার কথাটি বলা হয়নি । প্রথমে ফেরেশতাগণ এবং পরে রুহের কথাটি বলা হয়েছে, কারণ ফেরেশতাদের নফ্সও নাই রুহও নাই এবং থাকার প্রশ্নই উঠতে পারে না, কারণ ফেরেশতারা যত শক্তির অধিকারীই হোক না কেন তাদেরকে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মোটেও বলা হয়নি, বরং ফেরেশতাদেরকে আমরা সেবকের ভূমিকায় দেখতে পাই, মাওলার ভূমিকায় নয়। ফেরেশতারা সেফাতি নূরের তৈরি তাই ফেরেশতারা সৃষ্টির শেষ সীমানা পর্যন্ত তথা সিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত যাবার অনুমতি পেয়েছে। অনেক অনুবাদক না–বুঝে, না–শুনে রুহকে জিবরাইল ফেরেশতা বলে অনুবাদ করেছেন। সহজ-সরল পাঠকেরা এরকম খাস্তা অনুবাদ পড়ে-পড়ে আস্তা থাকার কথা নয় এবং তখনই এক ইসলামের মধ্যে ফেরকাবাজি শুরু হয়ে যায়। আত্মকেন্দ্রিকতার অন্ধকার গহ্বরে নিরপেক্ষ দর্শনটি হারিয়ে যায়। অনেকে তো কোরানুল হাকিম-কে ডাল-ভাতের মতো সহজ মনে করে থাকে এবং বিকৃত অনুবাদ ও বিকৃত ব্যাখ্যায় ভরপুর করে রাখে এবং এই বিকৃত অনুবাদ ও বিকৃত ব্যাখ্যা পড়ে-পড়ে সরলসহজ মানুষটির মনের অবস্থানটি কেমন হয় তাহা কমবেশি সবাই বুঝতে পারে। নিউটন, আইনস্টাইন , নিলস্ বোর এবং স্টিফেন হকিং-এর মতো অসংখ্য জ্ঞানী-গুণীর জন্য যদি কোরানুল হাকিম শিক্ষনীয় বিরাট একটি বিষয় না হতে পারে তা হলে আমাদের মতো অল্প বিদ্যায় বিদ্বানেরা এই প্রশ্নের কী উত্তর দেয় ?
সুরা মোমিন-এর পনের নম্বর আয়াতে রুহ সম্বন্ধে বলা হয়েছে: ইউলকির (নিক্ষেপ করেন, ক্ষেপণ করেন, সম্মুখে স্থাপন করেন, অর্পণ করেন) রুহা (রুহকে , পরমাত্মাকে) মিন্ (হইতে ) আমরিহি (তাঁহার আদেশ) আলা (উপর) মাই (যাহাকে ) ইয়াশাউ (ইচ্ছা করেন) ।নিক্ষেপ করেন রুহ তাঁহার আদেশ হইতে যাহার উপর ইচ্ছা করেন।
এই আয়াতে রুহকে নিক্ষেপ করার কথাটি বলা হয়েছে তথা রুহকে ক্ষেপণ করা হয় বলা হয়েছে। এই রুহকে ক্ষেপণ করার কাজটি করা হয় তাঁর(আল্লাহর) আদেশ হতে যার উপর তিনি (আল্লাহ ) ইচ্ছা করেন। আল্লাহর ইচ্ছার উপযুক্ত বান্দা হতে পারলেই সেই বান্দার উপর তাঁর আদেশ হতে রুহ নিক্ষেপ করা হয়। অবশ্য আল্লাহর তৈরি প্রতিটি মানুষের সঙ্গে রুহকে অতীব সূক্ষ্ম বীজরূপে স্থাপন করে দেওয়া হয়েছে তথা প্রতিটি মানুষের সঙ্গেই আল্লাহ প্রতিপালকরূপে তথা রবরুপে বিরাজ করছেন। সাধারণ মানুষ বুঝে উঠতে পারে না যে আল্লাহ তারই ভেতর রবরূপটি তথা প্রতিপালকের রূপটি ধারণ করে অতীব সূক্ষ্ম রুহরূপে বিরাজ করছেন। তাই মানুষ নিজের ভেতর ঘুমিয়ে থাকা সত্যটিকে বুঝতে না পেরে উর্ধ্ব গগনে আল্লাহর অবস্থানটি আছে বলে বিশ্বাস স্থাপন করে আকাশের দিকে তাকিয়ে প্রার্থনার ভাষাটি বলতে থাকে। সাধক যখন নির্জনে একাকী মাসের পর মাস বিরাট ধৈর্যধারণ করে ধ্যানসাধনায় মগ্ন থাকে তখন এই মগ্ন অবস্থার মাঝেই একদিন না একদিন আল্লাহরই আদেশ হতে তথা আল্লাহর বিশেষ রহমতে এই রুহকে জাগ্রত অবস্থায় দেখতে পেয়ে হতভম্ব হয়ে যায় এবং মেজাজি সেজদায় লুটিয়ে পড়ে।
আসলে সাধকের অন্তরে যে পর্যন্ত দুইয়ের অবস্থান বিরাজ করে তথা পবিত্র নফস যোগ খান্নাসরূপী শয়তান উভয়ে একত্রে বসবাস করে ততক্ষণ পর্যন্ত রুহের আসল পরিচয়টি লাভ করা যায় না। আপন পবিত্র নফস হতে অপবিত্র খান্নাসকে তাড়িয়ে দেবার গভীরতাটি সমভাবে সবার বেলায় প্রযোজ্য হয় না। কারও অল্প সময়েই হয়ে থাকে, আবার কারও-বা বেশ কিছু সময় লাগে, আবার কারও-বা দীর্ঘ সময় লেগে যেতে পারে। যেইমাত্র পবিত্র নফসটি অপবিত্র খান্নাস হতে মুক্তি লাভ করে তখনই রুহের আসল পরিচয়টি জানতে পারে এবং এবং জানাটি আল্লাহর আদেশ হতে আগত। তাই সাধকের কাছে মনে হবে যে, এই রুহকে নিক্ষেপ করা হয়েছে।
সগীরে আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজ মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বাহুসনে এহে্তেমামত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী আল সুরেশ্বরী।
(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৩ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।
পাগল হয়ে যাব, এত উচ্চমানের লিখা মাথায় আঁটে না। নফস ও রূহের পার্থক্য বিষয়ের উপর লিখতে গিয়ে বাবা জাহাঙ্গীর তাঁর কোরানুল মাজিদের ৬৩ নং পৃষ্ঠায় নিম্নোক্ত লিখাটির অবতারণা করেছেন। "Religious view of World Theology" ক্লাসে আমার ম্যাডামকে ( কোন এক কারণে তাঁর নামটি উল্লেখ করা হল না) এ লেখাটা দেখিয়েছিলাম আর বলেছিলাম আমাকে বুঝিয়ে দিন, প্রত্যুত্তরে কিছুক্ষণ ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থেকে বললেন, "সারাজীবন ভাত খাওয়ার জন্য বিদ্যার্জন করে গেছি, কিন্তু, এ লেখাটা সক্রেটিস শ্রেণির লোকের লেখা যিনি নিজেকে চিনেছেন, এটা রেনে দেকার্তের মতো দার্শনিকদের দর্শন থেকে আরো উচ্চতম দর্শনের লেখা, এটা ডেভিড হিউম আর কান্টদের থেকে অারো অনেক উপরের লেখা, এখানে সমস্ত সন্দেহের অবসান ঘটেছে, এখানে মিলনের প্রশ্নে পুরোটাই Eternal Entity, এখানে দেহধারী মানুষটা নি:সন্দেহে পরমসত্ত্বার প্রতিমূর্তি, যদি তোমার সাথে তাঁর সাক্ষাত হয় তো আমার সালাম পৌঁছে দিও।
আসলে উলঙ্গ সত্য কথাটি বলতে গেলে বলতে হয় যে, রুহুল অামিন হলেন মহানবির অাপন অাধ্যাত্মিক প্রতিচ্ছবি। ইহা জগৎময় ব্যক্তও হতে পারে, আবার যেকোন মূর্তি ধারণও করতে পারে। ইহা স্থান-কালের (টাইম এন্ড স্পেস) সব রকম মানুষের আদি ও আসল রূপ। এইরূপের মাঝে প্রত্যাবর্তন করাই মানবজীবনের পরম এবং চরম স্বার্থকতা। অাল্লাহর নিকট মানুষের প্রত্যাবর্তন করার তথা ফিরে আসার অর্থটিও ইহাই।
ভক্ত Aaga Bagalane (আগা বাগালেন) র কমেন্টটি তুলে ধরলাম
সারাটি জীবন আপন পীরকে বাবা বাবা বলে ডাকলেন অথচ পেলেন না কিছুই। এই বাবা বলে ডেকে কোনো লাভ নেই। এখানে পীর বড় নয়, সত্য পাওয়াটাই বড়। তাই একটি পর একটি পীর বদলিয়ে ফেলুন।
------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।
নকশেবন্দি- মুজাদ্দেদি তরিকা, চিশতিয়া-কাদেরিয়া তরিকা, আবু - উলাই তরিকা, কালান্দারিয়া তরিকার শান গেয়েই গেলেন , শান না গাইলেও কিছু আসে যায় না। প্রশ্ন হলো? আপনি তো তিন নম্বর ছাগলের বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে শুধু লাফালাফিই করেই গেলেন।
------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।
আমার পীর বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীরের সঙ্গে অন্য পীরের তুলনা করাই যায় না। কারণ, কোরানে ২১ বার রুহ বিষয়ে বলা হয়েছে, এবং এই ২১ বারই একবচনে বলা হয়েছে রুহের বহুবচন নাই । রুহ ফুৎকার করা হয়– নফস নয় । এই বিষয়ে অবাক করা ব্যাখ্যাটি সমগ্র পৃথিবীতে আমার বাবাই দিয়ে গেছেন। কথাটি শুনতে ভাল লাগবে না, কিন্তু আসলে ইহা একটি তিক্ত সত্য কথা। আমার পীর বাবার পঁচিশটি বই কোরানের পনের পারার অনুবাদ কিছুটা ব্যাখ্যা এবং আট জি.বি তেষট্টি ঘন্টার মেমোরিকার্ডটি শুনলে আপনি বুঝতে পারবেন আমার কথার সত্যতাটি।
-------শাহ সূফি ময়েজউদ্দিন আল সুরেশ্বরী।
যারা অজানা কিছু জানতে আগ্রহী
তাদেরকে বলছি, সবাইকে নয়।
তোমার পীর যত বড় পীরই হোক না কেন
যদি তুমি তার থেকে সত্য না পাও তবে
ফেলে দাও তাকে। কারণ পীর এখানে মুখ্য
বিষয় নয়, মুখ্য বিষয় হলো সত্য পাওয়া।
সত্য হলো আল্লাহর রহস্য লোকের কিছু জানা।
সুরেশ্বরীর শান কত বড় রে, ভান্ডারীর শান
কত বড় রে, খাজা বাবার শান কত বড় রে,
শান বললেও আছে, না বললেও আছে, তুমি
কি ঘোড়ার ডিমটা পাইলা। তুমিতো বকরির
তিন নম্বর বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে পীরের
বাড়িতে গিয়ে শুধু লাফালাফিই করে গেলা।
আসো বসো মুরিদ হও, ধ্যান-সাধনা কর, যদি
আল্লাহর রহস্যলোকের কিছুই না পাও
আমাকে ফেলে চলে যাও। এখানে পীর বড়
নয় এখানে সত্য বড়। সারা জীবন বাবা
বাবা ডাকবা পাইবা না ঘোড়ার ডিমও
সেই বাবা ডাইকা কোন লাভ নাই।
--------কালান্দার ডাঃ বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল
যদি একটি মিথ্যাকে সতের বার সত্য বলে বলা হয় , তা হলে ইহা সত্যের মতো বেজে উঠবে।
------------- ডক্টর গোয়েবলস।
যে পীর মুরিদের ধন-সম্পদের দিকে তাকায় বলে দাও সে দুনিয়াদার মরদুদ (মরদুদ শয়তান)
--------কালান্দার ডাঃ বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল
এই ফেরেশতাগণ এবং রুহ যে-রাতে আল্লাহর অনুমতিতে অবতরণ করে সেই রাতটিকে বেজোড় এবং শক্তিশালী রাত্রি বলে আখ্যায়িত করা হয়। হাকিকতের সঙ্গে মেজাজি কথাগুলোর কী অপূর্ব মিলন ঘটানো হয়েছে কোরানুল হাকিম-এ । এখানে একটু লক্ষ্য করে দেখুন তো যে ফেরেশতাগণ এবং নফ্স নাজেল করার কথাটি বলা হয়নি । প্রথমে ফেরেশতাগণ এবং পরে রুহের কথাটি বলা হয়েছে, কারণ ফেরেশতাদের নফ্সও নাই রুহও নাই এবং থাকার প্রশ্নই উঠতে পারে না, কারণ ফেরেশতারা যত শক্তির অধিকারীই হোক না কেন তাদেরকে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মোটেও বলা হয়নি, বরং ফেরেশতাদেরকে আমরা সেবকের ভূমিকায় দেখতে পাই, মাওলার ভূমিকায় নয়। ফেরেশতারা সেফাতি নূরের তৈরি তাই ফেরেশতারা সৃষ্টির শেষ সীমানা পর্যন্ত তথা সিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত যাবার অনুমতি পেয়েছে। অনেক অনুবাদক না–বুঝে, না–শুনে রুহকে জিবরাইল ফেরেশতা বলে অনুবাদ করেছেন। সহজ-সরল পাঠকেরা এরকম খাস্তা অনুবাদ পড়ে-পড়ে আস্তা থাকার কথা নয় এবং তখনই এক ইসলামের মধ্যে ফেরকাবাজি শুরু হয়ে যায়। আত্মকেন্দ্রিকতার অন্ধকার গহ্বরে নিরপেক্ষ দর্শনটি হারিয়ে যায়। অনেকে তো কোরানুল হাকিম-কে ডাল-ভাতের মতো সহজ মনে করে থাকে এবং বিকৃত অনুবাদ ও বিকৃত ব্যাখ্যায় ভরপুর করে রাখে এবং এই বিকৃত অনুবাদ ও বিকৃত ব্যাখ্যা পড়ে-পড়ে সরলসহজ মানুষটির মনের অবস্থানটি কেমন হয় তাহা কমবেশি সবাই বুঝতে পারে। নিউটন, আইনস্টাইন , নিলস্ বোর এবং স্টিফেন হকিং-এর মতো অসংখ্য জ্ঞানী-গুণীর জন্য যদি কোরানুল হাকিম শিক্ষনীয় বিরাট একটি বিষয় না হতে পারে তা হলে আমাদের মতো অল্প বিদ্যায় বিদ্বানেরা এই প্রশ্নের কী উত্তর দেয় ?
সুরা মোমিন-এর পনের নম্বর আয়াতে রুহ সম্বন্ধে বলা হয়েছে: ইউলকির (নিক্ষেপ করেন, ক্ষেপণ করেন, সম্মুখে স্থাপন করেন, অর্পণ করেন) রুহা (রুহকে , পরমাত্মাকে) মিন্ (হইতে ) আমরিহি (তাঁহার আদেশ) আলা (উপর) মাই (যাহাকে ) ইয়াশাউ (ইচ্ছা করেন) ।নিক্ষেপ করেন রুহ তাঁহার আদেশ হইতে যাহার উপর ইচ্ছা করেন।
এই আয়াতে রুহকে নিক্ষেপ করার কথাটি বলা হয়েছে তথা রুহকে ক্ষেপণ করা হয় বলা হয়েছে। এই রুহকে ক্ষেপণ করার কাজটি করা হয় তাঁর(আল্লাহর) আদেশ হতে যার উপর তিনি (আল্লাহ ) ইচ্ছা করেন। আল্লাহর ইচ্ছার উপযুক্ত বান্দা হতে পারলেই সেই বান্দার উপর তাঁর আদেশ হতে রুহ নিক্ষেপ করা হয়। অবশ্য আল্লাহর তৈরি প্রতিটি মানুষের সঙ্গে রুহকে অতীব সূক্ষ্ম বীজরূপে স্থাপন করে দেওয়া হয়েছে তথা প্রতিটি মানুষের সঙ্গেই আল্লাহ প্রতিপালকরূপে তথা রবরুপে বিরাজ করছেন। সাধারণ মানুষ বুঝে উঠতে পারে না যে আল্লাহ তারই ভেতর রবরূপটি তথা প্রতিপালকের রূপটি ধারণ করে অতীব সূক্ষ্ম রুহরূপে বিরাজ করছেন। তাই মানুষ নিজের ভেতর ঘুমিয়ে থাকা সত্যটিকে বুঝতে না পেরে উর্ধ্ব গগনে আল্লাহর অবস্থানটি আছে বলে বিশ্বাস স্থাপন করে আকাশের দিকে তাকিয়ে প্রার্থনার ভাষাটি বলতে থাকে। সাধক যখন নির্জনে একাকী মাসের পর মাস বিরাট ধৈর্যধারণ করে ধ্যানসাধনায় মগ্ন থাকে তখন এই মগ্ন অবস্থার মাঝেই একদিন না একদিন আল্লাহরই আদেশ হতে তথা আল্লাহর বিশেষ রহমতে এই রুহকে জাগ্রত অবস্থায় দেখতে পেয়ে হতভম্ব হয়ে যায় এবং মেজাজি সেজদায় লুটিয়ে পড়ে।
আসলে সাধকের অন্তরে যে পর্যন্ত দুইয়ের অবস্থান বিরাজ করে তথা পবিত্র নফস যোগ খান্নাসরূপী শয়তান উভয়ে একত্রে বসবাস করে ততক্ষণ পর্যন্ত রুহের আসল পরিচয়টি লাভ করা যায় না। আপন পবিত্র নফস হতে অপবিত্র খান্নাসকে তাড়িয়ে দেবার গভীরতাটি সমভাবে সবার বেলায় প্রযোজ্য হয় না। কারও অল্প সময়েই হয়ে থাকে, আবার কারও-বা বেশ কিছু সময় লাগে, আবার কারও-বা দীর্ঘ সময় লেগে যেতে পারে। যেইমাত্র পবিত্র নফসটি অপবিত্র খান্নাস হতে মুক্তি লাভ করে তখনই রুহের আসল পরিচয়টি জানতে পারে এবং এবং জানাটি আল্লাহর আদেশ হতে আগত। তাই সাধকের কাছে মনে হবে যে, এই রুহকে নিক্ষেপ করা হয়েছে।
সগীরে আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজ মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বাহুসনে এহে্তেমামত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী আল সুরেশ্বরী।
(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৩ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।
পাগল হয়ে যাব, এত উচ্চমানের লিখা মাথায় আঁটে না। নফস ও রূহের পার্থক্য বিষয়ের উপর লিখতে গিয়ে বাবা জাহাঙ্গীর তাঁর কোরানুল মাজিদের ৬৩ নং পৃষ্ঠায় নিম্নোক্ত লিখাটির অবতারণা করেছেন। "Religious view of World Theology" ক্লাসে আমার ম্যাডামকে ( কোন এক কারণে তাঁর নামটি উল্লেখ করা হল না) এ লেখাটা দেখিয়েছিলাম আর বলেছিলাম আমাকে বুঝিয়ে দিন, প্রত্যুত্তরে কিছুক্ষণ ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থেকে বললেন, "সারাজীবন ভাত খাওয়ার জন্য বিদ্যার্জন করে গেছি, কিন্তু, এ লেখাটা সক্রেটিস শ্রেণির লোকের লেখা যিনি নিজেকে চিনেছেন, এটা রেনে দেকার্তের মতো দার্শনিকদের দর্শন থেকে আরো উচ্চতম দর্শনের লেখা, এটা ডেভিড হিউম আর কান্টদের থেকে অারো অনেক উপরের লেখা, এখানে সমস্ত সন্দেহের অবসান ঘটেছে, এখানে মিলনের প্রশ্নে পুরোটাই Eternal Entity, এখানে দেহধারী মানুষটা নি:সন্দেহে পরমসত্ত্বার প্রতিমূর্তি, যদি তোমার সাথে তাঁর সাক্ষাত হয় তো আমার সালাম পৌঁছে দিও।
আসলে উলঙ্গ সত্য কথাটি বলতে গেলে বলতে হয় যে, রুহুল অামিন হলেন মহানবির অাপন অাধ্যাত্মিক প্রতিচ্ছবি। ইহা জগৎময় ব্যক্তও হতে পারে, আবার যেকোন মূর্তি ধারণও করতে পারে। ইহা স্থান-কালের (টাইম এন্ড স্পেস) সব রকম মানুষের আদি ও আসল রূপ। এইরূপের মাঝে প্রত্যাবর্তন করাই মানবজীবনের পরম এবং চরম স্বার্থকতা। অাল্লাহর নিকট মানুষের প্রত্যাবর্তন করার তথা ফিরে আসার অর্থটিও ইহাই।
ভক্ত Aaga Bagalane (আগা বাগালেন) র কমেন্টটি তুলে ধরলাম
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন