সোমবার, ৩১ জুলাই, ২০১৭


ডাঃবাবা জাহাঙ্গীর বা-ঈমান আল সুরেশ্বরী এর শানে..

       জাহাঙ্গীর বাবার তরজমাতে....
      শিল্পী :পরশ দেওয়ান

ডা:বাবা জাহাঙ্গীর বা-ঈমান আল সুরেশ্বরী রচিত বইসমুহ পাইকারি মূল্যে নিম্নোক্ত ঠিকানায় পাওয়া যাচ্ছে........। 

              ঠিকানা:
                  সুফিবাদ প্রকাশনালয়
              প্রযত্নে:বে-ঈমান হোমিও হল
   ১০৮ নিউ এলিফ্যান্ট রোড(২য় তলা) ঢাকা-১২০৫
               মোবাইল ঃ০১৯১১৫৯৭৭৮০

Follow us on youtube:
https://youtu.be/qIDupxPLNyQ

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই, ২০১৭

আমাদের পীর বাবা কালান্দার জাহাঈীর এর অবাক করা বাণী- ৩


যেখানেই ক্ষমতা সেখানই মোহ লুকিয়ে থাকে ঐ ক্ষমতার পূজারীকেই প্রশ্নের সম্মূখীন হতে হয়।    
                                                 বারট্রান্ড রাসেল
জেন রাখ ভাষাটি কিছু্ই নয় ! কেবল মাত্র ভাবের বাহণ এই ভাবের বাহনটি কঠিন শব্দে বেধে রেখো না তাহলে জনতা বুঝত পারবে না । ভাবটি তোমার কাছে ফেরত আসবে।
                                            জওহরলাল নেহারু
 দুনিয়ার একটি স্থানে মানুষ হেরে গিয়ে সবচাইতে বেশি আনন্দ পায়, আর সেই স্থানটির নাম হলো নিজের সন্তানের কাছে হেরে যাওয়া।
                -                  ----- বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

আল্লাহ মানা খুবই সহজ পীর মানা ঠিক ততটুকু কঠিন
                                                       --------বশরে হাফি।


আল্লাহ্ কোরানের সূরা লোকমান আর সূরা ইয়াসিনে বলেছেন যে, এই কোরানের  ব্যাখ্যা তথা তফসীর শেষ করা যাবে না। উদাহারণ দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন। পৃথিবীর যত পানি আছে সবগুলো যদি কালি হয় এবং গাছগুলো যদি কলম হয়, তবু কালি শেষ হয়ে যাবে কিন্তু ব্যাখ্যা তথা তফসীর লিখা শেষ হবে না। এ যে খুবই সাংঘাতিক কথা! তাহলে আমরা যে কোরানের ব্যাখ্যা লিখে শেষ করে ফেলি! কেউ কম কেউ বেশী ব্যাখ্যা লিখি কিন্তু এই ঘোষনার সামনে তো কোন তুলনা করাই চলে না। তাহলে এর আসল রহস্য কি? দুনিয়ার এত বই কাগজ লিখা হয়ে গেছে মানুষের তৈরি কালি দিয়ে এবং আরো লিখা হবে তবু তো কালির সামান্য অংশটিও শেষ হয়নি। তাহলে এর জবাবটা কি? আমি হয়তো চল্লিশের উপর কোরানের তফসীর পড়েছি। কিন্তু এই বিষয়টিতে আমার মন মত জবাব অথবা ব্যাখ্যা পাইনি। আমাদের তফসীরগুলো একটি স্থানে এসে থেমে যায়। সবাই কম বেশী ব্যাখ্যা লিখে শেষ করি। পৃথিবীতে যতগুলো দেশ আছে সব দেশের সব রকম বইপত্র কালি দিয়ে ছাপা হচ্ছে প্রতিদিন এবং কতদিন পর এই কালি শেষ হয়ে যাবে তা বলতে পারবো না। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই কালির পরিমান কতটুকু? পৃথিবীর তিনভাগ পানি আর একভাগ মাটি অথচ এই বিশাল পরিমাণ পানি যদি কালি হয় তবু কোরানের ব্যাখ্যা লিখে শেষ করা যাবে না। প্রতিটি মানুষের চোখে মুখে অবাক হবার ছাপটি ফুঁটে উঠবে এবং মুখে কিছু না বলে বোবা মনটির মেনে নিতে বড়ই কষ্ট হবে। তাহলে কোরানের হাকীকত কি? কোরান কি কেবল কালির কিছু নির্দিষ্ট অক্ষর অার কাগজের মধ্যে সীমাবদ্ধ? কোরান কি পশুর চামড়া, খেজুর পাতা, পাথর আর হাড়ের মধ্যে লিখে রাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ?  কেন মওলা আলী হজরত উসমানকে বলেছিলেন, "আপনার লিখিত কোরান বোবা আর আমি জীবন্ত কোরান।" এই নূরী কোরানের বিষয়টি বিস্তারিত এবং অপূর্ব ব্যাখ্যা দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন বাবা জান শরীফ শাহ সুরেশ্বরী তাঁর রচিত "সেররে হক জামেনূর " বইতে। নূরী কোরান কি, তা জানতে হলে বইটি পড়া অবশ্য কর্তব্য বলে মনে করি। কেন মওলা আলি বলেছেন যে, তিনি সেই আল্লাহর ইবাদত করেননি যে আল্লাহ্কে দেখা যায় না।

@ নাই নাই প্রতিটি লিখা পড়লেই আপনিই বুঝতে পারবেন পৃথিবীতে তার জোড়া নাই।
  -------  শাহ্ সুফি সৈয়দ ময়েজউদ্দিন আল সুরেশ্বরী

সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজে মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বা-হুসনে এহে্তেমামাত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে- নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।

(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৫ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।



"কালান্দার ড. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল"
বে-ঈমান হোমিও হল।
নিউ- এলিফ্যান্ট রোড, ১০৮
 ঢাকা-১২০৫
আমাদের পীর বাবা কালান্দার জাহাঈীর এর অবাক করা বাণী....১

সবচাইতে বড় শত্রুটি তোমারই ভেতর আছে, তোমাকে এগিয়ে যেতে হবে এই মহাশত্রুটিকে ধারণ করে।
                       -- সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ দার্শনিক "নিটসে"

"তুমি বিনয়ের শেষ সিড়িতে দাঁড়িয়ে যাও,দেখতে পাবে তুমি সম্মানের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত "
                 বাংলােদেশের সবচাইতে জালালি পীর বাবা শাহ্ পরান।

     বিশ্ববিখ্যাত দার্শনিক সোরেন কেয়ারকিগার্ড বলেছেন, "যে মানুষটি সব প্রশ্নের উত্তর একটু চিন্তা না করেই, সামান্য ভাবনা না ভেবেই গড় গড় করে উত্তর দিতে পারে, সে একজন বিপদজনক মানুষ, সেই মানুষটি হতে যত দূরে পারো সরে থাকতে চেষ্টা করো ।"

 "মানুষ লাঠির ভয়ে আত্মহত্যা করে না, আত্মহত্যা করে, শরম -লজ্জার প্রচন্ড অভিমানে ।"
                                        - কালান্দার জাহাঈীর..



গবেষণার ধর্মই হল সব কিছু খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখা। এই রকম দেখাটি যারা বারণ করে তারা পেছনে পড়ে থাকে। বস্তুবিজ্ঞানের সবগুলো শাখা প্রশাখায় যেভাবে গবেষণা চলছে তাতে প্রতিদিন নতুন নতুন বিষয়গুলো ধরা পড়ছে। উদ্ভিদ হতে জীববিজ্ঞানের বিস্ময়কর উন্নতি হয়েছে এবং আরো কত কি যে হবে তার হিসাব নেই। সব বিষয়ের উপর গবেষণা করার কথাটি কোরান বহুবার বলেছে। আমরা যদি গবেষণা করতে চাই এই বলে যে, আল্লাহ বলতে কি বুঝায়? যে আল্লাহর নামটি দুই ইঞ্চি ঠোঁটে উচ্চারণ করি তিনি কেমন? যতগুলো সুন্দর নাম আছে সবই আল্লাহর নাম। গাছ একটি নাম। আসলে গাছ বলতে দেখতে পাই যে, কতগুলো গুনের সমষ্টির একটি নাম। গুণ গুলো একটা একটা করে আলাদা করলেই একটি নামের সঙ্গে সেই বিশেষ গুণটিকে জড়িয়ে দিতে হয়। কারণ গুণগুলো আলাদা করলেই অন্য নাম ধারণ করে।তাই অন্য নামটির সঙ্গে সমস্ত গুণের সমষ্টির একক নামটি প্রতিটি গুণের কথা বলতে গেলে নিতে হয়। যেমন গাছের শিকড়, গাছের কান্ড, গাছের শাখা-প্রশাখা, গাছের পাতা, গাছের ফুল, গাছের ফল ইত্যাদি। সবগুলো সুন্দর নাম একত্র করলে যে একটি নাম হয় তার নাম গাছ। শিকড় একটি অংশ কান্ড একটি অংশ,শাখা - প্রশাখা একটি অংশ, পাতা একটি অংশ, ফুল ও ফল দুটো অংশ। সবগুলো অংশ একসাথে মিলাতে গেলেই  নাম হয় গাছ। রহমান, রহিম, জাব্বার, হাফিজ, হান্নান এরকম যতগুলো গুণ আছে সবই এক আল্লাহর খন্ডিত গুণের অংশ। সবগুলো খন্ডিত গুণের অংশ একত্র করলেই নামটি হয় আল্লাহ। তাই আল্লাহ নামটিকে ইসমে আজম বলা হয়। তাই আল্লাহ বলার সাথে সবগুলো খন্ডিত গুণের একত্র হওয়াটিকে বুঝনো হয়। কোরান বলছে যে, পূ্র্ব ও পশ্চিম যেদিকেই তাকাও না কেন, কেবলমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কিছুই দেখতে পাওয়া যাবে না। অথচ অন্য সবকিছুই দেখতে পাই কিন্তু আল্লাহকেই দেখি না। কেবলমাত্র আল্লাহকেই কখন দেখা যাবে সেই কথাটিও বলে দেওয়া হয়েছে। উকিল ধরতে বলা হয়েছে। এই উকিল বলতে কোরান  কি বোঝাতে চেয়েছে? সেই উকিল হবার যোগ্যতা যিনি অর্জন করতে পেরেছেন, তিনি আল্লাহ ছাড়া কিছুই দেখেন না। এইরূপ উকিল ধরেই একমাত্র আল্লাহ ছাড়া যে আর কিছুই নেই তা বুঝতে পারা যায়। এজন্যই আয়াতের শেষ অংশে উকিল ধরতে বলা হয়েছে। আবার কোরান অন্যত্র বলেছে যে (আইনামা তুয়াল্লু ফাসাম্মা ওয়াজহুল্লাহ)      "যেদিকেই তাকাও না কেন, আল্লাহর চেহারা ছাড়া কিছুই দেখা যায় না।" আবার ওয়াহেদ এবং আহাদ এক বিষয় নয়। ওয়াহেদ হল এক আর আহাদ হল অখন্ড অদ্বিতীয় সত্তা। আহাদের ঘোষণাটি দিতে বলেছে, ওয়াহেদের নয়। আবার লা মওজুদা ইল্লাল্লাহ "নাই কোন অস্তিত্ত আল্লাহ ছাড়া।" বড় সাংঘাতিক কথা! আল্লাহ ছাড়া কোন অস্তিত্ত নাই। তাহলে অস্তিত্ত বলতে কি বুঝায়? বস্তুর বিজ্ঞান অস্তিত্ত বলতে কি ব্যাখ্যা দিয়েছে? আর অস্তিত্ত নেই বলতেই বা বিজ্ঞান কি ব্যাখ্যা দিয়েছে? বিজ্ঞান বিষয় হতে জানার অনুরোধ করলাম। কারণ নাই বলে কিছু নেই। তাহলে নাস্তিক্যবাদ (নিহিলিজম) বলাটাই একদম ভূয়া, একটা আত্নবিরোধের সুক্ষতম প্রতারণা। কারণ নাস্তিক্যবাদ মনে বাস করতে পারে, যদিও নাস্তিক্যবাদের অস্তিত্ত এবং প্রমান নেই। নাস্তিক্যবাদ ধোঁকা দেবার মেকী স্টাইল, কৃত্রিম আস্ফালন, শূন্য তর্জন গর্জন করা। নাস্তিক্যবাদ হল শূন্য যোগ শূন্য সমান শূন্য।

সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজে মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বা-হুসনে এহে্তেমামাত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে- নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।

(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৫ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।

"কালান্দার ড. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল"
বে-ঈমান হোমিও হল।
নিউ- এলিফ্যান্ট রোড, ১০৮
 ঢাকা-১২০৫


                          দরবারঃ
               ফকিরনি দরবার শরীফ
চুনকুটিয়া চৌধুরী পাড়া,দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা।
            মোবাইল ঃ০১৭১৭৬৩৬৩৫৩

বুধবার, ২৬ জুলাই, ২০১৭


 আমাদের পীর বাবা কালান্দার জাহাঈীর এর অবাক করা বাণী- ২

ব্যর্থতাই এনে দেয় বিজয়ের স্তম্ভ
                              ----------- উইলষ্টন চারচিল
বিপদ জানে না হিটলার তার চাইতেও বড় বিপদ
                                  ----------- এডলফ হিটলার

যিশু খ্রিস্ট বলেছেন, যে ব্যক্তি বলে আমি আল্লাহকে মানি কিন্তু যিশুকে মানি না সে একজন মিথ্যুক । তাকে তুমি ভুলেও অনুসরণ করতে যেও না।
---------বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর ।

যদি একটি মিথ্যাকে সতের বার সত্য বলে বলা হয় , তা হলে ইহা সত্যের মতো বেজে উঠবে।
                                         ------------- ডক্টর গোয়েবলস।

তারপরেও যিনি নিজেকে সগীরে আজম তথা সবচাইতে ছোট পীর বলে ঘোষণা করেন, তিনি কি সত্যিই ছোট? আপনার বিবেকের আদালতে কী রায় দিবেন?
                         ------------- বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

খান্নাসমুক্ত আমির মাঝেই পাবে আমিকে, ঐ আমিটাই দূষিত আমি নয়। নির্ভেজাল আমির মাঝে কেবলই রুহরূপী আল্লাহ পরিপূর্ণরূপে জাগ্রত হয়ে উঠে।
                           ---------মাওলানা জালাল উদ্দিন রূমি।

তুমি নিজেকে শূন্যের কোঠায় নিয়ে যেতে চেষ্টা কর, যদি শূন্য হয়ে যেতে পার সমালোচনা ঠাঁই পাবে না । কেবলমাত্র ঠাঁই পাবে নীরবতা অথবা প্রশংসা।
                                                    --------ব্রুন বাউর।

তুমি  দেখতে পাওনা? ধন-সম্পদে ডুবে থেকে কত অহংকারের পচা বচন শুনায় । মরে যাবার পর সেই অহংকারীর জন্য একটি কুকুরও কাঁদে না।
                            --------বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

জানিয়া রেখ, চোরও লাশের কাপড় চুরি করে। কিন্তু মাজারের গিলাপ কখনই চুরি করে না।
                                  ~বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

চোরও চোরকে ঘৃণা করে, যে চোর গরু চুরি করে।                                      - বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

রূপসী নারীকে দেখে যে বলে ভালোবাসি, জেনে রাখ সেটা কখনই ভালোবাসা না, দৈহিক চাহিদা মাত্র।
                                ~বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

প্রেমের যত বড় বেদনা তোমার সামনে আসুক, উহ্ শব্দটি করো না । কারণ তোমাকে দেখলেই বুঝতে পারবে, প্রেমের যাতনায় তুমি বরবাদ হয়ে গেছ।
                                              ~হযরত সারমাস্ত।


বস্তুবিজ্ঞান আর আধ্যাত্মবিজ্ঞান যে দু'টো সম্পূর্ণ  আলাদা বিষয় এটা বুঝতে না পেরে মানুষ গোলকধাঁধাঁয় পড়ে যায়। দু'টোকে এক করে ফেললেই আত্মবিরোধের রোগে ভুগতে হয়। সমাধান খুঁজে না পেয়ে ধর্ম বিষয়টিকে অতিরিক্ত (এডিশনাল) বিষয় মনে করে। বস্তুবিজ্ঞান জগত বিষয়ের উপরে গবেষণার ফল। আর আত্মার বিজ্ঞান আত্মাকে জানার গবেষণা এবং আত্মপরিচয় জানাটাই হল গবেষণার (সাধনা) ফল। আত্মপরিচয় জানতে পারলে আল্লাহকে তথা পরিচয়কারীর রবকে জানা হয়ে যায়। যদি
রূপকভাষায় বলতে চাই তাহলে আমার ভিতরের পরমাত্মাটি (রূহ) - ই সে বিশ্বরবের উদ্ভাসিত রূপ। তাই বলা হয়েছে  যে, আল্লাহ প্রতিটি মানুষের শাহারগের অতি নিকটেই আছেন। আরো একটু রূপক ভাষায় বলতে গেলে বিন্দুজলের সিন্ধুর বিশাল জলে মিশে একাকার হয়ে যাওয়া। নফস তথা (জীবাত্মা ) বাহনের ভূমিকা পালন করে। বাহন (নফস) আর বাহককে (রূহ) এক করে ফেলি বলে ভ্রান্তির জটিলতা দেখা দেয়। যদিও দু'টোরই আকার নেই। দু'টোই শহুত তথা নিরাকার। বাহক (রূহ) 'আনাল হক' এবং 'সোহহম সোহমি' বললে মনে হয় বাহন (নফস) বলছে। কারণ বাহন (নফস)  ছাড়া বাহকের (রূহ) পরিচয় পাওয়া যায় না। বাহনকে (নফস) তাই বাহকের (রূহ) সিংহাসন বলা হয়। বাহন (নফস) তখন বাহকের (রূহ) গোলামে পরিনত হয়। তাই বাহনের (নফস) যখন আর নিজের বলে কিছুই থাকে না তখন বাহক (রূহ) প্রকাশিত হয় এবং তখনই সম্পূর্ন থাকার কথাটি বাহন (নফস) বলে। বাহক(রূহ) তখন বলে যে, বাহন(নফস) যা বলে, করে দেখে এবং চলে তা বাহকের (রূহ) কর্ম।এই বাহনের (নফস) মেরুদণ্ড থাকে না। বাহনের মেরুদণ্ড থাকা পর্যন্ত বাহক আসবে না, ধরা দেবে না। কিন্তুু বস্তুবিজ্ঞানেরও সাধনা করতে হয়। গবেষণার সাধানায় ডুবে থাকতে হয়। কিন্তুু স্বকীয়তা থাকে, আমি আমি থাকে মেরুদণ্ডটি শক্তই থাকে। সুতরাং বস্তুবিজ্ঞানী ও আত্মারবিজ্ঞানীর পরিচয় ও কর্ম এক নয়। পরিস্কার বোঝা যায় যে,উভয়ের অবস্থান দুটি ভিন্ন মেরুতে। উভয়ের ফলটিই কিনে নিতে হয়। একটি মুদ্রা দিয়ে কিনতে হয় এবং অপরটি প্রেম দিয়ে কিনতে হয়। তাই মুদ্রা (টাকা)  দিয়ে প্রেম কেনা যায় না এবং প্রেম দিয়ে মুদ্রা কেনা যায় না। কেনা যায় বলে ধমক দিলে বলতে হয় যে, অভিনয় কেনা যায়, কৃত্রিম হীরা কেনা যায়, ইমিটেশন কেনা যায়। এতে আসলের একটা তৃপ্তি অবশ্যই আশা করা যায়। নেগেটিভের মাঝে পজেটিভের একটি গন্ধতো আশা করা যায়। এজন্যই একের দর্শনে আসল এবং নকলের দুটোর রূপই ফুঁটে উঠে। পার্থক্য করতে না পারলে অনেক রকম মতামত দেখা যায়। এতো মতামতের যুক্তি ও প্যাঁচমারা কথার মালা থেকে যে কোনটা বেছে নিতে হবে এই সিদ্বান্ত নিতে কষ্ট হয়। তাই তকদিরের উপর যে নির্ভর করতে হয় একথাটি কি ভূল? সুতরাং বিজ্ঞানী এবং ওলীর মাঝে যে পার্থক্য সেটা ধরা পড়ারই কথা।


"মে নেনে কে হামুবুত
 মি গুফত আনালহক
দার সুরাতে মনসুর
 মনসুর না বুদা
কে বারদার বারামাৎ"

অনুবাদ: না, না কখনই না, আমিই বলেছি আনাল হক, মনসুর বলে নাই। মনসুরের সুরতে আমিই বলেছি।                                                  
                ------------   মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমী।
সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজে মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বা-হুসনে এহে্তেমামাত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে- নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।

(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৫ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।

"কালান্দার ড. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল"
বে-ঈমান হোমিও হল।
নিউ- এলিফ্যান্ট রোড, ১০৮
 ঢাকা-১২০৫

মঙ্গলবার, ১১ জুলাই, ২০১৭

ইসলামে জাকাত বিষয়ের আলোচনা ১

এবার আমরা কোরান-হাদিসে উল্লেখিত জাকাত বিষয়টির উপর সংক্ষেপে আলোকপাত করবো। সাধারণ মুসলমান নামে যারা সমাজের বুকে পরিচিত তাদের কথা তো বাদই দিলাম। কিন্তু যারা ইসলামকে নিয়ে রীতিমতো গবেষণা করেন তারাও জাকাত বলতে যে আড়াই টাকা মোটেই নয় এবং আড়াই টাকাকে কোরান-হাদিসের কোথাও জাকাত বলে নি সেটাও বড়ই দুঃখজনকভাবে আমাদের কাছে একেবারেই অপরিচিত হয়ে রইল– যেন মহাকালের গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়া মুক্তোর আর সন্ধানই কেউ ক্ষ্যাপার পরশমণি খোঁজার মতো খুঁজেও পেল না। যারা ‘ধনী-গরিব আল্লাহ বানায়’ বলে আল্লাহর উপর সমস্ত দোষ চাপিয়ে দিয়ে নিরপরাধ সেজে তথাকথিত সভ্যতা অনুশীলন আমাদের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ান– তারাই দায়ী ? এ রকম তথাকথিত সভ্যতার বাতাস সেবন করে যারা একবোঝা ডিগ্রির নরমুণ্ড গলায় পরে শিক্ষিত ও  গবেষক বলে সমাজে পরিচিত, তাদের কাছে আসল বিষয়টি উদ্ধার করতে যাওয়া অনেক ক্ষেত্রে অরণ্যে রোদনের সামিল। বরং আসল বিষয়টাকে তারা এমনভাবে কবর-চাপা দিয়ে ফেলেছে যে, আসলটা  মাথা উঁচু করে যদি কখনও উঁকি-ঝুকি মারতে চায় তখনই ভূত দেখে মারপিটের মতো ‘নকল-নকল’ বলে চেঁচিয়ে সমাজকে আরও বিভ্রান্তির অতল তলে তলিয়ে দেয়।
শতকরা আড়াই টাকাকে কোরান-হাদিস কোথাও জাকাত না বলে ‘সাদকা’ বলেছে। যেখানেই সম্পদের উপর করদানের প্রশ্ন , সেখানেই কোরান-হাদিসে 'সাদকা' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। অনুবাদকারীদের মধ্যে এই শব্দ–পরিবর্তন বিশেষভাবে  লক্ষ্য করার বিষয়। কোরান শরিফ ঘোষণা করেছে যে, হজরত লুত, হজরত ইব্রাহিম এবং প্রত্যেক নবিই জাকাত দিয়েছেন। এখন প্রশ্ন হলো, হজরত লুতের জন্ম আজ থেকে বহু বছর আগে। অন্যান্য নবিরা তো আরও বহু পুরাতন। ইতিহাসই বলেছে, মাত্র কয়েক হাজার বছর আগে পণ্যবিনিময় প্রথা তথা বারটার সিসটেম তথা এক্সচেইঞ্জ অব কমোডিটি ছিল এবং এই প্রচলন বেশ কিছুদিন মানবসমাজের বুকে পরিচিত ছিল। কিন্তু পণ্যবিনিময় প্রথার আগের ইতিহাসে আমরা দেখি আদিম সাম্যবাদ। এই আদিম সাম্যবাদ কয়েক হাজার বছর আগেই ছিল । এখন বিরাটা প্রশ্নটি হলো, যখন পয়সারও প্রচলন ছিল না এবং পণ্যবিনিময় প্রথাও ছিল না তখন কোরান-এ বর্ণিত নবিরা কোন জাকাত দিয়েছেন, যদি জাকাতের অর্থ একান্তই মাল ও শতকরা আড়াইভাগ অথবা টাকা বলে প্রচার করা হলো? এতে কি আত্মবিরোধী কথার সমাবেশ হয় না? তবে কি শ্রদ্ধেয় আলেম ভাইয়েরা সোনার পাথরের বাটি এখানে খুঁজে পাচ্ছেন না? তবে যে সমস্ত তেলেসমাতি গবেষকরা 'ডক্টরেট' মুণ্ড গলায় ঝুলাবার লোভে সিক্ত, তার হাতিটাকে নদীতে টেনে হেঁচড়িয়ে ফেলে দিয়ে , নদীর রচনায় গবু দার্শনিকদের মতো ভাবগম্ভীর পরিবেশ সৃষ্টি করে পাণ্ডিত্যের বমি উদগীরণ করে। এই বমির গন্ধে সমাজের সহজ, সরল, কাঁচা গলা মোমের মতো মানুষগুলোকে এমনিভাবে আক্রান্ত করে ফেলে যে, এরা আর সহজে কোনো প্রতিষেধক ঔষধ পায় না। আর যদি একান্ত ঔষধ মেলেই, তবে সেই ঔষধে প্রাণ বাঁচলেও , মরলে জাহান্নামে যেতে হবে বলে তেলেসমাতি গবেষকেরা ভয় দেখিয়ে ফেলেছেন। মরে যাও তাতে কোনো দোষ নেই , কিন্তু এই জাতীয় ঔষধ খেয়ে বাঁচাও মহাপাপ বলে আশা দিয়েছেন তেলেসমাতি গবেষকবৃন্দ।

        চেরাগে জান শরীফ   
 ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী                                
"কালান্দার ড. বাবা জাহাঙ্গী ইকবাল"
বে-ঈমান হোমিও হল।
নিউ এলিফ্যান্ট রোড ১০৮ . ঢাকা-১২০৫।
ইসলামে জাকাত বিষয়ের আলোচনা ২

আমার দেহের মধ্যে যে আমি আছি ইহাই তো ঈশ্বরের অবস্থান করার সর্বশ্রেষ্ঠ প্রমাণ। ঈশ্বর আমার মধ্যে, আমি ঈশ্বরের মধ্যে। প্রমাণ দেবার আর কোনো প্রয়োজন নেই। আমি যে আমার মধ্যে আছি, এই যুক্তি খণ্ডালেও আমি আছি, না খণ্ডালেও আমি আছি।
~দার্শনিক রেনে ডেকার্তে

আমিই তো আমারই খুনি ,আবার আমিইতো আমারই শাস্তি।
~ডস্টয়ভস্কি

ধার করে আনা হীরার নেকলেসটি চুরি হয়ে গেলে মরণ যাতনার বিব্রতকর পরিবেশ তৈরি হয় ।
~সমারসেট মম

এই একই মানুষ কখনও অবাক করা পবিত্র, আবার কিছুদিন পর অবাক করা পাপী।
~লিও টলস্টয়

একটি মানুষের জন্য কতোটুকু মাটির প্রয়োজন হয়? উপদেশটা বললেন : মাত্র সাড়ে তিন হাত ।
~লিও টলস্টয়

 প্রতারণায় ধন-সম্পদের প্রাচুর্যতা আসতে পারে, আবার এটাই মৃত্যুর উপসংহার। ~দার্শনিক ফ্রেডারিক নিটশে

রুচির মৃত্যু একবারই হয়। যৌবনের উচ্ছ্বাস ইতিতে মরণ।
~বলাই চাঁদ মুখোপাধ্যায়। (বনফুল)

জন্মের দাগগুলো মরণেও মুছে যায় না। বানানো দাগগুলো বৃষ্টিতেই মুছে যায়। ~হজরত আরজু শাহারানপুরী

আমার চাওয়া-পাওয়াটি কী ছিল? আমি তা নিজেই জানতে পারলাম না। এমনকি মরনের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত।
~হযরত সাকীব

তুমি বিদ্বান হতে পার, তুমি জ্ঞানী হতে পার, তুমি ধন-সম্পদের মালিক হতে পার। কিন্তু সভ্য হতে তিন প্রজন্ম লাগে।
                                          --------------অলডাস হাক্সলী

তুমি নিজেকে শূন্যের কোঠায় নিয়ে যেতে চেষ্টা কর, যদি শূণ্য হয়ে যেতে পার সমালোচনা ঠাঁই পাবে না । কেবলমাত্র ঠাঁই পাবে নীরবতা অথবা প্রশংসা।
                                                    --------ব্রুন বাওর।

তুমি  দেখতে পাও না ধন-সম্পদে ডুবে থেকে কত অহংকারের পচা বচন শুনায় । মরে যাবার পর সেই অহংকারীর জন্য একটি কুকুরও কাঁদে না।
                            --------বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

জানিয়া রেখ, চোরও লাশের কাপড় চুরি করে। কিন্তু মাজারের গিলাপ কখনই চুরি করে না।          
                                -------বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

চোরও চোরকে ঘৃণা করে, যে চোর গরু চুরি করে।                            ----------     বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

রূপসী নারীকে দেখে যে বলে ভালোবাসি, জেনে রাখ সেটা কখনই ভালোবাসা না, দৈহিক চাহিদা মাত্র।
-                                 ------বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

প্রেমের যত বড় বেদনা তোমার সামনে আসুক, উহ্ শব্দটি করো না । কারণ তোমাকে দেখলেই বুঝতে পারবে, প্রেমের যাতনায় তুমি বরবাদ হয়ে গেছ।
                                         -----------হযরত সারমাস্ত।

পৃথিবীটা শান্তিতে ভরে থাক, তাই বার বার শন্তির আহ্বান করছি। জানি শান্তি একটি সোনার হরিণ। সুতরাং আমার এই প্রত্যাশা কোনদিন পূরণ হবার নয়।         "  
"বারট্রেন্ড রাসেল’’

চলচিত্র একটি প্রতারণার প্রদর্শন। আমরা বোকা নই কিন্তু চলচিত্র দেখে আমরা বোকা হয়ে যাই ।
"বারট্রেন্ড রাসেল’’

পৃথিবীকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি সম্ভবত এই সর্বপ্রথম কোরনকে ভিত্তি করে  বিস্ময়কর  রূহ ও নফস যে বিস্তারিত ব্যাখ্যাটি আমাদের পীর বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর দিয়ে গিয়েছেন এই ব্যাখ্যাটি পড়ে নিরেপেক্ষ পাঠকেরা অকপটে বলবেন যে উচ্ছাস মহব্বতে বলছিনা বরং বলছি কঠিন বাস্তবকে সামনে রেখে আমাদের পীর বাবা কালান্দারের বাংলাদেশ তো দূরের কথা সমগ্র পৃথিবীতে জুরি নাই। আমরা এই নফস ও রূহের বিষটির ব্যাখ্যা সর্বসাধারনের সামনে তুলে ধরলাম আশা করি আমাদের এই কথাটা মেনে নেবেন
দার্শনিক ইমানুয়েল কান্ট, রেনে দে কার্ত, দার্শনিক ডেবিড হিউম, দার্শনিক স্পেনসার, দার্শনিক হেগেল, দার্শনিক ব্রুন বাউর, দার্শনিক সরেনর্কেয়াকিগার্ড, দার্শনিক আথার শপেনহাওয়ার, দার্শনিক স্পিউনজার  এরাই আমাদের পীর বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীরের সামনে গুরু আর শিষ্যের মতো, এবং মুসলামান দার্শনিক ইমাম গাজ্জালি , ইবনুল আরাবী, আহমেদ রেফায়ির মতো অনেক মুসলাম দার্শনিক এই বিষয়ে লিখে যান নাই
শাহ সূফি সৈয়দ তারিক আল সুরেশ্বরী

তারপরের প্রশ্নটি হলো, প্রত্যেক নবিই যদি জাকাত দিয়ে থাকেন এবং জাকাতের অর্থ যদি মাল ও আড়াই টাকা হয়, তবে প্রথম মানব হজরত আদম (আঃ) কাকে জাকাত দিলেন? বিবেককে আর ফাঁকি না দিয়ে এই প্রশ্নটির উত্তর দিবেন কি? কোরান বলছে, "আল্লাজিনাহুম লিজ্ জাকাতে ফায়েলুন" –অর্থাৎ ‘তারা (বিশ্বাসীরা ) সদা-সর্বদা জাকাতের জন্য কর্মতৎপর থাকে।’ যদি জাকাত বলতে টাকার অথবা মালের ট্যাক্স বোঝায় তা হলে যে জাকাত দিচ্ছে তার আর সব সময় জাকাত নামক ট্যাক্স দেবার মধ্যে ডুবে থাকার প্রশ্নই আসে না । তা হলে সে অথবা তার পক্ষ হয়ে কেউ বাৎসরিক আয়ের হিশাবটা কিছু সময়ের মধ্যে করেই চুকিয়ে দেওয়া যায় এবং বছরের বাকি সময়টা নানা  বিষয়ের উপর সহজে মনোযোগ দিতে পারবে। সদা-সর্বদা জাকাতের জন্য কর্মতৎপরতায়  নিমজ্জিত থাকার প্রশ্নই তা হলে এখানে উঠতে পারছে না। । বিশ্বাসী হবার যে সংজ্ঞা কোরান দিয়েছেন তার মধ্যে এটিও একটি প্রধান শর্ত যে , বিশ্বাসী জাকাত দেবার জন্য সব সময় নিজেকে নিমজ্জিত রাখে।  যদি জাকাত বলতে ট্যাক্স বোঝায়  তা হলে ধরে নিলাম, একটি গরিব মানুষের সেই গুণটির সম্পূর্ণ অভাব আছে এবং যেহেতু জাকাত প্রদান করাটা বিশ্বাসী বলে গণ্য হবার জন্য একটি অন্যতম প্রধান শর্ত সেই হেতু সে বিশ্বাসী হবার শর্ত হতে কি বঞ্চিত হয়ে পড়ছে না? যদি জাকাত বলতে ‘গরিবের জন্য খাজনা’ বলে ধরে নেই তা হলে কোরান এ একই কথাকে বার বার বলার মঝে কি অবৈজ্ঞানিকতার অথবা গড়মিলের পরিচয় মেলে না? 'সালাত' তথা নামাজ সকলের জন্য অবশ্য পালনীয়, অথচ ‘জাকাত’ –কে বলা হয় শুধুমাত্র কিছু সংখ্যক লোকের জন্য। তাই নয় কি? তা হলে কেমন করে এই দুটো শব্দ বিজ্ঞানসম্মতভাবে সকলের জন্য বার বার আদেশ এবং সতর্ক থাকার জন্য একই সঙ্গে বসানো হলো, যদি একটি আদেশ শুধু কতকের জন্য হয়ে থাকে এবং অন্যটি সকলের তরে? এরকম অবৈজ্ঞানিক শব্দচয়ন কোরান-এর কোথাও নেই । আর যদি একান্তই ‘গরিবের জন্য খাজনা’ কে কোরান-এর জাকাত বলে ধরে নেই তা হলে সমগ্র কোরান-এর ভাবধারা ও দর্শনের মাঝে আত্মবিরোধী ভাবের সমাবেশ দেখা যায়, কিন্তু কোরান-এর কোথাও আত্মবিরোধী একটি উক্তিও নেই। বুঝবার ভুলের জন্যই আত্মবিরোধের জন্ম হয়। আত্মবিরোধ মনের মধ্যে অবস্থান করে, আক্ষরিক কোরান-এর পাতায় নয় । মনের এই আত্মবীরোধের ফলেই আমরা এক ইসলামকে তেহাত্তরটি ভাগ করে ফেলেছি। সবাচাইতে দুঃখ লাগে মনে তখনই, যখন দেখতে পাই এমন একজন অনুবাদকারী পেলাম না যিনি অকপটে অনুবাদ গ্রন্থে অতন্ত্য একটিবারও যদি লিখেতো,যে, ইহার অর্থ বুঝতে পারলাম না। কী জঘন্য হামবড়া ঠেটা মেনোবৃত্তি! বস্তুবিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিষ্কার আমাদের কুসংস্কতার অন্ধকার , অনুমানে ঢিল ছোঁড়া ঠেঁটামি আর ভণ্ডামির মাথায় প্রচণ্ড আঘাত হেনে এক সার্বজনীন চিরন্তন জ্ঞানরাজ্যে নিয়ে চলেছে জোর করে , অথচ বুঝতেই পাারছি না বস্তবিজ্ঞানের শক্তি কত প্রবল, কত অজেয় এবং এই বস্তুবিজ্ঞানই একদিন থলির লুকানো বিড়ালটি বের করে ছাড়বে এবং পৃথিবীর মানুষগুলোকে সব কিছু পরিষ্কার বুঝিয়ে দেবে- কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা।

সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজ মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বাহুসনে এহে্তেমামত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।
(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৫ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।
"কালান্দার ড. বাবা জাহাঙ্গী ইকবাল"
বে-ঈমান হোমিও হল।
নিউ এলিফ্যান্ট রোড ১০৮ . ঢাকা-১২০৫।

রবিবার, ৯ জুলাই, ২০১৭

‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম’

“আল্লাহর নৈকট্যে পৌঁছতে মানুষের ভিতরকে একা
করতে হয়”



মানুষ “একা” নয়। মানুষের অভ্যান্তরে
তিনটি সত্ত্বার বসবাস। (১) রূহ/প্রাণ; যা আল্লাহর নুর/আল্লাহর হুকুম,

(২)
নফস/মন/আমিত্ব, এবং (৩) খান্নাস নামক শয়তান। কিন্তু মানুষ আল্লাহকে বুঝতে, জানতে এবং
আল্লাহর নৈকট্য চাইলে তাকে অবশ্যই “একা” হতে হবে অর্থ্যাৎ, মানুষকে অভ্যান্তরের সত্ত্বা
নফস/মনকে এবং খান্নাস শয়তানকে দমন করে আল্লাহর হুকুম রূহের গোলাম বানিয়ে সমগ্র দেহকে
শুধুমাত্র রূহের অধীন করে একা একক সত্ত্বায় পরিণত করতে হবে। তবেই আল্লাহকে ডাকলে, আল্লাহ
সেই সাড়ার প্রতিত্তোর দিবেন।

@@@@@ {আর রূহ
আল্লাহর হুকুম; যা আল্লাহর আজ্ঞাবাহী; যার মৃত্যু নেই। আল্লাহর হুকুমে মানুষের দেহকে
ছেড়ে দেয় আবার আল্লাহর হুকুমেই দেহতে ফিরে আসবে পুনঃউত্থান দিবসে, আর বসবাস করে আলমে
আরওয়হে(রূহের জগত)-এ সকল রূহ একত্রে। }

@@@@@ {নফস বা মনের মৃত্যু
আছে। রূহ মানুষের দেহকে ছেড়ে যাওয়ার সাথে সাথেই নফসের মৃত্যু ঘটে। অথবা মানুষ জীবিত
অবস্থায় আল্লাহর হুকুম রূহের প্রতি নফস/মনের আত্মসমর্পণের দ্বারা রূহতে বিলীন হয়ে মিশে
যেতে পারলেও নফস/মনের মৃত্যু ঘটে। একেই মৃত্যুর আগে মৃত্যু বলা হয়।}

@@@@@ {নফস/মনের মৃত্য হলে বা নফস/মন রূহতে বিলীন হলে মানুষের দেহের অভ্যান্তরের
খান্নাস শয়তানেরও মৃত্যু ঘটে।}



আল্লাহ
পাক কুরআনে বলছেন,

“তোমাদের পালনকর্তা
বলেন, তোমরা একা হয়ে আমাকে ডাক, আমি সাড়া দেব। যারা আমার এবাদতে অহংকার করে তারা সত্বরই জাহান্নামে দাখিল হবে লাঞ্ছিত হয়ে”।[সুরা ৪০ মু’মিন: আয়াত ৬০]।

“অতএব,
তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদের স্মরণ রাখবো এবং আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর; অকৃতজ্ঞ হয়ো না।[সুরা ২ বাকারা:আয়াত ১৫২]।

“আর
যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সব কিছুতে বিশ্বাস স্থাপন করে তারা তাদের পালনকর্তার কাছে
সিদ্দীক ও শহীদ বলে বিবেচিত। তাদের জন্যে রয়েছে পুরস্কার ও নুর”।[সুরা হাদীদ ৫৭: আয়াত ১৯]।

`অবশ্যই আল্লাহর
জিকির বা স্মরণ হলো
সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ জানেন তোমরা যা কর’।[সুরা আনকাবুত ২৯: আয়াত ৪৫]। কোন মানুষের জন্য এমন হওয়ার নয় যে, আল্লাহ তার সাথে সরাসরি দেখা দিয়ে কথা বলবেন। কিন্তু ওহীর মাধ্যমে অথবা পর্দার অন্তরাল থেকে অথবা তিনি কোন দূত প্রেরণ করবেন, অতঃপর আল্লাহ যা চান, সে
তা তাঁর অনুমতিক্রমে পৌঁছে দেবে। নিশ্চয় তিনি সর্বোচ্চ প্রজ্ঞাময়”।[সুরা ৪২ শূরা: আয়াত ৫১]।

“আমার
ইবাদাত করার জন্যই আমি মানব ও জিন জাতি সৃষ্টি
করেছি”[সূরা ৫১ আয যারিয়াত : আয়াত ৫৬]।

“যারা আমি আল্লাহর পথে সাধনায় আত্মনিয়োগ করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে আমার পথে
পরিচালিত করব। নিশ্চয় আল্লাহ সৎকর্মপরায়ণদের সাথে আছেন”।[সুরা ২৯ আনকাবুত: আয়াত ৬৯]।

“হে মানুষ,
তোমাকে তোমরা পালনকর্তা আল্লাহ পর্যন্ত পৌঁছতে কষ্ট স্বীকার করতে হবে, অতঃপর তার সাক্ষাৎ ঘটবে”।[সুরা ৮৪ ইনশিকাক: আয়াত ৬]।

“নিশ্চয়ই যারা তোমার পরওয়ারদিগার আল্লাহর সান্নিধ্যে রয়েছেন, তারা তাঁর বন্দেগীর ব্যাপারে অহঙ্কার করেন না এবং স্মরণ
করেন তাঁর পবিত্র সত্তাকে; আর তাঁকেই সেজদা করেন”।[সুরা ৭ আরাফ: আয়াত ২০৬]।



(*) আল্লাহ মানুষের মধ্যে মানুষের সাথেই আছেনঃ-



“এবং জেনে
রাখ যে, আল্লাহতালা মানুষ ও তার কলব
বা অন্তরের মাঝখানে অবস্থান করেন এবং আল্লাহতালার নিকটই তোমাদেরকে একত্রিত করা হবে।”[সুরা ৮ আনফাল: আয়াত ২৪]।

‘আমি মানুষ সৃষ্টি করেছি এবং তার মন নিভৃতে যে কুচিন্তা করে, সে সম্বন্ধেও
আমি অবগত আছি। আমি তার গ্রীবাস্থিত শাহী ধমনী থেকেও অধিক নিকটবর্তী’।[সুরা ৫০ ক্বাফ:
আয়াত: ১৬]।

‘জেনে রাখো, আল্লাহতালা সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে রয়েছেন’।[সুরা ৪১ হা-মীম আস্ সাজদাহ্, আয়াত: ৫৪]।

 ‘পূর্ব ও পশ্চিম আল্লারই। তোমরা
যেদিকেই মুখ ফেরাও, সেদিকেই আল্লাহ বিরাজমান। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বব্যাপী, সর্বজ্ঞ’।[সুরা ২ বাকারা:
আয়াত ১১৫]।



(১) রূহ/প্রাণ; যা আল্লাহর নুর/আল্লাহর হুকুমঃ-



“তারা আপনাকে
‘রূহ’ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলে দিনঃ ‘রূহ’ আমার পালনকর্তার আদেশ বা হুকুম। এ
বিষয়ে তোমাদেরকে সামান্য জ্ঞানই দান করা হয়েছে”।[সুরা
১৭ ইসরা বা বনী-ইসরাঈল: আয়াত ৮৫]।

“আল্লাহ মানুষের
রূহ হরণ করেন তার মৃত্যুর সময়, আর যে মরে
না, তার নিদ্রাকালে। অতঃপর যার মৃত্যু অবধারিত করেন, তার রূহ ছাড়েন না এবং অন্যান্যদের
ছেড়ে দেন এক নির্দিষ্ট সময়ের
জন্যে। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে”।[সুরা ৩৯ যুমার : আয়াত ৪২]।



(২) নফস/মন/আমিত্বঃ-



…الْمَوْتِ
ذَائِقَةُ نَفْسٍ كُلُّ প্রত্যেক নফস বা মনকে মৃত্যুর স্বাদ
আস্বাদন করতে হবে। আমি তোমাদেরকে মন্দ ও ভাল দ্বারা পরীক্ষা করে থাকি এবং আমারই কাছে
তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে। [ সুরা আম্বিয়া
২১: আয়াত ৩৫ ]।

…الْمَوْتِ
ذَائِقَةُ نَفْسٍ كُلُّ প্রত্যেক নফস বা মনকে মৃত্যুর স্বাদ
আস্বাদন করতে হবে। আর তোমরা কিয়ামতের দিন পরিপূর্ণ

বদলা
প্রাপ্ত হবে। তারপর যাকে দোযখ থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, তার
কার্যসিদ্ধি ঘটবে। আর পার্থিব জীবন ধোঁকা ছাড়া অন্য কোন সম্পদ নয়। [ সুরা ইমরান ৩: আয়াত ১৮৫ ]।

 “আর যখন মূসা তার সম্প্রদায়কে বলল, হে আমার সম্প্রদায়,
তোমরা তোমাদেরই ক্ষতিসাধন করেছ এই গোবৎস নির্মাণ করে। কাজেই এখন তওবা কর স্বীয় স্রষ্টার
প্রতি এবং নিজ নিজ প্রাণ(মন/আমিত্ব) বিসর্জন দাও{স্রষ্টার প্রতি নফস/মনের আত্মসমর্পণের
দ্বারা রূহতে বিলীন হলে মনের মৃত্যু ঘটে}। এটাই তোমাদের জন্য কল্যাণকর তোমাদের স্রষ্টার
নিকট। তারপর তোমাদের প্রতি লক্ষ্য করা হল। নিঃসন্দেহে তিনিই ক্ষমাকারী, অত্যন্ত মেহেরবান”।[সুরা বাকারা ২: আয়াত ৫৪ ]।



(৩) খান্নাস নামক শয়তানঃ-



“বলুন, আমি
আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার, “মানুষের অধিপতির, “মানুষের মা'বুদের” “তার
অনিষ্ট থেকে, যে খান্নাছ শয়তান
কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে,
“যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে” “জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে”।[
সুরা ১১৪ নাস:আয়াত ১-৬
]।

“যে ব্যক্তি দয়াময় আল্লাহর স্মরণ থেকে চোখ ফিরিয়ে নেয়, আমি(আল্লাহ) তার জন্যে এক শয়তান নিয়োজিত করে দেই, অতঃপর সে-ই হয় তার সঙ্গী”। [সুরা
৪৩ যূখরুফ: আয়াত ৩৬]।
সত্য চাই সাইনবোর্ড নয়।

সারাটি  জীবন আপন পীরকে বাবা বাবা বলে ডাকলেন অথচ পেলেন না কিছুই।  এই বাবা বলে ডেকে কোনো লাভ নেই। এখানে পীর বড় নয়, সত্য পাওয়াটাই বড়। তাই একটি পর একটি পীর বদলিয়ে ফেলুন।

               ------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।

নকশেবন্দি- মুজাদ্দেদি তরিকা, চিশতিয়া-কাদেরিয়া তরিকা, আবু - উলাই তরিকা, কালান্দারিয়া তরিকার শান গেয়েই গেলেন , শান না গাইলেও কিছু আসে যায় না। প্রশ্ন হলো? আপনি তো তিন নম্বর ছাগলের বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে শুধু লাফালাফিই করেই গেলেন।
                ------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।

 আমার পীর বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীরের সঙ্গে অন্য পীরের তুলনা করাই যায় না। কারণ, কোরানে ২১ বার রুহ বিষয়ে বলা হয়েছে, এবং এই ২১ বারই একবচনে বলা হয়েছে রুহের বহুবচন নাই । রুহ ফুৎকার করা হয়– নফস নয় । এই বিষয়ে অবাক করা ব্যাখ্যাটি সমগ্র পৃথিবীতে আমার বাবাই দিয়ে গেছেন। কথাটি শুনতে ভাল লাগবে না, কিন্তু আসলে ইহা একটি তিক্ত সত্য কথা।  আমার পীর বাবার পঁচিশটি বই কোরানের পনের পারার অনুবাদ কিছুটা ব্যাখ্যা এবং আট জি.বি তেষট্টি ঘন্টার মেমোরিকার্ডটি শুনলে আপনি বুঝতে পারবেন আমার কথার সত্যতাটি।
                -------শাহ সূফি ময়েজউদ্দিন আল সুরেশ্বরী।

যারা অজানা কিছু জানতে আগ্রহী
তাদেরকে বলছি, সবাইকে নয়।

তোমার পীর যত বড় পীরই হোক না কেন
যদি তুমি তার থেকে সত্য না পাও তবে
ফেলে দাও তাকে। কারণ পীর এখানে মুখ্য
বিষয় নয়, মুখ্য বিষয় হলো সত্য পাওয়া।
সত্য হলো আল্লাহর রহস্য লোকের কিছু জানা।
সুরেশ্বরীর শান কত বড় রে, ভান্ডারীর শান
কত বড় রে, খাজা বাবার শান কত বড় রে,
শান বললেও আছে, না বললেও আছে, তুমি
কি ঘোড়ার ডিমটা পাইলা। তুমিতো বকরির
তিন নম্বর বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে পীরের
বাড়িতে গিয়ে শুধু লাফালাফিই করে গেলা।

আসো বসো মুরিদ হও, ধ্যান-সাধনা কর, যদি
আল্লাহর রহস্যলোকের কিছুই না পাও
আমাকে ফেলে চলে যাও। এখানে পীর বড়
নয় এখানে সত্য বড়। সারা জীবন বাবা
বাবা ডাকবা পাইবা না ঘোড়ার ডিমও
সেই বাবা ডাইকা কোন লাভ নাই।
              --------কালান্দার ডাঃ বাবা  জাহাঙ্গীর ইকবাল

আমার চাওয়া-পাওয়াটি কী ছিল? আমি তা নিজেই জানতে পারলাম না। এমনকি মরনের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত।
~হযরত সাকীব

যে পীর মুরিদের ধন-সম্পদের দিকে তাকায় বলে দাও সে দুনিয়াদার মরদুদ (মরদুদ শয়তান)
               --------কালান্দার ডাঃ বাবা  জাহাঙ্গীর ইকবাল

আমার দেহের মধ্যে যে আমি আছি ইহাই তো ঈশ্বরের অবস্থান করার সর্বশ্রেষ্ঠ প্রমাণ। ঈশ্বর আমার মধ্যে, আমি ঈশ্বরের মধ্যে। প্রমাণ দেবার আর কোনো প্রয়োজন নেই। আমি যে আমার মধ্যে আছি, এই যুক্তি খণ্ডালেও আমি আছি, না খণ্ডালেও আমি আছি।
~দার্শনিক রেনে ডেকার্তে

আমিই তো আমারই খুনি ,আবার আমিইতো আমারই শাস্তি।
~ডস্টয়ভস্কি

বহুল প্রচলিত একটি কথা আমাদেরকে বুঝে নিতে হবে। তবে বুঝে নেবার মত তকদির যদি থাকে তবেই বুঝতে পারা যাবে। আর সেই কথাটি হলো: বিশ্বাস ভক্তির ধোঁয়াটুকু যদি দেখতে না পাই তবে সত্যের আগুন যে আছে তাহা কেমন করে ধারণা করতে পারবো? ধারণার জন্ম তখনই হয় যখন ধারণার সামান্য কিছু দেখতে পাওয়া যায়। যেমন- ধোঁয়া দেখলে আমরা সেই ধারণাটি পোষন করি যে, এখানে আগুন আছে । কারণ ধোঁয়ার সঙ্গে আগুনের একটা সুন্দর মিল পাই বলে আমরা ধারণা করি। তবে যারা কোন কিছুই না দেখে অন্ধবিশ্বাস করে তাদেরকেও আন্তরিক সম্মান করি। তবে অন্ধবিশ্বাসের ভিতরে অনেক সময় ছোট ছোট গর্ত লুকিয়ে থাকে। আমি কালান্দার জাহাঙ্গীর কাহাকেও ছোট বড় করার উদ্দেশ্যে লিখি নাই অথবা বিত্ত-বৈভবের মোহে এই কথাগুলো বলি নাই। আরো বলছি আমি যদি পাইকারী ভাবে মুরিদ করতাম তাহলে অনেক মুরিদ করতে পারতাম । বরং উল্টা আমি অন্য স্থানে মুরিদ হবার পরামর্শ দিয়ে থাকি । আমি কেবলমাত্র যারা সত্য সাগরে অবগাহন করতে চায় , যারা সত্যের পিপাসায় ছটফট করে কেবলমাত্র তাদেরকেই বলছি, কিন্তু তাদের সংখ্যা খুব বেশি হয় না। আমি বলতে চাই, পীরও মুর্শিদ হলো রেহনুমা, তথা সত্য পথের প্রদর্শক। মোজাদ্দেদে আলফেসানী বলেছেন, "পীরে তাসত আওয়াল মাবুদ তাসত।" স্থর ভেদে যারা সত্যের সন্ধানী তাদের প্রথম মাবুদটি হলো পীর তথা গুরু। “গু” মানে অন্ধকার আর “রু” হলো আলো। যিনি অন্ধকার হতে আলোর পথ দেখাবেন তিনি তোমার প্রথম মাবুদ, তিনি তোমার পীর। এখানে খেয়াল করুন প্রথম মাবুদ বলা হয়েছে, শেষ মাবুদ বলা হয় নাই । তাহলে শেষ মাবুদ বলতে কি বুঝায়? যেখানে দুই থাকে সেখানে শেষ মাবুদ থাকে না। তৌহিদে কেবলমাত্র একই থাকে দুই থাকলে তৌহিদ থাকে না। তাই আমরা ইমামুল আউলিয়া বায়েজিদ বোস্তামিকে বলতে শুনি যে, তিনি যখন জাবরুত মোকামের শেষ সীমানায় "সিদরাতুল মুনতাহায়" এসে অবস্থান করলেন, তখন তিনি বললেন, "হে আমার রব, আমি তোমার প্রতি সন্তুষ্ট।" রব বলিলেন, "সত্যিই যদি তুমি সন্তুষ্ট হইতে তাহলে তোমার মুখে অন্যরকম কথা শুনতাম।" বায়েজিদ আনুমানিক দেড় বছর কঠোর ধ্যান–সাধনায় নিমগ্ন রইলেন। এই নিমগ্ন থাকা অবস্থায় বলে ফেললেন, "আনা সোবাহানি মা আজামুশানি" -তথা আমিই সোবাহানি সব শান আমারই (রেয়ন্ড এ্যানিকলসন, জে আর আরবেরি, ই বি ব্রাউন হতে সংগৃহীত) । তাই হাফেজ সিরাজীর মুখে শুনতে পাই যখন আমি আমার ভেতর হতে খান্নাসরূপী শয়তানটিকে সম্পূর্ণরূপে তাড়িয়ে দিতে পারলাম তখন আমার পীর মুর্শিদ বাবা নজম উদ্দীন কোবরাকে আর দেখতে পেলাম না । দেখতে পেলাম আমার পীরও আমি আমার মুরিদও আমি । কারণ তৌহিদে দুই থাকে না। দুই যে পর্যন্ত অবস্থান করে ততক্ষন পর্যন্ত অণু পরিমাণ  হলেও শেরেকে অবস্থান করে। তাই পীর ধরাটাও অতি অণুপরিমান দুই এর অবস্থানে, উহাই  শেষ শেরেক ।এই অণুপরিমান শেষ শেরেকটি হতে মুক্ত হতে পারলেই তৌহিদ । এই তৌহিদের অনেক রকম ভাষা থাকে । যেমন- আনাল হক , লাইসা ফি জুব্বাতি ছেওয়া আল্লাহতায়ালা, মাতলায়ে আনোয়ারে যাতে সোবাহানি সুদাম, আনাহু- হু আল আনা, সোহম-সোহমি, মদং ব্রহ্মা, তুই মুই- মুই তুই আরো অনেক । খেয়াল করে দেখুনতো এখানে আর দুই নাই তাই এখানেই তৌহিদ । তা না হলে শেরেক করছিনা বরং শেরেকের পুকুরে ডুবে আছি । তাই আমি বারবার আহ্বান জানিয়েছি এই বলে যে, সারাটি জীবন বাবা বাবা বলে ভালবাসার পরম শ্রদ্ধাটি জানিয়ে গেলে অথচ কিছুই পেলে না, তাই   পীর বদলিয়ে ফেলেন। এখানে পীর মূখ্য নয়। মূখ্য হলো সত্যকে বুকে ধারণ করা। আমার এই কথাগুলোত যারা একমত হবেন না তাদেরও কোন দোষ নাই। কারণ যারা ইহা গ্রহণ করবে ইহাও তাদের তকদির, আর যারা করবে না ইহাও তাদের তকদির। এই তকদিরটি বদলে দিতে পারেন একমাত্র জুলজালাল হুল ইকরাম আল্লা- জাল্লা-শানহু। তাই মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমি বলেছেন, আল্লাহর কথা আল্লাহ বলেছেন, (মে নেনে কে হামু বুত, মি গুফত আনালহক দ্বার সুরাতে মুনসুর , মনসুর না বুদা কে বারাদার বারামাত) মুনসুর হাল্লাজ বলেন নাই  । তাই আবারও পরম শদ্ধেয় এবং পরম স্নেহের বাবাজানদেরকে বলছি আসো বসো মুরিদ হও আবার বলছি আসুন বসুন এবং মুরিদ হোন এবং মাত্র ৪টি মাস আমার কথামত আমারি বানানো ২৫ বিঘা জমির উপরে ধ্যান-সাধনার স্কুলটিতে ধ্যান-সাধনাটি করুন। এই ধ্যান -সাধনা করার পর কামেল হবেন না সত্যি কিন্তু সত্যের কিছুটা নিদর্শন না পেলে আমাকে ফেলে দিয়ে আরেকজনকে পীররূপে গ্রহণ করুন যাকে দিয়ে সত্যের কিছুটা পাবেন। কারণ সাইনবোর্ড বিমোহিত করে আর সত্য বলতে শেখায় “আনাল হক”।

সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজ মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বাহুসনে এহে্তেমামত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।
(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৩ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।
নফ্স ও রূহের পার্থক্য -১

সারাটি  জীবন আপন পীরকে বাবা বাবা বলে ডাকলেন অথচ পেলেন না কিছুই।  এই বাবা বলে ডেকে কোনো লাভ নেই। এখানে পীর বড় নয়, সত্য পাওয়াটাই বড়। তাই একটি পর একটি পীর বদলিয়ে ফেলুন।

               ------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।

নকশেবন্দি- মুজাদ্দেদি তরিকা, চিশতিয়া-কাদেরিয়া তরিকা, আবু - উলাই তরিকা, কালান্দারিয়া তরিকার শান গেয়েই গেলেন , শান না গাইলেও কিছু আসে যায় না। প্রশ্ন হলো? আপনি তো তিন নম্বর ছাগলের বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে শুধু লাফালাফিই করেই গেলেন।
                ------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।

 আমার পীর বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীরের সঙ্গে অন্য পীরের তুলনা করাই যায় না। কারণ, কোরানে ২১ বার রুহ বিষয়ে বলা হয়েছে, এবং এই ২১ বারই একবচনে বলা হয়েছে রুহের বহুবচন নাই । রুহ ফুৎকার করা হয়– নফস নয় । এই বিষয়ে অবাক করা ব্যাখ্যাটি সমগ্র পৃথিবীতে আমার বাবাই দিয়ে গেছেন। কথাটি শুনতে ভাল লাগবে না, কিন্তু আসলে ইহা একটি তিক্ত সত্য কথা।  আমার পীর বাবার পঁচিশটি বই কোরানের পনের পারার অনুবাদ কিছুটা ব্যাখ্যা এবং আট জি.বি তেষট্টি ঘন্টার মেমোরিকার্ডটি শুনলে আপনি বুঝতে পারবেন আমার কথার সত্যতাটি।
                -------শাহ সূফি ময়েজউদ্দিন আল সুরেশ্বরী।

যারা অজানা কিছু জানতে আগ্রহী
তাদেরকে বলছি, সবাইকে নয়।

তোমার পীর যত বড় পীরই হোক না কেন
যদি তুমি তার থেকে সত্য না পাও তবে
ফেলে দাও তাকে। কারণ পীর এখানে মুখ্য
বিষয় নয়, মুখ্য বিষয় হলো সত্য পাওয়া।
সত্য হলো আল্লাহর রহস্য লোকের কিছু জানা।
সুরেশ্বরীর শান কত বড় রে, ভান্ডারীর শান
কত বড় রে, খাজা বাবার শান কত বড় রে,
শান বললেও আছে, না বললেও আছে, তুমি
কি ঘোড়ার ডিমটা পাইলা। তুমিতো বকরির
তিন নম্বর বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে পীরের
বাড়িতে গিয়ে শুধু লাফালাফিই করে গেলা।

আসো বসো মুরিদ হও, ধ্যান-সাধনা কর, যদি
আল্লাহর রহস্যলোকের কিছুই না পাও
আমাকে ফেলে চলে যাও। এখানে পীর বড়
নয় এখানে সত্য বড়। সারা জীবন বাবা
বাবা ডাকবা পাইবা না ঘোড়ার ডিমও
সেই বাবা ডাইকা কোন লাভ নাই।
              --------কালান্দার ডাঃ বাবা  জাহাঙ্গীর ইকবাল

যদি একটি মিথ্যাকে সতের বার সত্য বলে বলা হয় , তা হলে ইহা সত্যের মতো বেজে উঠবে।
                                         ------------- ডক্টর গোয়েবলস।

তারপরেও যিনি নিজেকে সগীরে আজম তথা সবচাইতে ছোট পীর বলে ঘোষণা করেন, তিনি কি সত্যিই ছোট? আপনার বিবেকের আদালতে কী রায় দিবেন?
                         ------------- বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর।

নফ্স ও রুহের সূক্ষ্ম পার্থক্যটি সর্বপ্রথম খুব ভালে করে বুঝে নিতে হবে। এই বিষয়টি এতই নাজুক এবং এতই সূক্ষ্ম  ও নিখুঁত যে ইহার আদ্যাপান্ত ভালো করে বুঝে নিতে না পারলে নফ্স এবং রুহের লাবড়া পাকানো হয়ে যায় এবং এই লাবড়াই সাঙ্ঘর্ষিকরূপে প্রতি পদে ধরা দেয়। সামান্য একটু চিন্তা করলেই দেখা যায় যে, ‘কুললু রুহিন জায়কাতুল মাউত’ –তথা, প্রত্যেক রুহ মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে - এমন একটি আয়াতও কোরানের কোথাও নাই ; আছে, কুললুও নাফসুন জায়েকাতুল মউত’ - তথা,  প্রত্যেক নফ্স ‍মুত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। । যেহেতু মৃত্যুর স্বাদ নফসকেই গ্রহণ করে নিতে হবে সেই হেতু নফ্সের ভালো-মন্দের জন্য মাগফেরাত কামনা করা যায়; অথচ রুহের যেহেতু মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করার প্রশ্নই উর্ঠে না সেই হেতু রুহের মাগফেরাত চাওয়াটি বিরাট একটি সাঙ্ঘর্ষিক বিষয়। এই বিষয়টিরই বিশদ ব্যাখ্যার জন্য কোরান-এ যতবার রুহ বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে ততবার ইহার হুবহু অনুবাদ ও সামান্য ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়েছে। পাঠকেরা বিষয়টি মনোযোগ সহকারে পড়লেই পরিষ্কার বুঝতে পারবেন।

সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজ মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বাহুসনে এহে্তেমামত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।
(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৩ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।
নফ্স ও রূহের পার্থক্য - ২

সারাটি  জীবন আপন পীরকে বাবা বাবা বলে ডাকলেন অথচ পেলেন না কিছুই।  এই বাবা বলে ডেকে কোনো লাভ নেই। এখানে পীর বড় নয়, সত্য পাওয়াটাই বড়। তাই একটি পর একটি পীর বদলিয়ে ফেলুন।

               ------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।

নকশেবন্দি- মুজাদ্দেদি তরিকা, চিশতিয়া-কাদেরিয়া তরিকা, আবু - উলাই তরিকা, কালান্দারিয়া তরিকার শান গেয়েই গেলেন , শান না গাইলেও কিছু আসে যায় না। প্রশ্ন হলো? আপনি তো তিন নম্বর ছাগলের বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে শুধু লাফালাফিই করেই গেলেন।
                ------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।

 আমার পীর বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীরের সঙ্গে অন্য পীরের তুলনা করাই যায় না। কারণ, কোরানে ২১ বার রুহ বিষয়ে বলা হয়েছে, এবং এই ২১ বারই একবচনে বলা হয়েছে রুহের বহুবচন নাই । রুহ ফুৎকার করা হয়– নফস নয় । এই বিষয়ে অবাক করা ব্যাখ্যাটি সমগ্র পৃথিবীতে আমার বাবাই দিয়ে গেছেন। কথাটি শুনতে ভাল লাগবে না, কিন্তু আসলে ইহা একটি তিক্ত সত্য কথা।  আমার পীর বাবার পঁচিশটি বই কোরানের পনের পারার অনুবাদ কিছুটা ব্যাখ্যা এবং আট জি.বি তেষট্টি ঘন্টার মেমোরিকার্ডটি শুনলে আপনি বুঝতে পারবেন আমার কথার সত্যতাটি।
                -------শাহ সূফি ময়েজউদ্দিন আল সুরেশ্বরী।

যারা অজানা কিছু জানতে আগ্রহী
তাদেরকে বলছি, সবাইকে নয়।

তোমার পীর যত বড় পীরই হোক না কেন
যদি তুমি তার থেকে সত্য না পাও তবে
ফেলে দাও তাকে। কারণ পীর এখানে মুখ্য
বিষয় নয়, মুখ্য বিষয় হলো সত্য পাওয়া।
সত্য হলো আল্লাহর রহস্য লোকের কিছু জানা।
সুরেশ্বরীর শান কত বড় রে, ভান্ডারীর শান
কত বড় রে, খাজা বাবার শান কত বড় রে,
শান বললেও আছে, না বললেও আছে, তুমি
কি ঘোড়ার ডিমটা পাইলা। তুমিতো বকরির
তিন নম্বর বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে পীরের
বাড়িতে গিয়ে শুধু লাফালাফিই করে গেলা।

আসো বসো মুরিদ হও, ধ্যান-সাধনা কর, যদি
আল্লাহর রহস্যলোকের কিছুই না পাও
আমাকে ফেলে চলে যাও। এখানে পীর বড়
নয় এখানে সত্য বড়। সারা জীবন বাবা
বাবা ডাকবা পাইবা না ঘোড়ার ডিমও
সেই বাবা ডাইকা কোন লাভ নাই।
              --------কালান্দার ডাঃ বাবা  জাহাঙ্গীর ইকবাল

উচ্চ দর্শনের বইয়ে যা থাকে তার চাইতে বেশি জ্ঞান তোমার দেহেই রয়েছে।
----------- ফ্রেডারিক নিটশে

আসো আমরা সৎ হই, যা তোমাকে হত্যা করেনা তা আসলে তোমাকে পঙ্গু বানিয়ে রাখে ।
 ---------- ফ্রেডারিক নিটশে।

যে পীর মুরিদের ধন-সম্পদের দিকে তাকায় বলে দাও সে দুনিয়াদার মরদুদ (মরদুদ শয়তান)
    --------কালান্দার ডাঃ বাবা  জাহাঙ্গীর ইকবাল

নফ্স শব্দটি দিয়ে প্রাণকেই বোঝানো হয়েছে। যদিও হিন্দুশাস্ত্রে নফ্সকে আত্মাই বলা হয়েছে তবে জীবের  আত্মা বলা হয়েছে। । এই নফ্স তথা প্রাণ কেবলমাত্র জিন এবং মানুষের মধ্যেই দেওয়া হয় নি, বরং স্থলচর, জলচর, সর্বপ্রকার অতি ক্ষুদ্র হতে অতি বড় জীব - - সবারই নফ্স আছে তথা প্রাণ আছে। আরেকটু প্রশ্ন থেকে যায় যে, বৃক্ষ হতে তরুলতারও প্রাণ আছে। এবং যে কঠিন ছোট -ছোট পাথরগুলো আস্তে -আস্তে প্রকাণ্ড পাথরে পরিণত হয় উহাতে কি প্রাণ আছে? নাকি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনা-আপনি বেড়ে চলে ? এই প্রশ্নটির উত্তর জীববিজ্ঞানীরাই ভালো দিতে পারবেন। তবে আল্লাহর সমগ্র সৃষ্টিরাজ্যের মাঝে যাদেরকে নফ্স তথা প্রাণ দেওয়া হয়েছে তারা সবাই তৌহিদে বাস করে - একমাত্র জিন এবং মানুষ ছাড়া । কারণ, জিন এবং মানুষকে সীমিত স্বাধীন ইচ্ছাশক্তিটি দান করা হয়েছে। তথা ভালো-মন্দ বিচার-বিবেচনা করার সীমিত স্বাধীন
ক্ষমতাটি আল্লাহ্ কর্তৃক দান করা হয়েছে।

সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজ মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বাহুসনে এহে্তেমামত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।
(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৩ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।
নফ্স ও রুহের পার্থক্য - ৩

সারাটি  জীবন আপন পীরকে বাবা বাবা বলে ডাকলেন অথচ পেলেন না কিছুই।  এই বাবা বলে ডেকে কোনো লাভ নেই। এখানে পীর বড় নয়, সত্য পাওয়াটাই বড়। তাই একটি পর একটি পীর বদলিয়ে ফেলুন।

               ------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।

নকশেবন্দি- মুজাদ্দেদি তরিকা, চিশতিয়া-কাদেরিয়া তরিকা, আবু - উলাই তরিকা, কালান্দারিয়া তরিকার শান গেয়েই গেলেন , শান না গাইলেও কিছু আসে যায় না। প্রশ্ন হলো? আপনি তো তিন নম্বর ছাগলের বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে শুধু লাফালাফিই করেই গেলেন।
                ------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।

 আমার পীর বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীরের সঙ্গে অন্য পীরের তুলনা করাই যায় না। কারণ, কোরানে ২১ বার রুহ বিষয়ে বলা হয়েছে, এবং এই ২১ বারই একবচনে বলা হয়েছে রুহের বহুবচন নাই । রুহ ফুৎকার করা হয়– নফস নয় । এই বিষয়ে অবাক করা ব্যাখ্যাটি সমগ্র পৃথিবীতে আমার বাবাই দিয়ে গেছেন। কথাটি শুনতে ভাল লাগবে না, কিন্তু আসলে ইহা একটি তিক্ত সত্য কথা।  আমার পীর বাবার পঁচিশটি বই কোরানের পনের পারার অনুবাদ কিছুটা ব্যাখ্যা এবং আট জি.বি তেষট্টি ঘন্টার মেমোরিকার্ডটি শুনলে আপনি বুঝতে পারবেন আমার কথার সত্যতাটি।
                -------শাহ সূফি ময়েজউদ্দিন আল সুরেশ্বরী।

যারা অজানা কিছু জানতে আগ্রহী
তাদেরকে বলছি, সবাইকে নয়।

তোমার পীর যত বড় পীরই হোক না কেন
যদি তুমি তার থেকে সত্য না পাও তবে
ফেলে দাও তাকে। কারণ পীর এখানে মুখ্য
বিষয় নয়, মুখ্য বিষয় হলো সত্য পাওয়া।
সত্য হলো আল্লাহর রহস্য লোকের কিছু জানা।
সুরেশ্বরীর শান কত বড় রে, ভান্ডারীর শান
কত বড় রে, খাজা বাবার শান কত বড় রে,
শান বললেও আছে, না বললেও আছে, তুমি
কি ঘোড়ার ডিমটা পাইলা। তুমিতো বকরির
তিন নম্বর বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে পীরের
বাড়িতে গিয়ে শুধু লাফালাফিই করে গেলা।

আসো বসো মুরিদ হও, ধ্যান-সাধনা কর, যদি
আল্লাহর রহস্যলোকের কিছুই না পাও
আমাকে ফেলে চলে যাও। এখানে পীর বড়
নয় এখানে সত্য বড়। সারা জীবন বাবা
বাবা ডাকবা পাইবা না ঘোড়ার ডিমও
সেই বাবা ডাইকা কোন লাভ নাই।
              --------কালান্দার ডাঃ বাবা  জাহাঙ্গীর ইকবাল

আমার চাওয়া-পাওয়াটি কী ছিল? আমি তা নিজেই জানতে পারলাম না। এমনকি মরনের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত।
~হযরত সাকীব

যে পীর মুরিদের ধন-সম্পদের দিকে তাকায় বলে দাও সে দুনিয়াদার মরদুদ (মরদুদ শয়তান)
    --------কালান্দার ডাঃ বাবা  জাহাঙ্গীর ইকবাল

আমাদের জানা মতে আর কোন জীবকেই এই রকম সীমিত স্বাধীন ইচ্ছাশক্তিটি দেওয়া হয় নাই। স্থলচর এবং জলচর যত প্রকার অসংখ্য ছোট এবং বড় প্রাণী আছে তাদের কারও শাহারগের তথা জীবন-রগের নিকটে আল্লাহর অবস্থান করার কথাটি কোরান-এ পাওয়া যায় না, এমনকি আল্লাহর তাঁর সমগ্র সৃষ্টিজগতের জড় পদার্থের সঙ্গে অবস্থান করার কথাটিও পাওয়া যায় না। অঙ্কের হিসাবের চেয়েও অনেক বেশি হিসাব করে আল্লাহ্ কোরান-এর প্রতিটি শব্দ চয়ন করেছেন। কিন্তু আমাদের বুঝবার সূক্ষ্ম দুর্বলতাটিকে প্রকাশ না করে গোঁজামিলের আশ্রয় নেই এবং নিতে হয়। যেমন রুহ শব্দটির পরিভাষা ইংরেজিতে পাওয়া যায় না। তাই না বুঝে ‘স্পিরিট’ শব্দটি ব্যবহার করি। রুহের প্রতিশব্দ যদিও আমরা পাই না তবে হিন্দুশাস্ত্রে এই রুহ শব্দটিকে পরমাত্মা বলে অভিহিত করা হয়েছে। এখানে পরম অর্থটি হলো আল্লাহ এবং আল্লাহর আত্মা বলে বোঝানো হয়েছে । অবশ্য কোরান–এ রুহ বলা হয়েছে “কুলুর রুহ মিন্ আমরি রাব্বি”– অর্থাৎ," রুহ আমার রবেরই আদেশ হইতে আগত।"

জীবের জীবন আছে তথা প্রাণ আছে তথা নফ্স আছে – তাহলে এই জীবন, এই প্রাণ এবং এই নফ্সকে কেমন করে আত্মা বলে ঘোষণা করি? সূক্ষ্ম দৃষ্টিতে ইহাও একটি সাংঘর্ষিক বিষয় হয়ে দাঁড়ায় , তবে বুঝতে এবং বোঝাতে কোনো উপায় থাকে না বলেই এই সাংঘর্ষিক বিষয়টি তুলে ধরতে হয়। কেউ জেনে-শুনে তুলে ধরেন, আবার কেউ না–জেনে তুলে ধরেন। বিষয়টি ভুল হলেও দোষ দেওয়া যায় না। কারণ জ্ঞানের অভাবেই এ–রকমটি হয় বলে মনে করি। জীবের প্রাণ আছে, কিন্তু কোনো আত্মা নাই- এই কথাটি কেমন করে সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরব? আসলে হাকিকতে কোনো জীবেরই আত্মা নাই-একমাত্র জিন এবং মানুষের শাহারগের তথা জীবন-রগের নিকটে অতীব সূক্ষ্মরূপে অবস্থান করে, যাহা টের  পাবার কোনো উপায় থাকে না সেই পর্যন্ত, যে-পর্যন্ত না একজন মানুষ একটানা কয়েক বছর কামেল গুরু অথবা কামেল গুরুর খেলাফতপ্রাপ্ত কোনো খলিফার নির্দেশে নির্জন স্থানে একাকী ধ্যান-সাধনায় মগ্ন থাকে। কারণ, রুহ বিষয়টি কথার দ্বারা বোঝানো যায় না। তবে অতি সামান্য একটি ধারণার ছায়া দেওয়া যায়। কোরান-এর এই ছোট্ট আয়াতটির দিকে একটিু বিশেষভাবে লক্ষ্য করে দেখুন যে, “কুলুর নাফ্সি মিন আমরি রাববি’ বলা হয়নি। কেন বলা হয়নি? কারণ, আল্লাহর কোনো নফ্স নাই। নফ্স যাদের আছে তাদের অবশ্যই একটিবার মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু যেহেতু ‍রুহ রবেরই আদেশ বলা হয়েছে সেইহেতু রুহ জন্ম-মৃত্যুর বৃত্তে তথা বলয়ে অবস্থান করে না।

সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজ মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বাহুসনে এহে্তেমামত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।
(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৩ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।

পাগল হয়ে যাব, এত উচ্চমানের লিখা মাথায় আঁটে না। নফস ও রূহের পার্থক্য বিষয়ের উপর লিখতে গিয়ে বাবা জাহাঙ্গীর তাঁর কোরানুল মাজিদের ৬৩ নং পৃষ্ঠায় নিম্নোক্ত লিখাটির অবতারণা করেছেন। "Religious view of World Theology" ক্লাসে আমার ম্যাডামকে ( কোন এক কারণে তাঁর নামটি উল্লেখ করা হল না) এ লেখাটা দেখিয়েছিলাম আর বলেছিলাম আমাকে বুঝিয়ে দিন, প্রত্যুত্তরে কিছুক্ষণ ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থেকে বললেন, "সারাজীবন ভাত খাওয়ার জন্য বিদ্যার্জন করে গেছি, কিন্তু, এ লেখাটা সক্রেটিস শ্রেণির লোকের লেখা যিনি নিজেকে চিনেছেন, এটা রেনে দেকার্তের মতো দার্শনিকদের দর্শন থেকে আরো উচ্চতম দর্শনের লেখা, এটা ডেভিড হিউম আর কান্টদের থেকে অারো অনেক উপরের লেখা, এখানে সমস্ত সন্দেহের অবসান ঘটেছে, এখানে মিলনের প্রশ্নে পুরোটাই Eternal Entity, এখানে দেহধারী মানুষটা নি:সন্দেহে পরমসত্ত্বার প্রতিমূর্তি, যদি তোমার সাথে তাঁর সাক্ষাত হয় তো আমার সালাম পৌঁছে দিও।
আসলে উলঙ্গ সত্য কথাটি বলতে গেলে বলতে হয় যে, রুহুল অামিন হলেন মহানবির অাপন অাধ্যাত্মিক প্রতিচ্ছবি। ইহা জগৎময় ব্যক্তও হতে পারে, আবার যেকোন মূর্তি ধারণও করতে পারে। ইহা স্থান-কালের (টাইম এন্ড স্পেস) সব রকম মানুষের আদি ও আসল রূপ। এইরূপের মাঝে প্রত্যাবর্তন করাই মানবজীবনের পরম এবং চরম স্বার্থকতা। অাল্লাহর নিকট মানুষের প্রত্যাবর্তন করার তথা ফিরে আসার অর্থটিও ইহাই।
উপরের কমেন্টটি  ভক্ত Aaga Bagalane (আগা বাগালাণী) র কমেন্ট।

শনিবার, ৮ জুলাই, ২০১৭

নফ্স ও রূহের পার্থক্য- ৪

সারাটি  জীবন আপন পীরকে বাবা বাবা বলে ডাকলেন অথচ পেলেন না কিছুই।  এই বাবা বলে ডেকে কোনো লাভ নেই। এখানে পীর বড় নয়, সত্য পাওয়াটাই বড়। তাই একটি পর একটি পীর বদলিয়ে ফেলুন।

               ------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।

নকশেবন্দি- মুজাদ্দেদি তরিকা, চিশতিয়া-কাদেরিয়া তরিকা, আবু - উলাই তরিকা, কালান্দারিয়া তরিকার শান গেয়েই গেলেন , শান না গাইলেও কিছু আসে যায় না। প্রশ্ন হলো? আপনি তো তিন নম্বর ছাগলের বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে শুধু লাফালাফিই করেই গেলেন।
                ------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।

 আমার পীর বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীরের সঙ্গে অন্য পীরের তুলনা করাই যায় না। কারণ, কোরানে ২১ বার রুহ বিষয়ে বলা হয়েছে, এবং এই ২১ বারই একবচনে বলা হয়েছে রুহের বহুবচন নাই । রুহ ফুৎকার করা হয়– নফস নয় । এই বিষয়ে অবাক করা ব্যাখ্যাটি সমগ্র পৃথিবীতে আমার বাবাই দিয়ে গেছেন। কথাটি শুনতে ভাল লাগবে না, কিন্তু আসলে ইহা একটি তিক্ত সত্য কথা।  আমার পীর বাবার পঁচিশটি বই কোরানের পনের পারার অনুবাদ কিছুটা ব্যাখ্যা এবং আট জি.বি তেষট্টি ঘন্টার মেমোরিকার্ডটি শুনলে আপনি বুঝতে পারবেন আমার কথার সত্যতাটি।
                -------শাহ সূফি ময়েজউদ্দিন আল সুরেশ্বরী।

যারা অজানা কিছু জানতে আগ্রহী
তাদেরকে বলছি, সবাইকে নয়।

তোমার পীর যত বড় পীরই হোক না কেন
যদি তুমি তার থেকে সত্য না পাও তবে
ফেলে দাও তাকে। কারণ পীর এখানে মুখ্য
বিষয় নয়, মুখ্য বিষয় হলো সত্য পাওয়া।
সত্য হলো আল্লাহর রহস্য লোকের কিছু জানা।
সুরেশ্বরীর শান কত বড় রে, ভান্ডারীর শান
কত বড় রে, খাজা বাবার শান কত বড় রে,
শান বললেও আছে, না বললেও আছে, তুমি
কি ঘোড়ার ডিমটা পাইলা। তুমিতো বকরির
তিন নম্বর বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে পীরের
বাড়িতে গিয়ে শুধু লাফালাফিই করে গেলা।

আসো বসো মুরিদ হও, ধ্যান-সাধনা কর, যদি
আল্লাহর রহস্যলোকের কিছুই না পাও
আমাকে ফেলে চলে যাও। এখানে পীর বড়
নয় এখানে সত্য বড়। সারা জীবন বাবা
বাবা ডাকবা পাইবা না ঘোড়ার ডিমও
সেই বাবা ডাইকা কোন লাভ নাই।
              --------কালান্দার ডাঃ বাবা  জাহাঙ্গীর ইকবাল

আমার চাওয়া-পাওয়াটি কী ছিল? আমি তা নিজেই জানতে পারলাম না। এমনকি মরনের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত।
~হযরত সাকীব

যে পীর মুরিদের ধন-সম্পদের দিকে তাকায় বলে দাও সে দুনিয়াদার মরদুদ (মরদুদ শয়তান)
    --------কালান্দার ডাঃ বাবা  জাহাঙ্গীর ইকবাল

যেহেতু রবের আদেশটি হলো রুহ এবং এই রুহ নামক আদেশটি আল্লাহর সমগ্র সৃষ্টিরাজ্যের মধ্যে (অবশ্য আমাদের জানা মতে ,কারণ অন্য গ্রহে যদি এই জাতীয় কেনো জীব থেকে থাকে!) কেবলমাত্র দুটি জীবের সঙ্গে তথা দুইটি ‍নফ্সের কাছাকাছি অতীব সূক্ষ্মরূপে অবস্থান করে। সেই দুইটি জীবের নাম হলো: একটি জিন এবং অপরটি মানুষ। যেহেতু আমাদের কাজ-কারবার মানুষদের নিয়েই সেই হেতু ইচ্ছা করেই জিন জাতিকে এড়িয়ে যাই। তাছাড়া কোরান এই মানুষকেই সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব (ক্রাউন অব দ্য ক্রিয়েশন) বলে ঘোষণা করেছেন । এর পরেও আরও কিছু কথা থাকে আর সেই কথাটি হলো , শয়তানকে আল্লাহর সমগ্র সৃষ্টিরাজ্যের মধ্যে জিন এবং মানুষের অন্তরে অবস্থান করার আদেশটি আল্লাহ কর্তৃক দেওয়া হয়েছে। আমাদেরকে ভালো করে মনে রাখতে হবে যে জিন এবং মানুষের অন্তর বিহনে আর কোথাও শয়তানকে অবস্থান করার অনুমতিটি দেওয়া হয় নাই। সুতরাং , শয়তানের যত বাহাদুরি , যত নর্তন-কুর্দন সবকিছু এই জিন এবং মানুষের অন্তরের মধ্যেই অবস্থান করে। জাগতিক সভ্যতার বিকাশ ঘটানোর পেছনে এবং ধ্বংসের বিভীষিকা ছড়ানোর পেছনে শয়তানের অবদান কতটুকু তা আমাদের জানা নাই। এই শয়তান আবার চারটি রূপ ধারণ করতে পারে এবং এই চার রূপের যে কোনো রূপ ধারণ করে মানুষকে সঠিক পথ হতে সরিয়ে দিয়ে ভ্রান্ত পথে ঠেলে দেয়। সেই চারটি রূপ হলো: এক. শয়তান , দুই. ইবলিস, তিন. মরদুদ এবং চার. খান্নাস । যেহেতু “মিন শাররিল ওয়াসওয়াসিল খান্নাস" তথা খান্নাসের অপকারিতা হতে আশ্রয় চাওয়ার কথাটি কোরান- এ বলা হয়েছে তাই পবিত্র নফস তথা প্রাণ তথা জীবনের সংঙ্গে একত্রে বাস করে নফসটিকে খান্নাস-রূপী শয়তান মোহ-মায়ার জালে আটকিয়ে রাখে । এই মোহমায়ার জালটিকে ছিন্ন করতে পারলেই নফসের নিকট যে-রুহ অতীব সূক্ষ্ম রূপে অবস্থান করছে উহা তখন পরিপূর্ণ রূপ ধারণ করতে থাকে। সাধকেরা একটানা ধ্যানসাধনা করার পর আল্লাহর বিশেষ রহমতপ্রাপ্ত হলেই রুহের অতীব সূক্ষ্ম রূপটিকে পরিপূর্ণরূপে দেখতে পেয়ে অবাক বিস্ময়ে হতভম্ব খেয়ে যায়। এই পরিপূর্ণতার প্রশ্নে সাধকদের নিকট রুহের দর্শনে ফানা-বাকার এমন রহস্যময় লীলাখেলা চলে যে সাধারন মানুষ তো দূরে থাক, বরং বড়-বড় বিদ্বান পণ্ডিতেরাও এদের বিষয়ে খেই হারিয়ে ফেলে। রুহের পরিপূৃর্ণ জাগ্রত অবস্থানটি যে- সাধকের মধ্যে অবস্থান করে তিনিই বান্দানেওয়াজ তথা আল্লাহর বিশেষ রহমতপ্রাপ্ত বান্দা । তিনিই রুহুল্লাহ তথা পরিপূর্ণ রুহের অধিকারী। তিনিই ওয়াজহুল্লাহ তথা তিনিই আল্লাহর চেহারা। তিনিই নরের রূপে নারায়ণ তথা নরনারায়ণ। আল্লাহর এই দানটি একমাত্র শক্তিশালী রাত্রিতে দান করা করা হয়। ইহা কোন নৈসর্গিক রাত্রি নহে বরং আধ্যাত্মিক  রাত্রি। নফস এবং খান্নাস জোড়া হলে এই শক্তিশালী রাত্রির সন্ধান পাওয়া যায় না। তাই খান্নাসকে তাড়িয়ে দিয়ে সাধক যখন বেজোড় রাত্রিতে অবস্থান করে তখনই সেই রাত্রিটি হয় শক্তিশালী রাত্রি এবং এই শক্তিশালী রাত্রেই আল্লাহ 'রহিম'- রূপটি ধারণ করে(রহমান- রূপে নয় কারণ রহমান- রূপে সাধারণ দান) দান করেন। তাই আল্লাহ এখানে গফুরুর রহিম, কিন্তু গফুরুর রহমান নন, কারণ কোরানের একটি স্থানেও গফুরুর রহমান ব্যবহৃত  হয়নি।
কোরান-এর  সাতানব্বই নম্বর সুরা কদর-এর চার নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে : 'তানাজজালুল্ মালাইকাতু ওয়ার্ রুহু ফিহা বিইজনি রাববিহিম মিন কুললি আমরিন।'  তাহার মধ্যে (সেই রাত্রিতে) অবতরণ করিয়াছে ফেরেশতাগণ এবং রুহ উহার মধ্যে তাহাদের রবের অনুমতিতে প্রত্যেক আদেশ হইতে।

সাধকেরা যখন বিরাট ধৈর্যধারণ করে একটানা নির্জনে ধ্যানসাধনা করতে থাকেন (মহানবির হেরা গুহায় পনের বছর ধ্যানসাধনাটি মনে রেখে ) তখন সাধকদের মধ্যে অবস্থান করা রব তথা প্রতিপালকের প্রত্যেক আদেশ হতে ফেরেশতাগণ এবং রুহ অবতরণ করে। এই ফেরেশতাগণ এবং রুহ শক্তিশালী বেজোড় রাত্রিতে অবতরণ করে, কারণ জোড় রাত্রিতে সাধকের সঙ্গে তখনও খান্নাসরূপী শয়তানটির সামান্য অবস্থানেও দুইজন হয়ে যায় এবং এই দুইজন হওয়াকেই জোড় বলা হয়। এবং দিনে না বলে রাত্রিতে কেন বলা হলো? দিনের আলোতে সব কিছু যেমন পরিষ্কার দেখা যায় তেমনি রাত্রির অন্ধকার সব কিছু ঢেকে দেয় । এই রাত্রির অন্ধকারের সব কিছু ঢেকে দেবার কথাটি দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে , দর্শনীয় সব রকম মোহমায়াগুলো আল্লাহর অনুমতিতে ঢেকে দেওয়া হয়। রাতের আঁধার যে-রকম   সব কিছু ঢেকে দেয় তেমনি সাধকের ভিতরে অবস্থান করা লোভ- মোহ- মায়াগুলো আল্লাহর অনুমতিতে ঢেকে দেওয়া হয় এবং ‍যখনই ঢেকে দেওয়া হয় তখনই ফেরেশতাগণ এবং রুহ অবতরণ করে।

সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজ মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বাহুসনে এহে্তেমামত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।
(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৩ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।

পাগল হয়ে যাব, এত উচ্চমানের লিখা মাথায় আঁটে না। নফস ও রূহের পার্থক্য বিষয়ের উপর লিখতে গিয়ে বাবা জাহাঙ্গীর তাঁর কোরানুল মাজিদের ৬৩ নং পৃষ্ঠায় নিম্নোক্ত লিখাটির অবতারণা করেছেন। "Religious view of World Theology" ক্লাসে আমার ম্যাডামকে ( কোন এক কারণে তাঁর নামটি উল্লেখ করা হল না) এ লেখাটা দেখিয়েছিলাম আর বলেছিলাম আমাকে বুঝিয়ে দিন, প্রত্যুত্তরে কিছুক্ষণ ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থেকে বললেন, "সারাজীবন ভাত খাওয়ার জন্য বিদ্যার্জন করে গেছি, কিন্তু, এ লেখাটা সক্রেটিস শ্রেণির লোকের লেখা যিনি নিজেকে চিনেছেন, এটা রেনে দেকার্তের মতো দার্শনিকদের দর্শন থেকে আরো উচ্চতম দর্শনের লেখা, এটা ডেভিড হিউম আর কান্টদের থেকে অারো অনেক উপরের লেখা, এখানে সমস্ত সন্দেহের অবসান ঘটেছে, এখানে মিলনের প্রশ্নে পুরোটাই Eternal Entity, এখানে দেহধারী মানুষটা নি:সন্দেহে পরমসত্ত্বার প্রতিমূর্তি, যদি তোমার সাথে তাঁর সাক্ষাত হয় তো আমার সালাম পৌঁছে দিও।
আসলে উলঙ্গ সত্য কথাটি বলতে গেলে বলতে হয় যে, রুহুল অামিন হলেন মহানবির অাপন অাধ্যাত্মিক প্রতিচ্ছবি। ইহা জগৎময় ব্যক্তও হতে পারে, আবার যেকোন মূর্তি ধারণও করতে পারে। ইহা স্থান-কালের (টাইম এন্ড স্পেস) সব রকম মানুষের আদি ও আসল রূপ। এইরূপের মাঝে প্রত্যাবর্তন করাই মানবজীবনের পরম এবং চরম স্বার্থকতা। অাল্লাহর নিকট মানুষের প্রত্যাবর্তন করার তথা ফিরে আসার অর্থটিও ইহাই।

ভক্ত Aaga Bagalane (আগা বাগালেন)  র কমেন্টটি তুলে ধরলাম.
নফ্স ও রুহের পার্থক্য - ৫

সারাটি  জীবন আপন পীরকে বাবা বাবা বলে ডাকলেন অথচ পেলেন না কিছুই।  এই বাবা বলে ডেকে কোনো লাভ নেই। এখানে পীর বড় নয়, সত্য পাওয়াটাই বড়। তাই একটি পর একটি পীর বদলিয়ে ফেলুন।

               ------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।

নকশেবন্দি- মুজাদ্দেদি তরিকা, চিশতিয়া-কাদেরিয়া তরিকা, আবু - উলাই তরিকা, কালান্দারিয়া তরিকার শান গেয়েই গেলেন , শান না গাইলেও কিছু আসে যায় না। প্রশ্ন হলো? আপনি তো তিন নম্বর ছাগলের বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে শুধু লাফালাফিই করেই গেলেন।
                ------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।

 আমার পীর বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীরের সঙ্গে অন্য পীরের তুলনা করাই যায় না। কারণ, কোরানে ২১ বার রুহ বিষয়ে বলা হয়েছে, এবং এই ২১ বারই একবচনে বলা হয়েছে রুহের বহুবচন নাই । রুহ ফুৎকার করা হয়– নফস নয় । এই বিষয়ে অবাক করা ব্যাখ্যাটি সমগ্র পৃথিবীতে আমার বাবাই দিয়ে গেছেন। কথাটি শুনতে ভাল লাগবে না, কিন্তু আসলে ইহা একটি তিক্ত সত্য কথা।  আমার পীর বাবার পঁচিশটি বই কোরানের পনের পারার অনুবাদ কিছুটা ব্যাখ্যা এবং আট জি.বি তেষট্টি ঘন্টার মেমোরিকার্ডটি শুনলে আপনি বুঝতে পারবেন আমার কথার সত্যতাটি।
                -------শাহ সূফি ময়েজউদ্দিন আল সুরেশ্বরী।

যারা অজানা কিছু জানতে আগ্রহী
তাদেরকে বলছি, সবাইকে নয়।

তোমার পীর যত বড় পীরই হোক না কেন
যদি তুমি তার থেকে সত্য না পাও তবে
ফেলে দাও তাকে। কারণ পীর এখানে মুখ্য
বিষয় নয়, মুখ্য বিষয় হলো সত্য পাওয়া।
সত্য হলো আল্লাহর রহস্য লোকের কিছু জানা।
সুরেশ্বরীর শান কত বড় রে, ভান্ডারীর শান
কত বড় রে, খাজা বাবার শান কত বড় রে,
শান বললেও আছে, না বললেও আছে, তুমি
কি ঘোড়ার ডিমটা পাইলা। তুমিতো বকরির
তিন নম্বর বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে পীরের
বাড়িতে গিয়ে শুধু লাফালাফিই করে গেলা।

আসো বসো মুরিদ হও, ধ্যান-সাধনা কর, যদি
আল্লাহর রহস্যলোকের কিছুই না পাও
আমাকে ফেলে চলে যাও। এখানে পীর বড়
নয় এখানে সত্য বড়। সারা জীবন বাবা
বাবা ডাকবা পাইবা না ঘোড়ার ডিমও
সেই বাবা ডাইকা কোন লাভ নাই।
              --------কালান্দার ডাঃ বাবা  জাহাঙ্গীর ইকবাল

যদি একটি মিথ্যাকে সতের বার সত্য বলে বলা হয় , তা হলে ইহা সত্যের মতো বেজে উঠবে।
                                         ------------- ডক্টর গোয়েবলস।

যে পীর মুরিদের ধন-সম্পদের দিকে তাকায় বলে দাও সে দুনিয়াদার মরদুদ (মরদুদ শয়তান)
    --------কালান্দার ডাঃ বাবা  জাহাঙ্গীর ইকবাল

এই ফেরেশতাগণ এবং রুহ যে-রাতে আল্লাহর অনুমতিতে অবতরণ করে সেই রাতটিকে বেজোড় এবং শক্তিশালী রাত্রি বলে আখ্যায়িত করা হয়। হাকিকতের সঙ্গে মেজাজি কথাগুলোর কী অপূর্ব মিলন ঘটানো হয়েছে কোরানুল হাকিম-এ । এখানে একটু লক্ষ্য করে দেখুন তো যে ফেরেশতাগণ এবং নফ্স নাজেল করার কথাটি বলা হয়নি । প্রথমে ফেরেশতাগণ এবং পরে রুহের কথাটি বলা হয়েছে, কারণ ফেরেশতাদের নফ্সও নাই রুহও নাই এবং থাকার প্রশ্নই উঠতে পারে না, কারণ ফেরেশতারা যত শক্তির অধিকারীই হোক না কেন তাদেরকে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মোটেও বলা হয়নি, বরং ফেরেশতাদেরকে আমরা সেবকের ভূমিকায় দেখতে পাই, মাওলার ভূমিকায় নয়। ফেরেশতারা সেফাতি নূরের তৈরি তাই ফেরেশতারা সৃষ্টির শেষ সীমানা পর্যন্ত তথা সিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত যাবার অনুমতি পেয়েছে। অনেক অনুবাদক না–বুঝে, না–শুনে রুহকে জিবরাইল ফেরেশতা বলে অনুবাদ করেছেন। সহজ-সরল পাঠকেরা এরকম খাস্তা অনুবাদ পড়ে-পড়ে আস্তা থাকার কথা নয় এবং তখনই এক ইসলামের মধ্যে ফেরকাবাজি শুরু হয়ে যায়। আত্মকেন্দ্রিকতার অন্ধকার গহ্বরে নিরপেক্ষ দর্শনটি হারিয়ে যায়। অনেকে তো কোরানুল হাকিম-কে ডাল-ভাতের মতো সহজ মনে করে থাকে এবং বিকৃত অনুবাদ ও বিকৃত ব্যাখ্যায় ভরপুর করে রাখে এবং এই বিকৃত অনুবাদ ও বিকৃত ব্যাখ্যা পড়ে-পড়ে সরলসহজ মানুষটির মনের অবস্থানটি কেমন হয় তাহা কমবেশি সবাই বুঝতে পারে। নিউটন, আইনস্টাইন , নিলস্ বোর এবং স্টিফেন হকিং-এর মতো অসংখ্য জ্ঞানী-গুণীর জন্য যদি কোরানুল হাকিম শিক্ষনীয় বিরাট একটি বিষয় না হতে পারে তা হলে আমাদের মতো অল্প বিদ্যায় বিদ্বানেরা এই প্রশ্নের কী উত্তর দেয় ?
সুরা মোমিন-এর পনের নম্বর আয়াতে রুহ সম্বন্ধে বলা হয়েছে:  ইউলকির (নিক্ষেপ করেন, ক্ষেপণ করেন, সম্মুখে স্থাপন করেন, অর্পণ করেন) রুহা (রুহকে , পরমাত্মাকে) মিন্ (হইতে ) আমরিহি (তাঁহার আদেশ) আলা (উপর) মাই (যাহাকে ) ইয়াশাউ (ইচ্ছা করেন) ।নিক্ষেপ করেন রুহ তাঁহার আদেশ হইতে যাহার উপর ইচ্ছা করেন।
 এই আয়াতে রুহকে নিক্ষেপ করার কথাটি বলা হয়েছে তথা রুহকে ক্ষেপণ করা হয় বলা হয়েছে। এই রুহকে ক্ষেপণ করার কাজটি করা হয় তাঁর(আল্লাহর) আদেশ হতে যার উপর তিনি (আল্লাহ ) ইচ্ছা করেন। আল্লাহর ইচ্ছার উপযুক্ত বান্দা হতে পারলেই সেই বান্দার উপর তাঁর আদেশ হতে রুহ নিক্ষেপ করা হয়। অবশ্য আল্লাহর তৈরি প্রতিটি মানুষের সঙ্গে রুহকে অতীব সূক্ষ্ম বীজরূপে স্থাপন করে দেওয়া হয়েছে তথা প্রতিটি মানুষের সঙ্গেই আল্লাহ প্রতিপালকরূপে তথা রবরুপে বিরাজ করছেন। সাধারণ মানুষ বুঝে উঠতে পারে না যে আল্লাহ তারই ভেতর রবরূপটি তথা প্রতিপালকের রূপটি ধারণ করে অতীব সূক্ষ্ম রুহরূপে  বিরাজ করছেন। তাই মানুষ নিজের ভেতর ঘুমিয়ে থাকা সত্যটিকে বুঝতে না পেরে উর্ধ্ব গগনে আল্লাহর অবস্থানটি আছে বলে বিশ্বাস স্থাপন করে আকাশের দিকে তাকিয়ে প্রার্থনার ভাষাটি বলতে থাকে। সাধক যখন নির্জনে একাকী মাসের পর মাস বিরাট ধৈর্যধারণ করে ধ্যানসাধনায় মগ্ন থাকে তখন এই মগ্ন অবস্থার মাঝেই একদিন না একদিন আল্লাহরই আদেশ হতে তথা আল্লাহর বিশেষ রহমতে এই রুহকে জাগ্রত অবস্থায় দেখতে পেয়ে হতভম্ব হয়ে যায় এবং মেজাজি সেজদায় লুটিয়ে পড়ে।
আসলে সাধকের অন্তরে যে পর্যন্ত দুইয়ের অবস্থান বিরাজ করে তথা পবিত্র নফস যোগ খান্নাসরূপী শয়তান উভয়ে একত্রে বসবাস করে ততক্ষণ পর্যন্ত রুহের আসল পরিচয়টি লাভ করা যায় না। আপন পবিত্র নফস হতে অপবিত্র খান্নাসকে তাড়িয়ে দেবার গভীরতাটি সমভাবে সবার বেলায় প্রযোজ্য হয় না। কারও অল্প  সময়েই হয়ে থাকে, আবার কারও-বা বেশ কিছু সময় লাগে, আবার কারও-বা দীর্ঘ সময় লেগে যেতে পারে। যেইমাত্র পবিত্র নফসটি অপবিত্র খান্নাস হতে মুক্তি লাভ করে তখনই রুহের আসল পরিচয়টি জানতে পারে এবং এবং জানাটি আল্লাহর আদেশ হতে আগত। তাই সাধকের কাছে মনে হবে যে, এই রুহকে নিক্ষেপ করা হয়েছে।

সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজ মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বাহুসনে এহে্তেমামত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।
(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৩ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।

পাগল হয়ে যাব, এত উচ্চমানের লিখা মাথায় আঁটে না। নফস ও রূহের পার্থক্য বিষয়ের উপর লিখতে গিয়ে বাবা জাহাঙ্গীর তাঁর কোরানুল মাজিদের ৬৩ নং পৃষ্ঠায় নিম্নোক্ত লিখাটির অবতারণা করেছেন। "Religious view of World Theology" ক্লাসে আমার ম্যাডামকে ( কোন এক কারণে তাঁর নামটি উল্লেখ করা হল না) এ লেখাটা দেখিয়েছিলাম আর বলেছিলাম আমাকে বুঝিয়ে দিন, প্রত্যুত্তরে কিছুক্ষণ ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থেকে বললেন, "সারাজীবন ভাত খাওয়ার জন্য বিদ্যার্জন করে গেছি, কিন্তু, এ লেখাটা সক্রেটিস শ্রেণির লোকের লেখা যিনি নিজেকে চিনেছেন, এটা রেনে দেকার্তের মতো দার্শনিকদের দর্শন থেকে আরো উচ্চতম দর্শনের লেখা, এটা ডেভিড হিউম আর কান্টদের থেকে অারো অনেক উপরের লেখা, এখানে সমস্ত সন্দেহের অবসান ঘটেছে, এখানে মিলনের প্রশ্নে পুরোটাই Eternal Entity, এখানে দেহধারী মানুষটা নি:সন্দেহে পরমসত্ত্বার প্রতিমূর্তি, যদি তোমার সাথে তাঁর সাক্ষাত হয় তো আমার সালাম পৌঁছে দিও।
আসলে উলঙ্গ সত্য কথাটি বলতে গেলে বলতে হয় যে, রুহুল অামিন হলেন মহানবির অাপন অাধ্যাত্মিক প্রতিচ্ছবি। ইহা জগৎময় ব্যক্তও হতে পারে, আবার যেকোন মূর্তি ধারণও করতে পারে। ইহা স্থান-কালের (টাইম এন্ড স্পেস) সব রকম মানুষের আদি ও আসল রূপ। এইরূপের মাঝে প্রত্যাবর্তন করাই মানবজীবনের পরম এবং চরম স্বার্থকতা। অাল্লাহর নিকট মানুষের প্রত্যাবর্তন করার তথা ফিরে আসার অর্থটিও ইহাই।

ভক্ত Aaga Bagalane (আগা বাগালেন)  র কমেন্টটি তুলে ধরলাম
নফ্স ও রুহের পার্থক্য - ৬

পৃথিবীতে এই প্রথম নফস ও রূহের বিস্ময়কর ব্যাখ্যা।

সারাটি  জীবন আপন পীরকে বাবা বাবা বলে ডাকলেন অথচ পেলেন না কিছুই।  এই বাবা বলে ডেকে কোনো লাভ নেই। এখানে পীর বড় নয়, সত্য পাওয়াটাই বড়। তাই একটি পর একটি পীর বদলিয়ে ফেলুন।

               ------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।

নকশেবন্দি- মুজাদ্দেদি তরিকা, চিশতিয়া-কাদেরিয়া তরিকা, আবু - উলাই তরিকা, কালান্দারিয়া তরিকার শান গেয়েই গেলেন , শান না গাইলেও কিছু আসে যায় না। প্রশ্ন হলো? আপনি তো তিন নম্বর ছাগলের বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে শুধু লাফালাফিই করেই গেলেন।
                ------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।

 আমার পীর বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীরের সঙ্গে অন্য পীরের তুলনা করাই যায় না। কারণ, কোরানে ২১ বার রুহ বিষয়ে বলা হয়েছে, এবং এই ২১ বারই একবচনে বলা হয়েছে রুহের বহুবচন নাই । রুহ ফুৎকার করা হয়– নফস নয় । এই বিষয়ে অবাক করা ব্যাখ্যাটি সমগ্র পৃথিবীতে আমার বাবাই দিয়ে গেছেন। কথাটি শুনতে ভাল লাগবে না, কিন্তু আসলে ইহা একটি তিক্ত সত্য কথা।  আমার পীর বাবার পঁচিশটি বই কোরানের পনের পারার অনুবাদ কিছুটা ব্যাখ্যা এবং আট জি.বি তেষট্টি ঘন্টার মেমোরিকার্ডটি শুনলে আপনি বুঝতে পারবেন আমার কথার সত্যতাটি।
                -------শাহ সূফি ময়েজউদ্দিন আল সুরেশ্বরী।

যারা অজানা কিছু জানতে আগ্রহী
তাদেরকে বলছি, সবাইকে নয়।

তোমার পীর যত বড় পীরই হোক না কেন
যদি তুমি তার থেকে সত্য না পাও তবে
ফেলে দাও তাকে। কারণ পীর এখানে মুখ্য
বিষয় নয়, মুখ্য বিষয় হলো সত্য পাওয়া।
সত্য হলো আল্লাহর রহস্য লোকের কিছু জানা।
সুরেশ্বরীর শান কত বড় রে, ভান্ডারীর শান
কত বড় রে, খাজা বাবার শান কত বড় রে,
শান বললেও আছে, না বললেও আছে, তুমি
কি ঘোড়ার ডিমটা পাইলা। তুমিতো বকরির
তিন নম্বর বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে পীরের
বাড়িতে গিয়ে শুধু লাফালাফিই করে গেলা।

আসো বসো মুরিদ হও, ধ্যান-সাধনা কর, যদি
আল্লাহর রহস্যলোকের কিছুই না পাও
আমাকে ফেলে চলে যাও। এখানে পীর বড়
নয় এখানে সত্য বড়। সারা জীবন বাবা
বাবা ডাকবা পাইবা না ঘোড়ার ডিমও
সেই বাবা ডাইকা কোন লাভ নাই।
              --------কালান্দার ডাঃ বাবা  জাহাঙ্গীর ইকবাল

পরমের অতি কাছেই যে রহস্যটি লুকিয়ে আছে উহাই বলে দেয় আমিই একমাত্র রহস্য।
~আল্লামা ইকবাল

যে পীর মুরিদের ধন-সম্পদের দিকে তাকায় বলে দাও সে দুনিয়াদার মরদুদ (মরদুদ শয়তান)
    --------কালান্দার ডাঃ বাবা  জাহাঙ্গীর ইকবাল

রুহের পরিপূর্ণ দর্শনটিকেই আমরা তথা মুসলমানেরা নুরে মুহাম্মদির দর্শন বলে থাকি। আবার অন্য যে-কোনো ধর্মের যে –কোনো সাধক যদি পরিপূর্ণ রুহের দর্শনটি লাভ করে থাকেন আর যদি সেই ধর্মের প্রবর্তকের নামে নুরটির নামকরণ করে থাকেন তা হলে আমার বলার কিছু থাকে না। কারণ আল্লাহ এক. তাঁর নুরও এক এবং বীজরূপী রুহের অবস্থানটিও এক। এখানে দুইয়ের কেনো স্থান নাই। দুইয়ের  স্থানটিকে স্বীকার করে নিলেই শেরেক করা হয়ে যায়। ইহাই আসল শেরেক। মুখের কথায় শেরেকের কোনো দাম নাই।
এই আয়াতে বর্ণিত রুহ শব্দটির মর্মার্থ বুঝতে না পেরে অনেক অনুবাদক এই রুহকেই ‘ওহি’ অনুবাদ করেছেন। কোথায় রুহ আর কোথায় ওহি! আল্লাহ কি রুহের স্থলে ওহি শব্দটি বলতে পারতেন না? অবশ্য না বোঝার কারণেই এ রকম গোঁজামিল দাঁড় করানো হয়। তবু একটিবারের তরেও এই অনুবাদকারীরা ভুলেও বলতে চাইবেন না যে ইহার অর্থটি জানা নাই। ইনারা সব কিছু জানেন, তাই রুহকেও প্রয়োজনে ওহি লিখে ফেলেন । সুতরাং , এ-রকম অনুবাদ পড়ে আপনি আর আমি যে কত রকম ভুল শিখছি তারও হিসাব নাই। যেমন কোরান-এর সুরা বনি ইসরাইল-এর আটাত্তর নম্বর আয়াতের কোরান-কে বেশিরভাগ অনুবাদকারী ‘নামাজ ‘অনুবাদ করে ফেলেছেন এবং কোরান-কে নামাজ অনুবাদ করার কারণটির একবোঝা ব্যাখ্যা আর বিশ্লেষণ আপনাকে আর আমাকে শুনিয়ে চোখ ধাঁধিয়ে দেন। আবার, এই ‘রুহ' শব্দটিকেই অনেক অনুবাদকারী বুঝতে না পেরে রুহের অনুবাদে জিবরাইল নামক ফেরেশতাকে দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন। অথচ আমরা সবাই জানি যে জিবরাইল ফেরেশতা যতই মর্যাদার অধিকারী হোন না কেন, জিবরাইল ফেরেশতার মাঝে রুহও নাই এবং নফসও নাই। এ যেন অন্ধকে সুন্দর দুটি চোখের অধিকারী বলার মতো। এ যেন টুণ্ডা ছেলেকে ‘হাঁটিবার নূতন স্টাইল দেখানো হচ্ছে'  বলে বোঝানো।
কোরান-এর আটাত্তর নম্বর সুরা নাবা-র আটত্রিশ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে : ইয়াওমা (সেই দিনটিতে) ইয়াকুমুর(দাঁড়াইবে) রুহ (রুহ) ওয়াল (এবং) মালাইকাতু(ফেরেশতারা) সাফফাললা (সারিবদ্ধভাবে)।
 -সেই দিনটিতে রুহ এবং ফেরেশতারা সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড়াইবে।
এই আয়াতে একটি বিষয় লক্ষ্য করার মতো আর তা হলো, রুহকেও দাঁড়াবার কথাটি বলা হয়েছে এবং রুহের সঙ্গে ফেরেশতাদেরও সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানোর কথাটি উল্লখ করা হয়েছে। এখানে নফসের দাঁড়াবার কথাটি বলা হয় নাই । অথচ নফসেরই  দাঁড়াবার কথা। যে-সাধকের নফসটি খান্নাসমুক্ত হয়ে পবিত্র হয়েছে সেই নফসটি তখন রুহের মহাশক্তির মাঝে সম্পূর্ণরূপে ডুবে যায়  ।তখন মনে হয় নফস দাঁড়িয়ে আছে: আসলে রুহের মহাশক্তির মাঝে অবস্থান করছে। কোরান-এর অন্যত্র বলা হয়েছে যে, আপনি ছুঁড়ে মারেন নি , বরং আমি (আল্লাহ) স্বয়ং ছুঁড়ে মেরেছি। সাধারণ মানুষ হতে বিজ্ঞলোকেরা পর্যন্ত দেখতে পাচ্ছে যে , মহানবি হাত দিয়ে ছুঁড়ে মারছেন , অথচ আল্লাহ অস্বীকার করে বলছেন যে , ওটা আপনার হাত নয়, বরং ওটা আমার হাত । সেই রকম খান্নাসমুক্ত রুহ-এর জাগ্রত পরিপূর্ণতায় নফসটি ডুবে থাকলে রুহের দাঁড়ানোর কথাটি একান্ত স্বাভাবিক। এবং ফেরেশতাদের দাঁড়াবার বিষয়টি এখানে স্বাভাবিক একটি বিষয়। কারণ, ফেরেশতারা নফস–ও  রুহ- বর্জিত আল্লাহর সেফাতি নুরের তৈরি কুদরতি রোবট। কুদরতি রোবট এ-জন্যই বলা হলো যে ফেরেশেতাদের ভালো এবং মন্দ কিছুই করার ক্ষমতা নাই, বরং আল্লাহ যে হুকুমটি করবে উহাই পালন করতে বাধ্য থাকবে। সুতরাং , সারিবদ্ধভাবে ফেরেসতারাও দাঁড়াবে ইহাতে অবাক হবার কিছু নাই ।
 জাগ্রত রুহের অধিকারী সাধকেরা  আকৃতিতে মানব হলেও মানবের স্বাভাবিক ভাবভঙ্গি হতে সম্পূর্ণ বর্জিত অবস্থায় অবস্থান করে। এই জাতীয় সাধকদেরকে বান্দানেওয়াজ বলা হয়; আবার কখনো ওয়াজহুল্লাহ বলা হয়: আবার কখনো সারাপা বলা হয়: আবার কখনো নরেররূপে নারায়ণ বলা হয়ে থাকে। কারণ, এই সাধকেরাই আল্লাহর রূপটি ধারণ করে আছেন। এই জাতীয় অনেক সাধকেরা এক ও অভিন্ন। কারণ সব সাধকই একই নুরের অধিকারী। এজন্য বিশেষভাবে আরেকটু লক্ষ করার মতো বিষয়টি হলো, রুহ শব্দটি কোরানুল হাকিম-এ একটিবারের তরেও বহুবচনে ব্যবহার করা হয় নাই । ইহারা সবাই মিলে  ‘আমরা’-রূপটি ধারণ করে। আসলে এই‘আমরা’ই এক ও অভিন্ন। এইখানে এসেই শেরেকের হয় অবসান। যদিও সাধারণ মানুষের পক্ষে এই বিষয়টি বোঝা একটু কষ্টকর বৈকি।
কোরান-এ ‘আমরা’ নামক বহুবচনের ব্যবহারটিতে একটি বিস্ময়কর সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে। এই বিস্ময়কর  কোরান-এর সৌন্দর্যটি বুঝতে না পারলে তৌহিদের আসল এবং রহস্যময় রূপটি উপলব্ধি করা প্রায় এক রকম অসম্ভব ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।
আবার কোরান-এর অনেক অনুবাদক ফেশেতাদের দাঁড়াবার কথাটি মেনে নেয় , কিন্তু তারপরেই রুহকে জিবরাইল অনুবাদ করে। জিবরাইলও যে একজন ফেরেশতা ইহা তারা জেনেও না জানার ভান করে। আল্লাহ কি রুহের স্থলে জিবরাইল নামক বিশেষ ফেরেশতাটির নাম উল্লেখ করতে পারতেন না? কিন্তু কোরান–এ রুহ শব্দটি ব্যবহার করলে কী হবে, অনুবাদে অনুবাদক রুহকে জিবরাইল ফেরেশতা অনুবাদ করে ফেলেন। কেন এই রকম করেন বলে প্রশ্ন করলে একবোঝা গোঁজামিল দেওয়া কথা শুনিয়ে দেবেন, তবু নিজেদের ভুলটি মোটেই স্বীকার করে নেবেন না, অথবা ‘বুঝতে পারলাম না’ বলে সৎ সাহস নিয়ে ঘোষণাও করেন না। এভাবে কোরান-এর কত শব্দের যে কত রকম বিকৃত অর্থের দ্বারা ভরে রাখে তারই বা প্রতিবাদ কে করে? এই রকম অনুবাদকদেরকে জ্ঞানপাপী বলতে চাই না , কিন্তু এ-রকম করাটি কি বিভ্রান্তি ছড়ায় না? এই রকম বিভ্রান্তির জাঁতাকলে পড়ে কত সহজ-সরল মানুষেরা যে বিভ্রান্ত হচ্ছেন তারই বা খবর কে রাখেন? একটিবারের তরে চিন্তা করে দেখুন তো যে, প্রথমেই  বলা হয়েছে ফেরেশতাগণ এবং তারপরে বলা হয়েছে রুহ, আর সেই রুহের অনুবাদটি করা হলো জিবরাইল নামক ফেরেশতা। অনুবাদক কি বেমালুম ভুলে গেছেন যে জিবরাইল ফেরেশতার  রুহও নাই এবং নফসও নাই? যেখানে জিবরাইল ফেরেশতার রুহটি থাকার প্রশ্নই ওঠে না সেখানে রুহকে কেমন করে জিবরাইল ফেরেশেতা বলে অনুবাদ করা হয়?
কোরান –এর একুশ নম্বর সূরা আম্বিয়ার একানব্বই নম্বর আয়াতে আছে:  ওয়া(এবং) ল্লাতি (যে) আহসানাত (রক্ষা করিয়াছিল, সংরক্ষন করিয়াছিল, বজায় রাখিয়াছিল, টিকাইয়া রাখিয়াছিল) ফারজাহা (তাহার কামপ্রবৃত্তিকে , তাহার সতীত্বকে , যৌন সম্ভোগকে ) ফানাফাখনা (সুতরাং আমরা [আল্লাহ] ফুৎকার দিয়াছিলাম) ফিহা (তাহার [মরিয়ম] মধ্যে) মিন (হইতে) রুহিনা (আমাদের রুহ) ওয়া (এবং) জাআলনাহা (তাহাকে বানাইয়াছিলাম) ওয়া (এবং) আবনাহা (তাহার পুত্রকে) আয়াতাল (একটি আয়াত নিদর্শন] ) লিল (জন্য) আলামিন (সমস্ত আলমের , বিশ্ববাসীদের )।
-এবং যিনি (মরিয়ম) তাহার  সতীত্বকে রক্ষা করিয়াছিলেন সুতরাং আমরা ফুৎকার দিলাম তাহার মধ্যে আমাদের রুহ হইতে এবং তাহাকে বানাইয়াছিলাম এবং তাহার পুত্রকে একটি আয়াত সমস্ত আলমের জন্য।
এই আয়াতটির সামান্য ব্যাখ্যা লিখতে গিয়ে প্রথমেই বলতে হয় যে, আল্লাহ কেবলমাত্র পুরুষদের মধ্যেই রুহ ফুৎকার করেন না, বরং মানুষের তৈরি সমাজে অবহেলিত নারীর মধ্যেও আল্লাহ রুহ ফুৎকার করেন। নারী জাতিকে দুর্বল পেয়ে পুরুষরা নারীদেরকে সমাজের বুকে তেমন মর্যাদা দেয় না, কিন্তু এই আয়াতে আমরা দেখতে পাই যে নারীর মধ্যেও আল্লাহ রুহ ফুৎকার করেন। যদি সেই নারী আল্লাহর দৃষ্টিতে রুহ ফুৎকার করার উপযুক্ত হন তো অবশ্যই রুহ ফুৎকার করা হয়। আমরা কোরান হতে জানতে পারি যে আল্লাহ প্রথম রুহ ফুৎকারটি আদমের মধ্যে করেছিলেন। আরও একটু ভালো করে লক্ষ্য করুন যে, এখানে তথা এই আয়াতে নফস ফুৎকার করার কথাটি বলা হয়নি এবং নফস ফুৎকার করার প্রশ্নই ওঠে না, কারণ আল্লাহর কোনো নফস নাই। যেহেতু আল্লাহর কোনো নফসই নাই, সুতরাং ফুৎকার দেবার প্রশ্নই ওঠে না। নফস জীবন-মৃত্যুর অধীন । নফস সুখ-দুঃখ ভোগ করে। নফসের ক্লান্তি –অবসাদ -ঘুম- আলস্য আছে। সুতরাং আল্লাহ এই সব বিষয় হতে সম্পূর্ণ মুক্ত।

সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজ মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বাহুসনে এহে্তেমামত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।
(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৩ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।

পাগল হয়ে যাব, এত উচ্চমানের লিখা মাথায় আঁটে না। নফস ও রূহের পার্থক্য বিষয়ের উপর লিখতে গিয়ে বাবা জাহাঙ্গীর তাঁর কোরানুল মাজিদের ৬৩ নং পৃষ্ঠায় নিম্নোক্ত লিখাটির অবতারণা করেছেন। "Religious view of World Theology" ক্লাসে আমার ম্যাডামকে ( কোন এক কারণে তাঁর নামটি উল্লেখ করা হল না) এ লেখাটা দেখিয়েছিলাম আর বলেছিলাম আমাকে বুঝিয়ে দিন, প্রত্যুত্তরে কিছুক্ষণ ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থেকে বললেন, "সারাজীবন ভাত খাওয়ার জন্য বিদ্যার্জন করে গেছি, কিন্তু, এ লেখাটা সক্রেটিস শ্রেণির লোকের লেখা যিনি নিজেকে চিনেছেন, এটা রেনে দেকার্তের মতো দার্শনিকদের দর্শন থেকে আরো উচ্চতম দর্শনের লেখা, এটা ডেভিড হিউম আর কান্টদের থেকে অারো অনেক উপরের লেখা, এখানে সমস্ত সন্দেহের অবসান ঘটেছে, এখানে মিলনের প্রশ্নে পুরোটাই Eternal Entity, এখানে দেহধারী মানুষটা নি:সন্দেহে পরমসত্ত্বার প্রতিমূর্তি, যদি তোমার সাথে তাঁর সাক্ষাত হয় তো আমার সালাম পৌঁছে দিও।
আসলে উলঙ্গ সত্য কথাটি বলতে গেলে বলতে হয় যে, রুহুল অামিন হলেন মহানবির অাপন অাধ্যাত্মিক প্রতিচ্ছবি। ইহা জগৎময় ব্যক্তও হতে পারে, আবার যেকোন মূর্তি ধারণও করতে পারে। ইহা স্থান-কালের (টাইম এন্ড স্পেস) সব রকম মানুষের আদি ও আসল রূপ। এইরূপের মাঝে প্রত্যাবর্তন করাই মানবজীবনের পরম এবং চরম স্বার্থকতা। অাল্লাহর নিকট মানুষের প্রত্যাবর্তন করার তথা ফিরে আসার অর্থটিও ইহাই।

ভক্ত Aaga Bagalane (আগা বাগালেন)  র কমেন্টটি তুলে ধরলাম,
নফ্স ও রুহের পার্থক্য- ৭
পৃথিবীতে এই প্রথম নফস ও রূহের বিস্ময়কর ব্যাখ্যা

সারাটি  জীবন আপন পীরকে বাবা বাবা বলে ডাকলেন অথচ পেলেন না কিছুই।  এই বাবা বলে ডেকে কোনো লাভ নেই। এখানে পীর বড় নয়, সত্য পাওয়াটাই বড়। তাই একটি পর একটি পীর বদলিয়ে ফেলুন।

               ------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।

নকশেবন্দি- মুজাদ্দেদি তরিকা, চিশতিয়া-কাদেরিয়া তরিকা, আবু - উলাই তরিকা, কালান্দারিয়া তরিকার শান গেয়েই গেলেন , শান না গাইলেও কিছু আসে যায় না। প্রশ্ন হলো? আপনি তো তিন নম্বর ছাগলের বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে শুধু লাফালাফিই করেই গেলেন।
                ------কালান্দার ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল।

 আমার পীর বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীরের সঙ্গে অন্য পীরের তুলনা করাই যায় না। কারণ, কোরানে ২১ বার রুহ বিষয়ে বলা হয়েছে, এবং এই ২১ বারই একবচনে বলা হয়েছে রুহের বহুবচন নাই । রুহ ফুৎকার করা হয়– নফস নয় । এই বিষয়ে অবাক করা ব্যাখ্যাটি সমগ্র পৃথিবীতে আমার বাবাই দিয়ে গেছেন। কথাটি শুনতে ভাল লাগবে না, কিন্তু আসলে ইহা একটি তিক্ত সত্য কথা।  আমার পীর বাবার পঁচিশটি বই কোরানের পনের পারার অনুবাদ কিছুটা ব্যাখ্যা এবং আট জি.বি তেষট্টি ঘন্টার মেমোরিকার্ডটি শুনলে আপনি বুঝতে পারবেন আমার কথার সত্যতাটি।
                -------শাহ সূফি ময়েজউদ্দিন আল সুরেশ্বরী।

যারা অজানা কিছু জানতে আগ্রহী
তাদেরকে বলছি, সবাইকে নয়।

তোমার পীর যত বড় পীরই হোক না কেন
যদি তুমি তার থেকে সত্য না পাও তবে
ফেলে দাও তাকে। কারণ পীর এখানে মুখ্য
বিষয় নয়, মুখ্য বিষয় হলো সত্য পাওয়া।
সত্য হলো আল্লাহর রহস্য লোকের কিছু জানা।
সুরেশ্বরীর শান কত বড় রে, ভান্ডারীর শান
কত বড় রে, খাজা বাবার শান কত বড় রে,
শান বললেও আছে, না বললেও আছে, তুমি
কি ঘোড়ার ডিমটা পাইলা। তুমিতো বকরির
তিন নম্বর বাচ্চার মতো দুধ না পেয়ে পীরের
বাড়িতে গিয়ে শুধু লাফালাফিই করে গেলা।

আসো বসো মুরিদ হও, ধ্যান-সাধনা কর, যদি
আল্লাহর রহস্যলোকের কিছুই না পাও
আমাকে ফেলে চলে যাও। এখানে পীর বড়
নয় এখানে সত্য বড়। সারা জীবন বাবা
বাবা ডাকবা পাইবা না ঘোড়ার ডিমও
সেই বাবা ডাইকা কোন লাভ নাই।
              --------কালান্দার ডাঃ বাবা  জাহাঙ্গীর ইকবাল

যে পীর মুরিদের ধন-সম্পদের দিকে তাকায় বলে দাও সে দুনিয়াদার মরদুদ (মরদুদ শয়তান)
    --------কালান্দার ডাঃ বাবা  জাহাঙ্গীর ইকবাল

যিশু খ্রিস্ট বলেছেন যে ব্যক্তি বলে আমি আল্লাহকে মানি কিন্তু যিশু কে মানি না সে একজন মিথ্যুক । তাকে তুমি ভুলেও অনুসরণ করতে যেও না।
       ---------বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর ।

নফস  মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করে তথা মৃত্যু-ঘটনাটির মুখোমুখি নফসটিকেই হতে হয়- যাকে আমরা বাংলায় জীবাত্মা বলে থাকে। প্রত্যেক নফ্স মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে- বলা হয়েছে কোরান-এ, কিন্তু কোরান মৃত্যুতে নফসটি ধ্বংস হয়ে যাবে এই কথাটি বলে নি। ‘জায়েক’ অর্থ স্বাদ গ্রহণ করা, চেখে দেখা । মা-বোনেরা তরকারিতে লবণ হয়েছে কি না তরকারির শুরুয়া চেখে দেখলে বুঝতে পারেন । সেই রকম প্রতিটি নফ্স মৃত্যু-ঘটনাটি কেমন উহা চেখে দেখতে হবে। যেহেতু রুহ সৃষ্টির অন্তর্গত নয়, রুহ সৃষ্টির মধ্যে পড়ে না, সেই হেতু রুহের ‍মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করার কথাটি কোরান-এ একবারও বলা হয়নি । যেমন ‘কুললু রুহিন জায়েকাতুল মউত ‘- অর্থাৎ, প্রত্যেক রুহ মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে, এই কথাটি কোরান-এ একবার ও বলা হয়নি। গায়ের জোরে গুণ্ডা হওয়া যায়, কিন্তু গুরু হওয়া যায় না। । যারা রুহকেও সৃষ্টির আওতায় এনে 'নুরানি মাখলুক' তথা নুরের সৃষ্টি বলতে চায় এবং ব্যাখ্যা করতে চায় , তাদেরকেও বলার কিছু  থাকে না। কারণ, তকদির তাকে অথবা তাদেরকে এই বিষয়টি বুঝতে দেয় না। আরও লক্ষ্য করুন যে, আল্লাহ এক হয়েও 'আমরা' শব্দটি ব্যবহার করছেন, কিন্তু রুহ শব্দটি কোরান-এ কোথাও বহুবচনে ব্যবহার করা হয় নি। আলাহর রুহ কেবলমাত্র ইসা (আ.)–এর মাকেই ফুৎকার করেন নি। , বরং তাহার পুত্র ইসা (আ,) কেও (অনেকে যিশুখ্রিষ্টও বলে থাকেন) রুহ ফুৎকার করে দিয়েছেন। কোরান –এ ‘ওয়া আবনাহা’ –'এবং তাহার পুত্রকেও' রুহ ফুৎকার করেছেন বলা হয়েছে । তাই আমরা দেখতে পাই, কোরান , মারিয়ম –এর পুত্রকেও সমস্ত আলমের জন্য একটি আয়াত করে রেখেছেন তথা ‘আইয়াতাললিল আলামিন”। আল্লাহর প্রতিটি আয়াতই এক একেকটি বিস্ময় , কিন্তু ইসা (আ, ) হলেন আল্লাহর একটি বিস্ময়ের বিস্ময় নামক আয়াত। কারণ, ইসা (আ.) জন্মগ্রহণ করেই কথা বলেছিলেন এবং  দোলনায় শুয়ে-শুয়ে অনেক কথা বলেছেন-এরও নিদর্শন আমরা দেখতে পাই এবং আরও অনেক বিস্ময়কর নিদর্শন দেখতে পাই- যেমন হজরত ইসা(আ.) জন্মান্ধকে চক্ষু দান করেছেন, কুষ্ঠ রোগীকে নিরাময় করেছেন এবং যে–বিষয়টি সবচেয়ে বিস্ময়কর: মৃত মানুষকে জীবন দান করেছেন এবং মাটির তৈরি একটি পাখি, যার মধ্যে নফ্স নাই তথা জীবনই নাই, সেই পাখিটিকে ফুৎকার দেওয়ার সঙ্গে–সঙ্গে জীবন্ত পাখি হয়ে উড়ে গেল এবং ইসা (আ.) এর সাহাবারা কে কী দিয়ে খাদ্য খেয়েছেন সেটাও বলে দিতে পারতেন এবং সাহাবাদের ঘরের ভিতর কী কী আছে তাও পারিষ্কার বলে দিতে পারতেন। এখন প্রশ্ন হলো যেখানে হজরত ইসা (আ.) এর এলমে গায়েব জানবার পরিষ্কার দলিলটি পেলাম , সেখানে মহানবি এলেমে গায়েব জানতেন না বলাটা যে একটি কুফরি আকিদা, এটা অনেকেই বুঝেও বোঝেন না। যারা ‍বুঝেও বোঝেন না তাদেরকেই বা কী করে দোষারোপ করব ? কারণ, ইহা তাদের তকদির । মহানবি অাবু জাহেলের হাতের মুঠোর পাথর-কণাগুলোকে কলেমা পাঠ করালেন,  যে পাথর-কণাগুলোর নফস থাকার প্রশ্নই ওঠে না, সেখান কোরানের কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মূল  বিষয় হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে মহানবি সম্পর্কে যা-তা বলাটাকে সমীচীন মনে করি না। কোরান-এর চার নম্ব সুরা আন নিসার-র একশত একাত্তর নম্বার আয়াতে  বলা হয়েছে: ইননামাল (নিশ্চয়ই) মাসিহু(মসিহ) ইসাবনু (ইসা [যিনি]  পুত্র) মারিয়ামা (মরিয়মের) রাসুলুলাহি (আল্লাহর  রসুল) ওয়া (এবং)কালিমাতুহু (তাঁহারকালাম) আলকাহা (তিনি [আল্লাহ] যাহানিক্ষেপ করিয়াছিলেন ) ইলা (দিকে) মরিয়ামা (মরিয়মের) ওয়া (এবং) রুহহুন (রুহ) মিনহু(তাঁহার {আল্লাহর} হইতে)।=নিশ্চয়ই মরিয়মপুত্র ইসা মসিহ  আল্লাহর রসুল এবং তাঁহার কালাম। তিনি (আল্লাহ) যাহা নিক্ষেপ করিয়াছিলেন  মরিয়মের দিকে এবং তাঁহার (আল্লাহ) হইতে রুহ।
এই আয়াতে ইসা মসিহ (আ.) কে মরিয়মের পুত্র এবং আল্লাহর একজন রসুল এবং আল্লাহরই কালাম যাহা আল্লাহ মরিয়মের দিকে নিক্ষেপ করেছিলেন এবং আল্লাহ  হতে একটি রুহ বলা হয়েছে। এই আয়াতটুকুর সামান্য ব্যাখ্যা লিখতে গিয়ে প্রথমেই যে-প্রশ্নটি সবার মাঝে জেগে উঠবে উহা হলো, মরিয়মের পুত্র কেন বলা হলো? সবার পরিচয় বহন করে পিতার মাধ্যমে, কিন্ত ইসা মসিহের বেলায় মরিয়ম তথা মায়ের পরিচয়ে তথা নারীর পরিচয়ে কেন পরিচিত করা হলো? ইহার প্রধান কারণটি হলো, প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মটিকে লঙ্ঘন করে পিতা ছাড়া ইসা মসিহ-র জন্মগ্রহণ করাটা সম্পূর্ণ একটি ব্যতিক্রমধর্মী বিষয় তথা ঘটনা। যদিও ইহা একটি বিষয় তথা ঘটনা, কিন্তু  এই বিষয়টি তথা এই ঘটনাটি একটি অভাবনীয় বিস্ময়কর দৃষ্টান্ত স্বরূপ মানবজাতির সামনে আল্লাহ দাঁড় করিয়ে দিলেন। অন্যত্র আল্লাহ ইসা মসিহকে একটি বিশেষ নিদর্শন বলেও অভিহিত করেছেন। এই ইসা মসিহ পিতা ছাড়া দুনিয়াতে আগমন করেছেন বলে কোরান-এর ভাষাটি হলো: মরিয়মের দিকে নিক্ষেপ করা হয়েছে। পিতা-মাতার মিলনে যে সন্তান প্রকৃতির নিয়মে জন্মগ্রহণ করে উহা একান্ত স্বাভাবিক ব্যাপার। স্বাভাবিক  এবং নিক্ষেপ করার মাঝে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। ইহা সবার চোখে ধরা পড়ে না। তাই পিতা ছাড়া ইসা মসিহকে  মরিয়মের দিকে নিক্ষেপ করা হয়েছে বলা হলো। তারপর বলা হলো, জন্মলগ্ন হতেই ইসা মসিহ আল্লাহর একজন রসুল। কোরান-এর অন্যত্র ইসা মসিহকে নবি বলা হয়েছে, কিন্তু এখানে বলা হয়েছে আল্লাহর রসুল। তিনি রেসালত এবং নবুয়ত –উভয় গুণে গুণাম্বিত । তারপর আল্লাহ্ ইসাকে আরেক ধাপ উপরে উঠিয়ে বলছেন, ‘কালিমাতুহু’ তথা আল্লাহর কালাম। এবং তারপর আবার আল্লাহ বললেন যে, ইসা মসিহ ‘ওয়া রুহুন মিনহু’ তথা‘এবং তাহার (আল্লাহ) হইতে রুহ।’ প্রথমে রসুল, তারপরে আল্লাহর কালাম, তারপর আল্লাহ হতে একটি রুহ বলা হয়েছে। এখানে কিন্তু নফস বলা হয়নি, কারণ নফস হলো প্রাণ । এই নফস তথা প্রাণের কথাটি না বলে আল্লাহর আদেশ তথা রুহ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। তাই এই রহস্যময় রুহ-শব্দটির সহস্য বুঝতে না পেরে অনেকেই আবোল-তাবোল, উল্টা-পাল্টা লিখেছেন।  অবশ্য না বুঝেই এ-রকমটি করা হয়। অনেকে তো পন্ডিতি করে রুহকে পাঁচ ভাগে ভাগ করে ফেলেন , যেমন: ১/ রুহে ইনসানি, ২. রুহে হায়ানি, ৩. রুহে নাবাতি, ৪. রুহে জামাদি. ৫. রুহে বাতেনি। কী চমৎকার পাঁচ ভাগে ভাগ করার বাহারি লীলাখেলা! তবে একটি কথা না বলেই পারলাম না, আর সেটা হলো রুহে হায়ানি তথা জীব জন্তুর রুহ। সমগ্র কোরান-এর একটি আয়াতেও জীবজন্তকে রুহ দান করার কথাটি পেলাম না, অথচ চোখ বুজে ইনারা জানোয়ারের মধ্যেও আল্লাহর রুহের আবিষ্কারটি করে ফেলেছেন। এরাই আবার মারেফতের রহস্যগুলো গলা উঁচু করে পণ্ডিতি ভাষায় লিখে  চলছেন। । এইসব অখাদ্য-মার্কা মারেফতেরে গোপন বিষয়গুলো পড়ে-পড়ে সরল সহজ অর্ধশিক্ষিত এবং শিক্ষিতরা ভুল পথে পরিচালিত হয়। ইহাও কি তকদিরের লীলাখেলা  বলে চালিয়ে দেব?
কোরান –এর উনিশ নম্বর সুরা মরিয়মের – সতের নম্বর আয়াতে বলা হয়েছেঃ>> ফাততাখাজাত (সুতরাং তিনি[মরিয়ম] গ্রহণ করিলে) মিন দুনিহিম(তাহাদের হইতে) হিজাবান(পর্দা) ফা আরসালনা (সুতরাং আমরা [আল্লাহ] পাঠাইলাম) ইলাইহা (তাহার দিকে) রুহানা (আমাদের [আল্লাহর ] রুহ) ফাতামাসসালা (সুতরাং উহা প্রকাশিত হইল) লাহা (তাহার জন্য ) বাশারান (বাশার [মনুষ] সাউইইয়ান(পরিপূর্ণ)। >>
সুতরাং তিনি (মরিয়ম) পর্দা গ্রহণ করিলেন তাহাদের হইতে, সুতরাং আমরা (আল্লাহ) পাঠাইলাম তাহার দিকে আমাদের (আল্লাহ) রুহ সুতরাং উহা প্রকাশিত হইল তাহার জন্য পরিপূর্ণ বাশার (মানুষ)।
 এই আয়াতে প্রথমেই বলা হলো, তিনি তথা মরিয়ম পর্দা গ্রহণ করলেন । অথাৎ, তিনি একাকী ধ্যানসাধনায় মগ্ন রইলেন-যে ধ্যানসাধনাটিকে অনেকে মোরাকাবা-মোশাহেদা বলে থাকেন, আবার অনেকে এতেকাফও বলে থাকেন। যার যে –রকম দৃষ্টিভঙ্গি সেতো সেই রকমই বলবে। তারপরেই বলা হলো, আল্লাহ ‘আমরা ‘রূপটি  ধারণ করে তথা বহুবচনের রূপ ধারণ করে মরিয়মের দিকে ‘আমাদের ‘ তথা বহুবচন ব্যবহার করে একবচনে রুহকে পাঠানো হলো এবং সেই রুহ বাশার –এর রূপ ধারণ করে তথা পরিপূর্ণ মানবের আকার ধারণ করে তার কাছে দেখা দিলেন। এই বিষয়টি এতই রহস্যপূর্ণ যে ইহার বিস্তারিত ব্যাখ্যাটি লিখতে গেলে সাধারণ মানুষ থতমত খেয়ে যাবে। তাই এই রহস্যটি জানা থাকা সত্ত্বেও লিখলাম না । অনেকে তো এখানেও এই রুহানা শব্দটির অর্থ করে থাকেন জিবরাইল নামক ফেরেশতা । অথচ জিবরাইল ফেরেশতাকে আল্লাহ রুহও দেন নাই এবং নফসও দেন নাই। এই রুহ-এবং নফস-বর্জিত জিবরাইল ফেরেশেতাটিকে রুহানার প্রতিশব্দরূপে ব্যবহার করে বাক্য গঠন করে তৃপ্তি লাভ করেন, তবুও এরা নিজেদের ভুলটি স্বীকার করে নেবেন না অথবা “এই ‘রুহানা’ কথাটি বলতে কী বোঝায় তাহা আমাদের জানা নাই” বলতে বড়ই লজ্জা পায় । আল্লাহর রুহ যে বাশার –রূপটি তথা পরিপূর্ণ মানব-আকৃতি তথা পুরুষের আকৃতি ধারণ করেন ইহা আমরা জানতে পারি, কিন্ত রুহ যে পরিপূর্ণ নারী-রূপও ধারণ করতে পারে ইহা আমাদের জানা নাই। তবে নারীকেও যে রুহ ফুৎকার করে দেওয়া হয় ইহার জ্বলন্ত প্রমাণটি  এখানেই পাওয়া যায়। রুহ যে পরিপূর্ণ মানব-আকৃতিও ধারণ করতে পারে ইহাতে ইহাই প্রমাণিত  হলো যে আল্লাহ রুহ-রূপ ধারণ করে সাধককে দর্শন দান করেন। তাই আল্লাহর ওলি , গাউস, কতুব, আবদাল, এবং আরিফেরা বলে থাকেন যে যিনি অথবা যারা আল্লাহর দর্শন লাভ করেছেন তারা আদম-সুরতেই  দর্শন করেছেন।   এই আদম-সুরতটিকে কোথাও ইনসানরূপ ধারণ করার পরিবরাতের  বাশাররূপ ধারণের কথাটি পাই। তা ছাড়া যে-জিবরাইল ফেরেশতা আল্লাহর সেফাতি নুরের তৈরি এবং জিবরাইলের রুহও নাই এবং নফসও নাই, সে জিবরাইল ফেরেশতা মানবের আকার ধারণ করে মহানবি এবং মহানবির সাহাবাদের সঙ্গে দর্শন দান করেছেন। জিবরাইল মানবের আকার ধারণ কররেই যে মাটির তৈরি বলতে হবে ইহাও যেমন মোটেও সত্য নহে তেমনি মহানবি যদিও আমাদেরই মতো, কিন্তু মোটেও মাটির তৈরি তো ননই, এমনকি  আল্লাহর সেফাতি নুরেরও নহেন, বরং আল্লাহর জাত নুরে নূরময় হলেন মহানবি। যদি তাহাই না হয় তাহলে মহানবির পক্ষে লা –মোকামে প্রবেশ করা একটি অসম্ভব বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। জিবরাইল ফেরেশেতা সিদরাতুল মুনতাহায় এসে থেমে গেলেন এবং বললেন, যে এরপরে যদি একটি ধাপ অগ্রসর হতে চাই তাহলে সঙ্গে সঙ্গে জ্বলে-পুড়ে ছাড়খার হয়ে যাব। কারণ জিবরাইল সেফাতি নুরের তৈরি আর মহানবি আল্লাহর জাত নুরে নুরময়। তাই আল্লাহর ওলীরা বলে থাকেন যে, 'দোনোহিকা শেকেল এক হ্যায়, কিসকো খোদা কাহু' - তথা আল্লাহ ও মহানবির একই চেহারা , তাহলে কাকে খোদা বলব? আল্লাহর এই লা –মোকামে যাবার অনুমতি ও রহমতটি মহানবির উম্মতদেরকে দান করা হয়েছে । তাই মাহবুবে এলাহি নিজাম উদ্দিন আউলিয়ার প্রধান খলিফা হজরত আমির খসরু লিখিত  ফার্সি ভাষার কালামে বলা হয়েছে: খোদা খোদ মিরে মজলিশ বুদ আন্দার লা মোকা খসরু- তথা, খসরুও লা মোকামে গিয়েছিলেন – এখন প্রশ্ন হলো, যদি আমির খসরু লা-মোকামে যাবার ক্ষমতাটি অর্জন করতে পারেন তাহলে তাঁরই পীর মাহবুবে এলাহি নিজামউদ্দিন আউলিয়া এবং নিজামউদ্দিন  আউলিয়ার পীর বাবা শেখ ফরিদ এবং শেখ ফরিদের পীর বাবা কুতুবউদ্দিন বখতিয়ার কাকি এবং কুতুবউদ্দীন বখতিয়ার কাকির পীর খাজা গরিব নেওয়াজ এবং খাজা গরিব নেওয়াজের পীর খাজা উসমান হারুনি এবং খাজা উসমান হারুনির পীর হাজি শরিফ জিনদানা-এ রকমভাবে চিশতিয়া সিলসিলার সব ওলিরাই যে  লা-মোকামে অবস্থান করেছেন উহা হজরত আমির খসরুর লিখিত কালাম হতে পরিষ্কার বোঝা যায়। অবশ্য আমার এই কথাগুলোয় শ্রদ্ধেয় ওহাবি ফেরকার অনুসারীরা কাটা ঘায়ে লবণের ছিটা দেবার মতো ছিলবিলেয়ে উঠবে এবং যা-তা মন্তব্য করতে সামান্য ইতস্ততও করবে না।

সগীরে  আজম, জামালে কিবরিয়া, গোলামে হারিমেনাজ,ফজলে রাব্বানি , আমবারে ওয়ারসী, হেরমায়ে আবদাল, জানজিরে বেখুদি, লাসানিয়ে সিনানাথ, নূরে তাবাসসুম, মেহেতাব বিন্দাবাসি, দিলবারি পায়েন্দবাসি, আশেকা শারমিন্দাবাসি, গোলামে রিন্দী, পীরে এলমে লাহুতি,আম্বারে যিকরে মিম, জজবায়ে আশেকানা, ফিকরে জামালাস, ফিকরে উইসালাস, ফায়েজ মাহাবুবে এলাহী, খায়ের মাকদম,শারমি ফারোশাম, আমাদ তামামি, গোলামে ফা-কুম-কুম ইয়া হাবিবী, বাহুসনে এহে্তেমামত, তোফায়েলে দিগারা ইয়াবাত, মুফ্তা খারাজুয়ে, বেমেছালে লাজশরম, বারকাতকা এজাহার, জামালে এলাহিয়া, হালে মোরাকাবা, চেরাগে রওশন,জালুয়ায়ে নুরে এলাহী, বেনিয়াজ, গুলে বে নাজির, গোলামে বাশানে বাশিরুন, হুব্বেতো মাস্তাম,গোলামে মাকসুদে হাকিকত, পারাস্তারে মহাব্বত, উলুলে মহাব্বত, মোহনী মুরাত, সোহনী সুরাত, বান্দা নেওয়াজ, জালুয়ায়ে দিল, আশিকে জামালে ইয়ার, গোলামে হাসান হোসাইন, ফসলে গুল, গাওহারে মানি, হাকিকাতে মুনতাজার , ছানাম আশেকা, হুব্বে মাকামে কিবরিয়া, মেরা ইমান আলি হ্যাঁয়, ফায়েজে মাহাবুবে জালাল নূরি আল সুরেশ্বরী, হুসনে সানাম, নুরকা পূতলা, সুরাতে বালিহারি, বান্দায়ে তাজদারে হারাম, চেরাগে মহাব্বত, জুলমাতমে নূর, পারাস্তারে সামাদ, গোলামে জুলজালাল,বান্দায়ে ইকরাম, বেখুদি এ সেতারা ও হেলাল, চেরাগে জান শরীফ ডা. বাবা জাহাঙ্গীর ইকবাল ইবনে হেলাল গোলামে শাহ জালাল নূরী  আল সুরেশ্বরী।
(উনার রচিত ২৫ টি বই এবং ৬৩ ঘন্টার মেমোরিকার্ড টি শুনলেই আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন)।

পাগল হয়ে যাব, এত উচ্চমানের লিখা মাথায় আঁটে না। নফস ও রূহের পার্থক্য বিষয়ের উপর লিখতে গিয়ে বাবা জাহাঙ্গীর তাঁর কোরানুল মাজিদের ৬৩ নং পৃষ্ঠায় নিম্নোক্ত লিখাটির অবতারণা করেছেন। "Religious view of World Theology" ক্লাসে আমার ম্যাডামকে ( কোন এক কারণে তাঁর নামটি উল্লেখ করা হল না) এ লেখাটা দেখিয়েছিলাম আর বলেছিলাম আমাকে বুঝিয়ে দিন, প্রত্যুত্তরে কিছুক্ষণ ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থেকে বললেন, "সারাজীবন ভাত খাওয়ার জন্য বিদ্যার্জন করে গেছি, কিন্তু, এ লেখাটা সক্রেটিস শ্রেণির লোকের লেখা যিনি নিজেকে চিনেছেন, এটা রেনে দেকার্তের মতো দার্শনিকদের দর্শন থেকে আরো উচ্চতম দর্শনের লেখা, এটা ডেভিড হিউম আর কান্টদের থেকে অারো অনেক উপরের লেখা, এখানে সমস্ত সন্দেহের অবসান ঘটেছে, এখানে মিলনের প্রশ্নে পুরোটাই Eternal Entity, এখানে দেহধারী মানুষটা নি:সন্দেহে পরমসত্ত্বার প্রতিমূর্তি, যদি তোমার সাথে তাঁর সাক্ষাত হয় তো আমার সালাম পৌঁছে দিও।
আসলে উলঙ্গ সত্য কথাটি বলতে গেলে বলতে হয় যে, রুহুল অামিন হলেন মহানবির অাপন অাধ্যাত্মিক প্রতিচ্ছবি। ইহা জগৎময় ব্যক্তও হতে পারে, আবার যেকোন মূর্তি ধারণও করতে পারে। ইহা স্থান-কালের (টাইম এন্ড স্পেস) সব রকম মানুষের আদি ও আসল রূপ। এইরূপের মাঝে প্রত্যাবর্তন করাই মানবজীবনের পরম এবং চরম স্বার্থকতা। অাল্লাহর নিকট মানুষের প্রত্যাবর্তন করার তথা ফিরে আসার অর্থটিও ইহাই।

ভক্ত Aaga Bagalane (আগা বাগালেন)  র কমেন্টটি তুলে ধরলাম,